9.09.2016

সিলেটে ইসকন কর্তৃক ইমাম হত্যার প্রতিবাদে আজ জুম্মার পর সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

দেশব্যাপী মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বিধান এবং সিলেটের ওসমানীনগরে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার বাদ জুমুয়া সিলেট বন্দরবাজার জামে মসজিদ থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বেরকরে মাদানী কাফেলা বাংলাদেশ। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কোর্টপয়েন্টে পথসভায় মিলিত হয়।

বিক্ষোভে আলোচকগণ জানান- ফেসবুকে ইসকন বিরোধী স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে তাকে খুন করা হতে পারে। এ সপ্তাহ আগে ইসকনের গান বাজনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ২ হাজার মুসলমানদের বিরুদ্ধে মামলার পর ইমাম হত্যায় বোঝা যাচ্ছে একটি সাম্প্রদায়িক গেরুয়া মহল সিলেটে সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাইছে।

মাদানী কাফেলা সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি হাফিজ শিব্বির আহমদ রাজির সভাপতিত্বে ও জাগরন সাংস্কৃতিক দলের পরিচালক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগরীর সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, মাদানী কাফেলার উপদেষ্ট মাওলানা রশীদ আহমদ বিশ্বনাথী, মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, সিলেট জেলার আহবায়ক হাফিজ মাসউদ আজহার।

বক্তারা অবলিম্বে ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান এর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়ে বলেন, দেশ ব্যাপী আলেম উলামা, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে হবে। নিহত ইমামের ফেসবুক আইডি থেকে প্রচারিত পোষ্ট এর জের ধরে খুন হয়েছেন কিনা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানান বক্তারা।

মহানগর ইমাম সমিতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব বলেন, ইমাম হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে খুনীদের ফাঁসি দিতে হবে। অন্যথায় সিলেটের তৌহিদী জনতা ঘরে বসে থাকবে না। তিনি নগরীর কাজল শাহ এলাকায় ইসকন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রায় হাজার হাজার মুসল্লীদের আসামী করে মামলা দায়ের করায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, একটি মহল সিলেটের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে তোলার পায়তারা করছে।

কাফেলার সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন নগরী বলেন, দেশে ইমাম মুয়াজ্জিনদের জান মালের নিরাপত্তা দিতে সরকারকে আইন প্রণয়ন করতে হবে। জাতীয় মসজিদ থেকে সকল ইমাম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ হওয়া উচিত। তিনি অবিলম্বে মাওলানা আব্দুর রহমানের খুনীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমিন আহমদ রাজি, শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়ার শিক্ষক হাফিজ মাওলানা ফয়েজ উদ্দীন, জামেয়া দারুল উলুমের শিক্ষক হাফিজ আব্দুল হাই, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা আবু সুফিয়ান, মাওলানা আব্দুর রহমান, আরিফ রব্বানী, মাওলানা আতিকুর রহমান, দেলওয়ার হোসাইন ইমরান, মইনুল ইসলাম আল মামুন, আব্দুল করিম হেলালী, আকরাম মুহসিন, আব্দুস সালাম, শাখাওয়াত শিকদার, আতিকুর রহমান হাতিমী, রাসেল আল হাদী, আবু মারজান নোমানী, হাফিজ সানাউল্লাহ প্রমুখ।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: