7.04.2016

ভিডিও সহঃ প্রথম আলোর মালিক লতিফুর রহমানের নাতি ফারাজ হিরো নয় বরং সন্ত্রাসীদের-ই একজন!

ফারাজ আইয়াজ হোসেন
এখন আপনাদেরকে যে তথ্য দিতে যাচ্ছি সেটি শুনলে আপনারা হয়ত চমকে উঠবেন কিংবা আপনাদের ভেতরে জেগে উঠবে সন্দেহ। এমনও হতে পারে যে আপনি হয়তো মুখ কুঁচকাবেন এমনকি মিথ্যেবাদী ও বলতে পারেন যদি গোয়েন্দাগিরি বা অনুসন্ধানের জ্ঞান সেই লেভেলের না হয়।

কিন্তু ডি কে হোয়াং নামের কোরিয়ান ভদ্রলোকের গোপনে ধারনকৃত ভিডিও দেখে ঘন্টার পর ঘন্টা রিসার্চ করে এবং সেটি থেকে কেটে কেটে প্রতি সেকেন্ডের ভিডিও পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন অনেকে যে ফারাজ আইয়াজ হোসেন নামের যে ছেলেটিকে নানা মিডিয়া (বিশেষ করে প্রথম আলো ডেইলি স্টার) যে হিরো বানাচ্ছে আসলে এই ফারাজ-ই হচ্ছে গুলশান ম্যাসাকারের সন্ত্রাসীদের মধ্যে একজন সন্ত্রাসী। অনুসন্ধানের এই দাবীর পক্ষে যুক্তি দেওয়া হবে, প্রমাণ দেওয়া হবে এবং এই দাবী আর যুক্তিগুলোকে আপনাদের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

যেমনঃ প্রথম আলোর মালিক লতিফুর রহমানের নাতি ফারাজ আইয়াজ হোসেনের সম্পর্কে যে হিরোসুলভ ও মহিমান্বিত সংবাদ পড়া হয়েছে রিসার্চ করা হয়েছে সেটিকে কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায়না ভিবিন্ন কারনে। আর সে না করার পেছনে অনেক গুলো কারনের একটা হচ্ছে সেই হোয়াং সাহেবের ভিডিও। হোয়াং সাহেবের ভিডিওতে একটি অংশে দেখা যাচ্ছে যে একটি সন্ত্রাসী রেস্টুরেন্টের মূল ঢুকবার কাঁচের দরজার পাশে অবস্থান নিয়েছে এবং কয়েক সেকেন্ডের জন্য সে দরজা দিয়ে উঁকি মারছে। তার পিঠে রয়েছে পেছনে উইলসননামের একটি ব্যাগ (র‍্যাকস্যাক) আর হাতে রাইফেলস।

আপনি যদি সেই সন্ত্রাসীর উঁকি দেয়ার ভিডিও আপনারা প্রথমে নরমাল মোশনে দেখেন। তারপর এই একই ভিডিও-ই আপনারা একটু স্লো করে দেখেন, তারপর আবারো আরেকটু স্লো। তিন বারের এই একই ভিডিওতে আপনারা যাকে দেখবেন তার সাথে ফারাজ আইয়াজ হোসেনের ছবিটি এইবার একটু মেলান। কি চমকে গেলেন? ফারাজের মতোই লম্বা, চুলকাটা আর স্পস্ট তারই প্রতিচ্ছবি।


সন্ত্রাসীটির বা দিকের চুল একটু ছাটা আর ডান দিকের চুল কম। সাম্প্রতিক সময়ের চুলের এই স্টাইল-ই ছিলো এই উঁকি মারা সন্ত্রাসীর। এইবার আপনি ফারাজের চুলের স্টাইল দেখুন। কি দেখলেন? মিলে গেছে, তাই তো? এইবার আসুন দেখি ফারাজের উচ্চতা কেমন। উঁকি মারা সন্ত্রাসীর উচ্চতা কমের পক্ষে ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি থেকে ৬ ফুট। আপনি একটু অনুমান করলেই বুঝতে পারবেন সহজে। এইবার আপনি ফারাজের উচ্চতা দেখুন নিচের ছবিতে। কি আন্দাজ করতে পেরেছেন আপনি?।

ফারাজ ও আবন্তি
ফারাজ আমেরিকার একটি ইউনিভার্সিটিতে পড়তো আর সেই একিই ইউনিভার্সিটিতে পড়ে তারই বন্ধু আবন্তি। তাদের আরেক বন্ধু ভারতীয় তারাশি জৈন। এই দুজনকে আসলে মরতেই হোতো কেননা ফারাজ যে চরম সন্ত্রাসী এটা তারা জেনেছিলো ঐ ভয়াবহ ঘটনার রাতে। একইভাবে ইশরাত আখন্দকে প্রাণ দিতে হয়েছিলো কারন ঘটনাটা ইশরাতও দেখে ফেলেছে। এরা মুক্তি পেলে প্রথম আলোর কর্ণধার নানা লতিফুরের বারোটা বাজবে, সেটা সন্ত্রাসী ফারাজ ঠিকই জানতো। সুতরাং সে ঝুঁকি সে নেবে না কারন সে তার নানাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসে যে তার পিছনে কোটি কোটি টকা খরচ করেছে?

আর বাকী বাংলাদেশী যারা মুক্তি পেয়েছে সেই দলের হোতা যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির হাসনাত করিম এবং সেও যে সন্ত্রাসীদের সহযোগী এই ব্যাপারে সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই লেখা হয়েছে। আমিও দুইটা পোষ্ট লিখেছি দেখতে পারেন (http://goo.gl/uGz9iC)(http://goo.gl/OiZ1OW) তাই এরা মুক্তি পেলে এই সত্য আর কেউ জানতে পারবে না, এই ব্যাপারে ফারাজ ১০০ ভাগ নিশ্চিত ছিলো।

আইন শৃংখলা বাহিনী ৬ জনকে হত্যা করেছে আর এক সন্ত্রাসীকে ধরেছে এই কথা বার বার মশহুর করা হলেও আমরা মাত্র ৫ জনের লাশ দেখেছি আর তাদের সাথে আছে শেফের পোষাক পরা একজনের লাশ। এই শেফ লোকটি সন্ত্রাসী নয় কিন্তু খামাখাই মিডিয়া তাকে সন্ত্রাসী বলে প্রচার করেছে এই ফারাজ কে আড়াল করতে। এই শেফ লোকটির নাম সাইফুল। তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়াচ্ছে? দাঁড়াচ্ছে যে ৬ সন্ত্রাসী হত্যার কথা বল্লেও আসলে লাশ পেলাম ৫ জনের। কিন্তু প্রথম একটি ছবিতে ফারাজের লাশ দেখা গেলেও অন্যান্য ছবিতে ফারাজের লাশ পুরোপুরি গায়েব। আর প্রথম ছবিতে ফারাজের লাশ চিহ্নিত করা গেছে তার পায়ের সাদা কেডস দেখে। ভিডিওতে আপনারা দেখবেন যে ফারাজের পায়ে সাদা কেডস ছিলো।

সিআইএর খাস দালাল প্রথম আলোর মালিক লতিফুর রহমানের মান সম্মান রক্ষার জন্য এখন যেকোনো ভাবেই এইটুকু ম্যানেজ করা হয়েছে যে ফারাজ এর নাম যাতে সন্ত্রাসীর তালিকায় না আসে। আর প্রথম আলো তো তা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে প্রচার করেই যাচ্ছে যে ফারাজ কত মহান ছিলো।

এখানে আরেকটি ব্যাপার উল্লেখ্য যে ফারাজ সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা থেকে এসেছে। ফারাজের পিঠে যে ব্যাগ চাপানো ছিলো সেটি দেখা যাচ্ছে উইলসনব্র্যান্ডের যেটি একটি আমেরিকান ব্র্যান্ডের ব্যাগ। যদিও এই ব্যাগ হয়ত বাংলাদেশেও খুঁজলে পাওয়া যাবে এবং এটা হয়তো আসলে কিন্তু যুক্তির আদলে ফেলা যাচ্ছেনা বিষয়টি। তারপরেও শুধু একটু সূত্র দেওয়া হলো যেনো ভাবতে সুবিধা হয়।

তবে এত কিছুর পর খটকা এক যায়গাতেই থেকে যাচ্ছে। সেটা হচ্ছে মোট ৭ সন্ত্রাসীর কথা বলা হলেও, লাশ পেলাম ৪ জনের। আর বাকী ৩টা গেলো কই এবং কথিত আই এস তাদের ৫ সন্ত্রাসীর ছবি প্রকাশ করেছে। বাকী ২ জনের টা নয় কেনো? এর কারন কি এটা হতে পারে যে বাকী দুজন ধরা পড়েছে বলে তাদের নাম প্রকাশ থেকে বিরত রাখা হয়েছে? কিন্তু প্রকাশিতদের মধ্য থেকে কিন্তু ফারাজের ছবি নেই। তাহলে কি আই এস ভেবেছে ফারাজ ধরা পড়েছে? সে কারনেই কি ফারাজের ছবি প্রকাশ থেকে বিরত থাকা হয়েছে নাকি লতিফুরের পরিবার টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছে এসব? তাদের সাথে কি ভুল কমিউনিকেশন হয়েছে? কেননা তাদের প্রকাশিত ৫ জন জঙ্গীর মধ্যে ৪ জনের পরিচয় পেলেও একজনের ছবির সাথে কোনো লাশের ছবির-ই মিল নেই।

অনেক বিষয়ে কৃতজ্ঞতা এবং ভিডিও সূত্রঃ পোর্টাল বাংলাদেশের ইউটিউব থেকে সংগৃহীত।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: