9.23.2016

দেবির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে একসময় সর্বাঙ্গে শিহরণ হল বর্তুল দুটি স্তন - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়



অনেকে যে বলে পূজাতে নোংরামি ব্যতিত কুছুই নাই এমনকি লুচ্চামির আসল যায়গা মূর্তিপূজার আসরগুলো তা কি এমনি এমনি বলে? না আর এই বিষয়টা বুঝতে নিচের লিখাটি পড়লেই সব ক্লিয়ার হয়ে যায়, যেখানে খোদ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় দুর্গাদেবীর ব্যপারে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছে কোনো মুসলিম কবি/লেখক নয়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ভারতের তথাকথিত জনপ্রিয় লেখক। এই হিন্দু লেখকও তার যৌন অভিজ্ঞতা লাভ করেছে হিন্দু প্রতিমার মাধ্যমে। আর ভারতের মতো কট্টর হিন্দুবাদী রাষ্ট্রের লেখক হয়েও সুনীল সেটা অবলীলায় প্রকাশও করেছে। 

আসুন সুনীলের লেখনি থেকেই দেখা যাক প্রতিমার প্রতি তার অনুভূতিঃ প্রতিমার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে একসময় সর্বাঙ্গে শিহরণ হল। কী অপূর্ব সুন্দর মুখ এই শ্বেতবসনা রমনীর! আয়ত চক্ষু, স্ফুরিত ওষ্ঠ, ভরাট, বর্তুল দুটি স্তন। সরু কোমর, প্রশস্ত উরুদ্বয়। হয়তো এভাবে আলাদা করেও দেখিনি, সব মিলিয়ে এক শিল্প সৃষ্টি, তার অভিঘাতে তছনছ হয়ে যেতে লাগল আমার কৈশোর। জেগে উঠল পুরুষার্থ, অল্প অল্প শীতেও উষ্ণ হয়ে উঠল শরীর। না, আমার অলৌকিক অনুভূতি হয়নি। পিগম্যালিয়ানের মতন সেই মাটির মূর্তিকে জীবন্তও মনে হয়নি। মাটিরই প্রতিমা, একটি নারী, পরিপূর্ণ নারী। চোরের মতন সতর্কভাবে একবার এদিকওদিক তাকিয়ে হাত রাখলাম দেবী মূর্তির বুকে। জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচ যুগ শোভিত মুক্তহারে…’ সেই কুচযুগে আমার আঙুল, অামার শরীর আরও রোমাঞ্চিত হল, কান দুটিতে আগুনের আঁচ। আমি প্রতিমার ওষ্ঠে চুম্বন করলাম, আমার জীবনের প্রথম চুম্বন। (তথ্যসূত্রঃ http://bit.ly/2ct6CG7)

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় হয়তো সাহসী ভূমিকা প্রকাশ করেছে। তার অনুভূতি অবলীলায় প্রকাশ করেছে। অসংখ্য অগনিত হিন্দু তরুন, কিশোর, যুবকও প্রতিনিয়ত হিন্দু প্রতিমা দেখে তাদের যৌন বিকৃতির দিকে ধাবিত হয়। হয়তো তারা সুনীলের মত উদার ভাবে প্রকাশ করতে পারে না। যার ফল কিন্তু আমরা দেখতে পাই সারাটা ভারত জুড়ে। পরকীয়া, ধর্ষন, নোংরামী, পর্ণগ্রাফীতে ছেয়ে গেছে গোটা ভারত। আর জন্ম থেকেই এই প্রনোদনা পায় নিজেদের ধর্মের প্রতিমা বা মূর্তির মাধ্যমে।


আর পুজা অনুষ্ঠানে যারা যায় তারাও এসব মূর্তি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চরিত্র হারায়। যৌন বিকৃতির স্বীকার হয়ে সমাজে অনেক অঘটন ঘটায়। সূতরাং বিষয়গুলো নিয়ে ভাবার সময় এখনি। বাংলাদেশে সব পুজা নিষিদ্ধ করা হোক। যুব সমাজের চরিত্র যাতে ধ্বংসের মূখে পতিত না হয় সে বিষয়ে এখুনি ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: