10.02.2014

পির কি এই পির শব্দ নিয়ে হাশি তামাসা করা যায়েজ না নাজায়েজ? বিস্তারিত।

পির কি এই পির শব্দ নিয়ে হাশি তামাসা করা যায়েজ না নাজায়েজ? বিস্তারিত।
পির কি এই পির শব্দ নিয়ে হাশি তামাসা করা যায়েজ না নাজায়েজ?
পীর মানে গুরু, শিক্ষক বুঝায় অথচ অনেক জ্ঞানিও এই শব্দটাকে তামাসায় পরিণত করেছেন যাতে মানুষ ভাবে এটা একটা হাসির বস্তু অথচ এটা একটা ফারসী শব্দ সুতরাং এই শব্দ নিয়ে আপনাদের জ্ঞান পাপীরা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন

আপনাদের জন্য মহান রব ১৪00 বৎসর পূর্বে হাদিসে কুদসিতে ঘোষনা করেছেনঃ যারা আমার অলির বিরুদ্ধে শত্রুতা পোষন করে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলাম [সহিহ বুখারী শরীফ]

সুতারাং জ্ঞানীর জন্য ইশারায় যথেস্ট বেশী কিছু বলার দরকার হয়না আপনি এমন কিছু নামদারী পীরকে যারা শরিয়তের কোন তোয়াক্কা করেনা তাদেরকে সামনে রেখে পুরো হক্কানী পীর মাশায়েকের সম্মান হানী করলেনআল্লাহর কাছে বিচার রইল অথচ মহান রব তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেনঃ আমার অলিগণের কোন ভয় নেই, পেরেশানি নেই তারা চিন্তিতও হবেনা (আল-কোরআন)

আপনারা জ্ঞানিরা আরো বলেন যে, “তারা নিজের হিসাব দিতেই ব্যস্ত থাকবে অথচ মহান রব বলেছেনঃ আমি প্রত্যেককে তার ইমাম সহকারে ডাকব” (আল-কোরআন) তাফসিরে ইবনে আব্বাসে যুগের অনুসরণীয় ব্যাক্তিকে সহ ডাকা হবে উল্লেখ আছে

যারা মানুষকে আল্লাহর নেককার বান্দাদের কাছ থেকে দুরে রাখা ষড়যন্ত্রের অগ্রনায়ক তাই একটি হাদিস পেশ করছিঃ উমর ইবনে খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত আছে যা রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনসহিহ মুসলিমের মধ্যে বিস্তারিত বর্ণিত আছে আমি শুধু সারমর্ম উল্লেখ করছি নিচে।

তোমাদের নিকট ইয়ামন থেকে ওয়ায়েস নামক একজন ব্যাক্তি আসবে তোমরা যদি তার সাক্ষাত পাও তাহলে অবশ্যই তাঁর দ্ধারা তোমাদের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করিয়ে নেবেসে আল্লাহর এত বেশী মকবুল বান্দা যে সে যদি আল্লাহর শানে কসম করে কিছু বলে ফেলে সেটা আল্লাহ অবশ্যই দেবেন তাই যেই তার সাক্ষাত পাও সে যেনো তার মাগফেরাত করিয়ে নেয়

অথচ সেরকম আল্লাহর প্রিয় বান্দা পৃথিবীতে থাকবে তারা (অলি আল্লাহ ) হিসাবে পরিচিত তাদের কাছ থেকে মুসলমানদের সরিয়ে রাখার উন্মাদায় মেতে উটেছেন? জানিনা কাদের স্বার্থ বাস্তবায়নে আপনাদের মাঠে নামা আপনারা সিজদা রত অবস্হার অনেক ছবি পোস্ট করেন যাকে শিরক হিসাবে আখ্যায়িত করেন প্রত্যেক প্রকার সিজদা শিরক নয় কারণ কেউ যদি কাউকে সম্মান দেখাতে সেজদা করে বসে সেক্ষেত্রে তার জন্য হারামের ফতোয়া আসবে শিরকের ফতোয়া নয় তার জন্যে কবিরা গুনাহ সে করবে কিন্তু শিরকের নয় কারণ সে তাকে প্রভু হিসাবে সিজদা করেনি এখানে নিয়তের বিষয় রয়েছে সে যদি নিয়ত করে এটি আমার প্রভু শুধুমাত্র তখনি শিরক হবে তার মানে এই নয় যে আল্লাহ্‌ ছাড়া কাউকে সেজদা করা যায়েজ বরং হারাম কিন্তু আপনারা সমাজে ফিত্না সৃষ্টির উদ্দেশে শিরক বলতে পারেন না। যদি আপনাদের দৃষ্টিতে শিরক হয় তাহলে হযরত আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ফিরিস্তারা আল্লাহর নির্দেশে যে সিজদা করেছিল সেটাও শিরকে পরিণত হবে??? তাই নয় কি? যা আপনারা মানুষকে শিরকের আর্ঠিকেলের অন্তরালে মুর্খতা শিক্ষা দিচ্ছেন এছাড়া আর কিছুই নয় আপনারা শিরক ও হারামের মধ্যে পাথর্ক্য বুঝতে বড় ধরনের ভূল করেছেন তাই শিরকের আর্টিকেলে বড় ধোকা বাজি করেছেন আর কোরআনের আয়াতগুলো আউলিয়েকেরামের শানে ফিট করে দিয়েছেন যা নিজের মুর্খতা/ ভন্ডামি/ ধোকাবাজি/বেয়াদবির শীর্ষ পর্যায়ের ব্যাক্তি হিসাবে প্রমান করেছে

আল্লাহ্‌ আমাদের নেক আমল করার তৌফিক ডান করুন আমিন। এবং সেইসব অলি আওলিয়ার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার তৌফিক ডান করুন যারা ছিলেন যামানার সম্রাট।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: