6.30.2016

গেন্ডারিয়ার সেই মসজিদে যাওয়ার নিয়ম-কানুন এবং অবশ্যই যা যা মেনে চলবেন

গেন্ডারিয়ার সেই মসজিদে যাওয়ার নিয়ম-কানুন এবং অবশ্যই যা যা মেনে চলবেন
গেন্ডারিয়ার সেই মসজিদে যাওয়ার নিয়ম-কানুন এবং অবশ্যই যা যা মেনে চলবেন
আসসালামু আলাইকুমঃ ভাইজানেরা আগামীকালের কথা মনে আছে তো? রাত পোহালেই জুম্মাবার অর্থাৎ জুম্মাতুল বিদাহ। গেণ্ডারিয়া কাপড়িয়া জামে মসজিদে হাজারও মুসল্লিদের সাথে যাদের পক্ষে সম্ভব তারা সবাই জুম্মার নামাযে শরীক হবেন ইনশাআল্লাহ...

কাল জুম্মাতুল বিদাহ তথা রমাদ্বানের শেষ শুত্রুবার হওয়ায় ঢাকার শহরে শপিং এর জন্য রাস্তাঘাটে খুব জ্যাম থাকতে পারে। তাই যারা একটু দূর থেকে আসবেন তারা সকাল সকাল বের হবেন। হাতে করে অবশ্যই জায়েনামায বা অল্টারনেট কিছু নিয়ে আসবেন। মসজিদে যেহেতু এত মানুষের যায়গা হবেনা সেহুতু আপনাকে রাস্তাঘাটে নামায পড়তে হবে আর মুসলমানদের জন্যে সারা দুনিয়াই জায়নামাজ।

এবার জেনে নিন গেন্ডারিয়ার সেই মসজিদে যাওয়ার নিয়ম-কানুনঃ

গেন্ডারিয়া সেই মসজিদে আগামীকাল জুমুয়ার নামাজ পড়তে আসুন। আপনি যদি ঢাকার দক্ষিন দিক থেকে আসেন। তাহল আপনি ঢাকা যাত্রাবাড়ি এসে গাড়ি থেকে নেমে পড়ুন। তারপর একটা রিক্সা নিয়ে গেন্ডারিয়া মিলব্যারাক কাপড়িয়া নগর জামে মসজিদের উদ্দেশ্যা রওনা দিন।

যারা ঢাকার উত্তর সাইড থেকে আসবেন তারা প্রথমে গাড়ি দিয়ে ঢাকা গুলিস্তানে চলে আসুন তারপর সেখান থেকে দয়াগঞ্জ অথবা যাত্রাবাড়ি চলে আসুন। সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে গেন্ডারিয়া মিলব্যারাক কাপড়িয়া নগর জামে মসজিদের উদ্দ্যাশে রওনা দিন। সহজ ঠিকানা হচ্ছেঃ- গেন্ডারিয়া মিল ব্যারাক পুলিশ লাইনে চলে আসুন। সেখান থেকে হেটে আসলে মিলব্যারাক কাপড়িয়া নগর জামে মসজিদ মাত্র দুই মিনিটের রাস্তা।

বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেনঃ কোনরকম বিশৃংখলা যাতে না হয়। কারণ হিন্দুরা বলেছে মসজিদের কারণে সেখানে সহিংসতা হবে তাই তারা বা তৃতীয় কোনো শক্তি যদি গুলমাল পাকিয়ে একটি ফিত্না লাগিয়ে দেয় তাহলে কিন্তু সব মাটি হয়ে যাবে। কারন কালকে যদি হিন্দুরা প্রমাণ করতে পারে সেখানে মসজিদ থাকার কারণে মুসলমানরা এসে সহিংসতার সৃষ্টি করেছে তাহলে হিন্দুরা সফল হয়ে যাবে। তাই সবাই শান্তি সহকারে নামাজ আদায় করবেন।

এখানে লক্ষণীয় যেঃ- মসজিদপক্ষের উদ্দেশ্য, ‘মসজিদের দলের লোকেরা একা নয় তা বাংলাদেশ সরকার এবং সমস্থ বিশ্ব কে দেখানো। এবং বাংলাদেশের কোনো স্থানে যদি মসজিদ মাদ্রাসা বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়, তবে সব মুসলমান এক হয়ে যাবে। আর হিন্দুরা দেখাতে চাচ্ছেঃ- ‍মুসলমানরা সহিংস। তারা চাইবে পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করতে। কিন্তু সেটা করা যাবে না। যদি করা হয় হিন্দুরা জিতে যাবে, মুসলমানরা হেরে যাবে।

আরেকটি কথা সব সময় মাথায় রাখবেন। যারাই যাবেন তারা কোনো সমাবেশে যাচ্ছেন না। মিছিল করতে চাইলে যেকোন যায়গায় করা যায় সেখানে যাওয়ার প্রয়জন নাই। সেখানে যাচ্ছেন মসজিদ থেকে বিতাড়িত ভাইদের সাথে একত্রে নামায পড়া মৌন প্রতিবাদ করা। কোন প্রকার মিছিল শ্লোগান দিবেন না দেওয়া যাবেনা কারন এইটা ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ এটা কোনো রাজনৈতিক ইস্যু না এবং কেউ যেনো এইটা আওয়ামীলীগ বা জামাত শিবির ইস্যু বানাতে না পারে। মনে রাখবেন কোনো রকম কারো ফাদে পা দিবেন না। বিরোধী হিন্দুরা চাইবে আপনার মাথা গরম করে দিতে। ভুলেও মাথা গরম করা যাবেনা। আপনার একটু ভুলের কারনে সকল মুসলিম যেনো বিতর্কিত না হয়ে যায়। আপনাদের উদ্দেশ্য যেনো এটা হয় যে যেসব মুসলিম ভাইদের বুকে অস্ত্র ধরে মসজিদ থেকে বের করে দিয়েছিলো তাদেরকে বোঝানো আপনারা তাদের সাথে আছেন থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

শেষ করার আগে আবারো আগামীকালকের মূলমন্ত্র দুটিঃ-

১) যত বেশি সংখ্যক মুসল্লী মসজিদে জড়ো করা যায়।

২) কোন ধরনের বিশৃঙ্খলতা মারামারি যেনো না হয়।

আর যদি কোন পোষ্ট নাও দিতে পারি তারপরেও আপনারা যারা যেতে চান সেখানে উপস্থিত হয়ে যাবেন। কারো নির্দেশনার দরকার নেই। মহান আল্লাহ পাক তিনি এই পবিত্র ইসলামিক কর্মসুচি সফল করুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: