12.04.2014

পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী বেপর্দা, বেশরম, বিদয়াতি, মুনাফিক রেজাখানীরা কি পীর হতে পারে ?

একজন ওলী আল্লাহ হক্কানী রব্বানী পীর সাহেবের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পরিপূর্ণ শরীয়ত মোতাবেক চলা, এবং সেই সাথে সুন্নত অনুযায়ী আমল করা দুঃখ লাগে যখন দেখি বেপর্দা, বেহায়া, বেশরা ভন্ড লোকদের যখন সমাজে পীর সাহেব হিসাবে পরিচয় দেয়া হয় তখনধর্ম নিয়ে ব্যবসা কররার জন্য কতটা নিচে নামতে পারে মানুষ তাদের কীর্তি দেখলে বোঝা যায়

এদের প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে বর্নিত আছে, "আমার পর অনেক ইমাম বের হবেতারা আমার হিদায়েতের উপর চলবে না এবং আমার সুন্নতের আমল করবে নাতাদের মধ্যে এমন সকল লোক পয়দা হবে যাদের অন্তর শয়তানের মত অথচ আকৃতিতে মানুষ

দলীল-
মুসলিম শরীফ ২/১২৭, হাদীস ১৮৪৭

হাদীস শরীফের আলোকে দেখুন রেযা খানীদের সর্বোচ্চ পীর দের অবস্থাপর্দা করা ফরযে আইন হওয়ার পরও ছাবের শাহ, তাহের শাহ, তাহেরুল কাদরী, হামিদ সাঈদ কাযেমী, ইসলামী ফ্রন্টের নেতারা সকলেই অবাধে বোগানা মহিলাদের গা ঘেঁসে বসে থাকেমহিলাদের সাথে সেলফি তোলে
হাদীস শরীফে আছে, "দাইয়ূস (বেপর্দা) কখনো বেহেশতে প্রবেশ করবে না।" (মুসনাদে আহমদ)
অন্য হাদীস শরীফে আছে, পর নারীর দিকে প্রতিটা চোখের নজরই চোখের জেনা।"

আসুন দেখে নেই পবিত্র আল কোরআন সুন্নাহ আর ফিকাহ কি বলে পর্দার ব্যপারে, মনে রাখবেন দুনিয়ার মোহে আপনি কোরআন সুন্নাহ কে অবজ্ঞা করতে পারেন কিন্তু তা আপনার আখেরাতের জন্যে হবে মারাত্বক ক্ষতির কারন, আপনি এমন কাউকে পির মানবেন না যিনি কোরআন সুন্নাহ উনাদের বিপরিত কাজ করবেন, আর সাধারন মানুষ এবং একজন পির/আওলিয়া/গাউস/কুতুব/হাক্কানি আলেম আর আমাদের মতো সাধারন মানুষের মদ্যে এই কারনে পার্থক্য যে তিনি শতভাগ কোরআন আর সুন্নাহ উনাদের অনুসরণ করবেন। তাহলে আসুন দেখি পবিত্র কোরআন আর সুন্নাহ কি বলেন পর্দার ব্যপারে?

পবিত্র আল কোরআন উল কারিম উনার মধ্যে আল্লাহ্‌ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা পর্দার ব্যপারে ইরশাদ মোবারক করেন {মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করেএতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছেনিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেনসূরা আন নুরঃ আয়াত শরিফ ৩০}

এর পরের আয়াতে কাদের সাথে পর্দা ছাড়া সাক্ষাত করা যাবে না তা দেখুনঃ {ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করেতারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করেমুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হওসূরা আন নুরঃ আয়াত শরিফ ৩১} এখন এরা যদি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফের হুকুম মানেনা তাহলে কি সে আদৌ মুসলমান?

পর্দার ব্যপারে আরো বলা হয়েছে {হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবেতোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে নানামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবেহে নবী পরিবারের সদস্যবর্গআল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতেহে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবেফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে নাআল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালুসূরা আল আহযাব আয়াত শরিফ ৩২,৩৩,৫৯}

আর হাদিস শরিফে কি বলা হয়েছে তা জানেন?

না জেনে থাকলে জেনে নিন নারী পুরুষদের ব্যাপারে রাসূল কি বলেছেনরাসুলুল্লাহ বলেছেনঃ নারীদের পুরোটাই হচ্ছে আওরাহবা সতর (শরীরের যে অংশ ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক)যখন সে ঘর থেকে বের হয় শয়তান তাকে চোখ তুলে দেখেনারী ঘরের মধ্যে অবস্থানকালেই আল্লাহর বেশি নৈকট্য প্রাপ্ত থাকে” {সুনানে আত-তিরমিজি ও ইবনে হিব্বান} এই যদি হয় রাসূল উনার বাণী তা হলেতো বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ পুরুষ এবিং মহিলা বের্পদা হয়ে পবিত্র কোরআন সুন্নাহ বিরোধী চলাফেরা করে এমনকি খোলা মেলা চলা ফেরা করতে পছন্দ করেতাদের ব্যপারে রাসুলুল্লাহ বলেছেনঃ কোন বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা, অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা, অবৈধভাবে কাউকে স্পর্শ করা হাতের যিনা, ব্যাভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা, খারাপ কথা শোনা কানের যিনা আর যিনার কল্পণা করা ও আকাংখা করা মনের যিনাঅতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়সহীহ আল-বুখারী, সহীহ আল-মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসায়ী

আর ইসলামে জিনা হারামঃ কারন আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তাআলা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেনঃ {তোমরা যিনার কাছেও যাবে নাকেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজসূরা বনী ইসরাঈলঃ আয়াত শরিফ ৩২}

আপনি কি জিনার সাস্থি সম্পর্কে জানেন?

যদি না জেনে থাকেন তবে জেনে রাখুন জিনার শাস্তি সম্পর্কে রাসুল বলেছেনঃ {আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল, ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলআগুনের শিখা উপরে আসলে তারা উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিল, সর্বদা তাদের এ অবস্থা চলছিল, আমি জিবরীল আমিন আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞেস করলামঃ এরা কারা? জিবরাইল আলাইহিস সালাম বললঃ তারা হল, অবৈধ যৌনচারকারী নারী ও পুরুষসহীহ আল-বুখারী}

ভাইয়েরা দেখুন যেখানে স্বয়ং উম্মুল মুমিনিন, সাহাবাগন পর্দাকে এতো গুরুত্ব দিয়েছেন যেমন {উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালমা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত হয়েছে, আমি এবং মায়মুনা আলাইহাস সালাম রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম উনার কাছে থাকাকালীন হঠাৎ করে অন্ধ সাহাবী আবদুল্লাহ্‌ ইবনে উম্মে মাকতুম রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা তথায় আগমন করলেনতিনি আমাদের বললেনঃ আপনারা উনাকে পর্দা করুনএই ঘটনার সময়কাল ছিল পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পরতখন উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালমা আলাইহাস সালাম আরজ করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো অন্ধ, আমাদের দেখতে পাবেন না এবং আমাদের চেনেনও নারাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আপনারা তো অন্ধ নন, আপনারা উনাকে দেখছেন। (আবু দাউদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ) তাহলে দেখুন পর্দার জন্যে উভয় ই প্রযোজ্য দুনজঙ্কে দেখা শর্ত নয়।

এমনকি হজরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মোবারক করেন, হে আলী (আঃ) প্রথম দৃষ্টির পর দ্বিতীয় দৃষ্টি যেন নিক্ষেপ করা না হয়প্রথমটি ক্ষমার যোগ্য কিন্তু দ্বিতীয়টি নয়} আর আমাদের উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম বলেন, كان الركبان يمرون بنا و نحن محرمات مع الرسول فإذا حاذونا سدلت إحدانا جلبابها على وجهها من رأسها فإذا جاوزنا كشفناه. আমরা রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এহরাম অবস্থায় ছিলাম, উষ্ট্রারোহী পুরুষরা আমাদের পার্শ্বদিয়ে অতিক্রম কালে আমাদের মুখামুখি হলে আমরা মাথার উপর থেকে চাদর টেনে চেহারার উপর ঝুলিয়ে দিতামতারা আমাদেরকে অতিক্রম করে চলে গেলে আমরা মুখমন্ডল খুলে দিতাম। (আহমাদ শরীফ, আবু দাউদ শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ) অথছ তাদের কে উম্মতের মা বলা হয়েছে তার পরেও উনারা কি পর্দা করেছনে আর আজকে আমরা কি পর্দা করছি? অথচ তিনি পর্দার জন্যে মুখমণ্ডল ঢেকেছেন আর আজকাল কিছু মুনাফেক আলেম নিজের মনগড়া ফতওয়া দিচ্ছে যে পর্দার জন্যে মুখ ঢাকা প্রয়োজন নয় যদি তাই হয় তবে তিনি সাহাবায়ে কেরাম গন কে পর্দা করেছেন যেখানে উম্মুল মুমিনিন উনাদের কে উম্মতের মা এবং উনাদের বিবাহ করা হারাম বলা হয়েছে?

তাহলে আপনারাই বলুন, রেজাখানী দাইয়ূস, জেনাখোর এই লোক গুলো কি করে পীর ওলী হয়? শুধু রেজাখানি নয় বেপর্দা বেশরম ডাঃ জাকির নায়েক, সাইদি, নিজামি, আহমদ শফি সহ এদেশের হাজার হাজার আলেম কি করে ১০০% আলেম হয় কোরআন সুন্নাহ উনাদের আইন অমান্য করে?

আর ছবি তোলার কথা যেখানে পবিত্র হাদিস শরিফে বলা হচ্ছে { عن ابن عباس رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل مصور فى النار. অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক ছবি তুলনে ওয়ালা জাহান্নামীনাঊযুবিল্লাহ! (মুসলিম শরীফ) এমনকি (মিশকাত শরীফ-৩৮৫, মিশকাত শরীফ পৃঃ ৩৮৬, বুখারী শরীফ ২য় জিঃ, পৃঃ ৮৮০, বুখারী শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ৮৮১, মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২০০, মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ, পৃঃ২০১, মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২০২, তিরমিযি ১ম জিঃ পৃঃ ২০৭, আবু দাউদ শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২১৯, মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বা ২য় জিঃ পৃঃ৪৬ মুসনদে আহ্মদ ২য় জিঃ পৃঃ২১৭, মুছান্নেফ ইবনে আবী শায়বা ৮ম জিঃ পৃঃ২৯৬, তাহাবী ২য় জিঃ পৃঃ ৩৬৩ বুখারী, কিতাবুললিবাছ, বাবুত তাছাবীর, ২য় জিঃ ৮৮০ পৃষ্ঠা} এতগুলো হাদিস শরিফ উনাদের নিশেদ সত্বেও তারা অহরহ ছবি তোলছে কাউকে বাধা পর্যন্ত দিচ্ছে না কিন্তু কেনো?

এইসব ছবি কি ফরজ হজ্বের জন্যে তুলতে বাধ্য হয়েছে? এইসব ছবি কি জাতিও পরিচয়পত্রের জন্যে তুলতে বাধ্য হয়েছে? এইসব ছবি কি পাসপোর্ট এর জন্যে তুলতে বাধ্য হয়েছে? যে এগুলো তাদের জন্যে হারাম নয়????

এখন গায়ের যোরে আপনাদের কারো যদি কোরআন সুন্নাহ উনাদের হুকুম মানতে কষ্ট হয় তবে তাদের পির মানুন আর স্কলার মানুন তাতে কারো কিছু যায় আসেনা, আখেরাতের দিন হিসাব পুরোপুরি ক্লিয়ার হয়ে যাবে আপনার সামনে আপনি কার হুকুম মেনেছেন পবিত্র আল কোরআন আল হাদিস না ভণ্ড উলামায়ে ছু দের।

আর আপনারা নিজের চোখে এদের হাক্বীকত দেখে যাচাই করুন - ছাবের শাহর সাথে বেগানা নন মহরম বেপর্দা মহিলাদের সাথে মাখামাখিঃ

(১) দেখুন ছাবেরের চরিত্র।

(২) দেখুন ছাবের শাহর কৃর্তী।

(৩) এই হলো রেজাখানী ইমাম ছাবের ।

(৪) এই হলো রেজবী হাক্বীকত ছাবের।  

(৫) এই ছাবের নাকি পীরে তরীকত

(৬) এটা কি পীরের বৈশিষ্ট্য?

(৭) মহিলা সঙ্গ ছাড়া ছাবেরের একদিনও চলেনা। 

(৮) এটা কি পর্দা

(৯) এই বদ লোক কি করে ওলী হয়

(১০) এরা কি তেঁতুলখোর মুখোশধারী নয়

(১১) নিজেদের মুরুব্বী দের চেহারা দেখো 



(১২) কি জবাব দিবে পরকালে

(১৩) এই হলো ছাবের সমাচার 

(১৪) রেজাখানী অন্যতম গুরু আহমদ সাঈদ কাযেমীর ছেলে হামিদ সাঈদ কাযেমীর অবস্থা দেখেন।

(১৫) রেজাখানীদের শায়খুল ইসলাম তাহেরুল কাদরী, এই বেপর্দা লোক যদি শায়খুল ইসলাম হয় দুনিয়ায় ইসলাম থাকবে?

(১৬) ইসলামিক ফ্রন্টের লিডারদের দেখুন কেমন পর্দা করছে।

(১৭) রেজাখানী অন্যতম ডোনার ছুফী মিজানের সাথে মালাউন পতিতা মিতালী মূখার্জীর ঢলাঢলি।

 (১৮) দেখুন রেজাখানী ভন্ড মিজান হাতে তসবীহ নিয়ে বদমাইশি করতেছে

(১৯) রেজাখানীরা বাংলাদেশে এসে ওহাবী বিরোধী আন্দোলনের ঝড় তোলে কিন্তু পাকিস্তানে এরা শিয়া+জামাতি+দেওবন্দী +তালেবানের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলে।

(২০) রেজাখানী প্রধান গুরু মাওলানা নুরানীর সাথে ওহাবী দেওবন্দীর কোলাকুলি ।

(২১) রেজাখানী গুরুরা ছবি তোলা হারাম বলে রায় দিয়েও আবার মহিলা পুরুষ জড়াজড়ি করে ছবি তোলে।

(২২) এবার রেজাখানীদের ফতোয়া দেখুন- বেশরা, বেপর্দা মার্কা লোকদের তারা আওলাদে রসূল বলতে নিষেধ করছেতাদের ফতোয়া মোতাবেক তাহের শাহ, ছাবের শাহ আওলাদে রসূল নয়।

ছাবের শাহর বেপর্দা সম্পর্কে জানতে নিম্নের ছাবেরের অফিসিয়াল পেজ দেখুন



আরো অনেক প্রমান দেয়া যেতো, কিন্তু প্রয়োজন মনে করলাম নাএক পাতিল ভাত রান্না হয়েছে কিনা সেটা দেখতে সম্পূর্ণ পাতিলের ভাত টিপা লাগে নাএকটা দুইটা টিপলেই বোঝা যায়সূতরাং রেজাখানীদের উপরোক্ত হাক্বীকত থেকেই বুঝে নেন তারা কত বড় ভন্ড, চরিত্রহীন মুনাফিক ধর্মব্যবসায়ীআল্লাহ পাক আমাদের হক্ব এবং নাহক্বের পার্থক্য বোঝার তৌফিক দান করুনআমীন......!

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্দব দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

1 comment: