8.09.2011

জাকির নায়েকের ইসলাম ও কে এই ডাঃ জাকির নায়েক কি তার মতবাদ বা আক্বিদা?


ডাঃ জাকির নায়েকের জন্ম ১৯৬৫ সালের ১৫ই অক্টোবর ভারতের মুম্বাই নগরীতে। খৃস্টান মিশনারীদের স্কুল সেন্ট পিটার্স হাই স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। অতঃপর হিন্দুদের কৃষ্ণচন্দ্র রাম কলেজ বোম্বাই থেকে এফ.এস.সি পাশ করে। তারপরে বোম্বের ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে এম.বি.বি.এস ডিগ্রি অর্জন করে। হিন্দুদের সথে তার ঘনিষ্টতা এতই বৃদ্ধি পায় যে, তিনি বাদশাহ আকবরের দ্বীনে ইলাহীর মত এক নতুন ধর্মের প্রবক্তা হয়ে তার দরস্ দেয়া শুরু করেন। জীবনের শুরু থেকেই খৃস্টান আর হিন্দুদের সংসর্গে থাকার কারনে ডাক্তার জাকিরের চিন্তাধারা ও মন মানসিকতায় তার ছাপ সুস্পস্ট। আর তার লেবাস-পোষাক, সুরত-আকৃতি একথার স্পস্ট প্রমাণ বহন করে। কুরআনী শিক্ষা থেকে তিনি অনেক দূরে। ফলে তাফসীর বির রায় (মনগড়া তাফসীর) করা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। যদি বলা হয় তাফসীরে তিনি তাহরীফ (বিকৃতী) করেন তাহলে যথার্থ হবে। ইলমে হাদীসের পরিভাষা, মূলনীতি ইত্যাদি সম্পর্কে তার কোন ধারনাই নেই। সব নাজায়েয কে জায়েয করতে ভালবাসেন। লা-মাযহাবিয়্যাতের প্রচার করাই তার মূল উদ্দেশ্য। তিনি ইয়াযীদের ভক্ত তাই তার নামের পাশে রহমতুল্লাহি আলাইহি জুড়তে ভালোবাসেন। হায়াতুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অস্বীকার কারী। গুণাহগার মুসলমানদের একমাত্র সুপারিশ করনে ওয়ালা দো জাহানের কাণ্ডারি শাফিউল মুজনবিন, খতামান্নাবিইয়্যিন, সাইয়্যিদুল মুরছালিন, ইমামুল মুরছালিন, রহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, নূরে মুজাসসাম, হাবিবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত অথচ তিনি অবলিলায় তা অস্বীকার করেন।

জাকির সাহেবের ডিজিটাল ইসলাম ধর্ম প্রচারের ব্যপারে জানা যায় যে ডঃ আহমদ দিদাত রহমতুল্লাহি আলাইহির সাথে ১৯৯৪ সালে বোম্বাই শহরে তার সাক্ষাত হলে তার আদর্শে তিনি অনুপ্রাণিত হন এবং ডাক্তারী পেশা ছেড়ে দিয়ে ডিজিটাল ইসলামি দাওয়াতী কার্যক্রম শুরু করেন। ডাক্তার সাহেব নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি আরবী জানেন না, শুধুমাত্র ইংলিশ লিটারেচারই তার উপজীব্য। তিনি পবিত্র গ্রন্থ কুরআন উল কারিমের হাফেজ ও নন। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে হাদীস শরীফের তালীম (শিক্ষা) গ্রহন করেননি। এম.বি.বি.এস ডাক্তার থেকে তিনি হয়ে গেছেন বিশিস্ট ইসলামীক স্কলার! এর চেয়ে বড় হাস্যকর বিষয় আর কি হতে পারে? ডাক্তারের চিন্তাধারা এবং তার নিউ ইসলামের ধারণার সূত্র যদি দু জাহানের কাণ্ডারি নূরে মুজাসসাম, হাবিবুল্লাহ হুজুরে পাক রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছে থাকে তাহলে সেই সব আহলে ইলম এবং মাদ্রাসার নাম তিনি পেশ করুন যেখান থেকে তিনি এসব শিক্ষা গ্রহণ করেছেন??

পৃথীবির যেকোন বিষয়ের শিক্ষা যদি উক্ত বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের সংস্পর্শে থাকা ব্যতীত আয়ত্ব করা না যায় তাহলে দ্বীনে ইসলামের বুঝ দ্বীনের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকা ছাড়া কিভাবে অর্জিত হতে পারে? কয়েকটা বই পড়ে নিলেই আলেম হওয়া যায়না। তবে তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদ হওয়া যায় কিন্তু দু জাহানের কাণ্ডারি নূরে মুজাসসাম, হাবিবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার নায়েব হওয়া যায় না। ডঃ জাকির নায়েক তার এক লেকচারে বলেন, মনে করুন কারো হার্টে সমস্যা হয়েছে সে হৃদরোগে আক্রান্ত। এমতাবস্হায় সেকি কোন ইন্জিনিয়ারের সাথে পরামর্শ করবে নাকি হার্ট স্পেশালিস্ট এর স্মরণাপন্ন হবে? একথা স্পস্ট যে, এক্ষেত্রে সে কোন আনাড়ী আর মূর্খ ব্যক্তির কাছে না গিয়ে কোন স্পেশালিস্টের নিকটেই যাবে। যেন সে সঠিক চিকিত্সা গ্রহণ করতে পারে। প্রিয় পাঠক মন্ডলী, ডঃ জাকির নায়েকের লেকচারের আলোকে আপনারাই এখন ফায়সালা করুন, কুরআন-হাদীসের ব্যাখ্যার জন্য এবং ধর্মীয় মাসআলা মাসায়িলের সমাধানের জন্য জনগণ কি একজন এম.বি.বি.এস ডাক্তারের স্মরাণাপন্ন হবে নাকি হক্কানী উলামা মাশায়েখের স্বরণাপন্ন হবে?

একজন ইংরেজী শিক্ষিত প্রফেসর ইংরেজীতে দুচারটি বই পুস্তক পড়ে যেমন শরীয়তের ব্যাখ্যা দিতে পারেনা তদ্রুপ একজন ডাক্তারের জন্যও কিভাবে এটা জায়েয হতে পারে যে, ইজতিহাদের যোগ্যতা না থাকা সত্বেও সরাসরি কুরআন-হাদীস থেকে সমস্যার সমাধান দেবে?

এবার ডাঃ জাকির নায়েকের কিছু কুফরি বক্তব্য নিচে পেশ করলাম।

জুময়ার খুৎবা আরবীতে হওয়া জরুরী নয়। লেকচার সমগ্র: ০৪/ পৃষ্টা নং ২৩৯।
তারাবীর নামাজ যত খুশি তত আদায় করা যাবে। লেকচার সমগ্র: ০৫/ পৃষ্টা নং ২৪৭।
মহিলাদের চেহেরা না ঢাকলেও পর্দা হয়ে যাবে। খোৎবাতে জাকির নায়েক: ০১/ পৃষ্টা নং ৩২৬।
যারা হিন্দুস্থানে বাস করে তারা সকলে হিন্দু! কাজেই আমাকে হিন্দু বলতে পারেন। খোৎবাতে জাকির নায়েক: ০২/ পৃষ্টা নং ৩৬৯।
মহিলাদের মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে কোন অসুবিধা নাই। লেকচার সমগ্র: ০৪/ পৃষ্টা নং ২৩৪।
মাযহাব মানা জরুরী নয়, কুরআন-হাদিসের উপর আমল করলে চলবে। লেকচার সমগ্র: ০৫/ পৃষ্টা নং ১০২।
পুরুষ এবং মহিলাদের নামাজে কোন প্রার্থক্য নাই। লেকচার সমগ্র: ০৪/ পৃষ্টা নং ২৪৫।
শিয়া এবং সুন্নিদের মধ্যে কোন প্রার্থক্য নাই। লেকচার সমগ্র: ০৪/ পৃষ্টা নং ৩৬৮।
সিনেমা বানানো বা দেখা জায়েয। লেকচার সমগ্র: ০১/ পৃষ্টা নং ৪৩৪।
টিভিতে কার্টুন, ছবি দেখা জায়েয। লেকচার সমগ্র: ০১/ পৃষ্টা নং ৪৫২।

এখানে আমি শুধু আপনাদের মাঝে ১০টি কথা তুলে ধরছি, এই রকম হাজার হাজার কুফুরি কথা নায়েক সাহেব বলেছেন। এখন আপনারাই বলুন জাকির নায়েক সাহেব মুসলিম নাকি মুরতাদ???

ভিডিও লিঙ্ক সহ তার আরো কিছু কুফরি আক্বিদাহ !!!

তিনি বলেছেন 'রাম ও কৃষ্ণ নবী হতে পারে। (নাউযুবিল্লাহ) (লেকচার সমগ্র ভলিউম নং ২ পৃষ্টা নং ১৬২) ভিডিও দেখুন > এখানে
তিনি একমত হয়েছে যে, 'পবিত্র কুরয়া শরীফে ব্যাকরনগত ভুল আছে' (নাউযুবিল্লাহ) (লেকচার সমগ্র ভলিউম নং ১ পৃষ্টা নং ৫১২) ভিডিও দেখুন > এখানে
সে দু জাহানের কাণ্ডারি নূরে মুজাসসাম, সায়্যিদুল কাওনাইন, রাহমাতাল্লিল আলামিন, শাফিউল মুজনবিন, হাবিবুল্লাহ হুজুরে পাক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার ব্যাপারে এমন বাক্য ব্যবহার করেছে যা সুরা বাকারা ১৫৪নং আয়াত ও সুরা ইমরান ১৬৯নং আয়াত মতে আল্লাহর আউলিয়াদের ব্যাপারেও ব্যবহার করা যাবে না ' ভিডিও দেখুন> এখানে
তিনি বলেছেন 'মিলাদুন্নবী বিদাত ' ভিডিও দেখুন > এখানে
তিনি বলেছেন 'ওযু ছাড়া পবিত্র কুরআন স্পর্শ করা ও পড়া যাবে ' (লেকচার সমগ্র ভলিউম নং ২ পৃষ্টা নং ৬২৬) ভিডিও দেখুন > এখানে
তিনি 'ইয়াজিদের নামের সাথে 'রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ' [Peace Be Upon Him] এই পবিত্র বাক্য ব্যবহার করে হযরত ঈমাম হোসাইনকে আলাইহিস সালামকে অপমান করেছেন ' ভিডিও দেখুন > এখানে
তিনি বলেছেন 'হিন্দুদের বেদ মহান আল্লাহ পাকের বাণী হতে পারে' (নাউযুবিল্লাহ) (লেকচার সমগ্র ভলিউম নং ২ পৃষ্টা নং ১৬২)
সে বলেছে 'ইসলামে চারজন মহিলা নবী ছিলেন' (লেকচার সমগ্র ভলিউম নং ১ পৃষ্টা নং ৩৫৫)
তিনি বলেছেন 'মাজহাবের চারজন ইমামই ভুল করেছেন ' (লেকচার সমগ্র ভলিউম নং ৫ পৃষ্টা নং ৯২) এ ছাড়া তার আরো অনেক আপক্তিকর বক্তব্য রয়েছে যা পবিত্র কুরআন ও হাদিস শরীফের বিপরীত......

ডাক্তার জাকির নায়েক সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহের ফাতওয়াঃ

দারুল উলুম দেওবন্দের ফাতওয়াঃ দারুল উলূম দেওবন্দ মাদরাসার ফাতওয়া বিভাগের পক্ষ থেকে ডাক্তার জাকির নায়েক সম্পর্কে ফাতওয়া প্রদান করে বলা হয়েছে যে, “এই ব্যক্তি নিজে পথভ্রষ্ট এবং অপরকে পথভ্রষ্টকারী।

লেকচার পদ্ধতিতে আধুনিক প্রচার মাধ্যম গ্রহণ করে যে কাজ তিনি চালিয়ে যাচ্ছে, তার সারাংশ হলঃ
(ক) গোটা উম্মতকে হযরত আয়িম্মায়ে মুজতাহিদীন ও ইসলামের প্রসিদ্ধ চার ইমাম (রহিমাহুল্লাহ আলাইহিম)-এর অনুসরণ থেকে বের করে লা-মাজহাবী বানানো।
(খ) দ্বীনের বিজ্ঞ উলামায়ে কিরামের প্রতি সাধারণ মুসলমানদের যে আস্থা ও নির্ভরতা রয়েছে, তা উঠিয়ে দেয়া এবং এ আস্থা ও নির্ভরতাকে কলঙ্কিত করতে যত রকমের কলাকৌশল ও অস্ত্র ব্যবহার করা যায়, তা ব্যবহার করা।
(গ) ফাসিক বেদ্বীনদের চাল-চলন ও বেশ-ভূষার প্রতি সাধারণ মুসলমানদের অন্তরে যে ঘৃণা রয়েছে, তা উপড়ে ফেলা।
(ঘ) ইসলামী শরীয়তের আহকাম ও আকায়িদ-ইবাদতেরতাহকীক-বিশ্লেষণএবং আমল করার ব্যাপারে সাধারণ মুসলমানগণ যে বিজ্ঞ আলেম-উলামাগণের সাথে জুড়ে আছেন, তাদের সেই সম্পর্ককে আলেমগণ থেকে ছিন্ন করে তার নিজের ও তার কম্পাউন্ডের স্কলারদের সাথে জুড়ে দেয়া ইত্যাদি।তাই মুসলমানদের তার ফিতনা থেকে দূরে থাকা কর্তব্য।ফাতওয়া বিভাগ, দারুল উলুম দেওবন্দ, ফাতওয়া নং ৩১৩৯২, ফাতওয়া প্রদানের তারিখ: ১০ এপ্রিল ২০১১ ইং।

এমনকি ডাঃ জাকির নায় কে বিশ্বের ৫০০ এর অধিক ইসলামিক ইন্সটিটিউট থেকে "কাফির" ফতোয়া দিয়েছে বিস্তারিত দেখুন www.cifiaonline.com/drzakirnaik.htm

মহান আল্লাহ পাক আমাদের ব্যাক্তি পূজা তেকে হেফাজত করুন এই কামনা উনার পাক কুদরতি কদম মুবারকে।

বিঃদ্রঃ শেয়ার করা ঈমানি দায়িত্ব কারণ বর্তমানে ডাঃ জাকির নায়েক এর লেকচার শুনে সাধারন মানুষ ঈমান আকিদা নষ্ট করছে ডাঃ জাকির নায়েক ''এর ফিত্না থেকে ঈমান বাঁচান !!!


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

4 comments:

  1. আপনি কি এখনও আগের মতই চিন্তা ধারা নিয়ে আছেন? নাকি চিন্তা ধারার পরিবর্তন হয়েছে? এজন্যই বলছি যে, পরিবেশ ও পারিপার্শিকতার কারণে কোন একটি বিষয়ে মানুষ হয়তো কোন বিষয়কে ভুল বুঝতে পারে, কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এক সময় ভুলটা বুঝতে পারে। মানুষ ভুল করবে, আবার তার সংশোধন করবে এটাই তার প্রকৃতি। আপনি এই পোষ্টটা যখন করেছেন তখন হয়তো আপনার যে জ্ঞান ছিল, পরবর্তিতে সেই জ্ঞানের পরিধী আরো বেড়েছে। এটাই তো স্বাভাবিক। আমার ধারণা , আপনি জাকির নাইক সম্পর্কে আপনার ধারণা পরিবর্তন করেছেন। আর তা না হয়ে থাকলে ভবিশ্যতে করবেন ইনশা আল্লাহ। আর তারপরও যদি না হয় তবে ধরেই নিবো যে, সীলমোহর পড়ে গেছে। তবে দুঃখ হল, আপনি পীরতন্ত্রের বা মাজারতন্ত্রের মানুষ। আপনি খোলা মনে কোরান ও হাদিস অধ্যায়ন করেন তাহলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে, কিছু লোক ইসলামকে কলুষিত করেছে। আর সেই কলুষিত ইসলামই আমাদের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, কিন্তু সঠিক ইসলাম আজ ভুল প্রমাণিত হতে বসেছে। এটা মুলতঃ কিছু লোকের মুর্খতার কারণে। কিছুটা সেই দোষে দুষ্ট, আমার বাপ দাদারা কি তাহলে ভুল পথে ছিল? তারা কি ভুল করেছে? তাদের পক্ষে ভুল করা কিভাবে সম্ভব? অর্থাৎ বাপ দাদাকে ইসলামের মানদন্ড বানাচ্ছে, কিন্তু একবার ও ভেবে দেখছে না যে, কোরান কি বলছে? হাদিস কি বলছে? সাহাবীরা রাঃ কিভাবে করেছেন? এগুলো না ভেবে বরং বাপ দাদারা বংশপরম্পরায় কিভাবে করে আসছে সেদিকেই নজর বেশি। এটাই ভ্রান্তি। ইনশাল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা বিশেষ কোন পক্ষ না নিয়ে বরং আল্লাহর কাছে এভাবেই দোয়া করবো যে, হে আল্লাহ তুমি আমাদেরকে সঠিক পথের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখো। সকল বিভ্রান্তি থেকে হেফাজত করো। যারা তোমার সঠিক পথের দিকে মানুষ্কে ডাকে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থা নেওয়া থেকে আমাদেরকে বিরত রাখো। আমীন।

    ReplyDelete
    Replies
    1. :d :d :d :d :d :d আপনি কি জানেন যে আপনি অলরেডি কাফের হয়ে গেছেন? তওবা করে কলিমা পড়ে মুসলিম হোন এখনো সময় আছে।

      Delete
  2. ভাই, খুব ভালো একটি কাজ করেছেন । আল্লাহ্‌ আপনাকে নেক হায়াত দান করুন।
    এবং এই ফিতনা থেকে দুরে রাখুন।

    ReplyDelete
  3. যার সাথে আপানার তুলনাই হয় না। যে মানুষটির পায়ের নখের পরিমান আপ্নের সাথে তুলনাই হয় না তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কইথেকে আসে।তিনি কুরআন ব্যকারন গত ভুল আছে বলে নাই উনি উল্টা ইসলাম বিরোধী একজন এর মিথ্যচার এর জবাব দিয়েছিলেন সেই কাফের বলেছিল কুরআন এ ভুল আছে 😑 আপ্নেদের পীর সাহেবেরা তোহ উনার পায়ের কাছে পাশে ও যোগ্যতা রাখে নাহ।

    ReplyDelete