9.11.2016

র‍্যবের দাবি কাশিমপুর কারাগারে হামলার পরিকল্পনা ছিলো সন্ত্রাসী সংগঠন আনসারুল্লাহর


গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে হামলা চালিয়ে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) ভ্রান্ত ধর্মীও মতবাদি সন্ত্রাসী নেতা মুফতি জসীম উদ্দীন রাহমানী নামক জাহেলকে মুক্ত করার পরিকল্পনা করেছিল তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা। এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত এবিটির এক এর দুই সদস্যকে গ্রেফতারের মাধ্যমে পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেয়া হয়েছে।
 
শনিবার দুপুরে র‌্যাব-১ এর কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং-এ র‌্যাবের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
 
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুক্রবার মধ্যরাতে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ওই দুই সন্ত্রাসী নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে কিছু বই ও দুটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- রাশেদুল ইসলাম স্বপন (২৪) ও বিপ্লব হোসেন ওরফে হুজাইফা (৩৩)।
 
তাদের মধ্যে রাশেদুল ইসলাম স্বপন (২৪) এবিটির গাজীপুর জেলার প্রধান সমন্বয়কারী। তাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল কাশিমপুর কারাগারে হামলা চালিয়ে জসীম উদ্দীন রাহমানীকে মুক্ত করা। এজন্য তারা কাশিমপুর এলাকায় কয়েকটি গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। তারা হামলার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।
 
র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান জানান, এবিটির অন্য নেতাদের আদালতে হাজিরা দিতে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় হামলা করে ছিনিয়ে নেয়ার পরিকল্পনাও তাদের ছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে তারা অস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এজন্যে তারা ১০ লাখ টাকাও সংগ্রহ করেছে।
 
মুফতি মাহমুদ খান জানান, তারা একিউআইএসের (আল কায়দা) মতাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্বপন এক সময় পোশাককর্মী ছিল। ২০১৪ সালে রাহমানীর বক্তৃতা ইন্টারনেটে শোনার পর সে আব্দুল কুদ্দুস নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে এবিটির সঙ্গে সে যুক্ত হয়। কুদ্দুসের মাধ্যমে সংগঠনটির ঢাকা বিভাগীয় অন্যতম সমন্বয়ক আব্বাস নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার যোগাযোগ ঘটে।
 
পরে ধীরে ধীরে স্বপন গাজীপুর এবং আশেপাশের এলাকা থেকে কর্মী সংগ্রহ শুরু করে। এক পর্যায়ে সে গাজীপুরের সংগঠকের দায়িত্ব পায়।
 
র‌্যাব জানায়, আদর্শিক নেতা হিসেবে জসিমউদ্দিন রাহমানী ছাড়াও তামিম আল-আদনানির নাম জানা যায়। তামিম আল-আদনানি বর্তমানে মালয়েশিয়াতে অবস্থান করছে। তারা প্রধান কমপক্ষে ১০ লাখ লোককে আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সদস্য করে দেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায়। নাউযুবিল্লাহ।

আমার মন্তব্যঃ হায়রে ইবলিশের পা চাটা গোলাম মূর্খের দল নির্দোষ নিরপরাধ মানুষ কে হত্যা করে খেলাফত প্রতিষ্টা করা কখনই সম্ভব নয় বরং এই পবিত্র আয়াত শরিফের মিসদাক্ব যতক্ষন না হবে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেনঃ পবিত্র কুরআন শরীফ-এ সুরা নুর-এর ৫৫ নং আয়াতে পাকে বলে দিয়েছেন অর্থাৎ "তোমার যখন প্রকৃত ঈমান আনবে বা ঈমানদার হতে পারবে এবং একই সাথে আমলে সালেহ অর্থাৎ সুন্নাহ মুতাবিক নিজেদের আমল আখলাক সুসজ্জিত করতে পারবে তখনি তোমাদেরকে খিলাফত অর্থাৎ শাসন কতৃত্ব দান করা হবে-এটাই মহান আল্লাহ পাক উনার ওয়াদা। সুবহানাল্লাহ! এতএব কি করনীয় নিস্চই বুজতে পেরেছেন? যাজাকাল্লাহুল খাইরান।


এদের না আছে ঈমান না এরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সুন্নাহ মুবারক কে অনুসরন করে তার পরেও এরা আশা করছে খেলাফতের হাও ফানি।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: