3.05.2017

ঝালোকাঠিতে বোরকা পরিহিত এক মুসলিম ছাত্রীকে নেকাব খোলে শ্লীনতাহানি অনলাইনে তোলপাড়

কতবড় দুঃসাহস থাকলে একজন বোরকা পরিহিত নিরিহ মুসলিম ছাত্রীকে কি করে এভাবে প্রকাশ্যে নাজেহাল করতে পারে ৯৫% মুসলমানের এই দেশে!? নলছিটির সেই আলোচিত ভিডিওটি দেখুন ও প্রচার করুন মুসলিম উম্মাহ এক হোন কারন প্রকৃতপক্ষে এই শ্লীনতাহানি শুধু সেই নিরিহ মুসলিম মেয়েটির সাথে হয়নি বরং পর্দানশীল প্রত্যেক মা বোনের সাথেই হয়েছে।

ঝালোকাঠি জেলার নলছিটি পৌর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী রেজাউলঃ পিতা জলিল চৌধুরী, বোমা রমিজঃ পিতা রুস্তম আলি, সাবু মিয়াঃ পিতা সোহরাব ডাক্তার ও মিঠু মিয়াঃ পিতা হান্নান পুলিশ। এরা সবাই মিলে বোরকা পড়ে কলেজে যাওয়ার অপরাধে এক নিরিহ মুসলিম ছাত্রীকে বোরকার নেকাব খোলার জন্য শ্লীনতাহানি করে!!



ভিডিওটিতে আপনি দেখবেন যে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চিহ্নিত অপরাধী রেজাউল চৌধুরী সেই ছাত্রীকে শাসাচ্ছে এমন একটি ভয়ার্ত স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে রীতিমত ভাইরাল হয়ে উঠেছেশনিবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টার পর খান মঈন উদ্দিন নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী স্থিরচিত্রটি পোস্ট করার পরে লাইক কমেন্ট এর ছড়াছড়ি যাচ্ছে

তাছাড়া এই অল্প সময়ের ভেতরে শেয়ারের সংখ্যাও অনেকবিশেষ করে পোস্টকারী ছবির সাথে ঘটনাটির কয়েক লাইনে তুলে ধরে বলেছেন- এক ছাত্রীকে বোরকা খোলার জন্য শ্লীলতাহানি, মেয়েটিকে কান ধরাচ্ছে ও পা ধরাচ্ছেওই পোষ্টে কমেন্ট বক্সে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকে এই সন্ত্রাসী যুবককে গ্রেফতারের জোর দাবি রেখেছেন প্রশাসনের কাছে

ছাত্রীকে ভয় দেখানোর ঘটনায় অন্তত চার যুবক ছিল বলে দাবি করে পোস্টে তাদের নাম তুলে ধরা হয়যদিও ওই ঘটনার মূল নায়ক হিসেবে নলছিটি পৌর এলাকার জলিল চৌধুরীর ছেলে রেজাউল চৌধুরীকেই অভিযুক্ত করা হয়েছে

বাকিরা হচ্ছে- উপজেলার নান্দিকাঠি গ্রামের রুস্তুম আলীর ছেলে বোমারু রমিজ, সোহরাব ডাক্তারের ছেলে সাবু এবং হান্নান পুলিশের ছেলে মিঠু বিস্ময়কর ব্যাপার, ছাত্রীকে শাসানোর প্রাক্কালে বোমারু রমিজের কোমরে গেঞ্জি দিয়ে ঢাকা একটি পিস্তলও দেখতে পাওয়া গেছে ওই ছবিতে জানা গেছে- ঘটনায় জড়িত চার যুবকই অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছেতাদের মধ্যে রমিজ একবার বোমাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলযে কারণে তার নামের পূর্বে উপজেলাবাসী বোমারু শব্দটি জুড়ে দিয়েছেসে বোমারু রমিজ নামেই পরিচিত তবে ছাত্রী শ্লীলতাহানির পুরো অভিযোগ অস্বীকার করে বাহিনী প্রধান রেজাউল চৌধুরী বলছেন- বিষয়টি অনেক আগেরকিন্তু স্থানীয় একটি মহল তাকে হয়রানি করতে এখন নতুন করে কৌশল নিয়েছে৷

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এদের অতিসত্বর গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: