3.25.2017

তালামীযে ইসলাম সিনেমাহল বন্ধ করতে চাইলেও কওমি আলেমরা হল মালিকের বাসায় খতমে বুখারী পড়তে যায়

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় সিনেমা হলের বিরোদ্ধে বাংলাদেশ তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীরা আন্দোলন করছেন অথচ দেওবন্দী কওমী আলেমরা তাতে সহযোগিতা না করে উল্টো হল মালিকের বাসায় এসে খতমে বোখারী পড়েন!!! নাউযুবিল্লাহ!!

গত কয়েকদিন আগে জুড়ীতে পুবালী সিনেমা হল পুনরায় চালু না করার জন্য জুড়ী উপজেলা তালামীযে ইসলামিয়ার পক্ষ হতে প্রথমে ৫নং সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হয়আবেদনের দুদিন পর সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান সাহেবের অফিসে হল মালিক আব্দুল মান্নানকে ডেকে হল চালু না করার অনুরোধ জানান চেয়ারম্যান ও সর্ব সাধারণ জনতা কিন্তু হল মালিক অনুরোধ আমলে না নিয়ে কিছু না বলে চলে যান পরবর্তিতে উপজেলা প্রশাসনের নিকট হল বন্ধ করার জন্য তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীরা আবেদন জানানএবং জুড়ীতে বিক্ষোভ মিছিলও করেন

উপজেলা প্রশাসন সিনেমা হল বন্ধ করার আশ্বাস দিলেও পরবর্তিতে তাদেরই সহযোগিতায় সিনেমা হল পুনরায় চালু হয়এতো কিছুর পর হল চালু করায় জুড়ী উপজেলার সুন্নী আলিম উলামা এবং তালামীযে ইসলামিয়ার নেতৃবৃন্দ আব্দুল মান্নানের ব্যাপারে সে মারা গেলে তার জানাযায় শরিক না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন
উপরোক্ত কথাগুলো সিনেমা হল মালিক আব্দুল মান্নানের বাসায় বোখারী শরিফের খতম পড়তে আসা কওমী আলেমদের জানানো হয় তার পরেও গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের সময় প্রায় ৩০/৩৫ জন দেওবন্দী কওমি আলেমকে আব্দুল মান্নানের বাসায় ঢুকতে দেখা যায়খোজ নিতে গিয়ে জানা যায় তারা বোখারী শরিফের খতম পড়তে সিলেট শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরগা শরীফের মাদরাসা থেকে এসেছেন ঈমানি দায়িত্ব ও কর্তব্য মনে করে হল মালিক সম্পর্কে তালামীযে ইসলামিয়ার একজন কর্মী তাদের কাছে এগিয়ে গেলেন বিস্তারিত জানাতে কিন্তু কথাগুলো জানানোর শেষ পর্যায়ে একজন আলেম বললেন আমি ভিতরে গিয়ে কথা বলবতালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীরা আশায় ছিলেন হয়তো তারা খতম না পড়ে চলে যাবেনকিন্তু তারা আশাহত হলেন! দেওবন্দী কওমি আলেমরা খতম শেষ করে দুয়া ও খাওয়া দাওয়া শেষ করে হাদিয়া নিয়ে তবেই গেল!

বিগত ক'দিন আগে ফেসবুকের একটি পোষ্টে তালামীযে ইসলামিয়ার এক কর্মী বলেছিলেন কওমীরা টাকার পুঁজারি তার বাস্তব প্রমাণ গত বৃহস্পতিবারের সেই ঘটনাযদি তারা পুর্ন ঈমানদার হতো, যদি তারা হালাল হারাম চিনতো তাহলে অন্তত সিনেমা হলের টাকায় বোখারী শরিফের খতম পড়ত না যাদের কাছ থেকে মানুষ হেদায়তের বানী শুনবে তারাই যদি হালাল হারাম এক করে চলে তবে সাধারণ জনতা তাদের কাছ থেকে কি শিক্ষা নেবে???

এতএব বরাবরের মতো আবারো বলছি যে কওমিরা আদতেই মুশরিক দেওহিন্দু তাই এদের মসজিদ মাদ্রাসা থেকে নিজেকে এবং সন্তান সন্ততিকে হেফাজতে রাখুন। ভালো আদর্শবান সুন্নি মসজিদ মাদ্রাসায় পাঠাবেন নাহলে দুনিয়া আখেরাতের সব হারাবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: