11.02.2016

যারা ক্রিকেট সহ যাবতীয় ক্রীড়া কৌতুক নিয়ে ব্যস্ত তাদের ব্যপারে পবিত্র দ্বীন ইসলামের ফায়সালা কি?

পবিত্র দ্বীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান এখানে নেই কোন ফালতু বিষয় নেই কোনো কাজের স্থান যা মূল্যহীন কারন খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন উনার ইবাদত বন্দেগী করে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যান লাভ করতে কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এমন দারিয়েছে যে ইবাদত বন্দেগী তো নাই উল্টা যতো হারাম ফায়েশা কাজ আছে তা করে নিজের দুনিয়া আখেরাত কে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিচ্ছি আমরা, আমরা মজে আছি হারাম খেলাধুলায় অথচ আমাদের কে এই হারাম খেলাধুলায় মত্ত রেখে আমাদের মুসল্মানিত্বকে কাফের মুশরেকরা ঠিকিই ধ্বংস করে দিচ্ছে। ইসলাম অবমাননা হচ্ছে মুসলিম নিসচুপ এবং ব্যস্ত ক্রিকেট সহ যাবতীয় ক্রীড়া কৌতুক নিয়ে, খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে অবমাননা করা হচ্ছে অথচ মুসলিম নিসচুপ এবং ব্যস্ত ক্রিকেট সহ যাবতীয় ক্রীড়া কৌতুক নিয়ে, সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন খাতামান্নাবীঈন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অবমাননা করা হচ্ছে কিন্তু মুসলমানরা নিসচুপ এবং ব্যস্ত ক্রিকেট সহ যাবতীয় ক্রীড়া কৌতুক নিয়ে নাউযুবিল্লাহ।

তাহলে শুনুন নিজেদের মুসলিম বলবেন না যদি আল কোরআন উল কারিমের হুকুম মানতে না পারেন, যদি হারাম খেলাধুলা না ছাড়তে পারেন তাহলে ইসলাম কে ছেড়ে কাট্টা কাফের হয়ে যান কারনঃ খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেনঃ আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোনো কিছু ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি, আমি এগুলো যথাযথ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছি; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।” (পবিত্র সূরা দুখান শরীফ: আয়াত শরীফ ৩৮, ৩৯)

খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেনঃ আকাশ পৃথিবী ও এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি যদি ক্রীড়া উপকরণ সৃষ্টি করতে চাইতাম, তবে আমি আমার কাছে যা আছে তা দ্বারাই তা করতে পারতাম, যদি আমাকে করতে হতো।” (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: আয়াত শরীফ ১৬, ১৭)

খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেনঃ আমি নভোমন্ডল, ভূ-মন্ডল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। ক্বিয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব, পরম অবজ্ঞার সাথে ওদের খেলাধুলা উপেক্ষা করুন।” (পবিত্র সূরা হিজর শরীফ: আয়াত শরীফ ৮৫)


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেনঃ তারা যখন কোন ব্যবসায়ের সুযোগ অথবা ক্রীড়াকৌতুক দেখে তখন আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তারা সেদিকে ছুটে যায়। হে আমার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি তাদের বলুনঃ খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে যা আছে, তা খেলাধুলা কৌতুক ও ব্যবসার চেয়েও উৎকৃষ্ট। খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বোত্তম রিযিকদাতা। (পবিত্র সূরা জুম্মাহ শরীফঃ আয়াত শরীফঃ ১১)

আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “সমস্ত খেলাধুলা হারাম।” (মুস্তাদরেকে হাকিম শরীফ)।

বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, ইসলামের দৃষ্টিতে ক্রিকেটসহ যাবতীয় খেলাধূলা ক্রীড়া কৌতুক হারাম। শরীয়ত-এর উছুল হচ্ছে- হারামকে হালাল বলা, হারাম কাজে খুশি প্রকাশ করা, হারাম কাজে উৎসাহিত করা ও সাহায্য সহযোগিতা করা হারাম ও নাজায়িয; যা ঈমান নষ্টের কারণ। তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে- ক্রিকেট,ফুটবল সহ সকল প্রকার খেলাধুলা এবং এ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা। এবং সারা বিশ্বের মাঝে যতগুলো নিকৃষ্ট ইসলাম অবমাননার ঘটনা ঘটছে তার ব্যপারে সম্মিলিত প্রতিবাদ জানানো কারনঃ

হাদিস শরীফের মধ্যে ইরশাদ হয়েছে হযরত আবু সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, ইরশাদ হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের সামনে যখন ইসলামবিরোধী কাজ হতে দেখবে তখন তুমরা তুমাদের হাত দিয়ে প্রতিরোধ করবে। যদি এতে অক্ষম হও তবে তুমরা তুমাদের মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ জানাবে। যদি তাতেও অক্ষম হও তবে অন্তর দিয়ে সেই ইসলামবিরোধী কাজকে ঘৃণা করবে, কিন্তু অন্তর দিয়ে ঘৃণা করাটা হলো সবচেয়ে দুর্বল ঈমানের পরিচয়।” (সহীহ মুসলিম শরীফঃ হাদীস শরীফ নং ১/৬৯)

এখন ভেবে দেখুন আপনি কি করবেন? খেলাধুলায় মত্ত থাকবেন? নাকি নিজেকে ঈমানদার প্রমান করতে প্রতিবাদ করবেন? আপনাদের জানা উচিত আপনি ঈমান আনবেন কি আনবেন না এই ব্যপারে খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তার পরওয়া করেন না এবং স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছেনঃ হে আমার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি বলুন সত্য আমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে। সুতরাং যার ইচ্ছা সে যেনো ঈমান আনে আর যার মনে চায় সে যেনো কুফরী করে। (পবিত্র সূরা আল কাহফঃ আয়াত শরীফঃ ২৯)

এখন হারাম খেলাধুলার ধান্দা ছেড়ে কুফুরি থেকে বেঁচে থাকতে সম্মিলিত ইসলাম বিরোধী প্রতিবাদ করবেন কি না তা আপনাদের একান্ত নিজের ব্যপার আমার আর কিছুই বলার নাই।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: