7.04.2016

মোসাদ এজেন্ট কাজী আজিজুল হক থেকে সাবধান থাকুন দেশপ্রেমিক মুসলমানরা

মোসাদ এজেন্ট কাজী আজিজুল হক থেকে সাবধান থাকুন মুসলমান দেশপ্রেমিক রা
মোসাদ এজেন্ট কাজী আজিজুল হক থেকে সাবধান থাকুন মুসলমান দেশপ্রেমিক রা
উপরের ছবিতে যে হুজুর লোকটার ছবি দেখতে পাচ্ছেন তার নাম কাজী আজিজুল হক। সে বাংলাদেশে একটি ইসলামীক দলের আন্তর্জাতিক বিষয় সম্পাদক। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেনঃ- কাজী আজিজুলের হকের এক পাশে বসে রয়েছে বাংলাদেশের মোসাদ এজেন্ট শিপন কুমার বসু এবং অন্যপাশে কলকাতার মোসাদ এজেন্ট বিবেক দেব। কিছুদিন আগে ইসরাইলের মেন্দি এন সাফাদির সাথে মিটিং নিয়ে গোয়েন্দাদের খাতায় যে কয়জনের নাম এসছিলো তার মধ্যে এই কাজী আজিজুল হকেরও নাম ছিলো, যা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয় (http://goo.gl/y6KTFD) আর্কাইভ (http://archive.is/D0BDT) 

উল্লেখ্য ২০০৯ সালে মার্কিন ইহুদী রিচার্ড বেনকিন যখন বাংলাদেশে আসে তখন এই কাজী আজিজুল হক তার সাথে দেখা করতে যায়, যা রিচার্ড বেনকিনের ফেসবুক পেইজেই আছে (https://goo.gl/uVJvsH) আর্কাইভ (http://archive.is/WMvQn)।

যাই হোক, এই ছবি দেওয়া উদ্দেশ্য কাউকে আঘাত করা নয়, বরং আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সচেতন করা। মুসলমানদের অন্তত এই ধারণা থেকে সরে আসতে হবে যে- শুধু দেখতে ভালো হলেই সে ভালো নয়। বরং মুসলমানদের মধ্যে অমুসলিমদের এজেন্ট ঢুকে থাকতে পারে। যেমন সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনী পড়লে দেখা যায়, ঐ সময় অনেক অমুসলিম মুসলিম বেশে মুসলমানদের মধ্যে প্রবেশ করে মুসলমানদের ক্ষতি করছিলো। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে এক ইমাম ধরা পড়ে, যে ছিলো মূলত শিখ ধর্মাবলম্বী। কিন্তু মুসলিম বেশে ক্যান্টনমেন্টে ১৮ বছর যাবত ইমামতি করছিলো শুধুমাত্র ভারতের হয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য। 

আসলে কাজী আজিজুল হকের ছবি প্রকাশ করে আমি কোন দলকে দোষারোপ করতে চাইছিনা না। কারণ যেকোন দলেরই (সেটা রাজনৈতিক হোক কিংবা ধর্মীয় হোক) সবাই খারাপ হয় না। তবে কিছু কিছু ছদ্মবেশী বিদেশী এজেন্ট দলে ঢুকে যেতে পারে, যেটা হয়ত অন্য সদস্যরা জানেও না।


এ লেখা থেকে এটাও শিক্ষা খিলাফত বা জঙ্গী নাম দিয়ে কাজ করলে, মুসলমান পরিচয় দিলেই যে সবাই ভালো হবে এমনটাও না, সেখানে বিদেশী এজেন্ট থাকলেও থাকতে পারে।

যেমন গুলশানে সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছে। কেউ কেউ মুসলমানদের দায়ী করছে। কিন্তু বাস্তবে কে দায়ী- সেটা বোঝার জন্য দরকার, পুরো ঘটনায় কে লাভবান হচ্ছে সেটা বোঝা। যদি দেখেন মূল ঘটনার জন্য ভারত-আমেরিকা লাভবান হচ্ছে, তাদের বাংলাদেশে আগ্রাসনের অজুহাত হালাল হচ্ছে, তবে বুঝতে হবে তারাই ঘটনা ঘটিয়েছে, সেটা যে মুসলিম নামধারীদের দ্বারাই ঘটুক না কেন, পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে তারা এবং ফায়দাও নিচ্ছে তারা। যার কারণে আলটিমেট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মুসলমানরা।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: