7.18.2016

পাগলও নাকি নিজের ভালো বুঝে অথচ বাংলাদেশ নিজের ভালোটা বুঝে না যা ভিডিওটি দেখলেই বোঝা যায়

পাগলও নাকি নিজের ভালো বুঝে অথচ বাংলাদেশ নিজের ভালোটা বুঝে না যা ভিডিওটি দেখলেই বোঝা যায়
ভিডিওটি ২০১১ সালের ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলায় একটি কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র (থার্মাল পাওয়াল প্ল্যান্ট) নির্মাণ করতে গেলে এলাকাবাসীর তীব্র প্রতিরোধের সম্মূখীন হয়েছিলো ভারত সরকার, সৃষ্টি হয়েছিলো যুদ্ধ পরিস্থিতি। অন্ধ্র প্রদেশের জনগণ বলেছিলো- ঐ এলাকায় থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট হলে পুরো পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে জীবনবাজী রেখে তারা পাওয়ার প্ল্যান্ট বন্ধ করতে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

যাই হোক, এবার আসি বাংলাদেশের সুন্দরবনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে। ভারত নিজ দেশে তী্ব্র প্রতিরোধের কারণে আর থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করতে পারছে না। কারণ তাদের দেশের জনগণ বুঝে গেছে, থার্মাল প্ল্যান্ট স্থাপন করলে দেশের পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়। তাই কৌশলী হয়ে তারা বাংলাদেশের রামপালে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করছে। এতে সুবিধা-

১) নিজ দেশের পরিবেশ ভালো থাকলো, পাবলিকও ক্ষেপলো না,
২) বাংলাদেশের পরিবেশ নষ্ট হলো,
৩) নিজের প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পাওয়া গেলো
৪) উৎপাদিত বিদ্যুৎ উল্টো মোটা টাকায় বাংলাদেশে বিক্রি করা গেলো।


আমি প্রথমেই বলেছি যে কথায় বলে পাগলও নাকি নিজের ভালো বুঝে।অথচ বাংলাদেশ নিজের ভালোটা বুঝে না। আমার মনে হয়, বাংলাদেশের জনগণের উচিত ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের জনগণের অনুকরণে সুন্দরবন বাচাতে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধে তীব্র প্রতিবাদ-আন্দোলন গড়ে তোলা।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: