8.18.2016

রাগীব আলী ইস্যুতে প্রথম থেকে জনগণকে মিসগাইড করেছে যমুনা টিভি ও যুগান্তর পত্রিকা কিন্তু কেনো ?

রাগীব আলী ইস্যুতে প্রথম থেকে জনগণকে মিসগাইড করেছে যমুনা টিভি ও যুগান্তর পত্রিকা। যমুনা গ্রুপ তথা বাবুলের এ দুটো মিডিয়া নানান ভাবে রাগীব আলীর বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা রচনা করেঃ যমুনা টিভিতে ধারাবাহিকভাবে রাগীব আলীর বিরুদ্ধে নিউজ করতো। এছাড়া তাদের একটি অনুষ্ঠান ইনভেস্টিগেশন ৩৬০ ডিগ্রিতে রাগীব আলীর বিরুদ্ধে একপেশে অনুষ্ঠান তৈরী করে। যমুনা টিভি বিষয়টি নিয়ে এতই উঠে পড়ে লাগে যে তারা ভারতে গিয়ে পঙ্কজের গুপ্তের সাথে দেখা পর্যন্ত করে আসে, যেখানে পঙ্কজ বলে- সে নাকি দলিলে সাইন করেনি, সব নাকি জালিয়াতী

(রাগীব আলীর বিরুদ্ধে যমুনা টিভির ধারাবাহিক রিপোর্ট ও অনুষ্ঠানগুলো পাবেন ইউটিউবে, যা ২০১৪ ও ২০১৫তে আপলোড করা হয়-
ক) https://youtu.be/UFOJEWGhi_4
খ) https://youtu.be/xXbI6ZVNprY
গ) https://youtu.be/klpQ_7rdZR4
ঘ) https://youtu.be/okH546s7Wis
ঙ) https://youtu.be/hvKfwQkdlVA)

উল্লেখ্য অনেকেই যমুনা টিভি ও যুগান্তর পত্রিকাকে বাবুল ও সালমার লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে চিনে। কোন ব্যাংক যদি বাবুলকে লোন দিতে না চায় তবে ঐ কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা টাইপের নিউজ শুরু করে দেয় যমুনা টিভি ও যুগান্তর পত্রিকা।

১ বছর আগে ঢাকা মেডিকেলের ডা মীমের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই।

ডা মীম ঐ নারী ডাক্তার নাকি সালাম ইসলামকে ডাক্তারদের চেয়ার থেকে উঠতে বলেছিলেন। কেন ঐ ডাক্তার সালমাকে উঠতে বললেন এই নিয়ে যুগান্তরের শুরু হয় ধারাবাহিক হলুদ সাংবাদিকতা। মীমের ব্যক্তিগত ও পরিবার নিয়ে কুঃসিত সব রিপোর্ট আসতে থাকে দৈনিক যুগান্তর ও যমুনাটিভিতে। রিপোর্ট এমনও ছিলো- ডা মীমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ তার শ্বশুর বাড়ি।এ নিকৃষ্ট সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশের ডাক্তাররা একযোগ হয়ে আন্দোলন করে। প্রত্যেক জেলায় জেলায় আন্দোলন হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন আন্দোলনও করে। কিন্তু তারপরেও সহজে থামেনি যুগান্তর ও যমুনা টিভির হলুদ সাংবাদিকতা।
(দেখতে পারেন-
ক) http://goo.gl/73WbJl
খ) http://goo.gl/Tpi3vg
গ) http://goo.gl/7NfzHf
ঘ) http://goo.gl/Y4RITk)

বলাবাহুল্য যমুনা গ্রুপের বাবুল ও সালমা নিজেরাই বহুবিদ দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত। হান্টার নামক মদ বিক্রি করে যুব সমাজের হাতে হাতে মদ পৌছে দিয়েছে এই যমুনা গ্রুপের বাবুলই।

মসজিদ ও কবরস্থান ভেঙ্গে বানিয়েছে যমুনা ফিউচার পার্ক, যেখানে রয়েছ মদের দোকান (http://goo.gl/d94rTY)

একটি কথা ভাবতে হবে-
বাংলাদেশে অনেক জমি আছে আছে যেগুলোর দলিলে সমস্যা আছে। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে শুধু রাগীব আলীর পেছনে কেন লাগলো যমুনা টিভি ও যুগান্তর পত্রিকা, সেটা চিন্তা করার দরকার আছে। রাগীব আলী সরে গেলে ঐ চাগান নিয়ে বাবুলের ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানার দরকার আছে।

যাই হোক সর্বশেষ শুধু এটা বলতে চাই-

বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় মিডিয়াগুলো জনগণের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। উদ্দেশ্যমূলক নিউজ করে, হলুদ সাংবাদিকতা করে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে দিয়ে মানুষকে মিসগাইড করেছে। এটা ঠিক সিলেটী জনগণের ভুল হয়েছে। যে রাগীব আলী তাদের জন্য এতকিছু করলো, সামান্য যমুনা টিভির নিউজে তারা রাগীব আলীকে দানববলে ডাকলো, তাদের বিশ্বাস এতটাই নড়বড়ে !! সত্যিই অদ্ভূত।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: