7.13.2016

ইতালীর শীর্ষ ৯ গার্মেন্টস বায়ারকে কৌশলে হত্যা করিয়ে কার ফায়দা হলো? কারা দেশে গৃহযুদ্ধ লাগাতে চাচ্ছে?

ইতালীর শীর্ষ ৯ গার্মেন্টস বায়ারকে কৌশলে হত্যা করিয়ে কার ফায়দা হলো? কারা দেশে গৃহযুদ্ধ লাগাতে চাচ্ছে?
২০০৮-২০০৯ সালে শ্রীলংকায় তালিম টাইগারদের সাথে যে গৃহযুদ্ধ সংগঠিত হয়, অধিকাংশ বিশ্লেষকের মতামত হচ্ছে এর পেছনে মূল কারণ ছিলো ভারত। ভারত প্রায় পাগলা কুকুর হয়ে যায় শ্রীলংকার বৃদ্ধি পাওয়া গার্মেন্টস তথা পোষাক শিল্প কে দেখে তাই শ্রীলংকার পোশাক শিল্পকে ধ্বংস করতেই তারা তাদের গুপ্তচর দিয়ে তামিল টাইগারদের উস্কে দিয়ে এ যুদ্ধ সংগঠিত করে। এতে ভারত অবশ্য আংশিক সফল হয় এবং শ্রীলংকার পোষাক শিল্প অনেকটাই ধ্বংষ হয়ে যায়। কিন্তু ভারতের দুর্ভাগ্য যে সেই মার্কেটটা ভারত পাওয়ার বদলে পেয়ে যায় বাংলাদেশ নামক সোনার দেশটি

উল্লেখ্য ভারতের সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ ভাবে শিল্পজোন তৈরীর কাজ চলছে। ইতিমধ্যে গুজরাটে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর এলাকা জুড়ে নির্মিত হয়েছে ৫৫টি স্পেশাল ইকোনোমিক জোন। এর মধ্যে ১৪% অর্থাৎ ৪২০০ হেক্টর এলাকা জুড়ে নির্মিত হয়েছে গার্মেন্টস কারখানা (Surat Apparel Park SEZ, Ahmedabad Apparel Park SEZ, Pradip Overseas Ltd, Jindal Worldwide Limited)। কিন্তু এত বড় গার্মেন্টস জোন তৈরী হলেও দুঃখের বিষয় এ অঞ্চলে বাংলাদেশের একচেটিয়া অধিপত্যের কারণে ভারতে কাজ যাচ্ছে না। ফলে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রকে এগোতে হচ্ছে ভিন্ন পথে।

আপনারা যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন যে সম্প্রতি বাংলাদেশে গুলশান হত্যাকাণ্ডের জন্য যতগুলোর কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে তার মধ্যে শীর্ষে ছিলো আন্তর্জাতিক পোষাক বায়ারদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে গুজরাটে স্পেশাল ইকোনোমিক জোনের দিকে আকৃষ্ট করা। যার দরুণ বলি হতে হয়েছে ইতালীর শীর্ষ ৯ গার্মেন্টস বায়ারকে।

যে ভারত নিজ দেশে গার্মেন্টস শিল্প উন্নয়নের জন্য শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধ বাধাতে পারে, সেই একই কারণে বাংলাদেশে যুদ্ধ বাধাবে না, এটার গ্যারান্টি কে দেবে? আপনাদের মতামত কি? আপনি কি মনে করেন ??


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: