11.27.2014

পাক ভারতীয় উপমহাদেশে দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম ঐতিহ্যে জাগরনের সুমহান একক অপ্রতিদ্বন্ধী রাহবার ইমাম যিনি !

সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম
সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব খাছ লক্ষ্যস্থল ওলী, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সিতারা, যুগের ইমাম, ত্রয়োদশ শতাব্দির মহান মুজাদ্দিদ, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার সু-মহান বিলাদত শরীফ মূলতঃ নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাশহুর হাদীস শরীফ  উনার বাস্তব প্রতিফলন মাত্রইরশাদ হয়েছে- নিশ্চয়ই খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতি হিজরী শতকে আমার উম্মতের মাঝে এমন একজন ব্যাক্তিত্বকে প্রেরন করবেন যিনি দ্বীন ইসলাম উনার তাজদীদ সম্পন্ন করবেনসুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যিনি উম্মাহর মাঝে মুজাদ্দিদ হিসেবে তাশরীফ আনবেন তিনি সমকালীন সকল ফিৎনা ফাসাদ কুফরী শেরকী বিদয়াতী কার্যকলাপকে পবিত্র কুরআন শরীফ সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে অত্যন্ত মজবুতভাবে মুকাবিলা করে দ্বীন ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, জমিনে সমুন্নত রাখবেন

মূলতঃ এই মহান নেক খিদমতকে আঞ্জাম দিতেই খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার অতি প্রিয়তম হাবীব, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, রাহমাতুল্লীল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র আজিমুশ্বান বংশধারায় ভারতের উত্তর প্রদেশের (সাবেক এলাহাবাদের) রায়বেরেলী জিলার দায়েরায়ে শাহ আলামুল্লাহতে (বর্তমান তাকিয়া নামক স্থানে) ১২০১ হিজরীর সফর মাস মুতাবিক ১৭৮৬ ঈসায়ী সালের নভেম্বর মাসে যুগের ইমাম, ত্রয়োদশ শতাব্দির মহান মুজাদ্দিদ, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার মুবারক বিলাদত শরীফ সু-সম্পন্ন করেনসুবহানাল্লাহ! ত্রয়োদশ শতাব্দির শুরুতেই আজিমুশ্বান সাইয়্যিদী খান্দানে এমন এক প্রদীপ্ত সূর্যের উদয় হলো যিনি খুব অল্প হায়াত মুবারকের জিন্দেগীতেই ভারতীয় উপমহাদেশে খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াহর আলোকে মুসলিম উম্মাহর হারানো ইসলামী খিলাফতের এমন এক কাঠামো গঠন করেন যা অতীত এবং পরবর্তী নিকট ইতিহাসেও ছিলো অত্যন্ত বিরল এবং বিষ্ময়কর একই সাথে ঈমানদীপ্ত ইসলামী ঐতিহ্যর বেমেছাল নমুনাও বটে! সুবহানাল্লাহ!

খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব খাছ  লক্ষ্যস্থল ওলী, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সিতারা, যুগের ইমাম, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার সু-মহান  পবিত্র বিলাদত শরীফ-তারিখ সম্পর্কে প্রশিদ্ধ ঐতিহাসিক আল্লামা চৌধূরী গোলাম রাসূল মেহের ছাহিব সাধ্যমত অনুসন্ধান তথা তাহক্বিক করে উল্লেখ করেছেন, ৬ই সফর শরীফ, ১২০১ হিজরী শরীফ মুতাবিক ২৯ নভেম্বর ১৭৮৬ ঈসায়ীসুবহানাল্লাহ!

পবিত্র নসবনামা মুবারক।

বলার অপেক্ষা রাখেনা, তামাম আলমের সবচাইতে পবিত্র, মর্যাদাশীল, বেমেছাল নূরানী বংশধারা তথা আওলাদে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সিলসিলায় যুগের ইমাম, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি আগমন করেনউনার নূরানী পুতঃপবিত্র উর্দ্ধতন পূর্ব-পুরুষ উনারা হাসানী সাইয়্যিদী খান্দান হিসেবে মাশহুর ছিলেনবিশেষ করে উনার অন্যতম পূর্ব পুরুষ শায়খুল ইসলাম, কুতুবুল আরেফীন, আমিরুল মুজাহিদীন হযরত সাইয়্যিদ কুতুবদ্দীন মুহম্মদ আল হাসানী আলাইহিস সালাম। তিনি ৬০৭ হিজরীর কোন একসময় স্বপ্নযোগে নূরে মুজাসসাম, হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে মুবারক ইজাজত লাভ করেন হিন্দুস্থানে এসে দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার প্রসার করার জন্যমুবারক জিয়ারত শরীফে তিনি একই সাথে বিজয় এবং কামিয়াবীর সুসংবাদপ্রাপ্ত হনসুবহানাল্লাহ! তিনি দীর্ঘদিন শায়খুল ইসলামপদে নিয়োজিত থেকে দিল্লীর সকল উলামা মাশায়িখ ও সুলতানগন উনাদেরকে তালিম তরবিয়ত দান করেছেনপরবর্তীতে তিনি দিল্লী হতে হিজরত করে কড়া নামক স্থানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তুলেন

১০৩৩ হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ বিলাদত শরীফ লাভ করে ধন্য উনার অধস্থন অন্যতম পুরুষ সাইয়্যিদুল আউলিয়া, কুতুবুল আলম হযরত সাইয়্যিদ শাহ ইলমুল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনিই কড়া হতে হিজরত করে রায়বেরলীর সাই নদীর তীরে দায়েরায়ে শাহ আলামুল্লাহ স্থাপন করেনসেখানে থেকেই তিনি মানুষকে ইলমে শরীয়ত এবং ইলমে তরীকত উনাদের দরস মুবারক দান করতেনউনার বেমেছাল কারামত বুজর্গীর কথা জনসমাজে খুবই প্রশিদ্ধএগুলো অনেক ঐতিহাসিক কিতাবপত্র সমূহে সবিস্তারে বর্নিত রয়েছেতিনি সুলতানুল আউলিয়া সাইয়্যিদ আদম বিন নুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম প্রধান খলীফা ছিলেনতিনি আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার বুজর্গ পিতা উনার সম্মানিত উর্দ্ধতন পিতামহসুবহানাল্লাহ!

সুপ্রশিদ্ধ ও সুবিখ্যাত কিতাব মুবারক সমূহে যুগের ইমাম, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র নসবনামা মুবারক নিন্মোক্তভাবে বর্নিত রয়েছে

যেমন-হযরত সাইয়্যিদ আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ ইরফান ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ নূর ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ হুদা ইবনে সাইয়্যিদ ইলমুল্লাহ ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ ফুদায়েল ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুয়ায্যান ইবনে সাইয়্যিদ আহমদ ইবনে কাজী সাইয়্যিদ মাহমুদ ইবনে সাইয়্যিদ আলাউদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ সানী ইবনে সাইয়্যিদ যায়িদ সদরুদ্দীন সানী ইবনে সাইয়্যিদ যায়নুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ আলী ইবনে সাইয়্যিদ কিয়ামুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ সদরুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ কাজী রুকুনুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ আমীর নিযামুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ আমীর কবীর ইবনে সাইয়্যিদ কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ আল হাসানী ইবনে সাইয়্যিদ রশীদউদ্দীন ্আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ ইউসূফ ইবনে সাইয়্যিদ  ঈসা ইবনে সাইয়্যিদ হাসান ইবনে সাইয়্যিদ আবুল হাসান আলী ইবনে সাইয়্যিদ আবু জাফর মুহম্মদ ইবনে সাইয়্যিদ ক¦সিম ইবনে সাইয়্যিদ আবু মুহম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে সাইয়্যিদ হাসান আল আনওয়ার আল জাওয়াদ ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ সামী ইবনে সাইয়্যিদ আবু মুহম্মদ আবদুল্লাহ আল আশতার ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ সাহিবুন নাফসিজ যাকিয়া ইবনে সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ আল মাহদী ইবনে সাইয়্যিদ হাসান মুসান্না ইবনে সাইয়্যিদুনা ইমামুল হুমাম আউয়াল হাসান আলাইহিস সালাম ইবনে সাইয়্যিদাতুনা ফাতিমাতুজ্জাহরা আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদুনা কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালামসুবহানাল্লাহ!

কত সুন্দর সুবিন্যস্ত মাদানী নববী নিসবত মুবারকের জাত এবং সত্ত্বাগত অধিকারী ছিলেন খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব খাছ  লক্ষ্যস্থল ওলী, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সিতারা, যুগের ইমাম, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম! আল্লাহ আকবর! এমন মাদারজাত ওলী উনার সুমহান শানে অপবাদ আরোপকারী, বিরোধীতাকারী সুন্নী নামের কলংক রেজাখানীদের পক্ষে কি করে সম্ভব রহমতের মধ্যে থাকা, কি করে সম্ভব হক্বের মধ্যে থাকা! তাইতো তারা আজ তাবৎ হারাম কুফরী শেরকী আমল আকীদা করতে করতে বাতিল ফিরকা হিসেবে সমাজে চিহ্নিত হয়েছে

সম্মানিত বুজুর্গ মাতা-পিতা রহমাতুল্লাহি আজমাঈন যুগের ইমাম, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি উনার মহা-সম্মানিতা আম্মাজান উনার দিক হতেও সাইয়্যিদী খান্দানী কুরাঈশীসুবহানাল্লাহ! উনার সুমহান সীরত মুবারক আলোচনার এক বর্ননাতে উনার মহা-সম্মানিতা আম্মাজান উনার নাম মুবারক লিখা হয়েছে- সাইয়্যিদাতুনা বিবি আফিয়া রহমাতুল্লহি আলাইহাসুবহানাল্লাহ! বলাবাহুল্য যে, উত্তরাধিকার সুত্রেই এই মহান সাইয়্যিদী খান্দানের পূত:পবিত্রা মহিলা উনারা ইলমে শরীয়ত এবং ইলমে তরীকত উভয় ইলমে ছিলেন সমান পারদর্শী অভিজ্ঞতাসম্পন্নাযার ফলে উনাদের বরকতময় আওলাদগন দ্বীনি ইলম উনার শিক্ষা দীক্ষার প্রাথমিক তালীম গ্রহন করতেন উনাদের সম্মানিতা মাতা উনাদের থেকেইযুগের ইমাম, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনিও উনার মহা-সম্মানিতা আম্মাজান রহমাতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে প্রথম দ্বীনি ছবক লাভ করেনএই মহান খান্দানী পরিবারের মায়েরা উনাদের বুজুর্গ শিশুদের দুধ পান করানোর সময় থেকেই জিহাদী জজবাহ দান করে ঘুম পাড়ানির কাছিদা শরীফ পাঠ করতেনএমনি একটি কাছিদা শরীফ উনার ছন্দ ইতিহাসে খুবই মাশহুরসেটি হলো- এলাহী তুজেভি শাহাদাত নদীব-ইয়া আফজাল ছে আফজাল এবাদাত নছীবসুবহানাল্লাহ!

দ্বীন ইসলাম উনাকে বুলন্দ  রাখার জিহাদী প্রেরনা তিনি শৈশবকালে উনার মহা-সম্মানিতা বুজর্গ আম্মাজান রহমাতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকেই লাভ করেনএ প্রসঙ্গে সীরাতে সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ রহমাতুল্লাহি আলাইহিনামক প্রশিদ্ধ কিতাবসহ আরো অনেক কিতাবে একটি ঘটনা উল্লেখ করে লিখা হয়েছে-দুনিয়াতে এমন মায়ের সংখ্যা খুবই কম যারা স্বীয় পুত্রের জীবন উৎসর্গের পরীক্ষায় কামিয়াবী অর্জন করেন এবং মৃত্যুবরন করার জন্য তথা শাহাদাত লাভের বাসনায়  স্বীয় সন্তানকে স্বহস্তেই অগ্রসর করে দেনআমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনাকে খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এমন এক মা দান করেছিলেন যিনি ছিলেন আফদ্বালুন নাস বাদাল আম্বিয়া হযরত সিদ্দিকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার কন্যা ও সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সু-মহান আম্মাজান হযরত আসমা রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনারই মেছদ্বাকসুবহানাল্লাহ! মানযুরানামক কিতাবে বর্নিত আছে- একদা মুসলমান ও হিন্দু মুশরিকদের সাথে ভীষন যুদ্ধ লেগে যায়এই যুদ্ধে মুসলমান উনাদের পক্ষে ঝাপিয়ে পড়ার জন্য অল্প বয়স্ক হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ আলাইহিস সালাম তিনি তুমুল আগ্রহ প্রকাশ করেনকিন্তু উনার খিদমতে নিয়োজিত ধাত্রী উনাকে কোনমতেই হুজরা শরীফ হতে বের হতে দিচ্ছিলেন নাএ সময় উনার বুজুর্গ আম্মাজান তিনি নামাজরত ছিলেনহযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি আম্মাজান উনার অনুমতি লাভ করার জন্য সালাম ফেরানোর অপেক্ষায় দন্ডায়মান ছিলেনঅত:পর বুজর্গ মাতা সালাম ফিরালে সব শুনে তিনি ধাত্রীকে নছীহত করে বললেন- শুনুুন বিবি! আপনি আমার পুত্রকে অত্যধিক আদর মুহব্বত করেন এটা অবশ্যই ঠিকতবে সেটা কখনোই আমার আদর মুহব্বত ¯œহের সমান হতে পারে নাএটা আবদ্ধ রাখার সময় নয়, মুসলমান উনাদের সাহায্যে ঈমানদীপ্ত জজবায় জিহাদে বের হবার উপযুক্ত সময়যান বাবা! আপনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক স্মরণ করে জিহাদে এগিয়ে যানতবে খুবই সাবধান থাকবেন! আমি যাতে আপনাকে জিহাদ হতে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করতে না শুনিতাহলে কিন্তু আমি আপনার চেহেরা আর কোনদিনই দেখবো নাআর যদি দুশমনপক্ষ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করে বেরিয়ে যাবার রাস্তা খুঁজতে থাকে এবং বলে যে, আমাদেরকে যেতে দিন তবে আপনি তাদেরকে চলে যেতে দিবেন

আল্লাহ আকবর! বুজুর্গ আম্মাজান উনার নছীহত মুবারক শুনে যখনি আমীরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি উনার সঙ্গি সাথীদের নিয়ে জিহাদের ময়দানে উপস্থিত হলেন দুশমন গং চিৎকার করে বলতে লাগলো, আমাদের রাস্তা ছেড়ে দিন, আমরা চলে যাবআপনার প্রতি আমাদের কোন ক্ষোভ বিবাদ কোন কিছুই নেই, আপনার সাথে লড়তে আমরা মোটেও প্রস্তুুত নইওদের এমন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থায় আমীরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি বুজুর্গ আম্মাজান উনার নছীহত মুবারক স্মরন করত: ওদেরকে পলায়নে কোন বাধা না দিতে মুজাহিদ সঙ্গি সাথীদেরকে নির্দেশ দিলেন

সুবহানাল্লাহ! কত কারামাতওয়ালী বুজুর্গ মহিলা ছিলেন যুগের ইমাম, আওলাদে রসূল আমীরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার মহা-সম্মানিতা আম্মাজান রহমাতুল্লাহি আলাইহা! সেটা এই একটি ঘটনা থেকেই সহজেই উপলব্ধি করা যায়

মুবারক শিশুকালে বুজর্গী ও পবিত্র ইলম শিক্ষাঃ-  তাজকেরা নামক কিতাব উনার মাঝে বর্নিত আছে, যুগের ইমাম, আওলাদে রসূল, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি উনার মহা-সম্মানিতা আম্মাজান রহমাতুল্লাহি আলাইহা উনার রেহেম শরীফ উনার মধ্যে থাকাকালীন মহা-সম্মানিতা আম্মাজান রহমাতুল্লাহি আলাইহা তিনি স্বপ্ন দেখেন যে, উনার রক্ত মুবারক দ্বারা একখন্ড কাগজে কিছু লিখা হলো এবং পরক্ষনেই উক্ত কাগজখন্ড সারা দুনিয়াতে উড়তে লাগলোতিনি এই মুবারক স্বপ্ন দেখার পর উনার বুজুর্গ জামাতা হযরত সাইয়্যিদ আব্দুস সুবহান রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট তাবীর জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন- আপনার মুবারক রেহেম শরীফ উনার মাঝে আগত বুজুর্গ সন্তান বিলাদত শরীফ লাভ করার পর কালক্রমে সারা দুনিয়াতে প্রসিদ্ধি লাভ করবেন এবং সূউচ্চ মর্যাদা মর্তবার অধিকারী হবেনসুবহানাল্লাহ!

সত্যিই যুগের ইমাম, আওলাদে রসূল, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি উনার মহা-সম্মানিতা আম্মাজান রহমাতুল্লাহি আলাইহা উনার মুবারক স্বপ্ন এবং বুজুর্গ ভগ্নিপতি উনার তাবীর মুতাবিক বরং আরো বেশী দুনিয়া মাঝে প্রসিদ্ধি লাভ করেছেনউনার মুবারক সুমহান সিলসিলা সারা দুনিয়ার মুসলিম উম্মাহ উনাদেরকে একই সূত্রে গেঁেথছেসুবহানাল্লাহ! বিভিন্ন কিতাব উনাদের বর্ননা মতে, চার বৎসর বয়ষ মুবারক-এ উনাকে মক্তবে পবিত্র দ্বীনি ইলম উনার শিক্ষার জন্য পাঠানো হয়তিন বছর তিনি মক্তবে তালিম গ্রহন করেনকিন্তু পবিত্র খানদান উনার অন্যান্য শিশু কিশোর উনাদের মত তিনি পাঠে তেমন মনযোগী ছিলেন নাবরং সর্বক্ষন গভীর ধ্যান তথা মুরাকাবা মুশাহাদা হালত মুবারক-এ অবস্থান করতেনএমতাবস্থায় উনার মহা সম্মানিত বুজুর্গ পিতা হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ ইরফান রহমাতুল্লাহি আলাইহি তদারককারী সকলকে লক্ষ্য করে বললেন- উনাকে আপনারা খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক-এ ছেড়ে দিনতিনিই উনার ব্যাপারে যা ভাল মনে করবেন তাই করবেনএ ব্যাপারে আমাদের বিশেষ মনযোগ কোন কাজে আসবে বলে মনে হচ্ছে নাসত্যিই তো এই মহান সাইয়্যিদী নূর তিনিতো খালিক মালিক রব উনার লক্ষ্যস্থল হবেন, তিনি মুসলিম উম্মাহ উনাদের নাজাতের কান্ডারী হবেন, তিনি কাফির মুশরিকদের জালিমদের জুলুমের বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলবেনউনার চাল চলন আমল আখলাক কিংবা পবিত্র দ্বীনি ইলম চর্চা করার মাঝেও ব্যাতিক্রমতা থাকতে পারে এটাইতো স্বাভাবিকসাধারনভাবে বিষয়টির সুক্ষ গভীরতা কি করে বুঝা সম্ভবএটাও ব্যাতিক্রম যে, তিনি শিশুকালেই বীরত্বমূলক প্রতিযোগীতার প্রতি বিশেষ উৎসাহী ছিলেনযে বয়ষে সাধরন বালকগন নানাপ্রকার খেলাধূলা আমোদ-আহলাদে লিপ্ত থাকে তিনি সেই বয়ষে পুরো সময় হয় মুরাকাবা মুশাহাদা কিংবা কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার চিন্তা চেতনায় রত থাকতেনসুবহানাল্লাহ!

যুগের ইমাম, আওলাদে রসূল, আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি স্বয়ং উনার মুবারক শৈশবকাল সম্পর্কে বর্ননা করেন-বাল্যকাল হতেই আমার মনে এই ধারনা, এই চেতনা জাগ্রত হতো যে, একদিন আমি দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কাট্টা কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবোসুবহানাল্লাহ! তাইতো শৈশবকালেই দেখা যেত উনার  সঙ্গি সাথীদের দুটি দলে ভাগ করে লড়াই প্রতিযোগীতায় অংশ নিতেনমুজাহিদে ইসলাম নাম দিয়ে একটি দলের আমীর তিনি নিজে হতেনঅন্য দলটির নাম দেয়া হতো কাফির বাহিনীএই ভাবে দুটি দলের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যেতযুদ্ধে যখন উনার মুজাহিদ বাহিনী কামিয়াব হতেন তখন তিনি এবং উনার মুজাহিদ সঙ্গিসাথীগন সকলে সুউচ্চ কন্ঠে তাকবীর দিতেনসুবহানাল্লাহ! এটা হবেই না কেন? কারন তিনি তো আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার পাক আওলাদ উনাদের অন্তর্ভূক্ত নূরউনার মুবারক জিসম শরীফ উনার মাঝেতো মিশে আছে সেই সুমহান হুসায়নি মুবাারক রক্তধারাকাফির মুশরিক বাতিলের বিরুদ্ধে জিহাদ করা যে উনারই উর্দ্ধতন মুবারক পবিত্র বংশ উনাদের সুমহান ঐতিহ্যসুবহানাল্লাহ!

উল্লেখ্য, এভাবেই উনার মুবারক শৈশবকাল অতিবাহিত হতে হতে তিনি মক্তবের শিক্ষা সমাপ্ত করতঃ একইসাথে আরবী ও ফার্সী ভাষা খুব ভালভাবে আয়ত্ব করে নেন এবং মিশকাতুল মাছাবীহ শরীফ পাঠ শেষ করেনপরবর্তীতে পরিনত বয়ষে তিনি মহান ইলাহী পাক উনার ইশারায় দিল্লী গমন করেনসেখানে বিশিষ্ট আলিম ও বুজুর্গ হযরত শাহ ইসহাক দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট কাফিয়া ও পবিত্র মিশকাত শরীফ উনার পাঠ সমাপ্ত করেন

প্রিয় পাঠক! পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুগের ইমাম, আওলাদে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমিরুল মুমিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি মুবারক শিশুকালে পবিত্র ইলম শিক্ষা সাধারণভাবে অন্য সকলের ন্যায় অর্জন করেননিবরং তিনি ইলাহী পাক উনার সু-মহান ইশারায় মুবারক শিশুকাল হতেই মুরাকাবা মুশাহাদা. গভীর ধ্যান খেয়াল, জিহাদপ্রিয়তা ইত্যাদীর মাধ্যমে নিজেকে নিয়োজিত রাখেনঅবশ্য এরই মধ্যে তিনি পবিত্র দ্বীনি ইলম উনার প্রায় সকল শাখায় উন্নতি লাভ করেনবিশেষভাবে, উনার যখন বয়ষ মুবারক সতের তখন তিনি আট জনের একটি কাফেলা নিয়ে লৌক্ষè হয়ে দিল্লী গমন করেনকিন্তু রিয়াজত মুশাহাদা, ইলাহী ইশকের তীব্রতার কাছে অক্ষম হয়ে উনার কাফেলার অপর সাতজন এদিক সেদিক হারিয়ে যায়এ প্রসঙ্গে বর্নিত রয়েছে, তিনি উনার সঙ্গিদেরকে উদ্দেশ্য করে নছীহত মুবারক পেশ করেন এই বলে, হে বন্ধুগন! এত তালাশ, অনুসন্ধান,এবং কষ্ট ও পরিশ্রম সত্ত্বেও পার্থিব উদ্ধেশ্য তোমাদের পূরন হলো নাএবার দুনিয়া ত্যাগ করে আমার সাথে তোমরা  দিল্লী চলোসেখানে ইমামুল মুহাদ্দিসীন, শায়খুল মাশায়েখ হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিসে দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মুবারক সোহবত-নিসবত জিয়ারতকে এক অনন্য মহা মূল্যবান নাজ নিয়ামত গৌরবের বিষয় বলে মনে করোকিন্তু উনার সাথীরা দুনিয়া তালাশে এত বিভোর ছিলো যে তাদেরকে খালিক মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি সে পথেই ফিরালেন যেদিকে তারা মুখ করেছেঅবশেষে তিনি একাই দিল্লী পৌছেনসেখানে গিয়ে প্রথমেই তিনি শায়খুল মাশায়িখ হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মুবারক খিদমতে উপস্থিত হনহযরত শাহ ছাহিব রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুসাফাহ মুয়ানাকা করে উনাকে নিকটে বসিয়ে জিজ্ঞেস করলেন- আপনি কোথায় থেকে তাশরীফ এনেছেন? তিনি উত্তর দিলেন- রায় বেরেলী থেকেএরপর জানতে চাইলেন- আপনি কোন খান্দানের ছাহিবজাদা? তিনি বললেন- সেখানকার মাশহুর সাইয়্যিদ খান্দান উনাদেরসুবহানাল্লাহ! হযরত শাহ ছাহিব রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাযীমার্থে দাড়িয়ে গেলেন এবং ফের মুসাফাহ মুয়ানাকা করে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন- কি মুবারক উদ্দেশ্যে এত দীর্ঘ সফরের পথ অতিক্রম করে এখানে তাশরীফ আনলেন? উত্তরে সাইয়্যিদী খান্দান মুবারক উনাদের সূর্য হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি পেশ করলেন- খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মারিফাত তালাশে আপনার পবিত্র দরবার শরীফ উনার মাঝে আগমন করেছিসুবহানাল্লাহ! কাঙ্খিত এই মুবারক জওয়াব শুনে হযরত শাহ ছাহিব রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক ইচ্ছা হলে আপনিই আমার ঐতিহ্যবাহী মুবারক সিলসিলা উনার ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী হবেনসুবহানাল্লাহ! অত:পর হযরত শাহ ছাহিব রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার একজন বিশেষ খাদেম মারফত জানালেন, সাইয়্যিদী খান্দান উনাদের সূর্য এই সম্মানিত মেহমান উনাকে আমার ভাই তাজুল মুফাসসিরিন হযরত শাহ আব্দুল কাদির রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট পৌছে দাওতিনি যেন সম্ভ্রান্ত মেহমান উনার উপযুক্ত খিদমত আঞ্জাম দেনউনার সম্পর্কে ভাইকে সবকিছু সাক্ষাতেই অবহিত করবো ইনশাআল্লাহ! মুবারক ইজাজতক্রমে তিনি এরপর হযরত শাহ আব্দুল কাদির রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মুবারক ছোহবতে দিল্লীর ঐতিহাসিক আকবরাবাদী মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসায় থাকা আরম্ভ করেনএখানে প্রায় পাঁচ বছর অতিবাহিত করে পবিত্র দ্বীনি ইলম উনার সকল শাখায়  পরিপূর্নতা লাভ করেনসুবহানাল্লাহ!

আওলাদে (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাইয়্যেদ আহমদ ব্রেলভী আলাইহিস সালাম উনার বংশগত শাজরা মোবারক

আহমদ রেজা খাঁ সহ সকল ওয়াহাবি, আহলে হাদিস, দেওবন্দি নামক বাতিল ফেরকার পেচা মার্কা অনুসারীরা সাইয়্যেদ আহমদ ব্রেলভী আলাইহিস সালাম সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেএমনকি তারা উনাকে "সাইয়্যিদ" বলার সৌজন্যতা পর্যন্ত দেখাচ্ছেনাতাদের দাবি তিনি নাকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম উনার বংশের লোক নন, কিন্তু তাদের দাবির পক্ষে আজ পর্যন্ত কোন প্রমাণ পেশ করতে পারেনিঅথচ তাদের গলাবাজি এখনো বন্ধ হয়নি, নির্লজ্জের মতো গায়ে মানেনা আপনে মোড়ল টাইপের কথাবার্তা চালিয়েই যাচ্ছেতাদের এসব কুকর্মের প্রেক্ষিতে সাইয়্যেদ আহমদ ব্রেলভী আলাইহিস সালাম উনার বংশগত শাজরা প্রকাশ করা একান্ত প্রয়োজন বোধে নিম্নে তা ক্রমানুসারে উল্লেখ করা হলোঃ

১/ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
২/ হযরত ফাতেমা আলাইহিস সালাম, (সহধর্মিণী হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম)
৩/ হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম।
৪/ হযরত হাসান মুছান্না আলাইহিস সালাম।
৫/ হযরত আব্দুল্লাহ আল-মাহাদ আলাইহিস সালাম।
৬/ হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ সাহিবুন নাফসিজ যাকারিয়া আলাইহিস সালাম।
৭/ হযরত সৈয়দ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম।
৮/ হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ সানী আলাইহিস সালাম।
৯/ হযরত সৈয়দ হাসান আলাইহিস সালাম।
১০/ হযরত সৈয়দ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম।
১১/ হযরত সৈয়দ কাছিম আলাইহিস সালাম।
১২/ হযরত সৈয়দ আবু জাফর মুহাম্মদ আলাইহিস সালাম।
১৩/ হযরত সৈয়দ আবুল হাসান আলী আলাইহিস সালাম।
১৪/ হযরত সৈয়দ হাসান আলাইহিস সালাম।
১৫/ হযরত সৈয়দ ঈসা আলাইহিস সালাম।
১৬/ হযরত সৈয়দ ইউসুফ আলাইহিস সালাম।
১৭/ হযরত সৈয়দ রশীদুদ্দীন আহমদ মাদানী আলাইহিস সালাম।
১৮/ হযরত সৈয়দ কুতুবুদ্দীন মুহাম্মদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আলাইহিস সালাম।
১৯/ হযরত সৈয়দ নিযামুদ্দীন আলাইহিস সালাম।
২০/ হযরত সৈয়দ রুকনুদ্দীন আলাইহিস সালাম।
২১/ হযরত সৈয়দ সদরুদ্দীন আলাইহিস সালাম।
২২/ হযরত সৈয়দ কিয়ামুদ্দীন আলাইহিস সালাম।
২৩/ হযরত সৈয়দ আলী আলাইহিস সালাম।
২৪/ হযরত সৈয়দ আহমদ আলাইহিস সালাম।
২৫/ হযরত সৈয়দ যায়নুদ্দীন আলাইহিস সালাম।
২৬/ হযরত সৈয়দ যায়িদ সদরুদ্দীন সানী আলাইহিস সালাম।
২৭/ হযরত সৈয়দ কুতুবুদ্দীন মুহাম্মদ সানী আলাইহিস সালাম।
২৮/ হযরত সৈয়দ আলা উদ্দিন আলাইহিস সালাম।
২৯/ হযরত সৈয়দ মাহমুদ আলাইহিস সালাম।
৩০/ হযরত সৈয়দ আহমদ আলাইহিস সালাম।
৩১/ হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ মুয়াযযাম আলাইহিস সালাম।
৩২/ হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ ফাযায়েল আলাইহিস সালাম।
৩৩/ হযরত সৈয়দ ইলমুল্লাহ আলাইহিস সালাম।
৩৪/ হযরত সৈয়দ হুদা মুহাম্মদ আলাইহিস সালাম।
৩৫/ হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ নূর আলাইহিস সালাম।
৩৬/ হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ ইরফান আলাইহিস সালাম।
৩৭/ হযরত সৈয়দ আহমদ ব্রেলভী আলাইহিস সালাম।

শাজরা তথ্যসূত্রঃ সীরাতে সৈয়দ আহমদ শহীদ রহঃ পৃঃ ৯২, ছাওয়ানিহে আহমদী, আয়নায়ে উধ, মাখযানে আহমদী

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

1 comment:

  1. অনেক অনেক খুশি হলাম এমন দলীলভিত্তিক লেখা পেয়ে। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।

    ReplyDelete