3.24.2017

নীলফামারির ৮০০ বছরের পুরাতন মসজিদকে মন্দির বলে দাবি করছে উগ্র হিন্দুত্ববাদিরা

বাংলাদেশের নীলফামারি জেলায় মাটি খুঁড়ে ৮০০ বছরের পুরাতন একটা মসজিদ পাওয়া গেছে। ৪২ টি গম্বুজ দেখে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ নিশ্চিত হয়েছে উদ্ধারকৃত স্থাপনাটি একটি মসজিদ। কিন্তু ঐ এলাকাটি দখল করে আছে একটি হিন্দু পরিবার তারা যখন দেখেছে মুসলমানরা তাদের মসজিদ ফেরত চাচ্ছে তখন তারা হিন্দু কমিউনিটি ডাক দিয়ে কথিত হিন্দু মহাজোট নামক ব্যানারে দাবি করছে- এটা নাকি হিন্দুদের স্থাপনা।

অথচ হিন্দুদের কোন স্থাপনায় গম্বুজ থাকার প্রশ্নই আসে না, কেবল মুসলমানদের স্থাপনায় এতগুলো গম্বুজ দেখা যায়। খনন কাজে নিয়োজিত পাহাড়পুর কস্টোডিয়ান ছাদেকুজ্জামান জানান, ২৪.৭৬ ও ২০.৫৭ মিটার পরিমাপের ৪২গম্বুজ বিশিষ্ট ৩০টি পিলারের ১২০০খ্রিস্টাব্দে সুলতানি আমলের একটি মসজিদের ভিত্তি নকশা আবিষ্কৃত হয়েছে। তিনি আরও জানান, বাগেরহাটে ষাট গম্বুজ মসজিদ বড় প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন আর পরবর্তীতে যশোরের বারো বাজার সাতগাছিয়া গায়েবানা মসজিদটি দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও ধর্মপাল ইউনিয়নের পাইটকাপাড়া সতীশেরডাঙ্গা এলাকার ৪২ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

অনেক মুসলমান আমাকে ইনবক্সে টেক্সট করে জানিয়েছেন, তারা চান এ মসজিদটি উদ্ধার করতে। কারণ ইসলামী শরীয়ত অনুসারে একটি মসজিদ সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মসজিদ রাখারই নিয়ম অন্য কোনো কিছুই বানানো যাবেনা। সেখানে একটি মসজিদকে হিন্দুরা দখল করে মন্দির বানিয়ে রাখবে কুফুরী আর শিরিকি কাজ করবে, তারা সহ আমাদের মুসলিম উম্মাহর কেউই এটা কিছুতেই মেনে নেবে না।

আমার মনে হয়, সারা বাংলাদেশের মুসলমানদের এ ব্যাপারে এগিয়ে আসা উচিত। কারণ ভারতে বাবরী মসজিদসহ অনেক মসজিদকে ভেঙ্গে হিন্দুরা মন্দির বানিয়েছে, গুজরাটের মূখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তো ঘোষণাই দিয়েছে- 'ভারতের প্রত্যেক মসজিদে মসজিদে শিবের ছেলে গনেশের মূর্তি স্থাপন করা হবে।' (সূত্রঃ http://goo.gl/STAUjq). এখন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের মসজিদগুলোতেও একই কার্যক্রম শুরু করেছে হিন্দুরা।

নীলফামারির ৮০০ বছরের পুরাতন মসজিদ সম্পর্কে জানতে-
১) http://bit.ly/2nc6WeE
২) http://bit.ly/2mx2MRB
৩) http://bit.ly/2mVyl2y
৪) http://bit.ly/2nI8hg7
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: