8.02.2014

দারুল উলূম হাটহাজারীর আহমদ শফীর কিছু কুফরি আচরন

১৯৯৭ সালের কথা, চট্টগ্রামের জামিয়াতুল ফালাহ বিশ্বমসজিদ ময়দানে বাৎসরিক মাহফিলে বয়ান রাখছিলো দারুল উলূম হাটহাজারীর আহমদ শফী। আলোচনার এক পর্যায়ে সে বলে উঠলো, ‘অনেকে নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হাজির-নাজির মনে করে, কৈ দেখি তো তিনি হাজির-নাজির কিনা?’ এ কথা বলে সে স্টেজের সামনে খোলা অংশের নিচের দিকে তার হাতের লাঠিটা দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলো (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে খুজলো লাঠির বাড়ি দিয়ে)। এরপর বললো: ‘কৈ? তিনি তো নাই (নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক)। এত বড় বেয়াদবি দেখে উপস্থিত সব কওমী শিক্ষক ছাত্ররা প্রতিবাদ করা তো দূরে থাক, খুশিতে অট্টো হাসিতে ফেটে পড়ল। (নাউজুবিল্লাহ)

আমার কথা শুনে কেউ আশ্চর্য হতে পারেন, কিন্তু এটাই সত্যি। কওমী-দেওবন্দী বা হেফাজতিরা এভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শানে অহরহ বেয়াদবিমূলক কথা ও আচরণ করে থাকে। এটা সবারই জানা।


অনেকে বলতে পারে, “তারা এত বড় হুজুর, তারা এত আমল করে, তারাও কি এগুলো করতে পারে”। আমি বলবো: অবশ্যই পারে, ইবলিশ শয়তান যদি ৬ লক্ষ বছর, বালাম বিন বাউরা যদি ৩০০ বছর ঈবাদত বন্দেগি করার পর গোমরা হতে পারে, তবে হেফাজত-কওমীরা কেনা পারবে না??? তারা কি ইবলিশের থেকে বেশি আমল করেছে?? না তাদের সবার আমল যোগ করলে ৬ লক্ষ বছর হবে??

যারা এক সময় কওমী-হেফাজতি বা শফীদের ভালো ভেবে এখন পস্তাচ্ছেন। তারা মনে রাখবেন এই গোষ্ঠীটি কখণই কখনই অনুসরণীয়-অনুকরনীয় নয়। কারণ সেই ব্যক্তিই অনুসরণীয় অনুকরণী হয়, যে তার নিজের কাজের উপর দৃঢ়চিত্ত থাকে। কিন্তু এরা নিজেরাই নিজেদের কথা-কাজের উপর দৃঢ় থাকতে পারে না।
  • নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সারা জীবন আন্দোলন চলবে একথা বলে আবার তাদের বন্ধু বলে।
  • সারা দেশে শরীয়তি পর্দা চালূ করতে হবে বলে, পরে আবার নিজেরাই মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাথে একরুমে মিটিং করে।
  • নারীদের তেতুল বলে আখ্যায়িত করে, পরে আবার বলে ‘আমি এ কথা বলি নাই।
  • জিহাদের নাম দিয়ে শাপলায় যায়, কিন্তু আবার কানে ধরে জিহাদের ময়দান থেকে পালিয়ে আসে (যে ব্যক্তি জিহাদের ময়দান থেকে পালায় তার সারা জীবন তওবা কবুল হয় না)
মূলত কোন মানুষের চিন্তাচেতনা যদি ইসলামের জন্য হয়, তবে একাজগুলো কখনই তার দ্বারা হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু এদের কাজগুলোর পেছনে যেহেতু ইসলাম নেই, আছে বিভিন্ন স্বার্থ (রাজনৈতিক, জমিজমা ও আর্থিক) তাই তাদের দ্বারা এগুলো সম্ভব। আমাকে একবার দৈনিক ইনকিলাবের এক সিনিয়র সাংবাদিক বলেছিলো: ‘বাংলাদেশে অনেক হুজুরকে টাকা দিয়ে কেনা যায়, তবে সবচেয়ে সস্তায় কেনা যায় এ কওমী-হেফাজতি হুজুরদের।”

মূলত: এদের সম্পর্কেই হাদীস পাকে বলা হয়েছে: ‘আমার উম্মতের মধ্যে ধর্মব্যবসায়ীদের জন্য জাহান্নাম। যারা ইলমকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করেছে। এবং তা রাজা-বাদশাহ, আমীর-উমরাদের নিকট বিক্রি করে ফায়দার জন্য। মহান আল্লাহ তায়ালা কখনো তাদের এ ধর্মব্যবসায় বরকত দিবেন না।’

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্না, আসসালামু আলাইকুম, ফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন,


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: