7.05.2016

গুলশানের হামলার জিম্মিদের অন্যতম হাসনাত রেজা ও নিষিদ্ব ঘোষিত সন্ত্রাসী দল হিযবুত তাহরীর



আপনি কি জানেন বাংলাদেশে নিষিদ্ব ঘোষিত সন্ত্রাসী দল হিযবুত তাহরীরের পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই হাসনাত রেজা করিম নর্থ সাউথ ইউনির্ভাসিটি থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। ২০১২ সালে তাকেসহ চার জন শিক্ষককে এই কারণে অব্যহতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সেই লোক কয়েকদিন আগে সন্ত্রাসী ইহুদীদের অভয়ারন্য কাতারে সফর করে। সেই লোকের ছাত্ররা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। যাদের অনেকে আগেও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে গ্রেফতার হয়েছিলো। সেই লোকের সন্ত্রাসী ছাত্ররা কেউ কেউ মালেশিয়াতে পড়াশুনার নামে হিযবুতের কাজ করতো।

হিযবুত তাহরীর একটি লোকদেখানো খেলাফতী দল। কিন্তু আদতে এরা তালেবান আল কায়েদা আইএস এদের বড় ভাই। হিযবুত তাহরীরকে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ করার পর এরা বিভিন্ন নামে উপনামে গুপ্ত সন্ত্রাসী কাজে জড়িয়ে পড়ে।

তবে সবচে বড়ো কথা হিযবুত তাহরীরকে দেশেবিদেশে গোপনে লালন পালন করে সিআইএ মোসাদ এবং ভারতীয় রএর গোয়েন্দারা। তাদের ইশারা ইঙ্গিত প্রশিক্ষন তথ্য অস্ত্রগোলাবারুদ সরবরাহের মাধ্যমে এই হিযবুত তাহরীর কোথাও জেএমবি, কোথাও আল কায়েদা, কোথাও আইএস,কোথাও বোকো হারাম ইত্যাদী নামে তাদের অপারেশন সম্পন্ন করে থাকে।
শুনতে কষ্টকর হলেও এটাই সত্যি যে এই সকল উগ্রপন্থী সন্ত্রাসীরাই হচ্ছে ওহাবী সালাফী, লা মাযহাবী গং। এরাই কট্টরপন্থী বিকৃত রুচির ব্রেইনওয়াশ হয়ে যাওয়া অপশিক্ষিত একদল যুবক। এরাই সারাদিন নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার শান মানের বিরোধীতা করবে, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার খাস সুন্নত মাযার শরীফ জিয়ারত কে শিরিক বলবে, পবিত্র শবে মেরাজ, শবে বরাত পালন বিদয়াত বলবে, তারাবীহর নামাজ ৮ রাকাত বলবে ইত্যাদি ইত্যাদি....।

এরা চরমভাবে ব্রেইনওয়াশের শিকার। ইহুদীরা এদের ব্রেইন কে এমনভাবে ওয়াশ করেছে যে এদের পক্ষে সত্য মিথ্যা পার্থক্য বোঝা অসম্ভব। ইসলাম কায়েমের নামে নির্বিচারে গনহত্যা করাই এদের শেখানো হচ্ছে। এদের মাধ্যমে পৃথিবীবাসীর কাছে মুসলমানদের সন্ত্রাসী হিসাবে ট্যাগ খাওয়ানো হচ্ছে।

এসব সালাফীদের ব্যাপারে সাবধান। আইন শৃঙ্খলা বাহীনির উচিত এখনি ব্যবস্থা নেয়া। অভিভাবকদের উচিত সন্তানের আক্বীদার খোঁজ খবর রাখা সে কি সুন্নি আক্বিদায় আছে? নাকি ভ্রান্ত সালাফি, লা মাজহাবি আক্বিদায় নিজেকে দাখিল করে ফেলেছে। বাংলাদেশ থেকে সালাফীবাদ নির্মূল করতে না পারলে এসব ঘটনা বন্ধ হবে না। যখন থেকে সালাফী, লা মাযহাবীরা বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিলো তখন থেকেই জেএমবি, বাংলা ভাই ইত্যাদির হাঙ্গামা শুরু হলো। আল্লাহ পাক এদের হেদায়েত করুন।


আর আপনারা নিশ্চয় অবগত হয়েই গেছেন যে গুলশান ট্রাজেডিতে মারা যাওয়া সন্ত্রাসীদের মধ্যে ২ জন ছিলো সালাফি ইমাম ডাঃ জাঁকির নায়েকের অনুসারী যদি না জেনে থাকেন তাহলে পড়তে পারেন এইটাঃ গুলশানেরসন্ত্রাসী হামলার দুই সন্ত্রাসীই ডাঃ জাকির নায়েকের কট্টর অনুসারী ছিলো


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: