3.16.2017

হিন্দুদের হোলি পূজায় হিজাবি মুসলিম নারিদের যৌন-হেনস্থার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন-মিডিয়া নীরব

একটা মজার বিষয় লক্ষ্য করেছেন? হোলি পূজায় মুসলিম নারীর যৌন হেনস্থার ঘটনা নিয়ে মিডিয়া একেবারে চুপ! মনে হচ্ছে কিছু যেন হয়ইনাই। অথচ শ্যামল কান্তি নামক এক হিন্দু শিক্ষকের কানে ধরার ঘটনায় মিডিয়ার একেবারে পাতলা পায়খানা হয়ে গেছিলো। থামতেই চাচ্ছিলো না। কোরবানী ঈদে কোন রাস্তার পানি যেন লাল হয়ছিলো সেটা নিয়ে তো মিডিয়া কেন্দেই বুক ভাসাইলো। পহেলা বৈশাখে নারী নেহস্থা নিয়ে তো কয়েকবার পুলিশকেই পিটালো শাহবাগীরা। আর পূজা নামক এক হিন্দু মেয়ের নির্যাতনের ঘটনায় তো প্রধানমন্ত্রীর এপিএস গিয়ে ক্ষমা চাইলো। কিন্তু হোলি পূজায় নারী হেনস্থার ঘটনায় মিডিয়া-প্রশাসন একেবারে চুপ।

ডিএমপি পুলিশ ওয়েবসাইটে কথিত গ্রেফতারের নিউজ ছাপাতে গিয়ে বিস্ময়করভাবে কারো ছবি ছাপানো হয়নি। অথচ এর আগে পুলিশ ফেসবুকে আন্দোলনের কারণে যত গ্রেফতার করেছে তার সবগুলোর ছবি প্রকাশ করেছিলো পুলিশ বা মিডিয়া। কিন্তু এবার পুলিশ ও মিডিয়া একজোট হয়ে ব্ল্যাক আউট। আদৌ গ্রেফতার হয়েছে কি না তার কোন সত্যতা নেই !!

শুধু তাই নয়, ডিএমপির খবরটায় যেন ইচ্ছা করেই মো. আকাশ (১৯), মো. সিফাত (২০) ও মো. মামুন (১৮), মানে তিন জনের নামের আগে মো: শব্দখানা যোগ করে দেয়া হয়। (http://archive.is/HL1GT)

ডিএমপির খবরে বলা হয়ঃ- গত ১২ মার্চ পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উৎসবমুখর পরিবেশে হোলি উৎসব পালন করছিল। এ সময় কিছু বখাটে সেখানে ঢুকে গিয়ে পথচারী ও অফিসগামী লোকজনকে রঙ মাখিয়ে লাঞ্ছিত করে।-----

খবর শুনে মনে হতে পারে- হোলি পূজা মনে হয় কত পবিত্র একটা জিনিস। অথচ সারা বিশ্বব্যাপী হোলি পূজা মানেই নারী হেনস্থার উতসব। ভারতে এই হলি খেলাতে নারীরা লাঞ্চিত হবে, এটাই স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। হোলি পূজাকে নিষিদ্ধ করার দাবিও উঠেছে ভারত থেকে। আজকে দেখলাম গোয়ায় এক ব্রিটিশ তরুণী এসেছিলো হোলি খেলতে। সেই মেয়েটি নৃশংসভাবে খুন করেছে হিন্দুরা। (http://archive.is/cCE9I)

আসলে হোলির নামে মুসলিম নারীদের গায়ে হাত দেওয়ার সাহস হিন্দুরা তখনই পেয়েছে, যখন তারা বুঝেছে তারা যতই অপরাধ করুক, আওয়ামী সরকার বিষয়টি ধামাচাপা দেবে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ মুসলিম নাম দিয়ে খবর করে হিন্দুদের আড়াল করবে। সবশেষে বলবো, সব দোষ বাংলাদেশের মুসলমানদের। তাদের এত হোগা মারা খেয়েও কথিত অসাম্প্রদায়িকতা থেকে বের হতে পারেনি। আমি তাদের বলবো- আপনারা ইসরাইল-ফিলিস্তিনের দিকে তাকান। ইসরাইল আন্দোলন হচ্ছে একটা ইহুদীবাদী সাম্প্রদায়িক আন্দোলন অপরদিকে ফিলিস্তিন আন্দোলন হচ্ছে একটা ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক আন্দোলন। এজন্যই ইসরাইল আন্দোলন সফল, আর ধর্মনিরপেক্ষ আন্দোলন বিফল। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই রকম। বাংলাদেশের হিন্দুরা গোড়া হিন্দুত্ববাদী, আর বাংলাদেশের মুসলমানরা খোলা মনের অসাম্প্রদায়িক। আর এজনই নিয়মিত হিন্দুদের দ্বারা পুটুমারা খাচ্ছে বাংলাদেশের মুসলমানরা।

সবশেষে বাংলাদেশের মুসলমানদের বলবোঃ হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণের মুখে যদি আপনি ধর্মনিরপেক্ষ ভাব ধরে থাকেন তবে জীবনেও সফল হবে না। ফিলিস্তিনিরা যেমন ৭০ বছর ধরে ইহুদীদের মার খাচ্ছে আপনাকেও সেভাবে খেতে হবে, সবে তো শুরু….


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: