11.20.2016

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য বাংলাদেশি ঈমানদার মুসলিমদের কি কিছুই করার নাই?


হে বাংলার মুসলিম ঊম্মা! এখনও কি সময় হয়নি প্রতিবেশীদের খবর নেওয়ার?? এখনও কি সময় হয়নি আপন জাতি ও ধর্মের অস্তিত্ব রক্ষার?? তবে আর কবেই বা তোমাদের সময় হবে? আর কতো বর্বরতা হলে আমাদের টনক নড়বে??

খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মোবারক করেনঃ তোমাদের কি হলো যে, তোমরা যুদ্ধ করছো না খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় এবং অসহায় নর-নারী এবং শিশুদের জন্য? যারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! এখান থেকে আমাদের অন্য কোথাও নিয়ে যাও, এই জনপদর অধিবাসীরা অত্যাচারী জালিম; আপনার নিকট থেকে কাউকে আমাদের অভিভাবক করু এবং আপনার নিকট থেকে কাউকে আমাদেরকে সাহায্যের জন্যে প্রেরন করুন(পবিত্র সূরা আন-নিসা শরীফঃ আয়াত শরীফ ৭৫)

এতএব মায়ানমারের এই আগুন সন্ত্রাস ও হত্যাযজ্ঞের নিষ্পত্তির একমাত্র অস্ত্র! একমাত্র সমাধান হলো ঐক্যবদ্ধ ভাবে সশস্ত্র লড়াই!! পরিত্রানের বিকল্প কোন পথের কথা ভাবাটাও বোকামি৷ কারণ শান্তির পথ তারা বন্ধ করে দিয়েছে সে বহুবছর পূর্বে, এখনও আলোচনার আশা যারা করে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে৷

বৌদ্ধ নামধারী জঙ্গলি হিংস্র জানোয়ারগুলো কি মানুষের পর্যায়ে পড়ে? পৃথিবীর কোন জালেম মানুষ তো দূরে থাক, কোন হিংস্র পশুদেরও এমন বর্বর আচরণ করতে দেখা মেলেনা!

আমি নিশ্চিত বলতে পারি, এই বর্বরতা বন্ধের একমাত্র পথ পবিত্র আল কুরআনে বর্ণিত পথটিই, তাই আমাদের বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষা ও মায়ানমারের মুসলিমদের রক্ষার স্বার্থে উভয় দেশের বিবেকবান মানবতাবাদীদের উচিৎ, মায়ানমার সন্ত্রাসীদের সাথে অস্ত্রের লড়াইয়ে অবতির্ণ হওয়া৷


ওদের বাহাদুরী নিরস্ত্রদের উপর, কিন্তু অস্ত্রের লড়াইয়ে ওরা ধূলোই মিশে যাবে নিশ্চিত! তাই ৯৫% মুসলমানের দেশের মুসলিম সরকারের প্রতি আহ্বান যেনো মায়ানমারের বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের থেকে নিরীহ মুসলিম রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে সশস্ত্র যুদ্ধের ডাক দেওয়া। তবে এই অস্ত্রের লড়ায়ে মুসলিম জাতি ও দেশকে রক্ষায় কারা এগিয়ে আসে তাই দেখার বিষয়! নিশ্চিয়ই তারা সফলকাম হবেন৷


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: