7.07.2016

সালাফি মতবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন আই এস এর অর্থের যোগানদাতা কে?

সন্ত্রাসী সংগঠন সালাফি মতবাদী আই এস এর অর্থের যোগানদাতা কে?
সন্ত্রাসী সংগঠন সালাফি মতবাদী আই এস এর অর্থের যোগানদাতা কে?
২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন হামলার সময় সর্বপ্রথম গঠিত হয়েছিল 'আইএসআইএল' গ্রুপঃ তখন গ্রুপটির নাম ছিল ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক।২০০৬ সালের ১৫ অক্টোবর বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর 'আইএসআই'-এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের কথা ঘোষণা করা হয় এবং আবু ওমর আল বাগদাদি গ্রুপটির নেতা বলে জানানো হয়। ২০১০ সালের ১৯ এপ্রিল আবু ওমর নিহত হলে আবু বকর আল বাগদাদি এই সন্ত্রাসী গ্রুপটির নতুন প্রধান হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে গ্রুপটির বিস্তার শুরু হয় 

এখন প্রশ্ন হলো হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা আই এস এর অর্থনীতির ভিত কি? এত গাড়ি, অস্ত্র, পোষাক তারা পেলো কি করে? কি করে মাসে ১০০০-১৫০০ ডলার ভাতা পায়? গাড়ি তো তারা নিজে বানায়ানি, অস্ত্রাগার ও তাদের নাই। তাহলে এসব দিলো কে? টাকা, বাড়ি, গাড়ি, অস্ত্র তারাই দিচ্ছে যারা ইসলাম ও মুসলমানকে ধ্বংস করতে ওহাবী-সালাফীপন্থী উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আই এস সৃষ্টি করেছে। আর কে না জানে ওহাবী-সালাফীপন্থীদের মুল হল সউদি ওহাবী সরকার। আর সউদী ওহাবী সরকারের সাথে রয়েছে সন্ত্রাসী আমেরিকার গভীর সম্পর্ক। সত্যকে চাপা দিয়ে রাখা যায়না। বাতিল মতবাদ আই এস সন্ত্রাসীদের আমেরিকার মাধ্যমে অর্থায়ন করছে ওহাবীরা।

আমার কথা আপনার ভালো না লাগলে আমার কিছু করার নাই কিন্তু প্রমাণ দেখুনঃ-

১. আমেরিকাই আইএসআইএল'র অর্থ যোগানদাতা! http://goo.gl/ztVaMS
২. আইএসকে অর্থ দেয় ৪০টি দেশ : পুতিন - http://goo.gl/kQjJXf
৩. আমেরিকা অস্ত্র , গাড়ি ও টাকা দেয় - http://goo.gl/1ndduR
৪. বিমান থেকে আইএসআইএলের জন্য অস্ত্র ফেলল আমেরিকা! http://goo.gl/8enrNE

এখন কথা হলো আমেরিকা কেন আই এসকে অর্থায়ন করছে?
১. মুসলিম দেশ ও মুসলমানদের ধ্বংস করা
২. প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ দখল করে সম্পদ লুট করা ।
৩. অস্ত্র বিক্রি করা।
৪. মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের অবস্থান পোক্ত করা এবং ইসরাইলের সীমানা বাড়ানো।
৫. বাতিল ওহাবী মতবাদ প্রসার ও সুন্নী মুসলমানকে শহীদ করা। http://goo.gl/CvyiHG

এখন কথা হলো আমেরিকাকে অর্থায়ন করছে কে? যে ফকির আমেরিকার নিজের পেট চালানো দায় তারা টাকা পায় কোথা থেকে? যেখানে আমেরিকার কোটি কোটি লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করছে http://goo.gl/omT9Ss, ২৩ ভাগ শিশু দারিদ্র সীমার নীচে, http://goo.gl/pU8ebz , http://goo.gl/x073, ঋণের দায়ে জর্জরিত আমেরিকা, যার পরিমাণ ১৬ ট্রিলিয়ন ডলার http://goo.gl/YghAIK। সেখানে এত টাকা পায় কোথায়?

তাহলে সন্ত্রাসী ওহাবীসালাফী গোষ্ঠির অর্থায়নের মুল উৎস কে? কে সেই কালপ্রিট? মুল কালপ্রিট হলো সউদি ওহাবী ইহুদী সরকার। যাদের সহযোগী হল কুয়েত, কাতার। যার প্রমান-
১. সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস এর অর্থের যোগানদাতা - http://goo.gl/NZQhTC
২. আই এস সউদি আরব, কাতার, কুয়েত থেকে ফান্ড পাচ্ছে -http://goo.gl/9RqTnb, http://goo.gl/pdwRJj

আপনারা জানেন যে বর্তমানে অস্ত্র ব্যবসা অন্যতম ব্যবসা। অস্ত্রের প্রায় ৩০ ভাগ নিয়ন্ত্রন করে আমেরিকা। আই এস এর মত সন্ত্রাসী গোষ্ঠি সৃষ্টি একদিকে তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে, আবার যে দেশে আক্রমন করে তাদের কাছেও বিক্রি করে। ফুলেফেপে ওঠে অস্ত্রব্যবসায়ীদের একাউন্ট। মধ্যপ্রাচ্যে এসকল সন্ত্রাসী দল তৈরি করে তারা সউদি ওহাবী সরকারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দালাল শাসকদের দেশের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে অস্ত্র কিনতে প্ররোচিত করে । যার প্রমান-
১. বিনা কারনে ইয়েমেনে আক্রমন করার পর সউদি ওহাবী সরকার বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করেছে- http://goo.gl/AWKR5r
২. ২৪ জুন ২০১৫ ফ্রান্সের সাথে ১.২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করেছে সউদি ওহাবী সরকার- http://goo.gl/QC5yWz
৩. আমেরিকার অস্ত্রে আরব বিশ্বে ভাতৃঘাতী যুদ্ধ http://goo.gl/LolWcq
৪. সিরিয়ার সন্ত্রাসীদেরকে অস্ত্র দিতে মার্কিন বিমান সউদী আরবে - http://goo.gl/SzwZRi

প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক সউদি ওহাবী সরকার কেন এমন করছে? কারন এরা মুসলমান নামধারী ইহুদি। যাদের পুর্বপুরুষ ছিল ইহুদী http://goo.gl/0wau5D। আমেরিকা-ইসরাইলের প্রভুভক্ত কুকুর সউদি আরব মুসলমান নামে কাফিরদের দালাল- http://goo.gl/A6c8yq। যার কারনে দেখা যায় ওহাবীরা ইয়েমেনে আক্রমন করলেও আজ পর্যন্ত ইসরাইলের একটি পশম ও স্পর্শ করেনি, এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলেওনা । উলটো
১. সউদি যুবরাজের ইসরাইলকে সমর্থন- http://goo.gl/GSRslM
২. সৌদি-ইসরাইল গোপন চুক্তিঃ অস্ত্র পাবে সিরিয় বিদ্রোহীরাঃ রাসায়নিক হামলা তদন্তে সিরিয়া-জাতিসংঘ চুক্তি http://goo.gl/oG7kNQ
৩. ইসরায়েল-সৌদি মৈত্রী! http://goo.gl/T2IPEy
৪. সিরিয়ায় পশ্চিমা আগ্রাসনের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে সৌদি গোয়েন্দাপ্রধান । সিরীয়া আল-কায়েদার সাথে সিআইএ ও সউদী কর্মকর্তাদের বৈঠক http://goo.gl/oQxPhC


মুলত এত্তসব আয়োজনের একটাই কারনঃ– ইহুদীবাদ ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা । পৃথিবীতে যতদিন অভিশপ্ত ইহুদী জাতি থাকবে ততদিন দুনিয়ার বুকে অশান্তি চলতেই থাকবে। ইহুদি জাতি মুসলমানদের প্রকাশ্য শত্রু যা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আল কোরাআনের ৮২ নং আয়াত শরীফে বলে দেওয়ার পরেও যখন মুসলমান বুঝতেছেনা তাহলে আর কি বলার আছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: