9.02.2016

সিলেটে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের সময় জুম্মার নামাজ বন্ধ রাখা উচিত ছিলো বলছে হিন্দুরা - ভিডিও সহ


সাবেক কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক বলেনঃ মধুশহীদস্থ ইসকনের ভক্তরা নামাজের সময় সহ বিভিন্ন সময়ে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে সেখানে গানবাজনা করে। তাদেরকে পূর্বে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ আযান ও নামাজের সময় গানবাজনা বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু তবুও তারা শুক্রবার জুমুআর নামাজের সময় গানবাজনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নামাজে বাধা সৃষ্টি করে। ঐ সময় স্থানীয় মুসল্লিরা তাদের গানবাজনা বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করলে ইসকন ভক্তরা তাদের জোড় খাটিয়ে মসজিদে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় অনেক মুসল্লিরা আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল সংখ্যক পুলিশ টিআরগ্যাস ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে।

পাল্টাপাল্টি ঢিল ছোড়া ও পুলিশের অভিযানের সময় সাবেক নারী কাউন্সিলর সহ আহত হয়েছেন অন্তত ৭ জন। তাঁদের ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন সাবেক কাউন্সিলর জেবুন্নাহার শিরীন (৫৮), সাজু আক্তার (২৮), বাবুল আহমেদ (৪৩), সাঈদ (২৪), আরিফ (২২), সুমন (১৭) ও রাজেন্দ্র দাশ।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার ফয়সল মাহমুদ জানান, সংঘর্ষ আরো বাড়ার আগেই পুলিশ উপস্থিত হয়ে এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে ইস্কনিদের এবং মুসল্লিদের থামিয়ে দেয়। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে নামাজের সময় গান বাজানোর কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে মন্দিরের গেট বন্ধ ছিলো এবং মুসল্লিরা মন্দিরের কোনো ক্ষতি করেনি। এদিকে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক ও করেছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছে- পুলিশ র‍্যাব এর বিপুল সদস্য এলাকা ঘিরে আছে। ফায়ার হচ্ছে একটু পর পর, আর যাকে পাচ্ছে তাকেই ধরে নিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে হিন্দুরা মুসলমানদের দোষ দিয়ে বলছে- হিন্দুদের অনুষ্ঠানের সময় মুসলমানদের নামাজ বন্ধ রাখা উচিত ছিলো।



সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: