11.28.2014

পারিবারিক জীবনে কিছু মারাত্মক ভুল যার কুনো সংশোধন নেই তাই জানুন আর সাবধান হউন।

পারিবারিক জীবনে কিছু মারাত্মক ভুল।
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, من مس امرأة بشهوة حرمت عليه امها وبنتها
অর্থ: যদি কোনো ব্যক্তি শাহওয়াতের সাথে কোনো মহিলাকে স্পর্শ করে তাহলে সে মহিলার মা ও মেয়েকে বিবাহ করা তার জন্য হারাম

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম হলো- যখন ছেলে-মেয়ে সমঝদার হবে তখন তাদের বিছানা বাবা-মায়ের বিছানা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে দিতে হবে এ ব্যপারে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, مروا اولادكم بالصلوة وهم ابناء سبع سنين واضربوهم وهم ابناء عشر سنين وفرقوا بينهم مضاجع.
অর্থ: তোমরা তোমাদের আওলাদ বা সন্তানদের সম্মানিত নামায উনাকে আদায়ের আদেশ দান করো, যখন তারা সাত বছর বয়সে পৌঁছেসম্মানিত নামায উনাকে আদায়ের জন্য প্রয়োজনে প্রহার করো, যখন তারা দশ বছর বয়সে পৌঁছেআর সে সময় তাদের বিছানা আলাদা করে দেওঅর্থাৎ সে সময় মায়ের বিছানায় ছেলে এবং বাবার বিছানায় মেয়ে যাতে না শোয়, না ঘুমায় কেননা অনেক সময় বেখেয়ালে এমন কাজ ঘটে যেতে পারে, যার কারণে স্বামীর জন্য নিজের স্ত্রী চিরদিনের জন্য হারাম হয়ে যাবেযার সংশোধন জীবনে কখনই সম্ভব হবে নাএকমাত্র বিচ্ছেদই তার সমাধান যা কেউ কখনো করে না বা করতে চায় না একইভাবে পুত্রবধুর শোয়ার জায়গা, শ্বশুরের শোয়ার জায়গা থেকে পৃথক থাকা অত্যাবশ্যকউপরন্তু পুত্রবধুর জন্য শ্বশুরের কোনো দৈহিক খিদমত করা কখনো উচিত নয়

পুত্রবধূর জন্য শ্বশুরের দৈহিক কোনো খিদমত করা উচিত নয়তবে কাপড় ধোয়া, খানা-পিনার ব্যবস্থা করে দেয়া ইত্যাদি ধরনের দূরত্বসম্পন্ন কাজ করা যেতে পারেকিন্তু শারীরিক কোনো খিদমত করা বা নেয়া কিছুতেই শুদ্ধ নয় অন্যথায় এ ফিতনা-ফাসাদের যামানায় এমনও ঘটনা ঘটে যেতে পারে- যার কারণ স্বামীর জন্য তার স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবেযা হালাল করার কোনো পন্থা-পদ্ধতিই হাতে থাকবে নাতখন বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে তালাক দিতে হবে কাজেই বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দেয়া কর্তব্যএকইভাবে সৎমা বালিগ বা প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলের দৈহিক কোনো খিদমত করবে না এবং নিজেও তার থেকে অনুরূপ দৈহিক খিদমত গ্রহণ করবে নাঅবশ্য আর্থিক বা অন্যান্য খিদমত করতে পারবেকিন্তু দৈহিক খিদমত করা বা নেয়া থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকবেকেননা দৈহিক খিদমতের কারণে অনাকাঙ্খিত এমন ঘটনা সংঘটিত হতে পারে, যার ফলে সৎমা তার নিজ স্বামীর জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে সৎমেয়ের ক্ষেত্রেও সৎবাপের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরীঅন্যথায় স্বীয় স্ত্রী চিরদিনের জন্য হারাম হয়ে যাওয়ার কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে স্মতর্ব্য যে, এ সকল সতর্কতামূলক হুঁশিয়ারী এ জন্যই করা হয়েছে যে, সেসব ক্ষেত্রে তারা সামান্যতম অসতর্কতার দরুন এমন মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে; তাতে পরকালীন ক্ষতি তো আছেই দুনিয়াবী এমন অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হতে পারে- যা সংশোধনের কোনো পথই নেই

যেমন-
১) স্বামী তার প্রয়োজনে নিজের স্ত্রীকে উঠাতে চায়, কিন্তু ভুলে শাহওয়াতের সাথে নিজের মেয়ের শরীরে হাত পড়ে গেল (হাত পড়ার সাথে সাথে হারাম সাব্যস্ত হওয়ার শর্ত পাওয়া গেলো) তাহলে ঐ স্ত্রী উক্ত স্বামীর জন্য সারা জীবনের তরে হারাম হয়ে যাবে
একইভাবে স্ত্রী তার স্বামীকে জাগানোর ইচ্ছা করলোকিন্তু অজান্তে অন্ধকারের মধ্যে তার হাত শাহওয়াতের সাথে তার উপযুক্ত ছেলের শরীরে লেগে গেলো এবং হারাম হওয়ার শর্তসমূহ পাওয়া গেলো, তাহলে ওই স্ত্রী তার আপন স্বামীর উপর চিরতরে হারাম হয়ে যাবে
২) কেউ নিজের স্ত্রীকে একান্ত কাছে পাওয়ার জন্য ইচ্ছা করে, কিন্তু ভুলে তার হাত প্রাপ্ত বয়স্কা মেয়ের শরীরে পড়লো এবং সে শাহওয়াতের সাথে নিজের স্ত্রী মনে করে খোচা দিলোতাতে তার স্ত্রী উক্ত পুরুষের জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে। (আলমগীরী, ২৭৪ পৃ:)
৩) উল্লেখিত সূরতে বা অবস্থায় কাম বা শাহওয়াতের সাথে স্পর্শ করার সাথে সাথে স্ত্রী তার স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যাবেচাই ইচ্ছাকৃত করুক কিংবা অনিচ্ছাকৃত স্পর্শ করুক অথবা ভুলে স্পর্শ করুক না কেন। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ১:২৭৪)
৪) শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বা বদচরিত্রের কারণে শ্বশুর যদি তার পুত্রবধূর শরীরে শাহওয়াতের সাথে হাত লাগায় তাহলে তাতে ঐ পুত্রবধূ তার নিজ স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যাবেতখন স্বামীর জন্য ঐ স্ত্রীকে পৃথক করে দিতে হবেকোনো মতে তাকে নিয়ে সংসার করা বৈধ হবে না
৫) বালিগ বা প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে যদি নিজের সৎমায়ের শরীরে শাহওয়াতের সাথে হাত দেয়, ইচ্ছাকৃত হোক কিংবা ভুলে তখন ঐ সৎমা তার নিজের স্বামীর উপর সারাজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবেতাকে তালাক দেয়া জরুরী হয়ে পড়বে
৬) কোনো লোক যদি তার সৎমেয়ের শরীরে বেখেয়ালে কিংবা দুষ্টামী করে শাহওয়াতের সাথে হাত দেয়, তাহলে ঐ পুরুষের জন্য তার নিজ স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে
৭) যদি মেয়ের জামাই ভুলে অথবা জেনে-বুঝে তার শ্বাশুড়ীর শরীর শাহওয়াত বা কামভাবের সাথে স্পর্শ করে, তাহলে তাতে ঐ মেয়ের জামাইয়ের উপর তার নিজ স্ত্রী চিরদিনের জন্য হারাম হয়ে যাবে
৮) কোনো মহিলার সাথে কোনো পুরুষের অবৈধ সম্পর্ক ছিলএখন ঐ মহিলার কন্যার সাথে উক্ত পুরুষের বিবাহ চিরতরের জন্য হারাম হবেকোনোক্রমে বিবাহ করলেও বিবাহ হবে নাতাদের মেলামেশা সম্পূর্ণরূপে ব্যাভিচারে পরিণত হবে

উল্লেখিত ছুরতসমূহে স্পর্শ করার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হওয়ার শর্তসমূহ:
১) সেই মেয়ে ৯ বছর বয়স্কা বা তার চেয়ে বেশি হওয়াআর ছেলে ১২ বছর বয়স্ক বা তার চেয়ে বেশি হওয়া শর্তকাজেই দুজনের মধ্যে কোনো একজনের বয়স যদি কম হয় তাহলে স্পর্শের দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হবে না
২) হাত ও শরীরের মাঝখানে কোনো মোটা কাপড়ের আবরণ না থাকা শর্ততবে যদি এমন পাতলা কাপড় থাকে- যার দ্বারা শরীরের উষ্ণতা অনুভূত হয়, তাহলেও হারাম সাব্যস্ত হবেপক্ষান্তরে এমন মোটা কাপড় বা কম্বলের উপর দিয়ে স্পর্শ করে যে, কাপড়ের কারণে শরীরের উষ্ণতা অনুভূত হয় না, তাহলে তাতে বর্ণিত হারাম সাব্যস্ত হবে নাযদিও তাতে শাহওয়াত বা কামভাব থাকে
৩) যদি মেয়ে বা মহিলার শুধু চুলের উপর হাত লাগায় এবং মাথার উপরিভাগের চুল স্পর্শ করে তাহলে বর্ণিত হারাম সাব্যস্ত হবেআর যদি মাথার থেকে নিচে ঝলে পড়া চুলে হাত লাগায়তাহলে হারাম সাব্যস্ত হবে না। (দররুল মুখতার)
তবে উক্ত ছুরতসমূহে শর্ত পাওয়া না গেলে, বর্ণিত হারাম সাব্যস্ত হবে না সত্য কিন্তু অবশ্যই কবীরা গুনাহে গুনাহগার হবে
৪) স্পর্শ করার সময় ছেলে ও মেয়ে পুরুষ কিংবা মহিলা উভয়ের কোনো একজনের শাহওয়াত বা কামভাব জাগ্রত হওয়া শর্তউভয়ের শাহওয়াত বা কামভাব জাগ্রত হওয়া শর্ত নয়। (ফতওয়ায়ে শামী)

শাহওয়াত বা কামভাবের মাপকাঠি: উল্লেখিত হুরমতে মুছাহারা বা হারাম সাব্যস্ত হওয়ার জন্য পুরুষের শাহওয়াত বা কামভাবের মাপকাঠি হচ্ছে তার লজ্জাস্থান বেড়ে উঠা। আর যদি স্পর্শ করার পূর্ব থেকেই তা উত্থিত অবস্থায় থাকে, তাহলে তার জন্য মাপকাঠি হলো তাতে আরো বৃদ্ধি পাওয়া। আর মহিলা, বৃদ্ধপুরুষ ও কমজোর পুরুষের জন্য শাহওয়াতের মাপকাঠি হলো- অন্তকরণে স্বাদ বা মজা অনুভব করা। যদি স্পর্শ করার পূর্ব থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে তা আরো বৃদ্ধি পাওয়া। (আলমগীরী, ১:২৭৫)

কোনো পুরুষ বা উপরোল্লিখিত মহিলা তথা পুত্রবধূ, শ্বাশুড়ী, সৎমা এবং আপন মেয়ে এদের মধ্যে হতে কারো মুখে, গালে অথবা মাথার উপরিভাগে যদি বুছা দেয় এবং বলে যে, আমি এ কাজ শাহওয়াতের সাথে করিনি, তাহলে তার এ কথা সত্য বলে মেনে নেয়া যাবে না। বরং হারাম সাব্যস্ত হয়ে যাবে।

উক্ত অবস্থায় হারাম সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এমন শর্ত নেই যে, হাত লাগা অবস্থায় বেশ কিছুক্ষণ থাকতে হবে। বরং ভুলেও যদি স্ত্রী মনে করে তার প্রাপ্ত বয়স্কা মেয়ের উপর শাহওয়াতের সাথে হাত পড়ে যায় এবং খেয়াল হওয়ার পর তৎক্ষণাত হাত সরিয়ে নেয় তাহলেও তার স্ত্রী তার উপর চিরদিনের জন্য হারাম হয়ে যাবে। আর সেই স্পর্শ শরীরের যে কোনো অঙ্গে হোক না কেন।

৫) শাহওয়াতের উল্লেখিত মাপকাঠি স্পর্শ করার সময়ই থাকতে হবে। কাজেই, যদি স্পর্শ করার সময় শাহওয়াত উল্লেখিত মাত্রায় না হয়, বরং হাত সরিয়ে নেয়ার পর শাহওয়াতের ঐ মাত্রা পাওয়া যায় তাহলে তা দ্বারা বর্ণিত হারাম সাব্যস্ত হবে না।

৬) স্ত্রীর এ জাতীয় ঘটনায় স্বামীর নিকট স্ত্রীর শাহওয়াতের দাবি সত্য বলে মনে হওয়া। কাজেই, যদি স্বামীর নিকট সেই দাবি মিথ্যা বলে মনে হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে হারাম সাব্যস্ত হবে না। কেননা, স্বামীর সাথে দুশমনী বা মনোমালিন্য হওয়ার কারণে স্ত্রী এরূপ মিথ্যা দাবি করতে পারে, যেন তার উপর তার স্ত্রী হারাম সাব্যস্ত হয়।

উল্লেখ্য যে, যে সমস্ত অবস্থায় হুরমতে মুছাহারা সাব্যস্ত হয়, তার সমস্ত অবস্থাতেই বিবাহ শেষ হয়ে যায় না। বরং বিবাহ ফাসিদ হয়। আর এজন্য তাকে তালাক দেয়া জরুরী। যাতে ঐ মহিলা অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে।


যাতে মারাত্মক ভুল না হয় তার জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা: হুরমতে মুছাহারা হয়ে গেলে একমাত্র তালাক বা বিচ্ছেদ ছাড়া অন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। কাজেই পূর্ব থেকে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

আবার বিষয়টি যেহেতু অত্যন্ত স্পর্শকাতর বা অতিনাজুক, এমনকি একান্ত অনিচ্ছাসত্ত্বেও অনেক সময় এমন পরিস্থিতি হয়ে স্ত্রী তার স্বামীর জন্য হারাম সাব্যস্ত হয়ে যেতে পারে, এজন্য তার প্রতি সকলের খুবই সতর্ক দৃষ্টি রাখা অপরিহার্য।

এই জাতীয় মারাত্মক ভুল থেকে বাঁচার জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতিসমূহ অবলম্বন করা উচিত: যে স্থানে নিজের স্ত্রী ঘুমায়, ঐ স্থানে পুত্রবধূ, আপন মা, নিজের উপযুক্ত মেয়ে, নিজের সৎমা, প্রাপ্ত বয়স্কা সৎমেয়ে এবং নিজের শ্বাশুড়ী এই মহিলাদের মধ্যে কেউ যেন না শোয় বা না ঘুমায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি প্রত্যেকের পৃথক রুম বা কামরা না থাকে তাহলে কমপক্ষে প্রত্যেকের নির্দিষ্ট পৃথক পৃথক সুন্নতী চৌকি, খাট, বিছানা ইত্যাদি হওয়া জরুরী।

এমতাবস্থায়ও যতক্ষণ স্ত্রীকে ভালোভাবে না চিনে, তার শরীরে হাত দিবে না। কেননা কোনো সময় ঘটনাক্রমে নিজের স্ত্রীর চৌকিতে অন্য মহিলাও শুয়ে থাকতে পারে।

উপরোল্লিখিত ছয় মহিলার হাত থেকে যদি কিছু নিতেই হয়, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে যেন তার হাতে হাত না লাগে। নফসের কোনো বিশ্বাস নেই। যদি তার হাতে হাত লেগে যায় আর সে সময় মনের মধ্যে শাহওয়াতের সৃষ্টি হয়, তাহলে নিজ স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবে।

সর্বোপরি একজন অপরজনের মনের অবস্থা জানতে পারে না। অথচ উক্ত কর্ম দ্বারা বর্ণিত হারাম সাব্যস্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে শাহওয়াত বা কামভাবের কথা জানা সত্বেও লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে তা মুখে প্রকাশ করতে অনেকে সঙ্কোচবোধ করে।

তখন শেষ পরিণতি এই হয় যে, পুরো জীবন হারাম তথা ব্যভিচারের গুনাহের সাথে অতিবাহিত হয়। যার মধ্যে অপমৃত্যুর কিংবা বিনা তওবায় মৃত্যুর, এমনকি ঈমানহারা হয়ে মারা যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া পরকালীন কঠিন ও ভয়াবহ আযাব তো রয়েছেই।

অধিক সতর্কতার জন্য জরুরী হচ্ছে উক্ত মহিলারা একজনের কাপড় অন্যজন কখনো পরিধান করবে না। তারা কখনো একই রঙের জামা-কাপড় পরবে না। অনুরূপ সাজ-গোজ করবে না।

পুত্রবধূ যদি শ্বশুরের হাত-পা দাবাতে চায়, তেল লাগাতে চায় তাহলে শ্বশুর তাকে নিষেধ করে দিবে যদিও শ্বশুর বৃদ্ধ হয়। পুত্রবধূ দৈহিক কোনো খিদমত না করার কারণে শ্বশুরের অসন্তুষ্ট হওয়া উচিত নয়। আর পুত্রবধূও শ্বশুরের এরূপ অসন্তুষ্টির কখনো পরওয়া করবে না।

এমনকি আপন স্বামীও যদি এ কারণে অসন্তুষ্ট হয়, তাতেও কোনো ভ্রƒক্ষেপ করবে না। বরং স্বামীকে বুঝাবে। তা না হলে এই ফিতনার যুগে উক্ত কঠিন পরিস্থিতির শিকার হয়ে দুনিয়া ও আখিরাতকে বরবাদ করে ফেলতে পারে। অথচ সে এ ব্যাপারে নিজে টেরও পাবে না।………………………………………………………………চলবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: