9.03.2016

মানবতা বিরোধী অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাশেমের ফাঁশির আগ মুহূর্তে ভিডিও সহ


হতে পারে আজ মীর কাশেমের ফাঁশি হয়ে যাবেঃ ৭১এর  মানবতা বিরোধী অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ড আজ রাতেই কার্যকর করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু হয়ে গেছে। একটি দায়িত্বশীল সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, এরই মধ্যে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গাজীপুরের কাশিমুপর কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসিসহ সকল গণমাধ্যম। পরিবারের সদস্যদেরকে শেষ সাক্ষাতের জন্য সাড়ে তিনটায় সময় দেয়া হয়েছিল। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার ছয়টি মাইক্রোবাসে করে মীর কাসেমের স্ত্রী, মেয়ে, পুত্রবধূসহ অন্য আত্মীয়-স্বজনরা মোট ৪৫ জন কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছান। তাদের মধ্যে মোট ৩৮ জনকে কাসেমের সঙ্গে দেখা করার জন্যে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়ে বলে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার নাশির আহমেদ আমাদের জানিয়েছেন। 

সব বিচারিক প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তি হওয়ায় কৃতকর্মের জন্যে অনুশোচনা প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়াই ছিল জামায়াতের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত মীর কাসেমের প্রাণ বাঁচানোর শেষ সুযোগ। তিনি সেই সুযোগ নেবেন না বলে শুক্রবার জানিয়ে দিলে কারা কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় সাক্ষাতের সময় দেয়। মীর কাসেম আলীর তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছে যে, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না। ফলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে এখন আর কোন আইনি বাধা নেই।

তবে কখন মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে সেটা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিবিসিকে বলেছেন, “নিয়মানুযায়ী সময় মতোই সব হবে। মীর কাসেম আলীকে কাশিমপুর কারাগারেই রাখা হয়েছে। এখানে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে এটিই হবে কাশিমপুর কারাগারে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যকর হওয়া প্রথম মৃত্যুদণ্ড।


এর আগে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে সবগুলো মৃত্যুদণ্ডই কার্যকর করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, যেটিকে কদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এ উপলক্ষে কারাগার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: