12.04.2014

আহমদ রেজা খাঁ বেরেলবীর কুফরী এবং ভুল ফাতওয়া।

মেরাজের রাতে খোদা খোদার সাথে মিলেছেঃ- তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনিই প্রকাশ্য তিনিই লুকায়িত, তারই দ্যুতি তারই সাথে সাক্ষাতের জন্য তার দিকে গিয়েছে{হাদায়েকে বখশিশ-১/১১৪, আহমদ রেজা}

তুমি আল্লাহ আবার আল্লাহ থেকে পৃথকওঃ- খোদা বলা হয় না, বনে যান, পৃথক বলা হয় না, হয়ে যান, খোদার উপর তোমাকে ছাড়া হল, তিনিই জানেন তুমি কে? {হাদায়েকে বখশিশ-২/১০৪, আহমদ রেজা}
সবাই মনে রেখো এই আয়াত শরিফ খানা যারা রেজা খাঁকে অনুসরণ করছো।
সবাই মনে রেখো এই আয়াত শরিফ খানা যারা রেজা খাঁকে অনুসরণ করছো।
আল্লাহ তাআলা ইচ্ছে করলেই কিছু করতে পারেন নাঃ- আল্লাহ তাআলা গাযওয়ায়ে আহযাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে সাহায্য করতে চাইলেনআর উত্তরের বায়ুকে হুকুম দিলেন যে, যাও আমার বন্ধুকে সাহায্য করআর কাফেরদের ধ্বংস করে দাওহাওয়া অস্বিকার করে বললঃ মহিলারা রাতে বের হয় নাআল্লাহ তাআলা তাকে বন্ধ্যা করে দিলেনএ কারণে উত্তরের বায়ু কখনো পানি বর্ষণ করে না{মালফুযাতে আহমদ রেজা-৪/৭৮, আহমদ রেজা}

আল্লাহ ও রাসূল গলা মিলিয়েছেনঃ- হিযাব উঠাতে আছে লাখো পর্দা, প্রতিটি পর্দায় লাখো দ্যুতি, আজব ঘটনা ছিল যে, মিলন ও পৃথকীকরণে গলায় গলায় মিলেছিল

আল্লাহ তাআলাও পীরের অযীফা পড়েনঃ- পৃথিবী মগ্ন তার তাসবীহ পড়তে, আর তিনি মগ্ন তোমায় জিকিরে হে গাওস(বড়পির আব্দুল কাদের জিলানি)! {হাদায়েকে বখশিশ-২/৭, আহমদ রেজা}

আল্লাহ তাআলার জাতি নূরের টুকরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামঃ- পর্দা উঠিয়ে দাও, দেখিয়ে দাও চেহারা, আল্লাহর নূর পর্দাবৃত{হাদায়েকে বখশিশ-১/২০, আহমদ রেজা}

মানুষের আকৃতিতে যদি আল্লাহর নূর না হতো, তাহলে এত কিছু তাকে সাহায্য করতো? {হাদায়েকে বখশিশ-১/৯৪, আহমদ রেজা}

আল্লাহ তাআলাকে সর্বত্র হাজির নাজির মানা বদ্বীনীঃ- আল্লাহ তাআলার জন্য হাজির নাজির শব্দ ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে{ফাতাওয়া রেজাইয়্যাহ-১৪/৬৪০-৬৮৮}

আল্লাহ তাআলার জন্য হাজির নাজিরের বিশ্বাস খুবই খারাপ অর্থবহ{ফাতাওয়া রেজাইয়্যাহ-৬/১৩২-১৫৭}

আহমদ রেজার একত্ববাদের বিশ্বাসঃ আল্লাহ তাআলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পরামর্শ নেনঃ- নিশ্চয় আমার রব আমার উম্মতের ব্যাপারে আমার থেকে পরামর্শ চান যে, আমি তাদের সাথে কী করবো? {আলআমানু ওয়ালআলা-৮৪, আহমদ রেজা}

শায়েখ আব্দুল কাদীর জিলানী হযরত ইউসুফ আঃ থেকে বেশি সুন্দরঃ- ইউসুফের সৌন্দর্যের চেয়ে শাহের [আব্দুল কাদীর জিলানী রহঃ] সৌন্দর্য অধিক, {হাদায়েকে বখশীশ-৩/৬৪, আহমদ রেজা}

রাসূল অবমাননাকরী কে? {কুফরী কথা বর্ণনা কুফরী নয়}

বারাকাত আহমদের কবর থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রওজার খুশবো বারাকাত আহমদ সাহেবকে দাফন করার সময় তার কবরে নামলে তখন আমার সেই খুশবো অনুভূত হয়, যা প্রথমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার রওজার নিকটে গিয়ে পেয়েছিলাম{মালফুযাতে রেজা খান-২/১৪২, ফরীদ বুক ডিপো, আহমদ রেজা}

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার নূরের চেয়ে আব্দুল কাদীর জিলানী রহঃ নূর বড় সকল নূরওয়ালাদের উপর প্রাধান্য তোমার নূর হে গাওস! {হাদায়েকে বখশিশ-১/১১, আহমদ রেজা}

জিলানী রহঃ ছায়া হিসেবে নবুওয়তের মর্যাদায়ঃ- একথাটি যদি নবুওয়ত খতম না হতো, তাহলে হুজুর গাওসে পাক নবী হতোযদি অর্থটিকে সঠিক ও সহীহ অর্থে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে নিশ্চয় আব্দুল কাদীর জিলানী রহঃ নবুওয়তের ছায়ার মর্তবায় সমাসিন{ইরফানে শরীয়ত-৯০, মাকতাবায়ে মদীনাহ, আহমদ রেজা}

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আয়াতে ভুল করেছেন [নাউজুবিল্লাহ]

এটা সম্ভব যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু আয়াতে ভুল করেছেন{মালফুযাতে আহমদ রেজা-৩/২৫৫, আহমদ রেজা}

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপমানের পর সম্মান পেয়েছেন [নাউজুবিল্লাহ]

সংখ্যালঘিষ্টতার পর সংখ্যাধিক্যের উপর অধিক দরূদ, জিল্লতের পর ইজ্জতের উপর লাখো সালাম{হাদায়েকে বখশিশ-২/২৯, আহমদ রেজা}

গাওসই সব দেয়, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও গাওসের [আব্দুল কাদীর জিলানী রহঃ] দরজায় যাচনাকারী [নাউজুবিল্লাহ]

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাওসে পাক [আব্দুল কাদীর জিলানী রহঃ] থেকে ফয়েজ হাসীল করেন {নাউজুবিল্লাহ]

বেরেলবী মাযহাবে শায়েখ আব্দুল কাদীর রহঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার ছেলে! নাউজুবিল্লাহ কেনো তুমি কাসেম নয়, তুমিতো আবুল কাসেমের ছেলে, কেন তুমি কাদের নয়, তুমিতো সব কিছুই তোমার ইচ্ছেধীন হে বাবা! {হাদায়েকে বখশিশ-১/৪, আহমদ রেজা}

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মারাত্মক বেয়াদবীঃ- আল্লাহর ইচ্ছে, তিনি তার প্রিয় নবীকে যে শব্দে ইচ্ছে ব্যক্ত করেনযেমন ধর, জায়েদ তার ছেলে আমরকে তার পদস্খলন ও ভুলের ব্যাপারে সতর্ক করা ও আদব শিখানোর জন্য যেমন নালায়েক, আহমক ইত্যাদি শব্দে ব্যক্ত করে থাকে। [নাউজুবিল্লাহ] {ফাতাওয়া রেজাইয়্যাহ-২/২৩৩, আহমদ রেজা}

নবীগণের পবিত্র কবরে তাদের পবিত্রা স্ত্রীদের উপস্থিত করা হয়আর তাদের সাথে রাতে থাকেন{মালফুযাতে আহমদ রেজা-২/২৭, আহমদ রেজা}

পীর ও মুরিদের স্ত্রীঃ সৈয়দ আহমদ সাজলামাসীর দুই স্ত্রী ছিলআমাদের মুরুব্বী আব্দুল আজীজ দাব্বাগ সাহেব বললেনঃ রাতে তুমি এক স্ত্রীর জাগ্রত অবস্থায় আরেক স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছো কেন? এটা উচিত হয়নিসে বললঃ হুজুর! সেতো তখন ঘুমিয়ে ছিলতিনি বললেনঃ সে ঘুমাচ্ছিল নাএমনিতেই শুয়ে ছিলসে বললঃ হুজুর কিভাবে জানলেন? তিনি বললেনঃ ওখানে আরেকটি খাট ছিল? সে বললঃ হ্যাঁএকটি খাট খালি ছিলতিনি বললেনঃ সেটার উপর আমি ছিলামকোন সময় পীর সাহেব তার মুরিদ থেকে আলাদা হয় নাবরং সারাক্ষণ সাথেই থাকে{মালফুযাতে আলা হযরত-২/৫৬, আহমদ রেজা}

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সাহাবী হযরত আব্দুর রহমান কারী রাঃ কে অপমানঃ- আব্দুর রহমান কারী শয়তান ছিল{মালফুযাতে আহমদ রেজা-১/৫২}

আলা হযরতের হুক্কাপ্রীতি
# সাক্ষাৎকারীরা তাদের প্রয়োজন উপস্থাপন করতো, আর তাদের প্রয়োজন পূর্ণ করে দেয়া হতোহুক্কা ও পান দিয়ে তাদের আপ্যায়ন করা হতো{হায়াতে আলা হযরত-১/১২৬}
# আমার পীর ও মুর্শীদ আলা হযরতের হুক্কা খাওয়ার খুব আগ্রহ ছিলকোথাও গেলে সাথে হুক্কা নিয়ে যেতেন{তাযাল্লিয়াতে ইমাম আহমদ রেজা-৭৭}
# হুক্কা খাওয়ার সময় আমি বিসমিল্লাহ পড়তাম না{মালফুযাত-২/২২১, আহমদ রেজা}
আহমদ রেজার অপেক্ষায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার [নাউজুবিল্লাহ]
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হল কার অপেক্ষা করছেন? তিনি বললেনঃ আহমদ রেজার অপেক্ষা করছি{আলা হযরত আলা সীরাত-১৬১, আকবর বেক}

শয়তানের প্রতি আহমদ রেজার সহানুভূতিঃ

শয়তান নামায পড়ে{মালফুযাতে আহমদ রেজা-১/১৫, আলা হযরত}
ইবলিস নিজের জন্য মিথ্যাকে অপছন্দ করে{আহকামে শরীয়ত-১/১৩৫, আহমদ রেজা}
শয়তানের ইলম রাসূল সাঃ থেকে প্রশস্ত{খালেসুল ইতিক্বাদ-৬, আহমদ রেজা}
শয়তান আল্লাহর কাছে নিজের ক্ষমার প্রত্যাশী{মালফুযাতে আহমদ রেজা-১/১৫, আহমদ রেজা}

বেশ্যার সম্পদ খাওয়া জায়েজঃ

প্রশ্নঃ নর্তক দল যাদের আমদানী কেবল হারামতাদের এখানে মিলাদ শরীফ পড়া এবং এ হারাম আমদানী দিয়ে বানানো শিরনী দিয়ে ফাতিহা করা জায়েজ আছে কি নেই?
উত্তরঃতার মালের শিরনী দিয়ে ফাতিহা করা হারামতবে যদি সে মাল পাল্টে মজলিস করেআর এই লোকেরা যখন কোন কল্যাণকর কাজ করতে চায়, তখন তারা এমনি করে থাকেআর এজন্য তাদের কোন সাক্ষ্যি পেশ করার দরকার নেইযদি সে বলে যে, আমি ধার নিয়ে এ মজলিস করেছিআর সে ঋণ তার হারাম মাল দিয়েই আদায় করেছে, তাহলে তার কথা গ্রহণযোগ্য হবে{আহকামে শরীয়ত-২/১৬৪, আহমদ রেজা}

হিন্দুদের দেওয়ালীর মিঠাইঃ

প্রশ্নঃ কাফেররা যে হোলি এবং দেওয়ালীর মধ্যে মিঠাই বন্টন করে, এসব মুসলমানদের নেয়া জায়েজ আছে?
উত্তরঃ সেদিন নিবে না, পরের দিন নিয়ে নিবে{মালফুযাতে আলা হযরত-১/১১৫, আহমদ রেজা}
কবরে বাতিঃ- হাদীসে এসেছে যে, রাসূল সাঃ কবরে বাতিল প্রজ্জ্বলনকারীর উপর লানত করেছেন{সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩২৩৮, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-৩২০, সুনানে নাসায়ী কুবরা, হাদীস নং-২১৭০, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৩১৮০, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৯৮৪}
অথচ দেখুন আহমদ রেজা কী বলে? কবরের সম্মানে তাতে বাতি প্রজ্জ্বলন জায়েজ{ফাতাওয়া রেজাইয়্যাহ-৪/১৪৪}

কুকুরের পবিত্রতাঃ

প্রশ্নঃ কুকুরের লোমতো নাপাক?
উত্তরঃ সঠিক কথা হল কুকুরের শুধু লালা নাপাক{মালফুযাতে আহমদ রেজা-৩/৬১, আহমদ রেজা}
ব্রাহ্মণ বিয়ে পড়ালেও হয়ে যায়ঃ- বিয়ে হয়েই যায়, একারণে যে, বিবাহ হল পরস্পর ইজাব কবুলের নামযদিও তা ব্রাহ্মণ বিয়ে পড়ায়{আহকামে শরীয়ত-২/২২৫, আহমদ রেজা}
হিন্দুদের সাথে আহমদ রেজার সম্পর্কঃ- রেজাউল হাসান কাদেরী সাহেব লিখেন যে, আলা হযরত বানারাস তাশরীফ নিয়ে গেলেনএকদিন দুপরের সময় এক স্থানে দাওয়াত ছিলআমিও সঙ্গী ছিলামফিরার সময় গাড়ি চালককে বললেনঃ ঐদিক দিয়ে মন্দিরের সামনে দিয়ে চলআমি হয়রান হয়ে গেলাম, আলা হযরত বানারাস কবে এসেছেন? আর এখানকার গলির ব্যাপারেও জানেনআর এ মন্দিরের নাম কবেই বা শুনেছেন? এরকম হয়রান অবস্থায় ছিলামগাড়িটি মন্দিরের সামনে এলদেখলাম এক সাধু মন্দির থেকে বেরোলমন্দিরের দিকে ছুটে এলহযরত গাড়ি থামতে বললেনলোকটি আলা হযরতকে সম্মানের সাথে সালাম করলআর কানাকানি করে কিছু কথা বলল, যা আমি শুনতে পাইনিতারপর সাধু মন্দিরে চলে গেলএদিকে গাড়িও চলতে শুরু করেতখন আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এ লোক কে? তিনি বললেনঃ এ জমানার আব্দাল! আমি বললাম! মন্দিরে? তিনি বললেনঃ আম খাও! পাতা গুনিওনা{আলা হযরত আলা সীরাত-১৩৪}

ইংরেজদের রাজত্ব ও আহমদ রেজাঃ- حکومت برطانیہ مسلمانان ہندوستان کے واسطے رحمت خداوندی کی حیثیت رکہتی ہے، اس حکومت نے یہاں کے تمام فرقوں میں امن پیدا کرکے ان پر احسان عظیم کیا ہے، لہذا اس کے خلاف جہاد و قتال کس طرح جا‍ئز هو سكتا هے؟ (تلخيصرسالةالأمارةوالجهادمصنفةاحمدرضاخا
অনুবাদ- ইংরেজ শাসন হিন্দুস্তানের মুসলমানদের জন্য আল্লাহর রহমাতএ শাসন এখানের সকল দলের মাঝে নিরাপত্বা বিধান করে বড় এহসান করেছেতাই তাদর বিরুদ্ধে জিহাদ ও সংগ্রাম করা কিছুতেই জায়েজ নয়{আহমাদ রেজা খাঁ রচিত তালখীসু রিসালাতুল আমারাতুল জিহাদ}
ইংরেজদের আমলে যখন শাহ আব্দুল আজীজ রহঃ ইংরেজদের আধিপত্বের কারণে সর্বাত্মক জিহাদের জন্য ভারতবর্ষকে দারুল হরব তথা যুদ্ধ কবলিত দেশ আখ্যা দিয়ে সবাইকে ইংরেজদের বিরুদ্ধে জিহাদে অংশগ্রহণ করতে উদ্ভুদ্ধ করছিলেন। [উল্লেখ্য ইসলামের পরিভাষায় দারুল হরবে জুমআর নামায পড়া সহীহ নয়বরং শত্রবিতাড়িত করে স্বাধীন করার পর জুমআর পড়বে।] তখন বেদআতিদের প্রতিষ্ঠাতা আহমাদ রেজা খাঁ বেরেলবী কি ফাতওয়া দেয় দেখুন-
ہندستان بفضلہ تعالی دار الاسلام ہے یہاں کے شہروں میں جمعہ صحیح ہے (احكام شريعت- 151
অনুবাদ- হিন্দুস্তান আল্লাহর রহমাতে দারুল ইসলাম তথা ইসলামী রাষ্ট্রএখানকার শহরে জুমআর নামায পড়া সহীহ আছে{আহকামে শরীয়ত-২/১৫১, আহমদ রেজা}

হুক্কার পানি দিয়ে অজুঃ- যদি আবে মুতলাক তথা স্বাভাবিক পানি না পাওয়া যায়, তাহলে হুক্কার পানিই আবে মুতলাক তথা স্বাভাবিক পানিএটা থাকা অবস্থায় তায়াম্মুম করা জায়েজ নয়{আহকামে শরীয়ত-৩/২৪৪, আহমদ রেজা} যদি তায়াম্মুম করে তাহলে নামায বাতিল

নামাযে স্বপ্নদোষঃ- নামাযে স্বপ্নদোষ হলে যদি সালাম ফিরানো পর্যন্ত বীর্য বের না হয়, তাহলে নামায হয়ে যাবে{ফাতাওয়ায়ে রেজাইয়্যাহ-৬২, আহমদ রেজা}

নামাযে মহিলাদের দেখাঃ- নামাযী নিজের নামাযের মাঝে নিজের অথবা বেগানা নারীর গোপনাঙ্গের ভিতরাংশে দৃষ্টি দেয় তাহলে তার নামায ভাঙ্গবে না{ফাতাওয়ায়ে রেজাইয়্যাহ-১/৬৭, আহমদ রেজা}

রেজাখানী বেরেলবী সব ভেড়াঃ- আহমদ রেজা ওসীয়ত করে বলেনঃ তোমরা সবাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার ভোলা-ভালা ভেড়াভেড়িরা আছে তোমাদের চারদিকে{আলা হযরত বেরেলবী, বস্তুয়ী-১০৫}

আহমদ রেজার পছন্দনীয় খাবারঃ- পেঁচা খাওয়া হালাল{ফাতাওয়া রেজাইয়্যাহ-২০/৩১২, আহমদ রেজা}
বাদুড় খাওয়া জায়েজ{ফাতাওয়া রেজাইয়্যাহ-২০/৩১৮, আহমদ রেজা}
বেরেলবীদের ভাষায় আহমদ রেজার কুরআন অনুবাদের অপারেশনঃ- আহমদ রেজা সাহেব কুরআনে কারীমের অনুবাদ কানযুল ঈমাননামে করেছেনএ অনুবাদে তিনি অসংখ্য স্থানে মারাত্মক সব ভুল করেছেনউসূল ও মূলনীতি এবং অভিধানের তোয়াক্কা না করে যাচ্ছেতাই অনুবাদ করেছেনঅনেক বেরেলবী রেজাখানী আলেমগণও এর বিরোধীতা করেছেনকিছু উদারহণ নিম্নে প্রদত্ব হল-
সূরা ফাতাহ এর আয়াতের ভুল অনুবাদ
# মৌলবী আহমদ রেজা সাহেব সূরা ফাতাহ এর ২ নং ্আয়াত এর لِيَغْفِرَ لَكَ اللَّهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ অনুবাদ করেছেনঃ যাতে তোমাদের সবার গোনাহ মাফ হয়, তোমাদের অগ্রগামীদের এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের{কানযুল ঈমান, সূরা ফাতাহ-২}
রেজাখানী বেরেলবীদের পক্ষ থেকে এ অনুবাদের সমালোচনা

# এই অনুবাদ সহীহ নয়{শরহে মুসলিম-৬/২৯৪, গোলাম রসূল সাঈদী বেরেলবী}
# আমাদের নিকট এ অনুবাদ সহীহ নয়এ অনুবাদ কুরআনের অভিধান এবং ইতলাকাত, কুরআনের বাকরীতি এবং সহীহ হাদীসের বিপরীতকুরআনের উপর যুক্তির হস্তক্ষেপ{শরহে মুসলিম-৭/৩২৪-৩২৫}
# সম্পর্ক অগ্রবর্তী ও পরবর্তীদের সাথে করা হয়েছেঅথচ এটি অভিধান, কুরআনের অনেক আয়াত, হাদীস ও আসারে সাহাবা এবং ফুক্বাহায়ে কেরামের ব্যাখ্যার সম্পূর্ণ উল্টো{শরহে মুসলিম-৭/৩৪৬}
# এ স্থানে আয়াদ দ্বারা উম্মতের মাগফিরাত সহীহ নয়{শরহে সহীহ মুসলিম-৭৩৪৬}
# এ অনুবাদ হাদীসের সরাসরি বিপরীত{মাগফিরাতে জাম্ব-৬, আবুল খায়ের মুহাম্মদ জুবায়ের হায়দারাবাদী}
# এখানে উম্মতের ক্ষমা উদ্দেশ্য নেয়া, দুই কারণে জায়েজ ও সহীহ নয়{মাগফিরাতে জাম্ব-২৯, আবুল খায়ের}
# কয়েকটি হাদীসের বিরোধী এ অনুবাদ{মাগফিরাতে জাম্ব-৬, আবুল খায়ের মুহাম্মদ জুবায়ের হায়দারাবাদী}
বেরেলবীরা আহমদ রেজা খানের বিপরীত অনুবাদ ও তাফসীর করে বলেনঃ
# যাতে আল্লাহ তাআলা আপনার অগ্র পশ্চাতের সকল খেলাফে আওলা কাজ ক্ষমা করে দেন{আলবয়ান, সূরা ফাতাহ-২, সৈয়দ আহমদ সাঈদ কাজেমী}
# রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সগীরা, ভুল এবং খেলাফে আওলা কাজের জুলুমের স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন{মুকারারাতে কাজেমী-৩/৭৮, আহমদ সাঈদ কাজেমী}
# যাতে আল্লাহ তাআলা তোমার ধারণায় তোমার যত আগের পরের গোনাহ আছে সব কিছুকে ক্ষমা করে দেন{কাওসারুল খাইরাত-২৩৭, আশরাফ শিয়ালয়ী}
# হে আল্লাহর প্রিয়জন! সে সমস্ত বিষয় যাকে তুমি নিকটস্থতা এবং প্রিয় হওয়ার কারণে গোনাহ মনে করছো, যা কিছু তুমি করেছো, কিংবা যা এখনো হয়নি, এ সব কিছুই ক্ষমা করে দেয়া হল{কাওসারুল খাইরাত-২২৫}
# তোমার মাগফিরাতের ঘোষণা দুনিয়াতেই করে দিলেন{কাওসারুল খাইরাত-৩২৪}
# ফাতহে মক্কার সময় রাসূল সাঃ কে গোনাহ মাফীর সুসংবাদ দেয়া হয়{জাআল হক্ব, আহমদ ইয়ার খান}
# মৌলবী গোলাম দস্তগীর কাসওয়ারী স্বীয় কিতাব তাক্বদীসুল ওকীলএ আহমদ রেজার বিপরীত অনুবাদ লিখেছেন
# মৌলবী নক্বী আলী খান নিজের কিতাব আল কালামুল আওজাহএ আহমদ রেজার বিপরীত অনুবাদ করেছেন
# পীর করম শাহ নিজের তাফসীর জিআউল কুরআনএ আহমদ রেজার উল্টো অনুবাদ করেছেন
# মৌলবী আবু দাউদ সাদেক রেজায়ে মুস্তাফাএর আহমদ রেজার বিপরীত অনুবাদ করেছেন
সূরা কাসাসের ২৭ নং আয়াতের ভুল অনুবাদ
আমার মেয়ের মহর হিসেবে তুমি আমার বকরী চড়াও{কানযুল ঈমান, সূরা কাসাস-২৭, আহমদ রেজা}
এ অনুবাদের সমালোচনা করে ইক্তিদার আহমদ খান লিখেনঃ এ অনুবাদ সর্ব দিক দিয়ে অনুপযোগীনাতো কুরআনে কারীমে এর কোন সুযোগ আছেনা এটি কোন শব্দের অনুবাদ হতে পারেএ অনুবাদ তারও বিপরীতএছাড়া এটি ফিক্বহে হানাফীরও বিপরীত{তানক্বীদাতে আলাল মাতবুআত-২৯, ইক্তিদার আহমদ}


এতএব এতোকিছুর পরেও যারা আহমদ রেজা খাঁ বেরেলভি কে ইমাম মানে তারা পথভ্রষ্ট গুমরাহ ব্যতিত কিছু নয়, যদিও হক্ব কথা তিতা।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

3 comments:

  1. শয়তান তুই যে কত বড় মিথ্যুক তা তোর পোস্টে ধরা পরছে। যারা এই পেজটা দেখবেন তারা যেন না যাচাই করে এই পোস্ট এ বিশ্বাস করবেন না।রাজিব একটা বড় ভণ্ড। সে আলা হজরতের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। তার দাত ভাঙ্গা জবাব আছে আমার কাছে আর আপনারাও রিফারেন্স গুলি মিলিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন।

    আর এই কিতাব টি পড়বেন
    বইঃ ইমাম আহমদ রেযা খান রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এর প্রতি অভিযোগের দাঁতভাংগা জবাব http://yanabi.in/discussion/325/

    ReplyDelete
    Replies
    1. শয়তান তুই যে কত বড় মিথ্যুক তা তোর পোস্টে ধরা পরছে। যারা এই পেজটা দেখবেন তারা যেন না যাচাই করে এই পোস্ট এ বিশ্বাস করবেন না।রাজিব একটা বড় ভণ্ড। সে আলা হজরতের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। তার দাত ভাঙ্গা জবাব আছে আমার কাছে আর আপনারাও রিফারেন্স গুলি মিলিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন।
      http://yanabi.in/discussion/325/

      Delete
  2. মাশাআল্লাহ ৷ চালিয়ে যান ৷

    ReplyDelete