6.24.2016

আল্লার নবীকে কেউ ভালবাসলে আল্লাহ তাকে মাফ করে জান্নাতে দিবেন এমন কোনো কথা কোরআনে নেই কেউ প্রমাণ করতে পারবেনা


কথিত এই সালাফি মালানা আমির হামজা বলেছে যেঃ পুরা কুরআন শরীফের ভেতর এমন কথা কোনো যায়গায় নেই আল্লার নবীকে কেউ যদি ভালোবাসে মুহব্বত করে আদর করে তাহলে আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবেনকিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে জান্নাতে দিয়ে দিবেন একথা কোনো যায়গায় নেই নাউযুবিল্লাহ!!!

সে চ্যালেঞ্জ করে বলেছে আল্লার নবীকে কেউ ভালবাসলে আল্লাহ তাকে মাফ করে জান্নাতে দিবেন এমন কোনো কথা কোরআনে নেই কেউ প্রমাণ করতে পারবেনা 


কতো বড় জাহেল হলে এমন কথা বলা যায়? ইসলাম কি শুধুই আল কুরআন উনার মধ্যে সীমাবদ্ধ? হাদিস শরীফ, সুন্নাহ মুবারক, ফিকাহ, ইজমা, ক্বিয়াস এগুলো ছাড়া কি ইসলাম বোঝা, মানা, পালন করা যাবে? পুরা কুরআন শরীফের কোথায় আছে নামাজ, রোজা, হজ্জ, জাকাতের সম্পূর্ণ নিয়ম? তাহলে কি আমারা এগুলো ছেড়ে দেবো? আরো হাজারো বিষয় আছে যা সুন্নাহ মুবারক আর হাদিস শরীফ উনাদের সহযোগিতা ছাড়া বুঝাই যাবেনা।

এই জাহেল সুক্ষভাবে হাদিস শরীফ এড়িয়ে হাদিস শরীফের প্রতি তার বিদ্বেষীতার প্রমান দিলো নাউযুবিল্লাহ!!

যাইহোক এখন কথা হলো প্রথমে আমরা দেখবো যে নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে ভালোবাসলে জান্নাত পাওয়া ক্ষমা পাওয়া যাবে কি নাদ্বিতীয়ত যদি কেউ রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে শুধু অনুসরণ করে কিন্তু ভালো না বাসে তাহলে কি সে জান্নাত পাবেসে কি পূর্ণ মোমিন মুসলমান বা ঈমানদার হতে পারবে

পবিত্র সুরা আলে ইমরান (আলাইহিস সালাম) এর ৩১ নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেনঃ হে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলুনঃ যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভালোবাসোতাহলে আমাকে অনুসরণ করোযাতে মহান আল্লাহ পাক তিনিও তোমাদিগকে ভালোবাসেন এবং তোমাদেরকে তোমাদের কৃত পাপ থেকে ক্ষমা প্রদান করেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু

উপরের আয়াত শরীফের দিকে দৃষ্টিপাত করলে আমরা যা দেখি তা হলো মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভালবাসতে হলে অবশ্যই রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে অনুসরণ করতে হবে আর কাউকে অনুসরণ করতে হলে উনাকে সর্বপ্রথম ভালোবাসা শর্ত অন্যথায় হাক্বিকি ভালোবাসা কখনোই প্রকাশ পাবেনা

কারন পবিত্র সুরা তওবা শরীফের ৯/২৪  নং আয়াত শরীফে তিনি আরো বলেনঃ হে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি তাদের বলে দিনযদি তোমাদের পিতৃপুরুষরাতোমাদের পুত্রসন্তানরাতোমাদের ভাইরাতোমাদের জ্ঞাতি-গোষ্ঠীতোমাদের উপার্জিত সম্পদ এবং তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যযা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তোমরা শঙ্কিত হও আর তোমাদের বাসস্থানগুলোরযার সৌন্দর্য তোমাদের আকৃষ্ট করে আর যদি এগুলো তোমাদের কাছে মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপেক্ষা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদের চেয়ে বেশি প্রিয় হয়তাহলে তোমরা অপেক্ষা করো মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ আসা পর্যন্ত(অর্থাৎ মৃত্যুর সমন আসার আগ পর্যন্ত)। আর জেনে রেখো মহান আল্লাহ পাক তিনি ফাসিক লোকদের হেদায়েত করেন না'

আয়াত শরীফের তাফসিরঃ আলোচ্য আয়াত শরীফের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে যে মা-বাবাভাই-বোনস্ত্রীছেলেমেয়েঅর্থ-সম্পদঘরবাড়িজায়গাজমি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য-সবই মহান আল্লাহ পাক উনার দেওয়া নিয়ামত। তাই এগুলো যেনো মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাদের চেয়েও বেশি প্রিয় না হয়ে দাঁড়ায়। একজন খাঁটি মুমিনকে মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাদের হুকুমকে মানা উনাদের মুহব্বত ইজ্জত করা সব সময় প্রাধান্য দিয়ে করতে হবে

উপরের আয়াত শরীফটি নাজিল হয়েছিলো হিজরতের আদেশ হওয়ার পর যাঁরা হিজরত করতে ব্যর্থ হন তাঁদের উদ্দেশে কিন্তু এই বিধান সব যুগের সব মুসলমানের জন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে

এখন কথা হলো আমির হামজা বলেছে যে নবী করীম! সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে ভালোবাসলে ক্ষমা এবং জান্নাত পাওয়া যাবেনা বরং উনাকে অনুসরণ করতে হবেতাই আমরা এখন দেখবো কোরআন সুন্নাহ কি বলেন

। কেউ যদি রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুহব্বত করে মায়া করে ভালোবাসে তাহলে সে কি ক্ষমা পাবেসে কি জান্নাতে যাবে?

। কেউ যদি যদি রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুধু অনুসরণ করে কিন্তু মুহব্বত না করে তাহলে কি সে মোমিন মুসলমান বা পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে?

হজরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা উনার থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলোইয়া রাসুলুল্লাহ! সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিয়ামত কখন হবেউত্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাল্টা প্রশ্ন করলেনকিয়ামতের জন্য তুমি কী প্রস্তুতি নিয়েছোলোকটি বললোএর জন্য আমি তেমন কোনো প্রস্তুতি নিতে পারিনিতবে আমি মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসি। এবার হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বললেনতুমি যাঁকে ভালোবাসো কিয়ামতের দিন তুমি উনার সঙ্গেই থাকবে'

- বুখারি শরীফঃ হাদিস শরীফ  নং ২/৯১১)

হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘এক ব্যক্তি রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলোইয়া রাসূলুল্লাহ! সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিয়ামত কখন হবেনবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন। নামাজ শেষ করে তিনি জিজ্ঞাসা করলেনকিয়ামত হওয়ার ব্যাপারে প্রশ্নকারী লোকটি কোথায়সে বললইয়া রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! এই যে আমি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনতুমি কিয়ামতের জন্য কি প্রস্তুতি নিয়েছোসে বললোহে মহান আল্লাহ পাক উনার রাসূল! সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি অবশ্য তেমন দীর্ঘ  সময় নিয়ে নামাজও পড়িনিরোজাও রাখি নিতবে আমি নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভালোবাসি। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনযে ব্যক্তি যাকে ভালোবাসেসে রোজ কিয়ামতে তার সঙ্গেই থাকবে। আর তুমিও যাকে ভালোবাসো উনার সঙ্গেই থাকবে

তিরমিজী শরীফঃ হাদিস শরীফ  নং ২৩২৭

তিরমিজি শরীফ এবং মিশকাত শরীফের ২২ নং পৃষ্টায় আনাস ইবনে মালেক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মোবারক করেছেনঃ হে বতস সম্ভব হলে তুমি সকাল সন্ধ্যা এমনভাবে কাটিয়ে দাও  যেনো তোমার মনে কারো প্রতি হিংসা বিদ্বেষ না থাকে অতঃপর তিনি বল্লেন প্রিয় বতস এটাই আমার সুন্নত আর যে আমার সুন্নত কে ভালোবাসে সে আমাকে ভালোবাসে আর যে আমাকে ভালোবাসে সে জান্নতে আমার সাথে থাকবে

প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে নবীপ্রেম থাকা ইমানের দাবি। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ মোবারক করেনঃ সেই পবিত্র সত্তার কসমযাঁর হাতে আমার প্রাণতোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে নাযতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা ও সন্তানের চেয়ে বেশি প্রিয় হই অর্থাৎ সে যদি তার পিতা এবং পুত্র হতে আমাকে বেশি মুহব্বত না করে'

- বুখারি শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ১৩

অন্য হাদিস শরীফে এসেছেঃ তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে নাযতক্ষণ না আমি তার কাছে পিতাসন্তান ও সমস্থ মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই অর্থাৎ তুমরা যদি তোমাদের পিতা এবং পুত্র এবং সমস্থ মানুষ হতে আমাকে বেশি মুহব্বত না করো

- বুখারি শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ১৪

অন্য হাদিস শরীফে এসেছেঃ তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে নাযতক্ষণ না আমি তার কাছে পিতাসন্তান ও সমস্থ মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই অর্থাৎ তুমরা যদি তোমাদের পিতা এবং পুত্র এবং সমস্থ মানুষ হতে আমাকে বেশি মুহব্বত না করো

- বুখারি শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ১৫
- মুসলিম শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ১৭৮

আরো দেখতে পারেনঃ

- মুসলিম শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ৪৪
- মিশকাত শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ৭

উপরের হাদিস শরীফ গুলোর প্রেক্ষাপট চিলো এরকম যেঃ একবার নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন- সেই পবিত্র সত্তার কসমযাঁর হাতে আমার প্রাণতোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে নাযতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা ও সন্তানের চেয়ে বেশি প্রিয় হই অর্থাৎ সে যদি তার পিতা এবং পুত্র হতে আমাকে বেশি মুহব্বত না করেঅন্য হাদিস শরীফেও এসেছেঃ তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে নাযতক্ষণ না আমি তার কাছে পিতাসন্তান ও সমস্থ মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই অর্থাৎ তুমরা যদি তোমাদের পিতা এবং পুত্র এবং সমস্থ মানুষ হতে আমাকে বেশি মুহব্বত না করো। অন্য আরেকটি হাদিস শরীফে এসেছেঃ তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে নাযতক্ষণ না আমি তার কাছে পিতাসন্তান ও সমস্থ মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই অর্থাৎ তুমরা যদি তোমাদের পিতা এবং পুত্র এবং সমস্থ মানুষ হতে আমাকে বেশি মুহব্বত না করো

সূত্রঃ বুখারি শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ১৩/১৪/১৫/ ও  মুসলিম শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ১৭৮

আরো দেখতে পারেনঃ মুসলিম শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ৪৪ এবং মিশকাত শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ৭

যাইহোক উপরের হাদিস শরীফ গুলো যখন রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা করেন ঐ সময় হযরত ওমর ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জীবন ব্যতীত আপনি আমার নিকট সবকিছু থেকে অধিক প্রিয়। তখন নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বললেননাযাঁর হাতে আমার প্রাণ ঐ সত্তার কসম! আপনার কাছে আমি যতক্ষণ আপনার প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয় না হবো ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি পূর্ণ মুমিন হতে পারবেন না। তখন ওমর ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেনমহান আল্লাহ পাক উনার কসম! এখন আপনি আমার কাছে আমার প্রাণের চেয়েও বেশী প্রিয়। নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনহে ওমর! ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এখন আপনি সত্যিকারের ঈমানদার হলেন

বুখারী শরীফঃ হাদিস শরীফ নং ৬৬৩২ শপথ ও মানত অধ্যায়

এখন কথা হচ্ছে হযরত ওমর ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যখন বলছিলেন আমার জীবন ব্যতীত আপনি আমার নিকট সবকিছু থেকে অধিক প্রিয় অর্থাৎ আমি আমার জিবনের চেয়েও বেশি আপনাকে মুহব্বত করিনা তখন রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুমিন বলে মেনে নিলেন না তাহলে কি হযরত ওমর ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তখন মুসলিম ছিলেন না? তিনি তখন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন না? রমাদ্বানের ৩০ টি ফরজ রোজা রাখতেন না? যাকাত আদায় করতেন না? হজ্জ করতেন না? ইসলামের পাবন্দি ছিলেন না? যদি সবকিছু করে থাকেন তাহলে উনাকে কেনো মুমিন বলে মেনে নিলেন না রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? কারন উনি রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিজের জিবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করতেন না আর রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বললেন যাঁর হাতে আমার প্রাণ ঐ সত্তার কসম! আপনার কাছে আমি যতক্ষণ আপনার প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয় না হবো ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি পূর্ণ মুমিন হতে পারবেন না তখন ওমর ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেনমহান আল্লাহ পাক উনার কসম! এখন আপনি আমার কাছে আমার প্রাণের চেয়েও বেশী প্রিয় আমি আপনাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করি

উনার এই স্বীকৃতির পরেই উনাকে নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনহে ওমর! ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এখন আপনি সত্যিকারের ঈমানদার হলেন

এতএব উপরের হাদিস শরীফ থেকে সারমর্ম যা পেলাম পূর্ণ ঈমানদার এবং জান্নাতি হতে হলে অবশ্যই সর্বপ্রথম রাসুলাল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে মুহব্বত করতে হবে না হলে যতোই অনুসরণ অনুকরণ আর আমল করুন না কেনো কোনো অবস্থাতেই পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবেন না, ক্ষমা পাবেন না, জান্নাতি হবেন না, তাই আমির হামজা নামক জাহেল এর মতো লোকদের কথায় নিজের ঈমান আমল কে নষ্ট না করে এদের সমাজ থেকে, ওয়াজ মাহফিল থেকে বয়কট করবেন, এদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন আর হেদায়েত না থাকলে এদের ধ্বংসের দোয়া করবেন আমিন


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: