10.28.2014

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে সামান্য আলচনা।

কুরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে সামান্য আলচনাঃ আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা  মানুষকে সৃষ্টি করে তাকে পৃথিবীতে স্থিতি দান করেছেন তিনি তাদেরকে অসহায় ও লাগামহীনভাবে ছেড়ে দেননি (মুমিনূন ২৩/১১৫) বরং প্রথম মানুষ আদম আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উনার বংশধরগণের হেদায়াতের জন্য প্রথম নবী হিসাবে প্রেরণ করেন (বাক্বারাহ ২/৩৮-৩৯) এভাবে আদম (আলাইহিস সালাম) হতে শেষনবী নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত ৩১৫ জন রাসূল আলাইহিমুস সালাম সহ এক লক্ষ চবিবশ হাজার পয়গম্বর আলাইহিমুস সালাম প্রেরিত হন।[1] বহু নবীর নিকটে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা  ‘ছহীফা বা কিতাব প্রদান করেন এবং প্রত্যেক রাসূল আলাইহিমুস সালামকে দেন পৃথক পৃথক শরীআত বা জীবন বিধান তবে চার জন শ্রেষ্ঠ রাসূলের নিকটে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা প্রধান চারটি কিতাব প্রদান করেন যথাক্রমে মূসা (আলাইহিস সালাম) উনার উপরে তাওরাত’, দাঊদ (আলাইহিস সালাম) উনার উপরে যবূর’, ঈসা (আলাইহিস সালাম) উনার উপরে ইঞ্জিল এবং শেষনবী নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপরে সরবশ্রেষ্ট আসমানি কিতাব আল কোরআন উল কারিম প্রথমোক্ত তিনজন ছিলেন বনি ইস্রাঈলের নবী এবং তাদের নিকটে প্রদত্ত তিনটি কিতাব নাযিল হয়েছিল একত্রিত আকারে কিন্তু শেষনবী শেষনবী নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রেরিত হয়েছিলেন বিশ্বনবী হিসেবে বনি ইসমাঈলে এবং শেষ আসমানি কিতাব আল কোরআন উল কারিম নাযিল হয়েছিল বিশ্বমানবের জন্য সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপরে দীর্ঘ ২৩ বছরের বিস্তৃত সময় ধরে মানুষের বাস্তব চাহিদার প্রেক্ষিতে খন্ডাকারে শেষনবী নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন ও শেষ কিতাব আল কোরআন উল কারিম নাযিলের পর বিগত সকল নবুওত ও সকল কিতাবের হুকুম রহিত হয়ে গেছে এখন বিশ্বমানবতার পথপ্রদর্শক গ্রন্থ হিসাবে (বাক্বারাহ ২/২, ১৮৫) কেবলমাত্র নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনীত সর্বশেষ এলাহীগ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন উল কারিম বাকী রয়েছে নিঃসন্দেহে রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছহীহ হাদীছ সমূহ আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা উনার অহী (নাজম ৫৩/৩-৪) এবং আল কোরআন উল কারিম বাস্তব ব্যাখ্যা (ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৯) ও জীবন মুকুর বৈ কিছুই নয় যা মুমিন জীবনের চলার পথে ধ্রুবতারার ন্যায় সর্বদা পথ প্রদর্শন করে থাকে (হাশর ৫৯/৭)

পবিত্র হাদীছ শরিফে বর্ণিত উপরোক্ত বিরাট সংখ্যক নবীগণের মধ্যে পবিত্র আল কোরআন উল কারিমে মাত্র ২৫ জন নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নাম এসেছে তন্মধ্যে একত্রে ১৭ জন নবীর নাম এসেছে সূরা আনআম ৮৩ হতে ৮৬ আয়াতে বাকী নাম সমূহ এসেছে আল কোরআন উল কারিমের বিভিন্ন স্থানে কেবলমাত্র ইউসুফ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উনার কাহিনী সূরা ইউসুফে একত্রে বর্ণিত হয়েছে বাকী নবীগণের কাহিনী আল কোরআন উল কারিমের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রসঙ্গে এসেছে যেমন মূসা ও ফেরাঊনের ঘটনা আল কোরআন উল কারিমের ২৭টি সূরায় ৭৫টি স্থানে বর্ণিত হয়েছে সেগুলিকে একত্রিত করে কাহিনীর রূপ দেওয়া রীতিমত কষ্টসাধ্য ব্যাপার আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা  বলেন, وَرُسُلاً قَدْ قَصَصْنَاهُمْ عَلَيْكَ مِنْ قَبْلُ وَرُسُلاً لَّمْ نَقْصُصْهُمْ عَلَيْكَ আমরা আপনার পূর্বে এমন বহু রাসূল পাঠিয়েছি, যাদের বৃত্তান্ত আপনাকে শুনিয়েছি এবং এমন বহু রাসূল পাঠিয়েছি, যাদের বৃত্তান্ত আপনাকে শুনাইনি...’ (নিসা ৪/১৬৪, মুমিন ৪০/৭৮)

আমরা বর্তমান আলোচনায় আল কোরআন উল কারিম বিভিন্ন স্থানে বর্ণিত ঘটনা ও বক্তব্য সমূহ একত্রিত করে কাহিনীর রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি সেই সাথে বিশ্বস্ত তাফসীর, হাদীছ ও ইতিহাস গ্রন্থ সমূহ থেকেও সামান্য কিছু উদ্ধৃত করেছি চেষ্টা করেছি নবীদের কাহিনীর নামে প্রচলিত কেচ্ছা-কাহিনী ও ইস্রাঈলী উপকথা সমূহ হতে বিরত থাকতে সীমিত পরিসর ও সীমিত সাধ্যের কারণে অনাকাংখিত ত্রুটি সমূহ থেকে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা উনার নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি

উল্লেখ্য যে, পৃথিবীতে আগত সকল নবী আলাইহিমুস সালামই মূলতঃ চারটি বংশধারা থেকে এসেছেন আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা  বলেন, إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى آدَمَ وَنُوحًا وَآلَ إِبْرَاهِيْمَ وَآلَ عِمْرَانَ عَلَى الْعَالَمِيْنَ ، ذُرِّيَّةً بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ. ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা  আদম আলাইহিস সালাম, নূহ আলাইহিস সালাম, আলে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ও আলে ইমরান আলাইহিস সালাম কে নির্বাচিত করেছেন যারা একে অপরের বংশধর ছিল ...’ (আলে ইমরান ৩/৩৩-৩৪) এখানে আলে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম বলতে ইসমাঈল আলাইহিস সালাম ও ইসহাক আলাইহিস সালাম এবং আলে ইমরান বলতে মূসা আলাইহিস সালাম ও উনার বংশধরগণকে বুঝানো হয়েছে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম -পুত্র ইসহাক আলাইহিস সালাম তনয় ইয়াকূব আলাইহিস সালাম -উনার অপর নাম ছিল ইস্রাঈল আলাইহিস সালাম (অর্থ আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা উনার দাস’) উনার পুত্র লাভী থেকে ইমরান-পুত্র মূসা আলাইহিস সালাম, দাঊদ আলাইহিস সালাম ও ঈসা আলাইহিস সালাম পর্যন্ত সবাই বনি ইস্রাঈলের নবী আলাইহিমুস সালাম ছিলেন (আনকাবূত ২৯/২৭) ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনার জ্যেষ্ঠ পুত্র ইসমাঈল আলাইহিস সালাম উনার বংশে জন্মগ্রহণ করেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  এজন্য ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-কে আবুল আম্বিয়া বা নবীগণের পিতা বলা হয় উল্লেখ্য যে, বিশ্বে মাত্র দুজন নবীর একাধিক নাম ছিল তন্মধ্যে ইয়াকূব (আঃ)-এর অপর নাম ইস্রাঈল এবং সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম)-এর অপর নাম ছিল আহমাদ’ (ছফ ৬১/৬) এবং আরও কয়েকটি গুণবাচক নাম আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা  সকল নবীর উপরে শান্তি বর্ষণ করুন- আমীন!!

কাহিনী বর্ণনার উদ্দেশ্যঃ প্রশ্ন হতে পারে, পবিত্র কুরআনে বিগত নবী আলাইহিমুস সালামগণের ও ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতি সমূহের কাহিনী বর্ণনার উদ্দেশ্য কি? এর জবাব আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা  দিয়েছেন, وَكُلاًّ نَّقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنبَاء الرُّسُلِ مَا نُثَبِّتُ بِهِ فُؤَادَكَ وَجَاءَكَ فِيْ هَذِهِ الْحَقُّ وَمَوْعِظَةٌ وَّذِكْرَى لِلْمُؤْمِنِيْنَ- ‘আমরা পয়গম্বরদের এসব কাহিনী আপনার কাছে বর্ণনা করি, যদ্বারা আমরা আপনার অন্তরকে সুদৃঢ় করি আর এর মধ্যে এসেছে আপনার নিকটে সত্য, উপদেশ ও স্মরণীয় বস্ত্ত সমূহ বিশ্বাসীদের জন্য’ (হূদ ১১/১২০) অর্থাৎ এর উদ্দেশ্য হ, যাতে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা উনার রাসূল নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নবুঅতের গুরু দায়িত্ব বহন করার জন্য যেকোন ত্যাগ স্বীকারে প্রস্ত্তত হয়ে যান এবং তাঁর উম্মত এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে

কুরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নামঃ 
2.   নূহ (আলাইহিস সালাম),
3.   ইদরীস (আলাইহিস সালাম),
4.   হূদ (আলাইহিস সালাম),
5.   ছালেহ (আলাইহিস সালাম),
6.   ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম),
7.   লূত্ব (আলাইহিস সালাম),
8.   ইসমাঈল (আলাইহিস সালাম),
9.   ইসহাক্ব (আলাইহিস সালাম),
10. ইয়াকূব (আলাইহিস সালাম),
11. ইউসুফ (আলাইহিস সালাম),
12. আইয়ূব (আলাইহিস সালাম),
13. শুআয়েব (আলাইহিস সালাম),
14. মূসা (আলাইহিস সালাম),
15. হারূণ (আলাইহিস সালাম),
16. ইউনুস (আলাইহিস সালাম),
17. দাঊদ (আলাইহিস সালাম),
18. সুলায়মান (আলাইহিস সালাম),
19. ইলিয়াস (আলাইহিস সালাম),
20. আল-ইয়াসা(আলাইহিস সালাম),
21. যুল-কিফ্ল (আলাইহিস সালাম),
22. যাকারিয়া (আলাইহিস সালাম),
23. ইয়াহ্ইয়া (আলাইহিস সালাম),
24. ঈসা  (আলাইহিস সালাম)
25. নূরে মুজাসসাম রাহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল মুরসালিন, শাফিউল মুজনবিন, সায়্যিদুল কাওনাইন, জনাবে মুহাম্মাদ আহাম্মদে মুস্তাফা রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

(ইবনু কাছীর, তাফসীর নিসা ২৬৪) এঁদের মধ্যে ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-পূর্ব সকল নবী আদম (আলাইহিস সালাম) ও নূহ (আলাইহিস সালাম) উনার বংশধর এবং ইবরাহীম(আলাইহিস সালাম)-পরবর্তী সকল নবী/রাসূল (আলাইহিমুস সালাম) ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) উনার বংশধর উল্লেখ্য যে, সূরা তওবা উনার ৩০ আয়াতে ওযায়ের-এর নাম, এলেও তিনি নবী ছিলেন না বরং একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি ছিলেন কুরতুবী বলেন, অত্যাচারী খৃষ্টান রাজা বুখতানছরের ভয়ে যখন ফিলিস্তীনের ইহুদীরা সবাই তওরাত মাটিতে পুঁতে ফেলে এবং তওরাত ভুলে যায়, তখন ওযায়ের তওরাত মুখস্ত করে সবাইকে শুনান তাতে অনেকে এটাকে অলৌকিকভাবে তাকে ইবনুল্লাহ বা আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা উনার বেটা বলতে থাকে ইবনু কাছীর ও সুদ্দী প্রমুখের বরাতে কাছাকাছি একইরূপ বর্ণনা করেছেন আমরা এক্ষণে পরপর তাঁদের জীবনী ও তা থেকে শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ তুলে ধরার চেষ্টা পাব ইনশাআল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা 

[1]. আহমাদ, ত্বাবারাণী, মিশকাত হা/৫৭৩৭ ক্বিয়ামতের অবস্থা অধ্যায় সৃষ্টির সূচনা ও নবীগণের আলোচনা অনুচ্ছেদ; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৬৬৮

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: