1.25.2013

ছয় উছুলী তাবলীগীদের কতিপয় কুফরী আক্বীদা ও বক্তব্য

মালফুযাতর ৪৩ পৃষ্ঠার ৪২ নম্বর মালফুযে, ‘নবুওয়তমাওলানা ইলিয়াছ নামক কিতাবের ৩০-৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, “মুসলমান দুপ্রকার- একদল প্রচলিত তাবলীগের জন্য হিজরত করবে, দ্বিতীয় দল নুছরত বা সাহায্য করবে, এ দুদলই মুসলমান। অর্থাৎ যারা প্রচলিত তাবলীগও করবে না আর তাবলীগকারীদেরকে সাহায্যও করবে না, তারা মুসলমান নয়।নাউযুবিল্লাহ! (তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ১৭৪, দাওয়াতে তাবলীগ কি ও কেন? লেখক- মাওলানা ওবায়দুল হক পৃষ্ঠা ২১, হযরতজীর কয়েকটি স্মরণীয় বয়ান ২য় খ- পৃষ্ঠা ১১)

প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের সমর্থনপুষ্ট প্রায় কিতাবেই একথা লেখা আছে যে, নবী আলাইহিমুস সালামগণ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুল করেছিলেন। যেমন- হযরত আদম আলাইহিস সালাম তিনি গন্দম খেয়ে ভুল করেছিলেন ও হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি দিনের দাওয়াত না দিয়ে ভুল করেছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ! (মালফুযাতে শায়খুল হাদীস পৃষ্ঠা ২৩১, তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ৬১)

হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকদের আক্বীদা হলো যে, “দাওয়াত বন্ধ করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম উনাকে গযবে ফেলিলেন।” “হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি মাছের পেটে ৪০ দিন আবদ্ধ থাকিয়া নিজ ত্রুটি স্বীকার করিয়া তওবা করিবার কারণে বিপদ হইতে উদ্ধার পাইলেন।নাউযুবিল্লাহ! (তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ৬২ ও ৮৯)

প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকেরা আরও বলে থাকে যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গারে হেরায় চিল্লা দেয়ার উসীলাই কুরআন ও নুবুওওয়াত প্রাপ্ত হয়েছেন। যেমন এ প্রসঙ্গে তাদের কিতাবে বিবৃত হয়েছে- হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৪০ দিন পর্যন্ত গারে হেরাপর্বতে থাকিয়া মহান আল্লাহ পাক উনার ধ্যান ও যিকিরে চিল্লা দিলেন, যাহার ফলে তিনিও কুরআন ও নুবুওওয়াত প্রাপ্ত হইলেন।নাউযুবিল্লাহ! (তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ৮৯)

মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী লিখিত তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্বনামক কিতাবের ৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, “লক্ষাধিক সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে অধিকাংশই মূর্খ ছিলেন।নাউযুবিল্লাহ! (শরীয়তের দৃষ্টিতে তাবলীগী নেছাব লেখক- মাওলানা জাকারিয়া সাহেব পৃষ্ঠা ১৩, তাবলীগী জামায়াতের প্রধানের তর্ক ও ইচ্ছা পৃষ্ঠা ৮)

প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকেরা বলে থাকে যে, হিদায়েতের ক্ষেত্রে মূর্খরাই সমধিক উপযুক্ত। যেক্ষেত্রে নবীগণ এবং আলেমরা ফেল করে, সেখানেও মূর্খরা কৃতিত্ব দেখায়। নাউযুবিল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী লিখিত তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্বনামক কিতাবের ১১৬ পৃষ্ঠায় একথা লেখা আছে যে, “অনেক স্থলে নবীগণ পর্যন্ত হিদায়েতে বিরাট সঙ্কটে ও বিপদে পড়িয়াছিলেন, তাই অনেক স্থলে বিরাট আলেমও ফেল পড়িতেছে। কিন্তু মূর্খগণ তথায় দ্বীন জয় করিতেছে।নাউযুবিল্লাহ! এ ধরনের আরও বহু কুফরী বক্তব্য ও আক্বীদা তাদের কিতাবে রয়েছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: