5.10.2013

নববর্ষ পালন করা কুফুরী তাই যে ব্যক্তি জেনে শোনে বুঝেও তা পালন করে সে মুরতাদ হয়ে যাবে

সম্মানিত পবিত্র দ্বীন ইসলামেঃ নওরোজ, পহেলাবৈশাখ, Happy New Year পালন করা কুফুরী। যে ব্যক্তি জেনে শোনে বুঝেও তা পালন করে অথবা পালন করা যায়েজ মনে করে বা পালন করা যায় বলে সে মুরতাদ হয়ে যায় পবিত্র দ্বীন ইসলামের শরীয়ত এর ফায়সালা অনুসারে।

এবার আসুন জানি কেনো পহেলাবৈশাখ পালন করলে একজন মুমিন-মুসলমান পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে কাফির-মুরতাদ হয়ে যায়?

বাংলাদেশ সহ ভিবিন্ন দেশের মুসলিম নামধারী কিছু মানুষকে দেখা যায় তারা নওরোজ অথবা আরবী বছরের প্রথম দিন তথা পহেলা মুহররম অথবা পহেলাবৈশাখ, Happy New Year পালন করে। অথচ নওরোজ হচ্ছে সম্পূর্ণ বিধর্মীদের কালচার যা মুসলমানদের জন্য পালন করা হারাম কুফুরি। এ বিষয়ে নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-

পবিত্র দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে নাযিলকৃত, একমাত্র পরিপূর্ণসন্তুষ্টিপ্রাপ্তনিয়ামতপূর্ণঅপরিবর্তনীয় ও মনোনীত দ্বীন। যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবত থাকবে আর প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি  “সূরা আলে ইমরানের (আলাইহিস সালাআম) [إِنَّ ٱلدِّينَ عِندَ ٱللَّهِ ٱلْإِسْلَـٰمُ] ১৯ নং আয়াত শরীফ-এ বলেন, “নিশ্চয়ই পবিত্র দ্বীন ইসলামই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে একমাত্র গ্রহনযোগ্য দ্বীন।

অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতিত অন্য কোন দিন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট গ্রহনযোগ্য নয় বরং বাতিল এবং তাদের সমস্থ কার্যক্রম বাতিল এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতিত অন্য কোনো ধর্মের আচার ব্যবহার রিতি নিতি পালন বা অন্য ধর্মের প্রতি উৎসাহ প্রদান করাও কুফুরি আর এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেনঃ [وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ ٱلْإِسْلَـٰمِ دِينًۭا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنَ ٱلْخَـٰسِرِينَ] যে লোক মহাপবিত্র সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মীয় রিতিনিতি তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত তথা সে যাহান্নামিদের সাথেই থাকবে (সূরা আলে ইমরান (আলাইহিস সালাআম) আয়াত শরীফ ৮৫)

অথচ আমরা হুবুহ কাফের মুশরেক ইহুদী নাসারাদের মতো সবকিছু করে যাচ্ছি।

নওরোজ বা নববর্ষ পালনের উৎস পারস্যের অগ্নি উপাসক তথা মজুসীদের থেকে এসেছেঃ “ঐতিহ্যমতে প্রাচীন পারস্যের পরাক্রমশালী সম্রাট জমশীদ খৃষ্টপূর্ব ৮০০ সালে এই নওরোজের প্রবর্তন করেছিলো। সেই সময় হতে যুগে যুগে কাফেরদের দ্বারা উদযাপিত হইয়া ইহা জাতীয় আনন্দময় নববর্ষ দিবসে পরিণত হইয়াছে। এবং এরই ধারাবাহিকতা এখনো পারস্য তথা ইরানে নওরোজ ঐতিহ্যগত নববর্ষের জাতীয় উংসব। ইরান হতেই ইহা একটি সাধারণ সংস্কৃতির ধারা বহিয়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মুসলিম দেশ এবং ভারত উপমহাদেশে প্রবেশ করে। পারসিক কালচারে সমৃদ্ধ কাট্টা শিয়াদের রাষ্ট্র ইরানে এখনো ইহা জাতীয় দিবস এবং দেশের সকল অধিবাসীর মহা আনন্দ উৎসবের সঙ্গে উদযাপন করিয়া থাকে, ২২-২৪ মার্চ সেখানে ঈদ-ই নওরোজের রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন।” (দলীল- ইসলামী বিশ্বকোষ ১৩ তম খন্ড ৬০৯ পৃষ্ঠা। প্রকাশনা- ইসলামী ফাউন্ডেশন।)

নওরোজ হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষবাদীদের উৎসব : “পারস্যের সুপ্রাচীন কাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত ইহা ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব হিসেবে চিরদিন বিরাট আনন্দ উৎসবের সঙ্গে পালিত হইয়া আসিতেছে।”(দলীল-  ইসলামী বিশ্বকোষ ১৩ তম খন্ড ৬০৯ পৃষ্ঠা। প্রকাশনা- ইসলামী ফাউন্ডেশন)
বাদশাহ হুমায়ূনের আমলে শিয়াদের প্রধান্যের কারনে তাদের দ্বারাই ভারতে তথা বাংলাদেশে নওরোজ বা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় : “মুঘল সম্রাট হুমায়ুন পারস্য সম্রাট ২য় শাহ তাহমাসপ এর সৈন্যের সহায়তায় দ্বিতীয়বার পিতার সিং হাসন অধিকার করিলেও (১৫৫৬ খৃ) তখন হতে উপমহাদেশের ব্যাপকভাবে ইরানী শিয়াগণের আগমন ঘটিতে থাকে এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক রীতিনীতিতে ইরানী (শিয়া) প্রভাব ক্রমেই বৃদ্ধি পাইতে থাকে। নওরোজ উৎসব এই সময় হতেই সাম্রাজ্যের সর্বত্র উদযাপিত হতে হতে থাকে। আগ্রা ও দিল্লীতে এই দিনে বিরাট রাষ্ট্রীয় ভোজ এবং সর্বসাধারনের মেলা, ক্রীড়া, রাত্রে বাতি জ্বালানো উৎসব হইতো কিন্তু বিশেষ উৎসবটি হত রাজপ্রাসাদ এলাকাতে বিশিষ্ট ব্যক্তিগনের সমাবেশ। (দলীল- ইসলামী বিশ্বকোষ ১৩ তম খন্ড ৬০৯ পৃষ্ঠা)

নববর্ষ পালন দ্বীন- ই- ইলাহীর প্রবর্তক আকবরের আরেক প্রচলন : “সুলতানী আমলে এই দেশের সমাজ জীবন প্রচলিত উৎসব অনুষ্ঠানের মধ্যে নববর্ষ বা নওরোজের কোন উল্লেখ নাই। বস্তুত নববর্ষ বা নওরোজ উৎসব এবং তা সম্রাট আকবরের আমলে নতুন সন আকবরী সন বা ফসলী সন প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আসিয়াছে। সম্রাটের ফরমানে প্রত্যেক সনের রাষ্ট্রীয় ছুটির দিনগুলো উল্লেখিত ছিলো, সকলের আগে নওরোজের কয়েকদিনএবং নির্দেশ ছিলো যে, প্রত্যেক শহরে ও গ্রামে গ্রামে সেই উপলক্ষে যেন ভোজ ও উৎসব করা হয়।” (দলীল- ইসলামী বিশ্বকোষ)

পূর্বে ভারতবর্ষে নওরোজের প্রচলন ছিলো না : এ উপমহাদেশে বিভিন্ন ইরানী রীতিনীতি প্রচলিত হতে থাকলেও প্রাক মুঘল যুগে কোথাও নওরোজ পালিত হয়েছিলো বলে জানা যায় না।” (দলীল-ইসলামী বিশ্বকোষ ১৩/৬০৯)

মুসলমানদের সাংস্কৃতিতে নওরোজ কখনোই গৃহীত হয় নাই : “ফার্সী নববর্ষের দিন, আরবী গ্রন্থসমূহে প্রায় নওরোজরূপে উল্লেখিত ( কালকাশান্দী, সুবহুল আশা, ২য় খন্ড ৪০৮ পৃষ্ঠা)। পারস্যের সৌরসালের ইহা ছিলো প্রথম দিন এবং মুসলিম চন্দ্র সহ হিজরীতে ইহা গৃহীত হয় নাই।” (দলীল- ইসলামী বিশ্বকোষ ১৩ তম খন্ড ৬০৯ পৃষ্ঠা)

উপরোক্ত ঐতিহাসিক পর্যালোচনা থেকে জানা গেলো নওরোজ বা নববর্ষ উৎসব পালন মূলত পারসিক অগ্নি উপাসকদের দ্বারা, এবং পরবর্তীতে এর বিস্তার হয় ইরানের শিয়াদের মাধ্যমে। তারপর দ্বীনে ইলাহী প্রবর্তক কাফির বাদশা আকবর এটা রাষ্ট্রীয় ভাবে পালনের ফরমান জারি করে। এদিন উৎসবের নামে তাদের বিভিন্ন অসামাজিক কার্যক্রম, মদ পান, জুয়া ইত্যাদি অনৈসলামিক কার্যকলাপ হয়ে থাকতো। শুধু তাই নয় এটা ছিলো ধর্মনিরপেক্ষ একটি অনুষ্ঠান, যা ইসলামে সম্পূর্ণ নাজায়িয।

লক্ষ লক্ষ ওলী আল্লাহ এই উপমহাদেশে আগমন করেছেন কখনো কারো দ্বারা এই আমল করতে দেখা যায় নাই। এবং ১৪ বছর মুসলিম ইতিহাসে নববর্ষ পালনের কোন প্রমানও নেই। তাই এটা সুস্পষ্ট বিদয়াত এবং বিধর্মীদের রীতি অনুসরন হওয়াতে নাজায়িয হারাম।

আর নওরোজ বা বছরের প্রথম দিন পালন যে ইসলামে নিষিদ্ধ তার স্পষ্ট দলীল: হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
«قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَلَهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُونَ فِيهِمَا، فَقَالَ: ” مَا هَذَانِ الْيَوْمَانِ؟قَالُوا: كُنَّا نَلْعَبُ فِيهِمَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَبْدَلَكُمْ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا: يَوْمَ الْأَضْحَى، وَيَوْمَ الْفِطْرِ»
হযরত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আগমন করলেন, তখন তাদের দুটি দিন ছিল, যেখানে তারা খেলা-ধুলা করত। তিনি বললেন: এ দুটি দিন কি? তারা বলল: আমরা এতে জাহিলি যুগে খেলা-ধুলা করতাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তার পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম দুটি দিন দিয়েছেন: ঈদুল আদহা ও ঈদুল ফিতর” (আবু দাউদ শরীফ ১১৩৪, আহমদ: ১৩২১০, হাকেম: ১১২৪)
ঐ দুটি দিন ছিল নওরোজবা নববর্ষ। অর্থাৎ সৌরবর্ষের প্রথম দিন এবং মেহেরজানবছরে এইদিন রাত্রি-দিন সমান হয়।

যেটা হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: مَنْ تَنَافَى أَرْضَ الأَعَاجِمِ فَصَنَعَ نَيْرُوزَهُمْ وَمَهْرِجَانِهِمْ حُشِرَ مَعَهُمْ
অর্থ: যে অনারব দেশ বিচরণ করেঅতঃপর তাদের নওরোজ ও মেহেরজান উৎযান করে, তাদের সাথে তাকে উঠানো হবে” (সুনানে বায়হাকী ২য় খণ্ড, ৩২৫ পৃষ্ঠা) ইবনে তাইমিয়া এই হাদীস সহীহ বলেছে।

ইবনে তাইমিয়াহ  বলেছে : “এ হাদীস প্রমাণ করে যে, মুসলমানদের জন্য কাফেরদের উৎসব পালন করা হারাম। কারণ, রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনসারদের জাহিলী যুগের দুটি উৎসব বহাল না রেখে রহিত করে দিয়েছেন। তাদের রীতি অনুযায়ী সেই দুইদিন তাদের আমোদ-উৎসবের অনুমতি দেননি। বরং তা রদ করে বলেছেন—“নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এ দুটি বদল করে দিয়েছেন।এর দাবী হচ্ছেপূর্বের আমল ত্যাগ করা। কারণ, বদল করার পর উভয় বিষয়কে জমা করা যায় না। কেননা, বদল শব্দের অর্থ হলো, একটি ত্যাগ করে অপরটি গ্রহণ করা। (ফাইজুল কাদির, ৪র্থখণ্ড, ৫১১ ‍পৃষ্ঠা)

উক্ত হাদীছ দ্বারা নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উক্ত দুই দিন ব্যতীত অন্যান্য যাবতীয় উৎসব রহিত করেছেন এবং তার মুকাবিলায় উক্ত দুটি দিনকে সাব্যস্ত করেছেন। নওরোজ (নববর্ষ) ও মেহেরজান সহ কাফিরদের যাবতীয় উৎসবকে সম্মান প্রদর্শন করা যে নিষিদ্ধ উক্ত হাদীছে তার দলীল রয়েছে। ইবনু হাজার বলেন, ‘মুশরিকদের উৎসব সমূহে খুশী করা কিংবা তাদের মত উৎসব করা উক্ত হাদীছ দ্বারা অপসন্দনীয় প্রমাণিত হয়েছে। শায়খ আবু হাফছ আল-কাবীর হানাফী বলেন, ‘এসব দিনের সম্মানার্থে মুশরিকদের যে একটি ডিমও উপঢৌকন দিল, সে আল্লাহর সাথে কুফরী করল। কাযী আবুল মাহাসেন হাসান মানছূর হানাফী বলেন, ‘এ দিনের সম্মানার্থে কেউ যদি ঐ সব মেলা থেকে কোন জিনিষ ক্রয় করে কিংবা কাউকে কোন উপঢৌকন দেয়, সে কুফরী করল। এমনকি সম্মানার্থে নয় বরং সাধারণভাবেও যদি এই মেলা থেকে কিছু ক্রয় করে কিংবা কাউকে এই দিনে কিছু উপঢৌকন দেয়, তবে সেটিও মাকরূহ’ (মিরআত শরহ মিশকাত, ‘ছালাতুল ঈদায়েন’ অধ্যায় ৫/৪৪-৪৫ পৃঃ)

সূতরাং দেখা গেলো, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের পর মদীনা শরীফ গিয়ে ঐ এলাকাবাসীর দুটি উৎসব বন্ধ করেছিলেন। একটি হচ্ছে, বছরের প্রথম দিন উদযাপন বা নওরোজ; অন্যটির নাম ছিলো মিহিরজান। এ উৎসবের দুটির বিপরীতে চালু হয় মুসলমানদের দুই ঈদ। (তাফসিরসমূহ দেখতে পারেন) মূলত: নওরোজ বা বছরের প্রথম দিন পালন করার রীতি ইসলামে নেই, এটা পার্সী মজুসীদের (অগ্নিউপাসক) অনুকরণ।

নওরোজ বা বছরের পহেলা দিন সর্ম্পকে উলামায়ে কিরামগনের মতামত:

(১) ইমাম ফখরুদ্দীন উসমান বিন আলী আয যাইলায়ী বলেন: * “নওরোজ ও মেলার নামে কিছু দেয়া নাজায়েয। এ দুই দিনের নামে প্রদত্ত হাদিয়া হারাম; বরঞ্চ কুফর (গ্রন্থ তাবইনুল হাকায়েক : ৬/২২৮)

(
২) ইমাম হাফস কবীর রহমতুল্লাহি বলেন: *(ক) “নওরোজ বা বছরের প্রথম দিন উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে তা বরবাদ হয়ে যাবে” *(খ) “যে ব্যক্তি নওরোজের দিন এমন কিছু খরিদ করল যা সে পূর্বে খরিদ করত না, এর মাধ্যমে সে যদি ঐ দিনকে সম্মান করতে চায় তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।

(
৩) হাম্বলি মাযহাবের ফিকাহর গ্রন্থ ‘আল- ইকনা’ তে বলা হয়েছে- “কাফিরদের উৎসবে যোগদান করা, সেই দিন উপলক্ষে বেচা- বিক্রি করা ও উপহার বিনিময় করা হারাম

বিধর্মীদের রীতিনীতি অনুসরন করা সর্ম্পকে শরীয়তের ফয়সালা: হযরত আবু উমামা বাহেলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছেহযরত রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ইরশাদ করেন– “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের কৃষ্টি-কালচারের অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য হবে এবং যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়কে মহব্বত করবে, তাদের সাথে তার হাশর হবে।” (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৫১৪)

সূতরাং উক্ত হাদীস শরীফের আলোকে বিধর্মীদের কোন সাদৃশ্য রাখা যাবে না। রাখলে অবশ্যই ধ্বংশ হয়ে যাবে। নওরোজ যেহেতু  বিধর্মীদের কালচার সেহেতু কোনভাবেই নওরোজ পালন করা যাবে না। আরেকটা হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “তোমরা অন্ধকার রাতের ঘনঘটার ন্যায় ফেতনার পূর্বে দ্রুত আমল কর [যখন] কোন ব্যক্তি ভোর করবে মুমিন অবস্থায়, অতঃপর সন্ধ্যা করবে কাফির অবস্থায়; অথবা সন্ধ্যা করবে মুমিন অবস্থায়, আর ভোর করবে কাফির অবস্থায়। মানুষ তার দ্বীনকে বিকিয়ে দিবে দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের বিনিময়ে।” (সহীহ মুসলিমহাদীস নং ১৭৩) 

অথচ এই কুফরী পহেলাবৈশাখে রয়েছে ঈমান ইসলাম ধংষকারি

১) হিন্দুদের ঘটপূজা
২) হিন্দুদের গণেশ পূজা
৩) হিন্দুদের সিদ্ধেশ্বরী পূজা
৪) হিন্দুদের ঘোড়ামেলা
৫) হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা
৬) হিন্দুদের চড়ক বা নীল পূজা বা শিবের উপাসনা ও সংশ্লিষ্ট মেলা
৭) হিন্দুদের গম্ভীরা পূজা
৮) হিন্দুদের কুমীরের পূজা
৯) হিন্দুদের অগ্নিনৃত্য
১০) ত্রিপুরাদের বৈশুখ
১১) মারমাদের সাংগ্রাই ও পানি উৎসব
১২) চাকমাদের বিজু উৎসব
(ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমাদের পূজাউৎসবগুলোর সম্মিলিত নাম বৈসাবি)
১৩) হিন্দু ও বৌদ্ধদের উল্কিপূজা
১৪) মজুসি তথা অগ্নি পূজকদের নওরোজ
১৫) হিন্দুদের বউমেলা
১৬) হিন্দুদের মঙ্গলযাত্রা
১৭) হিন্দুদের সূর্যপূজা

দেখা যাচ্ছে, পহেলা বৈশাখে কাফিরদের বিভিন্ন পূজা ও অনুষ্ঠান বিদ্যমান, কিন্তু মুসলমানদের এই দিনে কোন অনুষ্ঠানই নাইতাহলে মুসলমান কেনো শিরকী অনুষ্ঠানের দিন কে বর্জন করে না???

অথচ হযরত ইমাম আবু হাফস্ কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, নওরোজ বা নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটি ডিমও দান করে তাহলে তার ৫০ বছরের আমল থাকলে তা বরবাদ হয়ে যাবেঅর্থাৎ নওরোজ বা নববর্ষ পালনের কারণে তার জিন্দেগীর সমস্ত নেক আমল বরবাদ হয়ে যাবেঅতত্রব, পহেলবৈশাখ উপলক্ষে বিশেষ পোশাক পরিধান করা, ব্যবসা-বাণিজ্য করা, দ্রব্যমূল্যে বিশেষ ছাড় দেয়া, ইলিশ-পান্তা খাওয়া, ফলমুল খাওয়া সবকিছুই বিজাতীয় ও বিধর্মীয় সংস্কৃতির সাথে তাশাব্বুহ বা মিল হিসেবে হারামের অন্তর্ভুক্তযদি কোনো মুসলমান তাদের সাথে মিল রেখে পহেলা বৈশাখ পালন করে তবে শরীয়ত-এর দৃষ্টিতে সে আর মুসলমান থাকতে পারে না যদিও তা নফল নামায বা মিলাদ শরীফ পড়ে করে থাকেঅর্থ্যাৎ তার জীবনের সব নেক আমল বরবাদ হয়ে যায়

কোন বছরের পহেলা দিবস পালন করা মজুসী বা অগ্নি উপাসকদের একটি একান্ত উৎসবের দিনপরবর্তীতে অবশ্য অন্যান্য মুশরিক ধর্ম যেমনঃ বৌদ্ধ, হিন্দু ও উপজাতিরাও এ দিবসটিকে উৎসব ও পূজার দিন হিসেবে গ্রহণ করে

তাই পহেলা বৈশাখ দুটি কারণে হারাম ও কুফরীঃ
এটি মজুসীদের অনুকরণ
এটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও উপজাতিদের পূজা ও উৎসবের সাথে সদৃশ্য
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ইসলাম কি কাফিরদের সাদৃশ্যপূর্ণ আমল করার অনুমতি দেয়?? পবিত্র কুরআন শরিফ আর হাদীস শরিফ এ সম্পর্কে কি বলেন???

পবিত্র আল কুরআনে আছেঃ [وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ ٱلْإِسْلَـٰمِ دِينًۭا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنَ ٱلْخَـٰسِرِينَ] যে লোক মহাপবিত্র সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মীয় রিতিনিতি তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত তথা সে যাহান্নামিদের সাথেই থাকবে (সূরা আলে ইমরান (আলাইহিস সালাআম) আয়াত শরীফ ৮৫)

পবিত্র হাদীস শরীফে আছেঃ عن جابر رضى الله تعالى عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم حين اتاه عمر فقال انا نسمع احاديث من يهود تعجبنا افترا ان نكتب بعضها فقال امتهوكون انتم كما تهوكت اليهود والنصرى لقد جئتكم بها بيضاء نقية ولو كان موسى حيا ماوسعه الا اتباعى.
অর্থঃ হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন যে, একদিন হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার নিকট এসে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা ইহুদীদের থেকে তাদের কিছু ধর্মীয় কথা শুনে থাকি, যাতে আমরা আশ্চর্যবোধ করি, ওটার কিছু আমরা লিখে রাখবো কি? নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরাও কি দ্বিধাদন্দ্বে রয়েছো? যে রকম ইহুদী নাছারারা দ্বিধাদন্দ্বে রয়েছে? অবশ্যই আমি তোমাদের নিকট পরিপূর্ণ, উজ্জ্বল ও পরিষ্কার দ্বীন নিয়ে এসেছিহযরত মুসা আলাইহিস্ সালাম-ও যদি আজকে দুনিয়ায় বিদ্যমান থাকতেন, তাহলে উনাকেও আমার অনুসরণ করতে হতো(মুসনদে আহমদ, বায়হাক্বী শরীফ, মিশকাত শরিফ)

হাদীস শরীফে বর্ণিত রয়েছেঃ عن عمرو بن شعب عن ابيه عن جده ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس منا من تشبه بغيرنا.
অর্থঃ হযরত আমর বিন শুয়াইব উনার পিতা থেকে এবং তিনি উনার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মোবারক করেন, ঐ ব্যক্তি আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে বিজাতীয়দের সাথে সাদৃশ্য রাখে(মিশকাত শরিফ)

ইহুদীরা আশুরা উপলক্ষে একটি রোজা রাখতনবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিষয়টি অবহিত হয়ে মুসলমানদের রোজা রাখার অনুমতি দিলেন, যেহেতু রোজা মুসলমানরাও রাখেকিন্তু ইহুদীদের সাদৃশ্য না রাখার জন্য দুইটি রোজা রাখতে বলবেনতাই আশুরা উপলক্ষে ১টি রোজা রাখা মাকরুহ

হাদিস শরীফে আর আছে যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে সে তাদের দলভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে” (আবু দাউদ শরিফ, মিশকাত শরীফ)

এরকম হুকুম পবিত্র কুরআন শরিফ হাদীস শরিফ উনাদের বহু জায়গায় কাফির-মুশরিকদের অনুরসরণ-অনুকরণ করতে সরাসরি নিষেধ করা হয়েছেএবং যে এরুপ করবে সে সৃষ্টির মালিক স্রষ্টা আল্লাহ পাক উনার আদেশ অমান্য করে ইসলামচ্যূত মুরতাদ হয়ে যাবে

কিন্তু এখানে অনেকে বলতে পারেঃ আমরা যে কম্পিউটার, গাড়ি, প্লেন ইত্যাদি কাফিরদের তৈরী জিনিস ব্যবহার করছি সেগুলো কি হালাল?? ঐগুলো কেন বর্জন করি না

কাফিরদের তৈরী জিনিস ব্যবহার করা কি হারাম??

উত্তর হিসেবেঃ নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিশরের সূতি কাপড় পরিধাণ করতেন, ইয়েমেনী চাদর ব্যবহার করতেন এবং রোম-পারস্যের যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করতেন, যেসব দেশে ঐ সময় মুসলমানরা থাকত না, সবাই কাফির ছিলোঅর্থ্যাৎ তিনিই নিজেই কাফিরের তৈরী জিনিস ব্যবহার করেছেনতাহলে বিষয়টি আসলে কি??

মূলত এখানে দু্ইটি বিষয় আছেঃ
কাফিরের তৈরী জিনিসপত্র, (যায়েজ)
কাফিরদের নিয়মনীতি বা সংস্কৃতি(নাজায়েজ)

যারা এ দুটি বিষয়ের পার্থক্য ধরতে পারে না তারাই এ ধরনের প্রশ্ন করে থাকেএখানে মনে রাখতে হবে হাদীস শরীফে আছেঃ নিশ্চয়ই দুনিয়ার সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে আপনাদের(মুসলমানদের) জন্য, আর আপনাদের সৃষ্টি করা হয়েছে আখেরাতে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি হাসিলের জন্যঅর্থ্যাৎ সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে মুসলমানদের জন্য, এমনকি কাফিররাও মুসলমানদের খাদিমসেজন্য খাদিম মনিবকে অনেককিছু বানিয়ে দিতে পারেমুসলমান সবকিছু গ্রহণ করবে এমন কোন কারণ নাইযেগুলো শরীয়ত সম্মত সেগুলোই গ্রহণ করবে, যে জিনিস শরীয়ত সম্মত নয় (যেমন মদ) সেগুলো গ্রহণ করবে নাঅপরদিকে মাল-সামানা ব্যবহার করতে পারলেও সংস্কৃতি বা নিয়ম নিতি রিতি নিতির ব্যাপারে কাফিরদের থেকে কোন কিছুই গ্রহণ করা যাবে নাএবং কেউ যদি গ্রহণ করে তবে উপরক্ত আয়াত শরীফ ও হাদীস শরীফ অনুসারে সে মুরতাদ ও কাফির বলে গণ্য হবে

তাই ইসলামী শরীয়ত অনুসারে পহেলা বৈশাখ পালনকারী মুরতাদ বা ইসলামচ্যূত হয়ে যাবে আর মুরতাদের শাস্তি হচ্ছেঃ
১/ তার জীবনের সমস্ত নেক আমল বাতিল হয়ে যাবে
২/ পবিত্র হজ্জ করলে তা বাতিল হয়ে যাবে
৩/ স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে, এরপর সন্তান হলে জারজ সন্তান হবে
৪/ ওয়ারিস সত্ত্ব বাতিল হয়ে যাবে
৫/ মারা গেলে জানাজা পরা যাবে না, কেউ ঐ ব্যক্তির জানাজা পরলে সেও মুরতাদ হয়ে যাবে
৬/ তাকে মুসলিম উপায়ে কবর দেয়া যাবে না, কুকুর বিড়ালের মত মাটির নিচে পুতে রাখতে হবে

এখানে স্মরণীয় মহান আল্লাহ বলেন, “তোমরা যা জানো না, তা আহলে যিকির (ওলী আল্লাহগণ) উনাদের থেকে যেনে নাওতাই বিভিন্ন বিষয় শরীয়ত সম্মতভাবে জানতে হলে কোন হাক্কানি ওলী-আল্লাহ উনাদের থেকে জেনে নিতে হবেকিন্তু যারা ধর্মব্যবসায়ী, নিজ প্রয়জনের জন্য ফতওয়া ঘুরিয়ে ফেলে, নিজেরাই ঠিক মত আমল করে না, বেপর্দা চলে, হারাম কাজে লিপ্ত থাকে হারাম কুফরি গণতন্ত্রের রাজনীতি করে তাদের থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হবে না

অন্যদিকে, যেহেতু পহেলা বৈশাখ পালন করে কোটি কোটি মুসলমান মুরতাদ হয়ে যাবে, তাই মুসলমান হিসেবে আমাদের ঈমানী দায়িত্ব হচ্ছে এ কুফরী কাজ সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করাকারণ পবিত্র কুরআন শরিফ উনার মধ্যে আছেঃ [كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِٱلْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ ٱلْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ] আপনারাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানুষের(কল্যাণের) জন্য আপনাদেরকে বের করা হয়েছেআপনারা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ করবেন এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে” (সূরা আল-ইমরান (আলাইহিস সালাম), আয়াত শরিফ ১১০)

মহান আল্লাহ পাক “সূরা মায়িদার [ٱلْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِى وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلْإِسْلَـٰمَ دِينًۭا ۚ فَمَنِ ٱضْطُرَّ فِى مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍۢ لِّإِثْمٍۢ ۙ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ] ৩ ননং আয়াত শরীফ-এ আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে (পবিত্র দ্বীন ইসলামকে) কামিল বা পরিপূর্ণ করে দিলামতোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত তামাম বা পূর্ণ করে দিলাম এবং আমি তোমাদের পবিত্র দ্বীন ইসলামের প্রতি সন্তুষ্ট রইলাম।

এতএব যেকোন নওরোজ(নববর্ষ) সেটা থার্টি ফাস্ট নাইট হোক, পহেলাবৈশাখ হোক, নববর্ষ হোক কিংবা পহেলা মুহররম হোক, বিজাতীয় রীতি হিসেবে প্রতেকটি ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হিন্দুরা পহেলা বৈশাখে ঘট পুজা গনেষ পুজা করে এই দিনে, খ্রিষ্টানরা থার্টিফাস্ট নাইট নামক অশ্লীল কর্মকাণ্ড করে আর অগ্নি উপাসকরা নওরোজ করে। কিন্তু কোন মুসলমান ইতিহাসে এসব নববর্ষের কোন দৃষ্টান্ত আছে কি ??

তাই আসুন একজন মুসলমান হিসেবে আমরা এই হারাম ও কুফরী কাজ থেকে নিজে দূরে থাকি এবং নিজ পরিবার পরিজন, পাড়া প্রতিবেশী, বন্ধু বান্ধবকে দূরে রাখি, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের হক্ব বোঝার তৌফিক দিন আমিন


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: