3.26.2017

বাংলাদেশের বিশ্ব কাপানো সেনাবাহীনিকে হেয় করার ষড়যন্ত্র কেন? কি কারনে???

পবিত্রভূমি সিলেটের মাটিতে সামান্য এক বিল্ডিঙের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকা চুনোপুঁটি টাইপের সালাফি ভ্রান্ত আহলে হাদিস মতবাদী সন্ত্রাসীদের ঘায়েল করতে বাংলাদেশের বিশ্ব কাপানো সেনাবাহীনির প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়নের জন্য ১০ মিনিটের বেশি সময় লাগার কথা নয়অথচ আজ ৩ দিন হতে চললো তেমন সুবিধাই করতে পারছে না

ব্যাপারটা এমন ভাবে সাজানো হয়েছে যে পুলিশ অপারেশনে ফেইল মারলো, ক্রসফায়ারে বিখ্যাত র‌্যাব ও ফেল মারলো, সোয়াত ফেল, সবশেষে সেনাবাহীনির প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়নও আনা হলো তারাও নাকানি চুবানি খাচ্ছে

অথচ এই বাহিনী গুলশান রেস্তোরায় সন্ত্রাসীদের উড়িয়ে দিতে ১১ মিনিটের বেশি সময় নেয়নি আফসোস,এই বাহীনির ব্রিগেডিয়ার ফখরুল প্রেস ব্রিফিং এ বলেন, “তাদের (সন্ত্রাসীদের) কাছে স্মল আর্মস আছে, এক্সপ্লোসিভ আছে, আইইডি আছে, তারা ওয়েল ইকুইপড আপনারাই বলুন স্মল আর্মস দিয়ে সেনাবাহিনীর অ্যাসল্ট টীমকে রোখা যায়?

তিনি আরো বলেন, “আমরা যে গ্রেনেড ছুড়েছি, তারা সেগুলো ধরে উল্টা আবার আমাদের দিকে নিক্ষেপ করেছেটিয়ার শেল ছুড়লে যে আগুন জ্বালাতে হয়, তারা এসব টেকনিক জানে এটা কি একটা কমান্ডে টীমের নেতার মত কথা? তাদের গ্রেনেড তাদের দিকে ধরে ছুড়ে মারছেআশ্চর্য!!!! মান সম্মান এভাবে নষ্ট না করলে কি হতো না

কখন নাগাদ অভিযান শেষ হতে পারে- প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমাদের কমান্ডোরা চেষ্টা করছেনিশ্চিত করে বলতে পারছি না যে অপারেশন কখন শেষ হবেঅপারেশন পরিচালনা বেশ ডিফিকাল্ট হচ্ছে” (http://bit.ly/2nBQ5UP)

৩/৪ জন সন্ত্রাসীকে ঘায়েল করতে কত সময় লাগবে সেটার হিসাব করতেই গলগর্ধম হয়ে যাচ্ছে!!!! এটা ভাবা যায়? বাংলাদেশ সেনাবাহীনিকে হেয় করা হচ্ছে কেন?

উত্তর একটাই, ভারতের সাথে সামরিক চুক্তির গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলাযদি সামরিক চুক্তি হয় এ ধরনের পরিস্থিতিতে ভারত ফোর্স পাঠাবেঅর্থাৎ বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়ার পায়তারাএকারনে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহীনিকে হেয় করে উপস্থাপন করছেসেনাবাহিনী সদস্যরা যেহেতু কমান্ড ছাড়া কাজ করে না তাই তারা চুড়ান্ত হিট করতে পারছে নাঅফিসাররা কোন অদৃশ্য শক্তিবলে হিট কমান্ড দিতে পারছে নাআর এদিক দিয়ে সময় অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছেমান সম্মান হারাচ্ছে সেনাবাহিনীযদি আমাদের সেনাবহিনীকে স্বাধীন ভাবে হ্যান্ডেল করার সুযোগ দেয়া হতো তাহলে পুরা বাড়ি সহ সন্ত্রাসীদের ধুলিস্বাত করতে ১৫/২০ মিনিট লাগার কথা নয়...............

অথচ আমরা জানি বর্তমান যে পরিস্থিতি এটা হ্যান্ডেল করতে আমাদের পুলিশ অফিসাররাই যথেষ্ট ছিলো নাহলে র‌্যাবই যথেষ্ট ছিলো, সেনাবাহিনী নিয়ে সার্কাস দেখানো এটা নাটক ও ষড়যন্ত্রের বাহিঃপ্রকাশ।।


দুঃখের বিষয় হচ্ছে টিভি সিনেমার নাটকে মানুষ মারা যায় টিভির ফেতরে কিন্তু এখানে বাস্তবে বলির পাঠা হচ্ছে সাধারন জনগন সাথে বাঘা বাঘা পুলিশ আর র‌্যাব আর্মির অফিসার। কিছুই বলার নাই নির্বাক চোখে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কারন যারা প্রতিবাদ করবে তারা মত্ত ক্রিকেট আর ভারতীয় সিরিয়াল আর হিন্দি সিনেমায়।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: