11.02.2014

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-তিনি সর্বত্র হাযির-নাযির: একটি দলিল সমৃদ্ধ পোষ্ট ।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম-তিনি সর্বত্র হাযির-নাযির: একটি দলিল সমৃদ্ধ পোষ্ট ।
মূলতঃ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যেহেতু সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বেই সৃষ্টি করা হয়েছে তাই তিনি সর্বকালে, সর্বযুগে, সর্বাবস্থায় হাযির-নাযির ছিলেন, আছেন, ক্বিয়ামত পর্যন্ত থাকবেন ও ক্বিয়ামতের পরে অনন্ত কাল থাকবেনএ মর্মে ইরশাদে রব্বানী হচ্ছে- الم تر ان الله خلق السموت والارض بالحق.
অর্থ: হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি দেখননি? যে মহান আল্লাহ পাক আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যস্থিত সমস্ত কিছুই সঠিক ও সুন্দরভাবে সৃষ্টি করেছেনঅর্থাৎ সমগ্র কায়িনাত বা মাখলূকাত সৃষ্টির সময় আপনি হাযির-নাযির থেকেই সবকিছুই দেখছেনমূলকথা হচ্ছে আল্লাহ পাক যখন কুল কায়িনাত সৃষ্টি করেন তখনও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান দরবারে ইলাহীতে উপস্থিত ছিলেন ও সবকিছু দেখেছেন আল্লাহ পাক আরো বলেন- الم تر كيف فعل ربك باصحاب الفيل অর্থ: হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি দেখেননি, আপনার প্রভু হস্তীবাহিনীদের কি অবস্থা করেছেন?” (সূরা ফীল - আয়াত শরিফ১)

الم تر كيف فعل ربك بعاد অর্থ: হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি দেখেননি, আপনার প্রতিপালক আদ জাতির সঙ্গে কিরূপ আচরণ করেছেন?” (সূরা ফজর - আয়াত শরিফ ৬)
আদজাতি ও হস্তিবাহিনীর ঘটনাবলী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যমীনে আগমণের অনেক আগেই সংঘটিত হয়েছিল, অথচ বলা হচ্ছে الم تر আপনি কি দেখেননি? অর্থাৎ আপনি দেখেছেনএ আয়াত শরীফসমূহ থেকে এটাই ছাবিত হলো যে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টির শুরু থেকে সর্বকালে, সর্বযুগে, সর্বাবস্থায় কায়িনাতে যত ঘটনা ঘটেছে তা সবই তিনি হাযির-নাযির থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন বা দেখেছেন

সর্বপরি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাযির ও নাযির হওয়া সম্পর্কে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ফতওয়া হলো, “তিনি আল্লাহ্ পাক-এর প্রদত্ত্ব ক্ষমতায় ছিফত হিসেবে হাযির-নাযিরএবং জাতিগতভাবেও যেকোন সময় যেকোন স্থানে হাযির-নাযির হওয়ার ইখতিয়ার রয়েছে আল্লাহ্ পাক বলেন, وما ارسلنك الا رحمة للعلمين.অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমস্ত আলমের জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছি। (সূরা আম্বিয়া-১০৭) উল্লেখ্য যে, মহান আল্লাহ পাক হচ্ছেন رب العلمين (রব্বুল আলামীন) সমস্ত আল্লমের রবআর হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন رحمة للعلمين (রহমাতুল্লিল আলামীন) সমস্ত আলমের জন্য রহমতঅর্থাৎ রব্বুল আলামীনের রুবুবিয়্যত যত কিছুর জন্য প্রযোজ্য رحمة للعلمين এর রহমত তত কিছুর জন্যই প্রযোজ্যআল্লাহ পাক-উনার রুবুবিয়তের বাইরে যেমন কোন কিছু নেই তেমিন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর رحمة থেকে খালি কোন কিছুই নেই

এ সম্পর্কে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,ورحمتى وسعت كل شىءঅর্থ: আর আমার রহমত সবকিছুকে বেষ্টন করে আছে” (সূরা আরাফ-আয়াত শরিফ ১৫৬) অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক প্রদত্ত ক্ষমতায় রহমত হিসেবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টি জগতের সবকিছুতে বিরাজমান আল্লাহ পাক-এর সৃষ্টি জীবের মধ্যে এমন কোন বিষয় নেই, এমন কোন স্থান নেই, এমন কোন বস্তু নেই যেখানে রহমত নেইআল্লাহ পাক-এর কায়িনাতে বায়ুশূন্য স্থানের যেমন কোন অস্তিত্ব পাওয়া যাবে না অনুরূপ রহমতশুন্য স্থানের অস্তিত্বও পাওয়া যাবে নাসুতরাং আল্লাহ পাক-এর রহমত তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমগ্র কয়িনাতকে বেষ্টন করে আছেনএ সম্পর্কে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ ফরমান- ان رحمة الله قريب من المحسنين অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক-এর রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হক্কানী-রব্বানী ওলী আল্লাহগণের নিকটেই রয়েছেন। (সূরা আরাফ আয়াত শরিফ ৫৬) অর্থাৎ হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহগণ মহান আল্লাহ পাক-এর রহমত তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে লাভ করেই ওলীআল্লাহ হনআর সে কারণেই আওলিয়ায়ে কিরামগণ মহান আল্লাহ পাক-এর রহমত তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দায়িমীভাবে দেখে থাকেন

হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাজ্জালী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন, .ارباب قلوب مشاہدہ می کنند در بیدا ری انبیاء و ملائکہ راو ہمکلام می شوند بایشاں অর্থ: খোদায়ী নূরে আলোকিত অন্তর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জাগ্রত অবস্থায় হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ফেরেশ্তাগণকে দেখতে পান, তাঁদের সাথে কথাবার্তাও বলেনইমামে আযম হযরত ইমাম আবূ হানীফা আলাইহিস সালাম কাছীদায়ে নুমাননামক প্রশংসামূলক কাব্যগ্রন্থে বলেছেন, .واذا سمعت فعنك قولا طيبا + واذا نظرت فلا ارى الاك অর্থঃ- হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন তিনি করে বলছেন, “হে নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যখনই আমি কিছু শুনি শুধু আপনার মুবারক ক্বওল শরীফই শুনি আর যখন কোন দিকে তাকাই তখন আপনি ছাড়া আর কিছুই আমার দৃষ্টিগোচর হয়নাহযরত ইমাম আযম আবূ হানীফা (আলাইহিস সালাম) কুফা নগরে অবস্থানকালীন সময় চতুর্দিকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখতে পেতেন

তাবাকাতকিতাবের ২য় খন্ডের, ১৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, হযরত ইমাম আবুল আব্বাস মারাসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেছেন لى اربعون سنة ما حجبت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم لو حجبت طرفة عين ما اعددت نفسى من جملة المسلمين. অর্থঃ আজ চল্লিশ বৎসরব্যাপী আমি রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর (দর্শন) হতে বঞ্চিত হইনিযদি এক নিমেষও তাঁর দর্শন হতে বঞ্চিত হতাম তাহলে আমি নিজেকে মুসলমান বলে পরিগণিত করতাম নাঅর্থাৎ যখন তিনি ঐ কথা বলেছেন তার চল্লিশ বছর পূর্ব হতে তখন পর্যন্ত এবং তারও পরে আজীবন তিনি আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দায়েমী দীদারে মশগুল ছিলেন মুজাহিদে আযম, মুজাদ্দিদে জামান হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী (আলাইহিস সালাম) এবং কুতুবুল ইরশাদ, হাফিযে হাদীছ হযরতুল আল্লামা রুহুল আমীন বশিরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন আমরা যখন কোন হাদীছ শরীফ বর্ণনা করি তখন সরাসরি আল্লাহ পাক-এর হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের সামনে দেখতে পাইসরাসরি হাদীছ শরীফ জেনে বা তাহকীক করে তা বর্ণনা করে থাকি

তাযকিরাতুল আওলিয়া ২য় খণ্ড উল্লেখ করা হয়েছে- আল্লাহ পাক-এর খালিছ ওলী হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর কাছে উনার একজন মুরীদ খারকান শহর থেকে শাম দেশে গিয়ে ইলমে হাদীছ শিক্ষার অনুমতি চাইলেনতিনি মুরীদকে বললেন, তুমি শাম দেশে যাবে কেন? খারকান শহরে কি কোন বড় মুহাদ্দিছ নেইতখন শায়খ রহমতুল্লাহি আলাইহি নিজেই বললেন, তুমি হাদীছ শরীফ পড়বে, আমার কাছেই তো পড়তে পারতখন সেই মুরীদ মনে মনে ফিকির করলো আমার শায়খ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তো কোন মাদ্রাসায় লেখা-পড়া করেননিতিনি কি করে আমাকে হাদীছ শরীফ পড়াবেন? সে কোন উত্তর না দিয়ে মজলিস শেষে চলে গেলরাত্রি বেলায় ঐ মুরীদ স্বপ্নে দেখলো- আল্লাহ পাক-এর হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলতেছেন, হে ব্যক্তি তুমি সাবধান হয়ে যাও! তুমি জান, তোমার শায়খ হযরত আবূল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্তমান বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছকাজেই তুমি উনার কাছে গিয়ে ক্ষমা চাও এবং উনার কাছেই হাদীছ শরীফ শিক্ষা করসে ব্যক্তি তাই করলোহাদীছ শরীফ পড়ানোর সময় শায়খ মুখস্থ পড়ান আবার কিতাবে লিখা না থাকা সত্ত্বেও কোনটি কোন ধরনের হাদীছ শরীফ তাও তিনি বলে দেনঅনেক দিন পরে সেই মুরীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন যে, আমি হাদীছ শরীফ পড়ানোর সময় রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমার সামনে দেখতে পাইউনার নিকট থেকে জেনেই আমি তোমাকে পড়াই ও সব কথা বলি। (সুবহানাল্লাহ)

এছাড়াও কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস থেকেও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম তিনি যে হাযির ও নাযির তার অকাট্ট প্রমাণ পাওয়া যায়যখন তীরের আঘাতে নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন (আলাইহিস সালাম)-উনার পবিত্র শরীর ঝাঁঝরা হয়ে ফিনকি দিয়ে সারা শরীর মুবারক থেকে রক্ত বের হতে লাগলো, তখন উনি বার বার মুখে হাত দিয়ে বললেন, বদবখতের দল! তোমরাতো তোমাদের নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর লেহাজও করলে নাতোমরা নিজের নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বংশধরকে কতল করছো! এভাবে যখন তিনি আর একবার মুখের উপর হাত দিলেন, তাঁর চোখের সামনে আর এক দৃশ্য ভেসে উঠলতিনি দেখতে পেলেন, স্বয়ং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত মুবারকে একটি বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেনহযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু (আলাইহিস সালাম) ও হযরত ফাতিমাতুয যাহরা (আলাইহিস সালাম) পার্শ্বে আছেন আর বলছেন, ‘হুসাইন! আমাদের দিকে তাকাও, আমরা তোমাকে নিতে এসেছি হযরত ইমাম হুসাইন (আলাইহিস সালাম) উনার কাপড় রক্তে ভিজে যাচ্ছিল আর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই রক্ত বোতলে ভরে নিচ্ছিলেন এবং বলছিলেন, ‘হে আল্লাহ পাক! হুসাইনকে পরম ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করুন’ (দলিল: কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস)

উপরে বর্ণিত মিলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বত্র হাযির ও নাযির সম্পর্কিত দলিল সমূহ মূলতঃ শত সহস্র দলিল সমূহের মধ্য থেকে সামান্য কয়েকটি দলিল সংকলন করে সংক্ষেপ আকারে পেশ করা হয়েছেআসলে মুমিনের জন্য একটি দলিলই যথেষ্টআর যারা বদ আক্বিদা, বদ মাযহাবী, বাতিল ফিরক্বার অন্তভক্ত তাদের লক্ষ-কোটি দলিল দিলেও তারা মানবেনাকেননা তাদের অন্তরে সিল মোহর পড়ে গেছেতারা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে বেয়াদবী করতে করতে যুব্বুল হুযূনে চলে যাবে তবু নবী পাক-এর শানে আদব, মুহব্বত তারা প্রদর্শন করবেনা


আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে ঐসব বদ আক্বিদা, বদ মাযহাবী, ওহাবী, খারিজি, দেওবন্দী, তাবলীগী, কাদিয়ানী তথা বাতিল বাহাত্তর ফিরক্বার লোকদের ওয়াস ওয়াসা থেকে হেফাযত করুনআর নাযিয়াহ্(নাযাত প্রাপ্তদের) তথা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত এর আক্বিদা পোষণ করার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন। (আমীন)


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: