10.31.2016

বি-বাড়িয়ায় কথিত মূর্তি ভাঙ্গার ঘটনার পেছনে মূল দায়ী কি মুসলমান? নাকি অন্য কেউ?

বি-বাড়িয়ায় মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত এবং এর জেরে কথিত মন্দির-মূর্তি ভাঙ্গার ঘটেছে বলে খবরে প্রকাশ হয়েছে কিন্তু কথা হচ্ছে- এই মন্দির-মূর্তি ভাঙ্গার পেছনে দায়ি কে ??

সর্বপ্রথমে বলতে হয়, অন্যায় যে করে আর যে অন্যায় করার পটভূমি তৈরী করে দেয়, উভয়ই সমান অপরাধী বরং ক্ষেত্র বিশেষে অন্যায়ের পটভূমি প্রস্তুতকারী বেশি অপরাধী বি-বাড়িয়ার যে ঘটনা ঘটেছে, তা হচ্ছে মুসলমানদের ক্ষোভের ধারবাহিকতার ফসল গত বেশকিছুদিন যাবত দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের হিন্দুরা ভোল পাল্টে ফেলেছে তারা অনলাইন-অফলাইন উভয় স্থানে প্রতিনিয়ত মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে যাচ্ছে বিশেষ করে গত কয়েকদিনের মধ্যে মৌলভীবাজারে মুসলমানদের শেষ নবী সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে মিল্টন দাস নামক এক হিন্দুর চরম অবমাননা এবং চট্টগ্রামের চন্দশাইলে স্বপন কুমার নামক এক হিন্দু কর্তৃক খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক লিখা কাগজ পা দিয়ে মাড়ানো মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ পূঞ্জিভূত করে রেখেছিলো পাশাপাশি অন্যান্য হিন্দুরা এর জন্য ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা, বরং তারা সারা দেশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছিলো বিশেষ করে চট্টগ্রামের পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা রাজীব চৌধুরী মিল্টন কর্তৃক মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুরুক্ষেত্রের ডাক দিয়ে ঘরে ঘরে অস্ত্র মজুদ করার আহবান জানানো, চট্টগ্রামের হালি শহরে গরু জবাই করলে মুসলমানদের জবাই করার হুমকি, চট্টগ্রামের চান্দগাওয়ে মু্ক্তিযোদ্ধাদের প্রকাশ্যে জবাই করার শ্লোগান দিয়ে হিন্দুদের মিছিল, সব মিলিয়ে মুসলমানদের ক্ষোভ চরমে উঠেছিলো

অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকেও কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছিলো না বিশেষ করে বি-বাড়িয়ার ঘটনায় যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ বাধ ভেঙ্গে রাস্তায় নেমে আসে তখন প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উচিত ছিলো এই বিষয়ে একটি বক্তব্য দেয়া, উচিত ছিলো-মুসলমানদের আশ্বস্ত করে বলা- আপনারা শান্ত হউন, আমরা দেখছিদেখা গেলো হিন্দুদের একটি মেয়ে ধর্ষিত হওয়াতে খোদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএস শাকিল হাসপাতালে গিয়ে মেয়েটিকে দেখে আসলো, চিকিৎসার আশ্বাস দিলো, মেডিকেল বোর্ড গঠন করলো, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে ধর্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলো কিন্তু মুসলমানদের কোন ঘটনা ঘটলে সরকার একেবারে চুপ হয়ে যায় তার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হয় না প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উচিত ছিলো বিষয়ে কোন বক্তব্য দিয়ে মুসলমানদের শান্ত করা কিন্তু তারা তো মুসলমানদের পাত্তাই দিলো না


হিন্দুদের উগ্রপনা সরকারের মুখে কুলুপ এটে থাকা সব মিলিয়েই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে বিবাড়িয়ায় মন্দিরে হামলার ঘটনা এর পেছনে কোনভাবেই বিক্ষুব্ধ জনগণকে দোষ দেয়া যায় না, বরং সব দোষ উগ্রহিন্দু সরকারের হিন্দুত্ববাদী আচরণের তাই উগ্রহিন্দু সরকারেরই এর দায়ভার বহন করতে হবে এবং মন্দির ভাংচুরের জন্য তাদেরই শাস্তি পাওয়া উচিত


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: