9.25.2014

প্রচলিত ছয় উছুলী তাবলীগ ওয়ালারা মানুষকে কুফরী আক্বীদা শিক্ষা দেয়, তাদের সেই কুফরীগুলো ধরিয়ে দেয়া কি অপরাধ ?

প্রচলিত ছয় উছুলী তাবলীগওয়ালারা মানুষকে কুফরী আক্বীদা শিক্ষা দেয়, তাদের সেই কুফরীগুলো ধরিয়ে দেয়া কি অপরাধ? তাদের কিছু কুফরী আক্বীদা উল্লেখ করা হলো মালফুযাতএর ৪৩ পৃষ্ঠার ৪২ নম্বর মালফুযে, ‘নবুওয়তমাওলানা ইলিয়াছনামক কিতাবের ৩০-৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, “মুসলমান দুপ্রকার-একদল প্রচলিত তাবলীগের জন্য হিজরত করবে, দ্বিতীয় দল নুছরত বা সাহায্য করবে, এ দুদলই মুসলমানঅর্থাৎ যারা প্রচলিত তাবলীগও করবে না আর তাবলীগকারীদেরকে সাহায্যও করবে না, তারা মুসলমান নয়নাউযুবিল্লাহ! (তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ১৭৪, দাওয়াতে তাবলীগ কি ও কেন? লেখক- মাওলানা ওবায়দুল হক পৃষ্ঠা ২১, হযরতজীর কয়েকটি স্মরণীয় বয়ান ২য় খ- পৃষ্ঠা ১১)

*প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের সমর্থনপুষ্ট প্রায় কিতাবেই একথা লেখা আছে যে, নবী আলাইহিমুস সালামগণ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুল করেছিলেনযেমন - হযরত আদম আলাইহিস সালাম তিনি গন্দম খেয়ে ভুল করেছিলেন ও হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি দাওয়াত না দিয়ে ভুল করেছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদিনাউযুবিল্লাহ! (মালফুযাতে শায়খুল হাদীস) পৃষ্ঠা ২৩১, তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ৬১)

*হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকদের আক্বীদা হলো যে, “দাওয়াত বন্ধ করার কারণে আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম উনাকে গযবে ফেলিলেন” “হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি মাছের পেটে ৪০ দিন আবদ্ধ থাকিয়া নিজ ত্রুটি স্বীকার করিয়া তওবা করিবার কারণে বিপদ হইতে উদ্ধার পাইলেননাউযুবিল্লাহ! (তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ৬২ ও ৮৯)
প্রচলিত ছয় উছুলী তাবলীগওয়ালারা মানুষকে কুফরী আক্বীদা শিক্ষা দেয়, তাদের সেই কুফরীগুলো ধরিয়ে দেয়া কি অপরাধ ?
প্রচলিত ছয় উছুলী তাবলীগওয়ালারা মানুষকে কুফরী আক্বীদা শিক্ষা দেয়, তাদের সেই কুফরীগুলো ধরিয়ে দেয়া কি অপরাধ ?
*প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকেরা আরও বলে থাকে যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গারে হেরায় চিল্লা দেয়ার উসীলাই কুরআন ও নুবুওওয়াত প্রাপ্ত হয়েছেনযেমন এ প্রসঙ্গে তাদের কিতাবে বিবৃত হয়েছে- হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৪০ দিন পর্যন্ত গারে হেরাপর্বতে থাকিয়া আল্লাহর ধ্যান ও যিকিরে চিল্লা দিলেন, যাহার ফলে তিনিও কুরআন ও নুবুওওয়াত প্রাপ্ত হইলেননাউযুবিল্লাহ! (তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব লেখক- মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী পৃষ্ঠা ৮৯)

*মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী লিখিত তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্বনামক কিতাবের ৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, “লক্ষাধিক সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে অধিকাংশই মূর্খ ছিলেননাউযুবিল্লাহ! (শরীয়তের দৃষ্টিতে তাবলীগী নেছাব লেখক - মাওলানা জাকারিয়া সাহেব পৃষ্ঠা ১৩, তাবলীগী জামায়াতের প্রধানের তর্ক ও ইচ্ছা পৃষ্ঠা ৮)

*প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকেরা বলে থাকে যে, হিদায়েতের ক্ষেত্রে মূর্খরাই সমধিক উপযুক্তযেক্ষেত্রে নবীগণ এবং আলেমরা ফেল করে, সেখানেও মূর্খরা কৃতিত্ব দেখায়নাউযুবিল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মাওলানা ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী লিখিত তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্বনামক কিতাবের ১১৬ পৃষ্ঠায় একথা লেখা আছে যে, “অনেক স্থলে নবীগণ পর্যন্ত হিদায়েতে বিরাট সঙ্কটে ও বিপদে পড়িয়াছিলেন, তাই অনেক স্থলে বিরাট আলেমও ফেল পড়িতেছেকিন্তু মূর্খগণ তথায় দ্বীন জয় করিতেছেনাউযুবিল্লাহ! এ ধরনের আরও বহু কুফরী বক্তব্য ও আক্বীদা তাদের কিতাবে রয়েছে

কুরআন সুন্নাহর তাবলীগের মতঃ যা আজকের ইলিয়াসি তাবলিগের সাথে সাঙ্গরষিক নিচে তার বর্ণনা করা হলো।
  • মূল কিতাব কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস
  • নিজের পরিবার ও সমাজ থেকে শুরু। (তোমরা নিজেরা ও পরিবার কে জাহান্নাম হতে বাঁচাও- সুরা তাহরিম-আয়াত নং-৬)
  • হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরূদ ছালাম তথা মিলাদ কিয়াম করা আল্লাহর হুকুম
  • নবীগণ সকল গুনাহ্ হতে মুক্ত ও সাহাবীদেরকে ভালবাসা ঈমান এবং সাহাবীগন সকলযুগের হক্কানী আলেমদের শ্রেষ্ঠ। (মুসলিম, মিশকাত, মিরকাত ইত্যাদি)
  • ইসলামের স্তম্ভ বা বেনা বা উছুল পাঁচটি- কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত। (বুখারী, মুসলিম ইত্যাদি)
  • ইসলামের ফরজ হজ্জ কাবা ঘরের হজ্জহজ্জ্বের সাথে অন্য কিছুকে তুলনা করা কুফরী
  • কাবা ঘরে ১ রাকায়াত নামাজ এক লক্ষ ও মসজিদে নববীতে ১ রাকায়াত নামাজ পঞ্চাশ হাজার রাকায়াত নামাজের ছওয়াব ও যেকোন দানের সওয়াব ২০ থেকে সাত শত গুন বৃদ্ধি হয়
  • হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরের সৃষ্টি শ্রেষ্ঠ মানুষ
  • স্বেচ্ছায় মসজিদে ঘুমিয়ে রাত্রি যাপন করা নিষিদ্ধ

ছয় উছুলী তাবলিগ জামাত সম্পর্কে ছহীহ বুখারী হাদিস শরীফের ভবিষ্যৎবানী : সাহাবী আবু সাঈদ খুদরী রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন যে, নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম ইরশাদ করেছেন, আমার বিছাল শরীফের পর শেষ যামানায় আমার উম্মতের মধ্যে হতে পূর্বের কোন দেশ( আরব থেকে পূর্বে ভারত) থেকে একটি জামাত দ্বীনের তাবলীগের নামে বের হবে, তারা কোরআন পাঠ করবে, তাদের কোরআন পাঠ তোমাদের কোরআন পাঠের তুলনায় খুবই সুন্দর হবেকোরআনের প্রতি বাহ্যত তাদের ভক্তি শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা দেখে মনে হবে যেন ওরা কোরআনের জন্য এবং কোরআনও ওদের জন্যকিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওরা কোরআনের প্রতিটি আয়াতের ওপরে ঈমান রাখবে না এবং কোরআনের সবগুলো নির্দেশের উপর আমল করবে না

এই জামাতের অধিকাংশ লোক হবে অশিক্ষিত ও মূর্খযেমন - কোরআন ও হাদিসের জ্ঞানে হবে মূর্খ তেমন সাধারন জ্ঞানেও হবে মূর্খএই জামাতে যদি কোন শিক্ষিত লোক যোগদান করে তাহলে তার আচরন ও স্বভাব হয়ে যাবে জামাতে যোগদানকারী অন্যান্য মূর্খদের মতমূর্খরা যেমন মূর্খদের আনুগত্য করবে তেমনি শিক্ষিত লোকটিও মূর্খদেরই আনুগত্য করবে এই জামাতের বয়ান ও বক্তৃতায় থাকবে কেবল ফযিলাতের বয়ানবিভিন্ন আমলের সর্বোচ্চ ফযিলাতের প্রমান বিহীন বর্ণনাই হবে তাদের বয়ানের বিষয়বস্তু হে মুসলমানগন! ঐ জামাতের লোকদের নামায, রোযা অন্যান্য আমল এতই সুন্দর হবে যে, তোমরা তোমাদের নামায, রোযা ও আমল সমূহকে তাদের তুলনায় তুচ্ছ মনে করবেএই জামাতের লোকেরা সাধারন মানুষকে কোরআনের পথে তথা দ্বীনের পথে চলার নামে ডাকবে, কিন্তু চলবে তারা তাদের তৈরী করা পথেসত্য পথে ডাকলেও তারা কোরআনের পথে চলবে না

তাদের ওয়াজ ও বয়ান হবে মধুর মত, ব্যবহার হবে চিনির মত সুস্বাদু, তাদের ভাষা হবে সকল মিষ্টির চাইতে মিষ্টিতাদের পোশাক পরিচ্ছদ ধরন-ধারন হবে খুবই আকর্ষনীয়, যেমন সুন্দর হরিণ তার দিকে মানুষের মন আকৃষ্ট করেহরিণ শিকারী সুবর্ণ হরিণ দেখে হরিনের পেছনে যেমন ছুটতে থাকে তেমন সাধারন মানুষ তাদের মিষ্ট ব্যবহার, আমলের প্রদর্শনী ও সুমধুর কথা শুনে তাদের জামাতের দিকে ছুটতে থাকবে

তাদের অন্তর হবে বাঘের মত হিংস্রবাঘের অন্তরে যেমন কোন পশুর চিৎকারে মমতা প্রবেশ করে না, তেমন কোরআন ও হাদিসের বানী যতই মধুর হোক তাদের অন্তরে প্রবেশ করবে নাতাদের কথাবার্তা আমল আচরন, বয়ান যেগুলি তারা তাদের জন্য নির্ধারন করে নিয়েছে, তার-ভিতরকার কোরআন সুন্নার বিরোধী আমলগুলি বর্জন করে কোরআন সুন্নাহ মোতাবেক আমল করার জন্য যতবার কেউ কোরআন ও সুন্নাহ প্রদর্শন করুক বাঘের অন্তরে যেমন মমতা প্রবেশ করেনা তেমন তাদের অন্তরে কোরআন সুন্নাহর মমতা প্রবেশ করবে না

তাদের জামাতে প্রবেশ করার পর তাদের মিষ্টি ব্যবহারে মানুষ হবে মুগ্ধ, কিন্তু ঐ মনমুগ্ধ ব্যবহারের পেছনে জীবন ধংসকারী আর্সেনিকের মত ঈমান বিনষ্টকারী, ইসলামী মূল্যবোধ বিনষ্টকারী মারাত্মক বিষ বিরাজমান থাকবেতাদের প্রশিক্ষন ধীরে ধীরে মানুষের অন্তর হতে আল্লাহপাক ও রসূল হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম এর আনুগত্যের প্রেরনা শেষ করে দিবে এবং জামাতের আমিরদের আনুগত্যের প্রতি মরনপন আকৃষ্ট করবেআমীরগন দেখতে হবে খঁটি পরহেজগার দ্বীনদার ব্যক্তিদের মত, কিন্তু অন্তর হবে শয়তানের মত, কোরআন সুন্নাহর প্রতি বিদ্রোহীআমীরগন যা করে যাচ্ছে তার মধ্যে কোরআন সুন্নাহ বিরোধী কোন কাজ কখনও কেউ ধরিয়ে দিলে কোনক্রমেই তা পরিবর্তন করতে প্রস্তুত হবে নাঅর্থাৎ কোরআন হাদীস উপস্থাপন করার পর তারা কোরআন হাদীস দেখেও কোরআন হাদিস বর্জন করে মুরুব্বীদের কথা মানবেকোরআন হাদিসের প্রতি তাদের অনীহা এতই তীব্র হবে যে, তারা অর্থসহ কোরআন হাদিস কখনই পড়বে না, পড়ানোও যাবে না বলে মন্তব্য করবে। (কারও ওয়াজ শুনবেনা তাদের দল ব্যতিত অন্য কারও বই পড়বেনা)

এই জামাতটি ইসলামের তাবলীগ করার কথা যতই বলুক কোরআন যত সুন্দরই পাঠ করুক, নামায রোযা যতই সুন্দর হোক, আমল যতই চমৎকার হোক, মূলতঃ ঐ জামাতটি ইসলাম বহির্ভূত হবে (নবী ও সাহাবীদের ব্যাপারে ভুল আক্বিদার জন্য)

সাহাবী রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগন জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, ঐ দলটি চিনবার সহজ উপায় কি হবে? তা দয়া করে আমাদিগকে জানিয়ে দিন।

এই ভিডিওটি দেখুন। >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>।

তখন হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম বললেন, ইসলামের নামে এই ইসলাম বহির্ভূত জামাতটি চিনবার সহজ উপায় হল

(১) তারা যখন তালীমে বসবে, গোল হয়ে বসবে
(২) অল্প সময়ের মধ্যে এই জামাতের লোকদের সংখ্যা খুব বেশী হবে
(৩) এই জামাতের আমীর ও মুরুব্বীদের মাথা ন্যাড়া হবেতারা মাথা কামিয়ে ফেলবে, এবং তা সুন্নত নামে চালিয়ে দিবে যদিও তা সুন্নত নয়

তীর মাড়লে ধনুক থেকে তীর বেরিয়ে যায়ঐ তীর আর কখনও ধনুকের দিকে যেমন ফিরে আসে না, তেমনই যারা এই জামাতে যোগদান করবে তারা কখনও আর সঠিক দ্বীনের দিকে ফিরে আসবে নাঅর্থাৎ, এই জামাতকে সঠিক দ্বীনের পথে ফিরিয়ে আনার জন্য কোরআন হাদিস যত দেখান হোক, যত চেষ্টাই করা হোক না কেন দলটি সঠিক দ্বীনের পথে ফিরে আসবে নাএদের সাথে তোমাদের যেখানেই সাক্ষাত হোক, সংগ্রাম হবে তোমাদের অনিবার্যএই সংগ্রাম যদি কখনও যুদ্ধে পরিণত হয় তাহলে তা থেকেও পিছ পা হবে না


এই সংগ্রামে বা যুদ্ধে যারা মৃত্যবরন করবে, তাদেরকে যে পুরস্কার আল্লাহপাক দান করবেন তা অন্য কোন নেক কাজে দান করবেন নাসুবহানাল্লাহপ্রমানঃ (১) বুখারী আরবী দিল্লীঃ ২য় ভঃ পৃঃ ১১২৮, (২) বুখারী আরবী দিল্লীঃ ২য় ভঃ পৃঃ ১০২৪, ( ৩) মুয়াত্তা ইমাম মালেক, আরবী ১ম ভঃ পৃঃ ১৩৮, ( ৪) আবু দাউদ, আব্বী দিল্লী ২য় ভঃ পৃঃ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

1 comment:

  1. খুব তথ্যপূর্ন দলীল সমৃধ্য পোস্ট

    ReplyDelete