3.28.2017

সরকারী নির্দেশ প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী এবং মুসলমানকে বাধ্যতামূলক মঙ্গলশোভাযাত্রা নামক মূর্তিপূজা করতে হবে

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেঃ- এখন থেকে শুধু চারুকলা থেকে না, প্রত্যেক জেলা, প্রত্যেক থানা, এমনকি প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে মঙ্গলশোভাযাত্রা বের হবে। (http://bit.ly/2mm47tS) উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন আছে। ধরে নিলাম প্রত্যেক ইউনিয়নে মঙ্গলশোভাযাত্রার আয়াজন করতে কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকা খরচ হয়, তবে সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়নে মঙ্গলশোভাযাত্রা করতে খরচ হবে ৪৫০ কোটি টাকা।

বলাবাহুল্য এই টাকা আসাদুজ্জামান নূর তাদের বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে আসবে না, প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও নিজের ফান্ড থেকে দিবে না। এই টাকা অবশ্যই নেয়া হবে জনগণের ফান্ড, মানে ট্যাক্সের টাকা থেকে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের ৩ কোটি ৮৫ লাখ মানুষ দরিদ্র। যা জনসংখ্যার ২৪.৫% দশমিক ৫ শতাংশ। এরমধ্যে ১ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ অতিদরিদ্র, যা মোট জনগোষ্ঠীর ১০.৬৪%। (http://bit.ly/2n5Fqkp)

যে দেশের প্রায় ৪ কোটি জনগণ দরিদ্র, সে দেশে বাঘ-ভল্লুক আর পেচা-হুতুমের মূর্তির কাছে মঙ্গল কামনা করে শত শত কোটি টাকা খরচ করা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? আর সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে বাধ্যতামূলক মঙ্গলশোভাযাত্রা নামক কুফুরি শিরকি কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!! (http://bit.ly/2mLiTLs) অথচ মঙ্গলশোভাযাত্রা হিন্দুদের ধর্মের অংশ এবং মুসলমানদের ধর্মীয় রীতি নিতি তো নয়ই বরং রীতি নিতি আর ঈমানের বিরুদ্ধে বলে সমস্থ আলেম উলামা ফতওয়া দিয়েছেন। যেমন ইব্‌ন তাইমিয়াহ বলেছেঃ মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত, খোলাফায়ে রাশেদিন আলাইহিমুস সালাম উনাদের আদর্শ ও সকল আলেম উলামা রহমতুল্লাহি আলাইহিমগন একমত যে, মুশরিকদের(সমস্থ মূর্তিপূজারী, হিন্দুদের) বিরোধিতা করতে হবে এবং তাদের সাদৃশ্য(কাজে কর্মে নিয়ম নিতি, রিতি নিতি) গ্রহণ করা যাবে না। [মাজমুউল ফতোয়া ২৫/৩২৭]

আর হাদিস শরীফে স্পষ্ট বলা আছেঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেনঃ যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের নিয়ম নিতি, রিতি নিতির সাথে সামঞ্জস্য রাখলো সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। [আবু দাউদ শরীফঃ হাদিস শরীফ নং  ৩৫১৪]

অপরদিকে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার- `ধর্মীয় স্বাধীনতাঅংশের ৪১ এর ২ ধারায় স্পষ্ট বলা আছেঃ- কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না

পাঠক ! সংবিধান যদি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হয় এবং মঙ্গলশোভাযাত্রা যদি ইসলাম ধর্মের সাথে সর্বচ্ছ সাংঘর্ষিক কোন উপাসনা ইবাদত বা প্রোগ্রাম হয়, তবে সংবিধানের ৪১ এর ২ ধারা অনুসারে সরকার কিছুতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মঙ্গলশোভাযাত্রা করতে বাধ্য করতে পারে না। এ ব্যাপারে হাইকোর্টে রিট করলে সরকার অবশ্যই আটকে যাবে।

যাইহোক এখন কথা হচ্ছে কোন মুসলমান ঈমাম থাকা অবস্থায় এগুলোর সমর্থন জিবনেও করবেনা কারন মুসলমান মাত্রই কুরআন সুন্নাহর পাবন্দি আর কুরআন বলছেনঃ وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ [٣:٨٥.
অর্থঃ- যে লোক সম্মানীত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত অর্থাৎ সে জাহান্নামিদের অন্তর্ভুক্ত হয়েযাবে।
দলিল সূত্রঃ - কোরআন শরীফঃ সূরা আলে ইমরান (আলাইহিস সালাম) শরীফঃ আয়াত শরিফ ৮৫।

আর এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফে ইরশাদ মোবারক হয়েছেঃ عن جا بر رضى الله تعالى عنه ان عمر بن الخطاب رضى الله تعالى عنه اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم بنسخة من ا لتورة فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم هذه نسخة من التورة فسكت فجعل يقرأ ووجه رسول الله صلى الله عليه وسلم يتغير فقال ابو بكر ثكلتك الثوا كل ما ترى ما بوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم فنظر عمر الى وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اعوذ بالله من غضب الله وغضب رسوله رضينا بالله ربا وبالا سلام دينا وبمحمد نبيا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم والذى نفس محمد صلى الله عليه وسلم بيده لو بدا لكم موسى عليه السلام فاتبعتموه وتر كتمونى لضللتم عن سواء السبيل ولو كان حيا وادر ك نبوتى لا تبعنى.
অর্থঃ- হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন একদিন হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মহান আল্লাহ পাক উনার পেয়ারে হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট তাওরাত শরীফের একটি কপি এনে বললেন ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটি তাওরাত শরীফের একটি কপি। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ রইলেন। হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তা পড়তে আরম্ভ করলেন। আর এদিকে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চেহারা মুবারক আগুনের মতো লাল হতে লাগলো। অর্থাৎ অসন্তুষ্টির ভাব ফুটে উঠলো। এটা দেখে হযরত আবু বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন হে উমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনার জন্য আফসুস! আপনি কি দেখছেন না যে মহান আল্লাহ পাক উনার পেয়ারে হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেহারা মুবারক কি রূপ ধারণ করছেন? তখন হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেহারা মুবারকের দিকে তাকালেন এবং অসন্তুষ্টির ভাব লক্ষ্য করে বললেন আমি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অসন্তুষ্টি থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পানাহ চাচ্ছি। এবং আমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে রব হিসেবে সম্মানিত ইসলামকে দ্বীন হিসেবে ও মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নবী হিসেবে পেয়ে খুশী হয়েছি। তখন রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন সেই মহান আল্লাহ পাক উনার কছম! যার অধিকারে আমার প্রাণ মুবারক রয়েছেন, আজ এই সময় যদি আপনাদের নিকট হযরত মূসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস্ সালাম (যার উপর তাওরাত শরীফ নামক কিতাব নাযিল হয়েছে) জাহির বা প্রকাশ হতেন আর আপনারা আমাকে ছেড়ে উনার অনুসরণ করতেন তবুও আপনারা সরল পথ থেকে অবশ্যই বিচ্যুত অর্থাৎ গোমরাহ হয়ে যেতেন। এমনকি তিনি যদি এখন হায়াতে থাকতেন আর আমাকে পেতেন তাহলে তিনিও নিশ্চয়ই আমার অনুসরণ করতেন তথা আমার উম্মত হতে বাধ্য হতেন।

দলিল সূত্রঃ - দারিমী শরীফ। মিশকাত শরীফ। মিরকাত শরীফ।

এর পরেও যারা গোঁড়ামি করে ধর্ম যার যার উৎসব সবার বলে হিন্দুদের পূজায় যাবে যেতে বাধ্য করবে এবং এগুলো করে নিজেকে মুসলিম মনে করবে তার ব্যপারে মহান আল্লাহ পাক তিনি কি বলছেন জানতে নিচের আয়াত শরীফ গুলোর দিলে আলোকপাত করুনঃ মুসলমানদেরকে প্রকৃত মুসলিম হওয়ার জন্য স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক-ই বলে দিচ্ছেন যে নিজেকে মুসলিম দাবী করলেই প্রকৃত মুসলিম হওয়া সম্ভব নয়; বরং প্রকৃত মুসলিম হওয়ার জন্য ঈমানের বিশুদ্ধতা আবশ্যক। আম গাছ লাগিয়ে আঙ্গুরের আশা করা যেমন মূর্খতা তেমনী ঈমানে ভেজাল ঢুকিয়ে নিজেকে প্রকৃত ঈমানদার ভাবাও মূর্খতা বৈ কিছু না। তাই তো মহান আল্লাহ পাক তিনি ঈমানদারদেরকে প্রকৃত মুসলমান হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেনঃ [يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا ادْخُلُوْا فِيْ السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوْا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِيْنٌ] হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন(সূরা বাক্বারাহ শরীফ ২/২০৮)। আবার অন্যত্রও বলেনঃ [يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا آمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي نَزَّلَ عَلَى رَسُوْلِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي أَنْزَلَ مِنْ قَبْلُ وَمَنْ يَكْفُرْ بِاللهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيْدًا] হে মুমিনগণ! তোমরা পরিপূর্ণরূপে বিশ্বাস স্থাপন করো মহান আল্লাহ পাক উনার উপরে, উনার রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপরে এবং ঐ কিতাবের উপরে যা তিনি নাযিল করেছেন স্বীয় রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপরে এবং ঐ সকল কিতাবের উপরে, যা তিনি নাযিল করেছিলেন ইতিপূর্বে। আর যে কেউ অবিশ্বাস করে মহান আল্লাহ পাক উনার উপর, উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের উপর, উনার কিতাবসমূহের উপর, উনার রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের উপর ও মহা সম্মানিত ক্বিয়ামত দিবসের উপর, সে পথভ্রষ্ট হয়ে বহু দূরে গিয়ে পড়বে। (সূরা নিসা শরীফঃ ৪/১৩৬)।

উল্লিখিত আয়াত দুটির আলোকে ঈমানদারদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১) খাঁটি ঈমানদার
২) ভেজাল ঈমানদার।

আয়াত দুটিতে মহান আল্লাহ পাক তিনি ভেজাল ঈমানদারদেরকে ঈমানের বিশুদ্ধতার মাধ্যমে পূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশের নির্দেশ প্রদান করেছেন। কেননা অধিকাংশ মুসলমান আজ মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান এনেও মুশরিক। যেমনঃ মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, [وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُمْ بِاللهِ إِلَّا وَهُمْ مُشْرِكُوْنَ]অনেক মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে(অর্থাৎ মুসলিম হয়েও), কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।(সূরা ইউসুফ(আলাইহিস সালাম) ১২/১০৬)।

সম্মানিত পাঠক! লক্ষ্য করুন উল্লিখিত আয়াত শরীফ সমূহের প্রতি, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঈমানদারদেরকেই পূর্ণ মুসলিম হওয়ার, ঈমান আনয়নের নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, অধিকাংশ মানুষ ঈমান আনা সত্ত্বেও মুশরিক। তাই মুসলমান নাম ধারণ করলেই খাঁটি মুসলমান হওয়া যায় না। খাঁটি মুসলমান হওয়ার জন্য ঈমানের বিশুদ্ধতা অতীব জরূরী। তাই তো মুসলমানদেরই ৭২ দল যাবে জাহান্নামে, শুধুমাত্র একটি দল যাবে জান্নাতে। সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেন ইয়াহুদিরা ৭১ টি দলে বিভক্ত হয়েছিল তার মধ্যে ১ টি দল জান্নাতী এবং বাকী ৭০ টি দল জাহান্নামী; নাসারা'রা ৭২ টি দলে বিভক্ত হয়েছিল তার মধ্যে ১ টি দল জান্নাতী এবং বাকী ৭১ টি জাহান্নামী এবং সেই মহান স্বত্বার শপথ যার হাতে আমি সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার প্রাণ; অবশ্যই আমার উম্মত ৭৩ টি দলে বিভক্ত হবে। তার মধ্যে ১টি দল জান্নাতী এবং বাকী ৭২ টি দল জাহান্নামী। আরয করা হলঃ হে খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পেয়ারে হাবিব সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই দল কোনটি? তিনি বললেনঃ আল জামাত বা (আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত) অন্য বর্ণনায়, আমি ও আমার সাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম গন যে পথে আছি বা যার উপর অটল আছি।
দলিলঃ- সহিহ সুনান ইবনে মাজাহঃ ৩৯৯২; হাদিসটির সনদ হাসান।

অতএব আসুন! আমরা আমাদের ঈমানকে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ মুবারকের কষ্টিপাথরে যাচাই করে নিই। যদি কোন ক্ষেত্রে আমাদের ঈমান কাফিরদের ঈমানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়, তাহলে অবশ্যই তা সংশোধন করে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নাহ মুবারকের অনুকরণ করি।


আমার আর কিছুই বলার নাই তাদের যারা পবিত্র কোরআন শরীফ, হাদিস শরীফ, ও রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সুন্নাহ অনুসরণ না করে কাফের মুশরিকদের আচার, ব্যবহার, নিয়ম নিতি, তাদের ধর্মগ্রন্থের পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করছে বা করেছে। মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে সেই ইবাদত আর মানবসেবার দাম নাই যা উনার হুকুম অমান্য করে করা হয় যদি দাম থাকতো তাহলে সর্ব প্রথম ইবলিশ হতো জান্নাতি কারন সে ৬ লক্ষ বছর ইবাদত করে জ্বিন থেকে ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের চেয়েও মর্যাদাশীল হয়ে গিয়েছিলো, কিন্তু মাত্র একটি হুকুম অমান্য করে নিকৃষ্ট অভিশপ্ত শয়তান তথা ইবলিশে পরিণত হয়েছে তাই কেউ যদি মনে করেন আমি তো অনেক ইসলামিক কাজ করেছি মহান আল্লাহ পাক বাধ্য আমাকে জান্নাতি হিসেবে কবুল করতে(নাউযুবিল্লাহ) তাহলে আমি অপেক্ষায় থাকবো সেই দিনের যেদিন বিচার হবে হক্বের সেইসব মানুষের এবং তাদের অনুসারীদের।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: