7.04.2016

আজ থেকে কিছুদিন পর বাংলাদেশের যে অবস্থা হতে চলেছে তা ভিডিওতে দেখুন

ভিডিওটা ভালো করে দেখে রাখুন, দৃশ্যটি সিরিয়ার। কয়েকদিন পর বাংলাদেশেরও নিশ্চিত এ অবস্থা হতে চলেছে। সম্প্রতি গুলশানে কথিত সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটিয়ে পশ্চিমা ও ভারতীয় মিলিত শক্তি বাংলাদেশে আগ্রাসানের পায়তারা খুজছে। আইএসআছে এ অজুহাতে ঢুকতে চাইছে বাংলাদেশে, বাংলাদেশকে পরিণত করতে চাইছে সিরিয়ার মত ধ্বংস্তুপে। ঘটনা কিন্তু অনেকদূর এগিয়ে গেছে, বাংলাদেশ সিরিয়া হতে এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।


অথচ বাংলার মানুষ ঘুমিয়ে আছে! এদের অধিকাংশের ধারনাই নাই যে কি পরিমাণ বিপদ আর চরম ভয়ানক আর করুন পরিস্থিতি মুসলমানদের জন্যে অপেক্ষা করছে, এরা কেউ ব্যস্ত হিন্দি ফিল্ম নিয়ে, কেউ ব্যস্ত হিন্দি সিরিয়াল নিয়ে, কেউ ব্যস্ত ক্রিকেট ফুটবল নিয়ে, এই দেশের অধিকাংশ যুবক সম্প্রদায় খেলাধুলায় এমন মত্ত হয়েছে যে এদেশে মসজিদ থেকে মুসল্লিদের অস্ত্রের মুখে বের করে দিলেও তাদের কোনো মাথাব্যথা নাই কিন্তু সামান্য দেড় পয়সার এক ফুটবল প্লেয়ার মেসি বা রোনালদো পদত্যাগ করলে এদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়, ফেসবুকের ওয়ালে আর চায়ের আড্ডায় শোনা যায় তাদের করুন আর্তনাদ অথচ ইসলাম চলে যাচ্ছে দেশ চলে যাচ্ছে বিদেশি শকুনদের হাতে যারে ১৯৭১ থেকে মুখিয়ে আছে এই দেশ কে কিভাবে লুটেপুটে খাওয়া যায় কিভাবে গলদঃকরন করা যায় এই দেশের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের প্রাকৃতিক সম্পদ আর রিজার্ভের অর্থ।

অধিকাংশ মানুষ জানেনা দেশে কি ঘটেছে বা কি ঘটতে যাচ্ছে যা নিম্নের আলোচনার দিকে লক্ষপাত করলে হয়তো কিছুটা অনুমান করা যাবে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে আইএস আছে, এটা প্রচার করতে পারলে কাদের লাভ?
উত্তরঃ খুব সোজা- আমেরিকা ও ভারতের। উদাহরণ স্বরূপ ইন্দ্রজিৎ দত্তের স্ট্যাটাসটা দেখুন।

সে বলছে- ২ প্লাটুন ভারতীয় বাহিনীকে কলকাতায় স্ট্যানবাই রাখা হয়েছে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য। এছাড়া ভারতীয় সেনা ও বিমান বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বাংলাদেশে যে কোন ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। একইসাথে ভারত দাবি করছে- হামলাকারীরা হচ্ছে আইএস সুইসাইড বোম্বার।

অপরদিকে সিএনএন বলেছে, ‘বাংলাদেশে আইএস দমনে এখন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। (http://goo.gl/qt4UuA)

অর্থাৎ ভারত-আমেরিকা মুখিয়ে আছে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য। অার তাদের সেই হস্তক্ষেপের জন্য মোক্ষম ইস্যু হচ্ছে বাংলাদেশে কথিত আইএসর অবস্থান করছে সেটা প্রমাণ করা। তাই এখন যারা অনলাইনে আইএসর প্রচার করছে তারা কিন্তু সিআইএ ও রএর প্রজেক্ট সফল করতেই কাজ করছেন। বিশেষ করে ইমরান এইচ সরকারসহ আরো কয়েকটি পেইজে দেখলাম বাংলাদেশে আইএসর খোজ লাগিয়েছে। এটা ভালো কোন কাজ হয়নি।

সিআইএ ও তার কাজ বাংলাদেশে চালিয়ে যাচ্ছে। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, হিলারীর বন্ধু ডঃ ইউনুসের ভৃত্য রাশিদুল বারী প্রে ফর বাংলাদেশপ্ল্যাকার্ড নিয়ে দাড়িয়ে আছে। ভিডিওটা অন করলে শুনবেন সে কান্নাকাটি করছে আর বলছে মুসলিমরা আল্লাহু আকবার বলে হামলা চালিয়েছে। (https://goo.gl/pWVXXA)

যাই হোক, ‘প্রে ফর বাংলাদেশপ্রচার করাটাও যে সিআইএ এজেন্টদের কাজ এটাও প্রমাণিত হয় এ ছবি দ্বারা। তাই সিআইএ যেদিকে নিতে চাইছে, বোকা বাঙালীরা সে দিকে দয়া করে আর যাইয়েন না। এর মাশুল কিন্তু ইরাক-সিরিয়ার মত কড়ায় গন্ডায় আপনাকেই দিতে হবে।

গুলশানের হামলার পর আমেরিকা বলছেঃ- সে কনফার্ম না বাংলাদেশে আইএস হামলা করেছে কি না (http://goo.gl/7zVEAH)। আসলে এটা আমেরিকার বিনয়। সে এতদিন বলতো- বাংলাদেশে আইএস আছে কিন্তু বাঙালীরা তা মানতে চাইতো না। কিন্তু এইবার সে বোকা বাঙালীদের এমন ফাদে ফেলেছে যে তারা নিজেরাই প্রচার করছে আইএস পাইছি’,, ‘আইএস পাইছি

তাই আমেরিকা বিনয় করে বলছে- আমি কনফার্ম না, তুমি বলো কনফার্ম নাকি ?”
তখন বোকা বাঙালী বলছে- হ্যা হ্যা অবশ্যই কনফার্ম, আমরা ফেসবুকে ছবি মিলাইছি।
তখন আমেরিকা বলছেঃ- নিজ মুখে স্বীকার করলে তো? ঠিক আছে, এবার তবে আমি আসতেছি।

আর আমেরিকা যে দেশে একবার হাত দিয়েছে তা কি আপনাদের অজানা? কারো অজানা থাকলে অবশ্যই বলবেন আপনাকে ব্যখা করে বুঝিয়ে দেবো। সবাইকে ধন্যবাদ।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: