6.28.2016

ইসলামের অপব্যখ্যাকারি ভণ্ড শায়েখদের উগ্র ভিডিও ইন্টারনেট থেকে সরানোর উদ্যোগ বিটিআরসির


ফেসবুক, ইউটিউবসহ ইন্টারনেটের বিভিন্ন পাতা ব্যবহার করে ধর্মের অপব্যখা সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর অভিযোগে বাংলাদেশের একজন ইসলামের লেবাসধারি সন্ত্রাসী নেতাসহ তিনজন কথিত শায়েখের কিছু উগ্র ধর্মীও অপব্যখ্যার ভিডিওসরিয়ে নেওয়ার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)একই সঙ্গে ইউটিউব থেকে ওই তিনজনের উগ্রবাদী ভিডিও সরানোর প্রস্তুতি চলছে।  অভিযুক্ত ওই তিনজন হচ্ছেঃ কারাবন্দি অভিযুক্ত সন্ত্রাসী নেতা জসিমউদ্দীন রাহমানী এবং আহলে হাদিস এবং সালাফিদের ইমাম আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ ও জামায়াতের আমির তারিক মনোয়ারএ বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ডঃশাহ্জাহান মাহমুদ গত রোববার রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, সম্প্রতি জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার কয়েকজন তরুণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তাঁরা ফেসবুক ও ইউটিউবের মাধ্যমে জসিমউদ্দীন রাহমানীর ভিডিও-বক্তব্যে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হয়েছেনএ তথ্য জানার পরই বিটিআরসিকে রাহমানীর ভিডিও ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিটিআরসির চেয়ারম্যান জানান, রাহমানী ছাড়াও আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ ও তারিক মনোয়ারের বক্তব্যসংবলিত ভিডিও ইন্টারনেট থেকে সরানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুরোধ করেছেতিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি কয়েক দিন আগেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে এ বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছিএর আগেও আমরা যখন ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে


আর ইউটিউব থেকে কিভাবে এসব ভিডিও সরিয়ে ফেলা যায় তার চেষ্টা চলছেডাঃ শাহ্জাহান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের এ উদ্যোগে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হতে পারেঅপপ্রচার হতে পারে যে আমরা কারো ধর্মীয় বক্তব্য সরিয়ে ফেলতে চাচ্ছিকিন্তু আমরা অবশ্যই ধর্মের বিপক্ষে নইধর্মকে ব্যবহার করে যারা উগ্রবাদ ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেতিনি জানান, অভিযুক্ত ওই তিনজনের সব ভিডিও নয়, শুধু সুনির্দিষ্ট যেসব বক্তব্য সম্পর্কে অভিযোগ এসেছে, সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।  এদিকে গতকাল রাতেও ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখা গেছে, ফেসবুক ও ইউটিউবে জসিমউদ্দীন রাহমানীর শত শত ভিডিও রয়েছেইউটিউবে একটি ভিডিওর শিরোনাম দি খুতবা ফর হুইচ জসিমউদ্দীন রাহমানী ওয়াজ অ্যারেস্টআরেকটি ভিডিওতে আরাকান, মিয়ানমারে মুসলিম যুবকদের প্রতি জিহাদের আহ্বান জানানো হয়েছেফেসবুকে রাহমানীর কতগুলো ফ্যানপেজও রয়েছেআব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সে মাদারটেক আ. আজিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বক্তব্য দিচ্ছেরাজ্জাক বিন ইউসুফ সম্পর্কে জানা যাচ্ছে সে চট্টগ্রামভিত্তিক একজন সালাফি লা মাজহাবই নেতা, বেশির ভাগ সময়েই সে দুবাইতে অবস্থান করে বলেও দু-একটি সূত্রঃ জানিয়েছেতবে এ তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নিআর তারেক মনোয়ার সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়নিএসব ব্যক্তির ভিডিও ইন্টারনেট ছাড়াও সিডি আকারে বাজারে রয়েছে


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: