7.02.2016

বাংলাদেশে যেকোন ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশী নিরাপত্তা বাহিনী-ই যথেষ্ট, ভারত ও আমেরিকার মাথা ঘামানোর প্রয়জন নাই

বাংলাদেশে যেকোন ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশী নিরাপত্তা বাহিনী-ই যথেষ্টভারত ও আমেরিকার মাথা ঘামানোর প্রয়জন নাই।


বিডিআর বিদ্রোহের সময় লাইভ দেখাচ্ছিলো মুন্নীসাহা। মুন্নীসাহার লাইভ দেখানোর ফলে বিডিআর বিদ্রোহের গরম পুরো দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশের সব ক্যাম্পে সেনাবাহিনী ও বিডিআরদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। মুন্নীসাহার অপকর্মের কারণে কয়েকটি সীমান্ত এলাকা বিডিআর-আর্মি সংঘাত শুরুও হয়ে যায়। এত বড় অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার পরও মুন্নী সাহার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেনো তা আজো অজানা।

গতকালকেও একই ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ মানুষ ভাবছেঃ- আহারে মিডিয়া কর্মীরা কত কষ্ট করছে। কিন্তু এদের উদ্দেশ্য যে রাষ্ট্রবিরোধী তা সাধারণ মানুষ অনুধাবন করতে পারে নাই যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়াই ছিলো এইসব চিহ্নিত কয়েকটি দালাল মিডিয়ার মূল লক্ষ্য। এটা একটা মনোস্তাত্ত্বিক বিষয়, পুরোটাই উদ্দেশ্যমূলক এবং হামলাকারীদের সাথে মিডিয়ার সম্পর্ক থাকাটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। বাংলাদেশে আইএস আছে এবং খুবই শক্তিশালী অবস্থানেএই মেসেজটা প্রচার করাই ছিলো গতকালকে হামলার মূল উদ্দেশ্য, এবং কয়েকটি চ্যানেল তা সফলভাবে প্রচার করে দিয়েছে, যা সত্যিই সন্দেহের বিষয়।

যে সব মিডিয়া লাইভ সম্প্রচার করেছে এবং যে সব মিডিয়া ও ব্যক্তি এখনও প্রচার করে যাচ্ছে বাংলাদেশে আইএস আছে, গতকালকের ঘটনার সাথে তাদের জড়িত থাকার সম্ভবনা অত্যধিক। বিদেশী শক্তি কে ডেকে এনে বাংলাদেশকে ইরাক-সিরিয়া-আফগানিস্থান বানানো এদের আলটিমেট লক্ষ্য। তাই আমার মনে হয়, শুধু সন্ত্রাস দমন করলেই হবে না, সন্ত্রাসবাদীদের মেসেজ প্রচারকারী এ সকল মিডিয়াকেও আইনেরও আওতায় আনতে হবে। তাদের লাইলেন্স বাতিল করতে হবে।

একই সাথে ইউরোপ-আমেরিকা বা ইন্ডিয়ার হামলা সমূহের সাথে তুলনা করলে গতকালকে বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খুবই সামান্য হয়েছে এবং খুব কম সময়ের ভেতর বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। তাই অযথা ভীতি প্রচারের কোনো কারণ নাই। বাংলাদেশে যে কোন ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশী নিরাপত্তা বাহিনী-ই যথেষ্ট, ভারত কিংবা আমেরিকার এখানে মাথা ঘামানোর কোন কারণই থাকতে পারে না। কারন ভাতর আর আমেরিকা নিজেরাই সন্ত্রাসী এবং নিজেদের দেশের সন্ত্রাস নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করতে এখনো ব্যর্থ।

যেমনঃ পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটে আমেরিকাতে প্রমাণস্বরূপ আমি দুটি তথ্য দিচ্ছি যাচাই করে দেখুনঃ-

১) ২০১৩ সালের হিসেবে অনুযায়ী, সারা বিশ্বে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে হতাহত হয় ১৩,১৮৬ জন, অথচ ঐ একই বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মারা যায় ৩১,৬৭২ জন। অর্থাৎ পৃথিবীর সন্ত্রাসীকাণ্ডে মোট নিহতের আড়াই গুন বেশি হত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, দৈনিক মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮৬ জন !(http://goo.gl/G5Zg5B)

২) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৫ শতাংশ। কিন্তু গত ৫০ বছরে সারাবিশ্বে যত বন্দুকবাজির ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। (http://goo.gl/rB8OT3)

উপরের দুটি তথ্য বিশ্লেষণ করলে এটা নিশ্চিত, পৃথিবীতে সন্ত্রাসের পূণ্যভূমি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাই সন্ত্রাসী দমন করতে সবার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই যাওয়া উচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশে আসা উচিত নয়।
#No_ISIS_in_BAngladesh
#USA_India_Oil_Your_Own_Machine


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: