11.29.2014

তিনি আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে মৃতকে জীবিত করতেন ।

তিনি আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে মৃতকে জীবিত করতেন ।
তিনি আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে মৃতকে জীবিত করতেন । 
পবিত্র আল কুরআন উল কারিম উনার পবিত্র সুরা আলে ইমরান শরিফ উনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু হচ্ছে হযরত মারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার মায়ের মানত বা নাজর, মারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার জন্ম, ঈসা আলাইহিস সালাম ও ইয়াহিয়া আলাইহিস সালাম উনাদের জন্মের বিস্ময়কর ঘটনাএ সুরায় এসেছেঃ إِذْ قَالَتِ امْرَأَةُ عِمْرَانَ رَبِّ إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا فَتَقَبَّلْ مِنِّي إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
আয়াত শরিফ ৩৫, (তিনি তখন শুনছিলেন) যখন ইমরান আলাইহিস সালাম উনার স্ত্রী বলছিলেনঃ ‘‘হে আমার রব! আমার পেটে এই যে সন্তানটি আছে এটি আমি আপনার জন্য নজরানা দিলাম সে আপনার (খেদমতের) জন্য মুক্ত করবো। আমার এই নজরানা কবুল করে নিন। আপনি সবকিছু শোনেন ও জানেন’’

এই আয়াত শরিফ উনার মধ্যে মারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার জন্মের প্রাক্কালে উনাকে বায়তুল মুকাদ্দাসের ইবাদত-ঘরের খাদেম করার ব্যাপারে উনার মায়ের প্রতিজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়েছেমারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার মা তথা ইমরান আলাইহিস সালাম উনার স্ত্রী যখন সন্তানসম্ভবা হোন তখন তিনি ভেবেছিলেন যে উনার পেটের সন্তানটি হবে ছেলেতাই তিনি উনাকে ইবাদত-কেন্দ্রের খাদেম করার মানত করেছিলেনকিন্তু সন্তান জন্ম নেয়ার পর দেখা গেল যে ছেলের পরিবর্তে একজন মেয়ে জন্ম নিয়েছেন তখন তিনি বিস্মিত হলেনতাই এই মানত পালন করা সম্ভব হবে না বলে তিনি মনে করছিলেন

কিন্তু মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি মারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার মায়ের এই মানতকে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করেন এবং মারিয়াম আলাইহিস সালাম উনাকে সুশিক্ষিত করার জন্য হযরত জাকারিয়া (আলাইহিস সালাম) উনাকে উনার অভিভাবক করেন যিনি ছিলেন উনার খালুমারিয়াম আলাইহাস সালাম যতই বড় হতে থাকেন ততই তাঁর খোদাভীরুতা, জ্ঞান ও মহত্ত্ব প্রকাশিত হতে থাকেপবিত্র কুরআন উল কারিম উনার মাঝে আরো বলা হয়েছেঃ যখনই জাকারিয়া (আলাইহিস সালাম) মারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার মেহরাবে তথা (ইবাদত-গৃহ-সংলগ্ন মারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার ঘরে) প্রবেশ করতেন তখনই উনার কাছে ফল-মূল দেখতে পেতেন (যা ঐ ঋতুতে পাওয়া যেত না)জাকারিয়া আলাইহিস সালাম সবিস্ময়ে প্রশ্ন করতেনঃ এইসব খাবার তোমার কাছে কোথা থেকে আসে? মারিয়াম আলাইহাস সালাম জবাবে বলতঃ আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন উনার কাছ থেকে এসেছে। আল্লাহ পাক যাকে চান, বেহিসাব দান করেন ৷

এর পরের কয়েকটি আয়াতে হযরত জাকারিয়া (আলাইহাস সালাম) উনার সন্তান হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছেএরপর আবারও মারিয়াম (আলাইহাস সালাম) উনার গৌরবময় ও পবিত্র জীবনের কথা এসেছে পবিত্র কোরআন উল কারিমে।  এই সুরার ৪২ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি বলেছেনঃ وَإِذْ قَالَتِ الْمَلاَئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ اصْطَفَاكِ وَطَهَّرَكِ وَاصْطَفَاكِ عَلَى نِسَاء الْعَالَمِينَ 
'তারপর ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা মারিয়াম আলাইহাস সালাম উনার কাছে এসে বললোঃ হে মারিয়াম! আল্লাহ তোমাকে মনোনীত করেছেন, তোমাকে পবিত্রতা দান করেছেন এবং সারা বিশ্বের নারী সমাজের মধ্যে তোমাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিজের সেবার জন্য বাছাই করে নিয়েছেন৷

পবিত্র আল কোরআন উল কারিম উনার মধ্যে ঈসা (আলাইহিস সালাম) উনাকে অত্যন্ত বড় মর্যাদাসম্পন্ন নবী হিসেবে উল্লেখ করেছেনতিনি কাদা মাটি দিয়ে পাখির কাঠামো তৈরি করে তাতে ফুক দিলে আল্লাহর ইচ্ছায় তা জীবন্ত পাখিতে পরিণত হততিনি জন্মগত অন্ধত্ব দূর করতেন ও কুষ্ঠ রোগীকে সুস্থ করতেন এবং আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে মৃতকে জীবিত করতেনতিনি সব সময় তাঁর অনুসারীদের বলতেন: মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি আমার ও তোমাদের প্রতিপালকতোমরা কেবল তাঁরই ইবাদত করো (আমার ও অন্য কারো নয়)! আর এটাই হল সরল পথ!

যারা পবিত্র ইসলাম ও মুসলমানদের সঙ্গে সহিংস আচরণ বা যুদ্ধ করে পবিত্র আল কোরআন উল কারিম তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলে এবং পবিত্র ইসলাম উনার অনুসারীদের জন্য সম্মান ও স্বাধীনতা চায়

সুরা আলে ইমরান শরিফে উনার ৭২ নম্বর আয়াত শরিফ উনার মধ্যে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি একদল ইহুদির ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দিয়েছেন যারা মুসলমান উনাদের ঈমান দুর্বল করার চক্রান্ত করছিল১২ জন ইহুদির ওই দলটি এই পরিকল্পনা নেয় যে তারা প্রথম দিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার কাছে এসে প্রকাশ্যে ঈমান আনার কথা ঘোষণা করবে, কিন্তু সন্ধ্যার সময় কাফির হয়ে যাবেতাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হলে, তারা এ মিথ্যা কথাটি বলবে যে, আমরা কাছ থেকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার আচরণ ও বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করেছিকিন্তু আমাদের ধর্মীয় গ্রন্থগুলোতে (শেষ নবী বা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার) যেসব বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেইসব বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে তাঁর আচরণ ও বৈশিষ্ট্যের মিল নেইআর এ জন্যই উনার ধর্ম ত্যাগ করেছিতারা ভেবেছিলো এই মিথ্যাচারের ফলে মুসলমান উনাদের ঈমান তিনি দুর্বল হয়ে পড়বেনকিন্তু আল্লাহ পাক সুরা আলে ইমরান শরিফ উনার ৭২ নম্বর আয়াত শরিফে ইহুদিদের এই ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দেন

মুবাহিলা, পবিত্র সুরা আল ইমরান শরিফ উনার উল্লেখিত আরো একটি বড় ঘটনাএই পবিত্র সুরার ৬১ নম্বর আয়াত শরিফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক বলেছেনঃ فَمَنْ حَآجَّكَ فِيهِ مِن بَعْدِ مَا جَاءكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْاْ نَدْعُ أَبْنَاءنَا وَأَبْنَاءكُمْ وَنِسَاءنَا وَنِسَاءكُمْ وَأَنفُسَنَا وأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَةُ اللّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ
"এই জ্ঞান এসে যাওয়ার পর এখন যে কেউ এ ব্যাপারে তোমার সাথে ঝগড়া করে, হে মুহাম্মাদ! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি তাকে বলে দিন: 'এসো আমরা ডেকে নেই আমাদের পুত্রগণকে, তোমাদের পুত্রগণকে৷ আর আমাদের নারীদেরকে, তোমাদের নারীদেরকে, আর আমাদের নিজেদেরকে এবং তোমাদের নিজেদেরকে, তারপর আল্লাহর কাছে এই মর্মে দোয়া করি যে, যে মিথ্যাবাদী হবে তার ওপর আল্লাহ পাক উনার লানত বর্ষিত হোক।"

এখানে বলা হয়েছে যে একদল খ্রিস্টান কুল কায়েনাতের নবি হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হয়বিতর্কে খ্রিস্টানরা বলছিল যে ঈসা আলাইহিস সালাম নিজেই ছিলেন খোদা বা স্রস্টা নাউযুবিল্লাহ তারা তাদের এই ধারণার বিরুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার অকাট্য যুক্তিকেও মেনে নিচ্ছিল নাতাই তিনি মিথ্যাবাদীর ওপর অভিশাপের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের আহ্বান জানানঅর্থাৎ, উভয় পক্ষই প্রভুর কাছে এই দোয়া করবেন যে তাদের মধ্যে যারা মিথ্যাবাদী তারা যেন আল্লাহর অভিশাপে ধ্বংস হয়ে যায়এই পদক্ষেপের পরের দিন পর্যন্ত স্থগিত থাকে

খ্রিস্টানরা নিজেদের মধ্যে এ কথা বলাবলি করলো যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি পরের দিন তাঁর সাহাবীদের নিয়ে আসেন তাহলে স্পষ্ট হবে যে তাঁর দাবিগুলো মিথ্যা, আর যদি তিনি নিজের পরিবারবর্গ ও প্রিয়জনদেরকে নিয়ে আসেন তাহলে এটা স্পষ্ট হবে যে তাঁর নবী হওয়ার বিষয়ে তিনি নিশ্চিতকারণ, কেউ কখনও নিজের প্রিয়জন ও পরিবারবর্গকে আল্লাহর অভিশাপ এবং বিপদের মধ্যে ঠেলে দিতে চায় নাযদি দ্বিতীয় অবস্থাই দেখা যায় তাহলে আমরা আর মুবাহিলা বা পরস্পরকে অভিশাপ দেয়ার অনুষ্ঠানে অংশ নেব না

পরদিন সকালে দেখা গেল কুল কায়েনাতের নবি হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সঙ্গে, জামাতা ও চাচাতো ভাই আলী (কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম), কন্যা ফাতিমা (আলাইহাস সালাম) এবং নাতি হাসান ও হুসাইন (আলাইহিমুস সালাম) উনাদেরকে নিয়ে মুবাহিলা অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত স্থানে এসেছেন

পবিত্র বদর ও অহুদ যুদ্ধ সম্পর্কিত আলোচনা পবিত্র সুরা আলে ইমরান শরিফ উনার আরো দু'টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুযেমন, এই পবিত্র সুরা উনার মধ্যে এসেছেঃ وَلاَ تَهِنُوا وَلاَ تَحْزَنُوا وَأَنتُمُ الأَعْلَوْنَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
(পবিত্র আয়াত শরিফ ১৩৯) তোমরা মনমরা হয়ো না, দুঃখ করো না, তোমরাই বিজয়ী হবে, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাকো
এখন যদি তোমাদের আঘাত লেগে থাকে, তাহলে এর আগে এমনি ধরনের আঘাত লেগেছে তোমাদের বিরোধী পক্ষের গায়েও ৷ এতো কালের উত্থান পতন, মানুষের মধ্যে আমি এর আবর্তন করে থাকি ৷ এ সময় ওই অবস্থাটি তোমাদের ওপর এ জন্য আনা হয়েছে যে, আল্লাহ দেখতে চান তোমাদের মধ্যে সাচ্চা মুমিন কে? আর তিনি তাদেরকে বাছাই করে নিতে চান, যারা যথার্থ ( সত্য ও ন্যায়ের ) সাক্ষী হবে --কেননা জালেমদেরকে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি পছন্দ করেন না'

এই আয়াতে বদর যুদ্ধে মুসলমান উনাদের বিজয় এবং অহুদ যুদ্ধে তাদের পরাজয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছেবদর যুদ্ধে মুসলিম সেনাদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জনমুহাজিরদের পক্ষে পতাকা ছিল আমিরুল মু'মিনিন হযরত আলী (কাররামাল্লাহু ওয়াসহাহু আলাইহিস সালাম) উনার হাতেআর আনসারদের পতাকা ছিল সাদ বিন উবায়দা উনার হাতেমুসলমানদের সাজ-সরঞ্জাম ছিল খুবই কমঅন্যদিকে কাফির সেনাদের সংখ্যা ছিলো এক হাজারেরও বেশিতাদের সবার কাছেই ছিল অস্ত্র ও যথেষ্ট রসদ এবং সাজ-সরঞ্জামতা সত্ত্বেও মুসলমান উনারা তাদের হারিয়ে দিয়ে পবিত্র মদীনায় ফিরে আসেন

কিন্তু অহুদের যুদ্ধে মুসলমান উনারা যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন একদল মুসলিম সেনা শত্রুদের কৌশলের দিকে লক্ষ্য না রেখে গনিমত লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ-অবস্থান ত্যাগ করায়  শত্রুরা মুসলিম সেনাদের ওপর অতর্কিতে পেছন থেকে হামলা করেফলে মুসলমানরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হন

সুরা আলে ইমরান শরিফ উনার এইসব জয়-পরাজয়ের আলোকে জিহাদ ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা তুলে ধরেছেযেমন, মুমিনদের প্রতি অদৃশ্য খোদায়ী সাহায্য, বিজয় সম্পর্কে আশাবাদী হওয়া ও হতাশ না হওয়া, যুদ্ধের ময়দানে দৃঢ়-প্রতিরোধ চালিয়ে যাওযা, শত্রুর মোকাবেলায় ভীত না হওয়া ও পালিয়ে না যাওয়া, যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতি, খোদায়ী পরীক্ষা এবং যুদ্ধের ময়দানে চরম দুরবস্থার মধ্যেও আল্লাহ পাক উনার ওপর ভরসা করার গুরুত্বএইসব শিক্ষা সব যুগের জন্যই, বিশেষ করে আগ্রাসন-কবলিত দেশগুলোর জন্য জরুরি


এ ছাড়াও মুসলিম-ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে সুরা আলে ইমরান শরিফ উনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুরা বাকারা ও সুরা আলে ইমরান শরিফদ্বয় পাঠের ফজিলত সম্পর্কে বলেছেনঃ এই দুই সুরা দুই ফেরেশতার আকৃতি নিয়ে বিচার-দিবসে তাদের পাঠকের জন্য শাফায়াত করে তাদের বেহেশতে নিয়ে যাবে আল্লাহু পাক আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দিন আমিন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: