10.05.2016

আসছে হিন্দুদের দুর্গাপূজাঃ ঈমানদার মুসলিম ভাই-বোনেরা জরুরী কিছু কথা পূজায় যাওয়ার আগে


সামনে আসছে শিরিকের সর্বচ্ছ উৎসব দুর্গা পূজা যেখানে প্রতিনিয়ত বর্ষণ হবে মহান আল্লাহ পাক উনার গজব কিন্তু আমাদের সমাজে নামধারি কিছু মুসলিম আছে যারা নিজেদের মুসলিম ভাবে অথচ শিরকের সমর্থন করে কিন্তু তারা যে মুসলিম থেকে মুনাফিক হয়ে যায় এইসব হারাম কাজে সাপোর্ট করে তারা তা জানেনা কিন্তু একজন ইমানদার মুসলিম হিসেবে সবাইকে হুঁশিয়ার করা ঈমানি দায়িত্ব মনে করছি তাই আপনাদের কাছে নিচে কোরআন সুন্নাহ থেকে কিছু দলিল পেশ করলাম সবাই মনোযোগ সহকারে পাঠ করবেন এবং ঈমানি দায়িত্বে শেয়ার করবেন।

১) কিছুতেই হিন্দুদের পূজার মণ্ডপে যাবেন না। কারণ পূজার মণ্ডপে যাওয়া সম্পর্ণ হারাম কুফুরি ও ঈমান নষ্ট হওয়ার কারণ। মুশরিকরা চাইবে তাদের অনুষ্ঠানে আপনাকে নিয়ে যেতে। কিন্তু আপনি যাবেন না। মনে রাখবেন- ঐ সকল মুশরিকি মূর্তি দেখিয়ে আপনার ঈমান নষ্ট করা তার উদ্দেশ্য। এ সম্পর্কে পবিত্র আল কুরআন উল কারিমে বলা হয়েছেঃ- কাফিররা কখনোই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষন পর্যন্ত আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ না করেন।” [সুরা বাকারাহ শরিফঃ আয়াত শরীফ ১২০]

২) পূজার মিষ্টি খাওয়া হারাম, কারণ পবিত্র আল কুরআন উল কারিমে বর্ণিত মুশরিকরা হচ্ছে নাপাক (সূরা তাওবাহ শরিফঃ আয়াত শরীফ ২৮)। হিন্দুরা তাদের মিষ্টিকে কথিত দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে। দেব-দেবীর নামে উৎসর্গকৃত মিষ্টান্ন খেলে মুসলমানরা ঈমান হারা হয়ে জাহান্নামি হয়ে যাবে। এছাড়া হিন্দুরাদের কথিত প্রসাদের সাথে গোবর-চনা মিশ্রিত করে, যা খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম।

৩) পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ন হারাম। কারণ শুভেচ্ছা জানালে তার মুশরিকি কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জানানো হয়, অর্থাৎ শিরক হয়। মনে রাখবেন মহান আল্লাহ তায়ালা সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করেন, কিন্তু শিরকের গুনাহ ক্ষমা করেন না।

৪) পূজা উপলক্ষে অফার গ্রহণ করা, সুবিধা নেয়া, দাওয়াত খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এতেও মুশরিকি পূজায় অংশগ্রহণ তথা শিরকী গুনাহ হয়।

৫) পূজার যেকোন কাজকে সমর্থন জানানো শিরক। অনেক মুসলিম নামধারী আছে যারা অসাম্প্রদায়িকতার নামে পূজার বিভিন্ন কাজকে সমর্থন করে। যেমন- পূজায় ছুটি দিতে হবে, পূজায় মণ্ডপে যেতে হবে, পূজার প্রসাদ খেতে হবে, পূজায় শুভেচ্ছা দিতে হবে। ইত্যাদি। অনেক মুসলমান পূজায় আর্থিক অনুদানও দেয়। যারা এ ধরনের কাজ করে, তারা যখন কবরে যাবে তখন ফিরিশতা আলাইহিমুস সালামরা জিজ্ঞেস করবে- তোমার দ্বীন কি ?” তখন সে যেনো উত্তর দেয়- আমি অসাম্প্রদায়িক। আমার কোন দ্বীন নেই ।নাউযুবিল্লাহ।

মুসলমানদের অনেকেই বলেনঃ- আমাদের নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদেরকে অধিকার দিয়েছেন, আমাদেরকেও দিতে হবে।। যারা এ ধরনের বক্তব্য দেয়, তাদের বলতে হয়-আমাদের নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই ইনসাফের কাজ করেছেন। তবে তিনি তো মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ ও করেছেন, তাদের ৩৬০টি মূর্তি ভেঙ্গেছেন, মুশরিকদের কে জাজিরাতুল আবর থেকে বের করে দিতে বলেছেন, তবে আপনিও সেটা করেন তাহলে নবী মানা হবে। এক অংশ করবেন, অন্য অংশ বাদ দিবেন কেন?? আসলে বাংলাদেশে হিন্দু মুশরেকদের কাজে কেউ বাধা দিচ্ছে না, বরং মুসলমানরা যেন হিন্দুদের মুশরিকি কাজে অংশগ্রহণ না করে সেটাই বলা হচ্ছে। এটাই কি নবীজির শিক্ষা।? এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন উল কারিমে বলা হয়েছেঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা মায়িদা শরিফঃ আয়াত শরীফ ৫১)

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হিন্দুদের মুশরিকি কর্মকাণ্ড থেকে হেফাজত করুন। আমিন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: