8.23.2014

বিবাহিত জীবন শুধুমাত্র প্রধান দুই টি ভিত্তির উপর টিকে থাকে।

বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মানব জিবনে যা ছাড়া জীবনকে সুন্দর ভাবে চালানর কল্পনাও করা যায়না, আর বিবাহিত জীবন শুধুমাত্র প্রধান দুই টি ভিত্তির উপর টিকে থাকে নিচে যা আপনাদের বুজার সুভিদার্থে নিচে বর্ণনা করা হলো
  • ১. বিশ্বাস
  • ২. নিরঅহংকার (অহংকারী না হওয়া)

প্রাসঙ্গিক যুক্তি সমুহঃ 

বিশ্বাসঃ বিয়ের আক্বদ এর অনুষ্টান কম বেশি সবারি দেখা হয়েছে আপনাদেরএকটি বিষয় লক্ষ্য করেছেন কি? কাজী সাহেব দোয়া-দুরুদ শেষে বিয়ে পড়ানোর সময় পাত্র-পাত্রীর নাম - বাবার নাম সহ আনুষাঙ্গিক বিষয়ে কথা শেষে বলে থাকেন "বলেন কবুল"!

(১) ছেলেটি অনায়াসে শব্দ করেই বলবে"কবুল-কবুল-কবুল"। কিন্তু মেয়েকে বার বার বলতে হয় "বলো মা কবুল, বলো..." তিন বার জিজ্ঞেস করার পর যখন মেয়েটি নিরব থাকে তখন ধরে নেয়া হয়" নিরবতা সম্মতির লক্ষন"আমি এখন পর্যন্ত একটি বিয়েও দেখিনি যেখানে পাত্রী শব্দ করে বলেছে"কবুল"...

(২) এবার আসুন বিয়ে ঢামা-ঢোল ফিটিয়ে কেন হয়জি হ্যাঁ, সমাজকে জানানোর জন্যআনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হবার পিছনের প্রধান কারন হলো আত্মীয়-পরিজন-সমাজের মানুষকে জানানো যে"এই ছেলেটি এবং এই মেয়েটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ"

কাবিন রেজিষ্ট্রি করা হয় বিপদে কাজে লাগানোর জন্যবিবাহিত যুগলকে জিজ্ঞেস করে দেখুন তারা কাজীর যে কাগজে সই করেছেন তা পড়ে দেখেছেন কিনা - উত্তর আসবে"না"শতকরা ৯০ ভাগ মানুষও কাজী অফিস থেকে কাবিন এর কপি আনেন নানিতান্ত প্রয়োজন কিংবা বিচ্ছেদের বিষয় সামনে আসলেই শুধু কাবিননামা খোজা হয়

উপরোক্ত বিষয়গুলোর আলোকে আমরা যদি বলি বিবাহিত একটি যুগল শুধুমাত্র"বিশ্বাস"এর বন্ধনে আবদ্ধ তবে আমার মত অনেকেই দ্বিমত করবেন না নিশ্চয়। আমাদের পাশের গ্রামে একটি ছেলে ছিলো ২/১ বার কারো গাছের ডাব চুরি, কারো মুরগী চুরিতে ধরা খেয়েছিলোকিছুদিনের মধ্যে এলাকায় চোর হিসেবে তার ভালই পরিচিতি হলোএখন এলাকায় কারো কিছু খোয়া গেলেই মালিক পক্ষ ঝাছাই-বিবেচনা ছাড়াই সকালে গিয়ে তাকে ধরে আনে এবং উত্তম-মাধ্যম দিয়ে বলে"স্বীকার কর তুই চুরি করছত"বেচারা গরীবের ছেলে মার খেয়ে যায়পরবর্তীতে সে অবশ্য সত্যি সত্যি বড় চোরে রুপ নেয়ছেলেটির বাবা উপায় না দেখে তাকে চট্রগ্রাম গার্মেন্টস এ চাকুরীতে পাঠিয়ে দেয়এখোনো এলাকায় চুরি হলে তার বাড়িতে গিয়ে দেখে আসে সেই ছেলে বাড়ীতে আসছে কিনা - এমনকি গোয়েন্দাও লাগানো হয় সে রাতে বাড়ীতে এসেছিলো কিনা?

এই কাহীনিটি বলার মুল কারন হলো" এমন কোন কাজ করবেন না যাতে আপনার সঙ্গির সন্দেহ হয় আপনার প্রতি"

বিবাহিত জীবন শুধুমাত্র প্রধান দুই টি ভিত্তির উপর টিকে থাকে।
বিবাহিত জীবন শুধুমাত্র প্রধান দুই টি ভিত্তির উপর টিকে থাকে।
লক্ষ্য করলে দেখবেন, অনেক মানুষ আছেন সঙ্গিকে না জানিয়ে বন্ধুর সাথে লুকিয়ে লুকিয়ে কথা বলেনঅনেকে কথা বলার মাঝখানে স্বামী/ স্ত্রীকে আসতে দেখলে ভ্যাবা-ছ্যাকা খেয়ে লাইন কেটে দেনএই রকম করতে গিয়ে সন্দেহর ছোট ছোট দানা বাঁধতে থাকেপরবর্তীতে আপনি যখন মা-বাবা কিংবা ভাই/বোনকেও ফোন করছেন তখন আপনার সঙ্গি দূর থেকে অনুমান করবে সে নিশ্চয় অন্য ছেলে/মেয়ের সাথে কথা বলছেবন্ধু ছাড়া জীবন চলে নাশুধু একজন কাছের মানুষ (স্বামী/স্ত্রী) নিয়ে সুখি থাকার ধারনা অমুলকআমাদের এমন কিছু বন্ধু আছে যাদের সাথে আমরা এমনসব বিষয় শেয়ার করি যা মা-বাবা-আপনজনের সাথে করতে পারিনাতাই আমার মতে - বন্ধু থাকবে বন্ধুর মত সচ্ছ সম্পর্কেরএমন কোন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কি দরকার যা আমার সংসার জীবন অশান্তির করে তুলবে? (দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল অনেক ভালো)।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: