7.22.2015

আসুন জেনে নেই কারা মুনাফিক এবং মুনাফিকদের কঠিন পরিনতি।

আসুন জেনে নেই কারা মুনাফিক এবং মুনাফিকদের কঠিন পরিনতিঃ মহান আল্লাহ পাক তিনি যতো প্রাণী দুনিয়াতে সৃষ্টি করেছেন এর মধ্যে মানুষ হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ কাড়ন মানুষ হচ্ছেন আশরাফুল মাখলুকাত, সৃষ্টির সেরা জিব আবার সৃষ্টির নিকৃষ্ট জিব, এই মানুষের চেয়ে ভালো আবার মানুষের চেয়ে খারাপ এই প্রথিবির জমিনে আর দ্বিতীয়টি হাজারো খুঁজলে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে। মহান আল্লাহ পাক উনার দৃষ্টিতে মানুষ ২ প্রকার।

১/ মুসলিম। 
২/ অমুসলিম।

এই অমুসলিম আবার কয়েক প্রকার। যথাঃ ইহুদি, নাসারা, কাফের, মুশরিক ইত্যাদি। এদের বেলায় মহান আল্লাহ পাক উনার ঘোষণা হলো তারা পরকালের জিন্দেগিতে কঠিন আজাবের সম্মুখীন হবে।

পবিত্র কালামুল্লাহ শরিফে তাদের মৃত্যুর পর জাহান্নামের ফায়সালার কথা বলা হয়েছে। এরপর মুসলিম আবার দুই প্রকার। যথাঃ-

ক) সম্মানিত মুমিন মুসলমান উনারা।
খ) নিকৃষ্ট মুনাফিক মুসলমানরা।

আসুন জেনে নেই কারা মুনাফিক এবং মুনাফিকদের কঠিন পরিনতি।
আসুন জেনে নেই কারা মুনাফিক এবং মুনাফিকদের কঠিন পরিনতি।
মৃত্যুর পর পর মহান আল্লাহ পাক যত প্রকার আরাম-আয়েশ ও নাজ নিয়ামতের ঘোষণা দিয়েছেন তা কেবল ঐসব মুমিন মুসলমানদের জন্য। আর ঐসকল মুনাফিকদের জন্য মৃত্যুর পরের জীবনের জন্যে এক কঠিন আজাবের কথা বলা হয়েছে। এমনকি মহান আল্লাহ পাক উনার গোনাহগার মুসলমান উনাদের বিভিন্ন গোনাহ এবং তার পরিণতি সম্পর্কে উনার হাবিব নুরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু ঐ মুনাফিক মুসলমানদের সম্পর্কে তাদের ধরন সম্পর্কে এবং তাদের কঠিন শাস্তির কথা মহান আল্লাহা পাক তিনি নিজে উনার কালামুল্লাহ শরিফ উনার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। যেমনঃ মুনাফিকরা আপনার কাছে এসে বলেঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামমহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন যে, আপনি অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদীতারা তাদের শপথসমূহকে ঢালরূপে ব্যবহার করেঅতঃপর তারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে বাধা সৃষ্টি করেতারা যা করছে, তা খুবই মন্দএটা এজন্য যে, তারা বিশ্বাস করার পর পুনরায় কাফের হয়েছেফলে তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়েছেঅতএব তারা বুঝে নাআপনি যখন তাদেরকে দেখেন, তখন তাদের দেহাবয়ব আপনার কাছে অসাধারন(খুব সুন্দর) মনে হয়আর যদি তারা কথা বলে, তবে আপনি তাদের কথা শুনেন(মনোযোগ দিয়ে)তারা প্রাচীরে ঠেকানো কাঠসদৃশ্যপ্রত্যেক শোরগোলকে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করেতারাই শত্রু, অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক হোনধ্বংস করুন মহান আল্লাহ পাক তাদেরকেতারা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছে ? যখন তাদেরকে বলা হয়ঃ তোমরা এস, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করবেন, তখন তারা মাথা ঘুরিয়ে নেয় এবং আপনি তাদেরকে দেখেন যে, তারা অহংকার করে মুখ ফিরিয়ে নেয়আপনি তাদের জন্যে ক্ষমাপ্রার্থনা করুন অথবা না করুন, উভয়ই সমানমহান আল্লাহ পাক তিনি কখনও তাদেরকে ক্ষমা করবেন নামহান আল্লাহ পাক তিনি পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শন করেন নাতারাই বলেঃ মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সাহচর্যে যারা আছে তাদের জন্যে ব্যয় করো নাপরিণামে তারা আপনা-আপনি সরে যাবেভূ মণ্ডল ও নভোমন্ডলের ধন-ভান্ডার মহান আল্লাহ পাক উনারই কিন্তু মুনাফিকরা তা বোঝে না সূত্রঃ পবিত্র সূরা মুনাফিকুন শরিফ।

এখন আসুন মহান আল্লাহ পাক তিনি মুনাফিক সম্পর্কে যেসব আজাবের ঘোষণা দিয়েছেন সেটা নিয়ে আলোচনা করা দরকার। যেমন পবিত্র সূরা নিসা শরিফের ১৪৫ নম্বর আয়াত শরিফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেনঃনিশ্চয়ই মুনাফিকরা থাকবে জাহান্নামের নিম্নস্তরে। আর আপনি(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনও তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী পাবেন না।আবার পবিত্র সূরা তাওবা শরিফের ১০১ নাম্বার আয়াত শরিফে মুনাফিকদের দ্বিগুণ আজাবের কথা বলেছেন। এরকম প্রায় অর্ধশত প্রত্যক্ষ আয়াত শরিফে আল্লাহ নাজিল করেছেন মুনাফিকদের জন্য। এছাড়াও আরো প্রায় অর্ধশত আয়াত শরিফে মহান আল্লাহ পাক তিনি পরোক্ষভাবে মুনাফিকদের শাস্তির বর্ণনা করেছেন। পবিত্র সূরা তাওবা শরিফের ৬৮ নাম্বার আয়াত শরিফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ওয়াদা করেছেন, মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারীদের এবং কাফিদের জন্য দোজখের আগুন তাতে পড়ে থাকবে সর্বদা, সেটাই তাদের জন্য যথেষ্ট। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের প্রতি লানত করেছেন এবং তাদের জন্য রয়েছে চিরস্থায়ী আজাব।

এত আজাবের কথা, মহান আল্লাহ পাক এই মুনাফিকদের জন্য ঘোষণা করলেন এদের সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা দরকার। এদের চরিত্র, কার্যকলাপ আমাদের সকলকে জানতে হবে। জানতে হবে এই জন্য যে, আমরা যাতে মুনাফেকি থেকে বাঁচতে পারি, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ কঠিন আজাব থেকে রেহাই পাই। পবিত্র বুখারী শরীফের ২২৮৮ নং হাদিস শরিফে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেছেনঃ ৪টি স্বভাব যার মধ্যে থাকবে সে মুনাফিক অথবা যার মধ্যে এ ৪টি স্বভাবের কোন একটি থাকবে তার মধ্যেও মুনাফিকির একটি স্বভাব রয়েছে যে পর্যন্ত না সে তা ত্যাগ করবে।
১) সে যখন কথা বলে, মিথ্যা কথা বলে।
২) যখন ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে।
৩) যখন সে চুক্তি করে তা লংঘন করে। ও
৪) যখন ঝগড়া করে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে।
অন্য হাদিস শরিফে আরও একটি আচরণের কথা বলা হয়েছে। তা হলো সে আমানতের খেয়ানত করে।

এখানে একটু আলোচনা দরকারঃ

১) মিথ্যা কথা বলা কাকে বলে আমরা সকলে তা বুঝি, অর্থাৎ সত্যকে গোপন রেখে তার ফায়দা হাসিলের জন্য অন্য একটি বলা।

২) ওয়াদা ভঙ্গ করা অর্থ আমরা বুঝি কাউকে কোন ব্যাপারে কথা দেয়া বা কোন জিনিস দেয়ার ওয়াদা করে তার খেলাপ করা। এছাড়া আরও একটি আচরণ আছে তা হলো আমরা যখন কলেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুপড়েছি আমরা মুসলমান হয়েছি। এখানে আমরা ওয়াদা করেছি যে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ঠিকমত মানবো অর্থাৎ তার সমস্ত বিধি-বিধান ঠিকমত মানবো। মহান আল্লাহ পাক মনোনীত দীনের যত প্রকার আইন- কানুন, ধারা-উপধারা আছে তা এভাবে মানব বা গ্রহণ করব যে, এই দীন ব্যতীত ইহুদিদের দীন বা আইন-কানুন, বিধি-বিধান, কাফেরদের দীন বা আইন-কানুন, বিধি-বিধান, মুশরিকদের দীন বা আইন-কানুন ও বিধি-বিধান আছে তার চেয়ে ভাল তো দূরের কথা সমতুল্য হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। আমাদের জানা দরকার সম্মানিত ইসলাম হলেন একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। সর্বপ্রকার শান্তি ও সফলতা নিহিত রয়েছে মহান আল্লাহ পাক মনোনীত দীনের মধ্যে, এটাই সর্বোত্তম জীবন বিধান, এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। এর কোন ব্যতিক্রম হলে ওয়াদাভঙ্গকারী হয়ে যাবে।

৩) আমানতের খেয়ানতকে আমরা বুঝি যে, কেউ কারো নিকট কোন জিনিস আমানত রাখলে সময়মত তা তাকে না ফিরিয়ে দেয়া। এটাতো আছেই, এছাড়া সম্মানিত ইসলাম উনার মত দৌলত মহান আল্লাহ পাক মুসলমানদের কাছে আমানত রেখেছেন। এ আমানত রক্ষা করার দায়িত্ব আমার, আপনার, সকল সম্মানিত মুসলমান উনাদের। সম্মানিত ইসলাম উনার মহব্বত, ভালোবাসা আমার মধ্যে না থাকলে আমি এ আমানত রক্ষা করতে পারব না। এসব আলোচনা থেকে মুনাফিক সম্পর্কে একটা ধারণা আমাদের হয়েছে।

এবার আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার জিন্দেগিতে ফিরে যাই। সেখান থেকে আরও মুনাফিকদের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি জানতে পারবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সময় সম্মানিত মদিনার জীবনে কিছু মুনাফিক ছিলো তাদের কার্যকলাপের ওপর ভিত্তি করেই উল্লিখিত আয়াত শরিফগুলো মহান আল্লাহ পাক তিনি নাজিল করেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার হাদিস শরিফে বয়ান করেনঃ তখনকার সময়ের সেই মুনাফিকদের সর্দার ছিলো আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই। তাদের জীবনের গতিধারা কালামুল্লাহ শরিফ ও হাদিস শরিফ উনাদের আলোকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, উল্লিখিত আচরণগুলো তো তাদের মধ্যে পুরোপুরি ছিলো, এ ছাড়া আরও একটি আচরণ ছিলো তা হলো তারা প্রায়ই গোপনে ইসলামের শত্রু কাফের, মুশরিক, ইহুদি ও নাসারাদের সাথে বৈঠক করত। এমনকি কাফির মুশরিকদের সাথে বসে সম্মানিত ইসলাম ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করত। পবিত্র ইসলাম বিরোধী এই সব দলের সাথে তাদের বন্ধুত্ব ছিল। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা নিসা শরিফ উনার ১৪৪ নম্বর আয়াত শরিফে বলেছেনঃহে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিনদের ত্যাগ করে কাফেরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তোমরা কি (তাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করে) এইরূপ চাও যে, নিজেদের (দোষী হওয়ার) ওপর মহান আল্লাহ পাক উনার স্পষ্ট প্রমাণ প্রতিষ্ঠা করে নাও।

তারা কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার পেছনে সম্মানিত মসজিদে নব্বীতে পবিত্র নামাজ আদায় করতো। তারা পবিত্র হজ্জ করতো, সম্মানিত রোজা রাখতো, পবিত্র যাকাতও দিতো, তবে তারা জিহাদ বা সম্মানিত ইসলামী আন্দোলনে তেমন যোগদান করত না। যদিও কোন জিহাদে তারা যোগদান করতো তখন সেখানে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করতো। এমনকি তাবুকের যুদ্ধেও কোন মুনাফিক যোগদান করেনি, যে যুদ্ধ ছিল সবচাইতে বড় যুদ্ধ। এই জিহাদে সব চাইতে বেশি সংখ্যক সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগন যোগদান করেন। এই সময় সম্মানিত মদিনায় শুধুমাত্র মহিলা, শিশু ও কিছু অচল লোক ছিলো। কিন্তু মুনাফিকরা এ জিহাদে যোগদান করেনি। মুনাফিকরা পবিত্র ইসলাম উনার বিরোধী দলের সাথে মহব্বত রাখতো বিধায় মহান আল্লাহ পাক তিনি এক আয়াত শরিফে বলেছেন, দুনিয়াতে যার সাথ যার মহব্বত থাকবে কিয়ামতে তাকে তার সাথে হাজির করা হবে। আর এক আয়াত শরিফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, ‘মুমিন ভালোবাসবে আমাকে, আমার প্রেরিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে আর অন্য মুমিনকে। আর এসব সাবধান বাণী উচ্চারণ করেছেন স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি শুধুমাত্র মুনাফিকদের জন্য।

এমনকি মহান আল্লাহ পাক তিনি মুনাফিকদের জন্য দোয়া করতে উনার হাবিব  হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে নিষেধ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি মুনাফিক মুসলমানদের ওপর যে কত নারাজ তা উল্লিখিত বর্ণনা থেকে সহজেই অনুমান করা যায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার ওফাতের পর সাহাবা হুযাইফা ইবেন ইয়ামান রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেনঃ বর্তমান যুগের মুনাফিকরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার যুগের মুনাফিকদের চেয়েও জঘন্য। কেননা সেই যুগে তারা (মুনাফিকরা) মুনাফিকি করতো গোপনে আর বর্তমানে করে প্রকাশ্যে। (পবিত্র বুখারী শরিফঃ হাদিস শরিফ ৬৬১৫)


এমতাবস্থায় আমাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সকলের একটু চিন্তা করা উচিত। উল্লিখিত মুনাফিকদের চরিত্র যদি আমাদের মধ্যে থেকে থাকে তবে আগে সেটা ত্যাগ করা প্রয়োজন। আগে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে মুমিনের তালিকাভুক্ত হতে হবে তারপর যে আমলই করি না কেনো সেটা মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে কবুল হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে কবুল করুন, আমিন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট টা পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্স এ আপনার মতামত জানাবেন আর আপনার বন্ধুবান্দবদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন্নাআসসালামু আলাইকুমফি আমানিল্লাহ !!! মহান আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: