11.15.2016

ঈদে মিলাদুন্নবীতে যারা খুশী প্রকাশ করতে চায়না তারা আসলে কার উম্মত জেনে নিন ?


হে কোরআন সুন্নাহর অনুসারী মুসলমান আপনারা কি শয়তান চিনতে পারছেন না?? আপনারা কি সয়তান কে দেখতে চান? তাহলে পবিত্র রবিউল আউওয়াল মাসে অনলাইনে অফলাইনে চোখ রাখুন সহজেই দেখতে পারবেন।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নাবী [] উনার কথা শুনলে যারা কান্না আরম্ভ করে, তারাই হচ্ছে ইবলিশ শয়তান, কারন শয়তান তার জীবনে ৪ বার খুব কেদেছিলো, তার মধ্যে মিলাদুন্নাবী [] এর দিন ছিলো অন্যতম কারন!!

সকল ওহাবী/দেওবন্দী/আহলে খবিশ/খারেজী/লা মাজহাবি/সালাফি যারা পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী [] উনার বিরোধী তারা যে ইবলিশ শয়তানের গোলাম সে বিষয়ে এটা একটা প্রামান্য দলীল↓↓

সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফে সব চাইতে বেশি কষ্ট পেয়েছিলো কে জানেন?

সব চাইতে বেশি কষ্ট পেয়েছিলো ইবলিশ শয়তান। সে এতোটাই কষ্ট পেয়েছিল যে, কষ্টে সে রীতিমত কান্না আর বিলাপ করছে।

এ প্রসঙ্গে কিতাবে বর্নিত আছেঃ
ﺍﻟﻠﻪﻋﻠﻴﻪ ﺣﻴﻦ ﻟﻌﻦ ﻭﻟﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺃﻥ ﺇﺑﻠﻴﺲ ﺭﻥ ﺃﺭﺑﻊ ﺭﻧﺎﺕ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﺣﻴﻦ ﺃﻧﺰﻟﺖ ﺍﻟﻔﺎﺗﺤﺔ ﻭﺣﻴﻦﺃﻫﺒﻂ ﻭﺣﻴﻦ

ইবলিশ শয়তান চার বার উচ্চস্বরে কেঁদেছিল।

প্রথম বার যখন সে খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মালউন বা চিরো অভিশপ্ত বলে সাব্যস্থ হয়।
দ্বিতীয়বার যখন তাকে মহা সম্মানিত বেহেস্ত থেকে বের করে দেয়া হয়।
তৃতীয়বার, যখন সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেলাদত শরীফ হয়।
এবং চতুর্থবার যখন পবিত্র সূরা ফাতেহা শরীফ নাযীল হয়।

দলীলঃ- আল-বেদায়া ওয়াননেহায়া-২য় খণ্ড ১৬৬ পৃষ্ঠা।

এখন বর্তমান সমাজে মানুষ রুপী কিছু ইবলিশ আছে, মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা শুনলেই এদের শরীর জ্বালা পোড়া করে। সূতরং প্রমান হচ্ছে, যারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধী তারা শয়তানের উম্মত। কারন এদিনে শয়তান কষ্ট পেয়েছিলো এখন তার উম্মতরা কষ্ট পাচ্ছে। তাই এসকল শয়তানদের নিজেদের বিষের জ্বালায় নিজেরা জ্বলে পুড়ে ছাই হতে দিন হে আশেকে হাবীবী মুসলিম গন।

এর পরেও যারা বলে সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল(অফাৎ দিবস) শরীফে কিভাবে খুশী পালন করবো তাদের জানা উচিৎ পবিত্র দ্বীন ইসলামে ৩ দিনের বেশী শোক পালন হারাম আর ঐ তিন দিন স্বামীর জন্যে স্ত্রীর আর সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতদের বলে গেছেন আমার দুনিয়ার জীবন মোবারক তুমাদের কাছে কল্যাণকর তেমনী আমার রওজা শরীফের জীবন মুবারক ও তুমাদের জন্যে কল্যাণকর।

সহীহ বুখারী শরীফ কিতাবুল জানাইয (জানাযা অধ্যায়)এর অনুচ্ছেদঃ-
(باب احداد المراة علي غير زوجها)
হাদিস শরীফ নং ১২০৫, ১২০৬, ১২০৭ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রকাশনী)
হাদিস শরীফ নং ১১৯৭, ১১৯৮,১১৯৯ (আধুনিক প্রকাশনী বাংলাদেশ)
হাদিস শরীফ নং ১২৭৯,১২৮০, ১২৮১ (তাওহীদ পাবলিকেশন্স বাংলাদেশ)


এতএব যারা মূর্খের মতো পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফের বিরোধিতা করে তারা কাট্টা কাফের মালউন ব্যতিত কিছু না।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: