3.05.2017

আগামী ১৯ মার্চ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তোলে বাংলাদেশকে ধর্মহীন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

হাজার হাজার কোটি টাকা ইনভেস্ট করে কাফিররা রাষ্ট্রধর্ম উঠিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে কিন্তু বাংলাদেশের ৯৫ ভাগ মুসলমান গভীর নিদ্রায়। সংবিধানের ২ (ক) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বৈধ বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানির জন্য আগামী ১৯ মার্চ দিন নির্ধারণ করেছেন চেম্বার আদালত। আদালতে আপিল আবেদনের পক্ষে ছিলো রিট আবেদনকারী আইনজীবী কট্টর মৌলবাদী হিন্দু সমরেন্দ্র নাথ গোশ্বামী নিজে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিল অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশধোনীতে (২০১১) ২ (ক) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অন্তভূক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের আগস্টে রিটটি দায়ের করেছিল গোশ্বামী

কট্ররপন্থী হিন্দু প্রধানবিচারপতি এস কে সিনহার আদেশে ৩২ বছর পর রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে বাদ দেওয়ার চক্রান্ত শুরু হয়। গত বছর এই রায় হয় কিন্তু আস্তে আস্তে এদেশের মুসলমান জেগে উঠেছিলো এবং সরাসরি মুসলমানরা বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার জন্যই আন্দোলন করে। ফলে আদালত এই রায়ে কোটি কোটি মুসলমানের বিরুদ্ধে কোন রায় দেওয়ার সাহস পায়নি। কিন্তু এই রায়েই শেষ নয় পরবর্তীতে ইসলামবিরোধীরা আবারো এই শুনানির বিরুদ্ধে আপিল করে। অর্থাৎ তারা আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে,বেশি অর্থ খরচ করে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উঠিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু করে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হল এই রায়ের সময় ঘনিয়ে এসছে এবং আর মাত্র ১৫-১৬ দিন সময় সময় আছে অথচ এ নিয়ে কোন মুসলমানের কোন মাথাব্যাথা নাই। কোন ইসলামিক দল এখনো আন্দোলনের ডাক দেয়নি বা বিবৃতি দিচ্ছে না। তাহলে এই কথিত ইসলামিক দলগুলোও কি কাফির-মুশরিকদের টাকা খেয়ে চুপ করে আছে?

মুলত, সবাই এখন নিজের স্বার্থের জন্য কাজ করে। ধর্ম থাকুক বা না থাকুক এ নিয়ে কারও কোন মাথাব্যাথা নাই। তাই এখন আর ইসলামিক দলগুলোর উপর নির্ভর করে থাকলে হবে না এখন সাধারণ মুসলমানদেরকে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সাধারণ মুসলমানদেরকে এখন সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখার জন্য আন্দোলন করতে হবে। যদি নিজেকে মুমিন মুসলমান মনে করেন তাহলে সবাই মিলে তীব্র প্রতিবাদ জানান।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: