6.12.2017

আজ ১৭ই রমাদ্বান শরীফ পবিত্র বদর এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মক্কা শরীফ বিজয় দিবস

আজ মহা পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ, যা একই সাথে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রক্ষার সূচনাকারী জিহাদ ঐতিহাসিক বদর দিবস এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজয় পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস। পবিত্র বদর জিহাদ এবং পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের ঘটনাসমূহ প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানদীপ্ত হওয়ার তাৎপর্যমণ্ডিত বিষয়। মুসলমানদের উচিত বদর জিহাদের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের নিয়ামত হাছিল করা

সমস্থ প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যযিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক আর অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক সাইয়্যিদুল মুরসালীনইমামুল মুরসালীননবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবীরসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূলনূরে মুজাসসামহাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেনঃ [ذَكِّرْهُم بِأَيَّىٰمِ ٱللَّهِ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَـٰتٍۢ لِّكُلِّ صَبَّارٍۢ شَكُورٍۢ] (হে হাবীব ছল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি আপনার উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল এবং শোকরগোযার বান্দাদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে। (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)

উল্লেখ্যআজ মাগরিবের পর থেকে শুরু হয়েছে মহিমান্বিতফযীলতপূর্ণঐতিহ্যমন্ডিত ১৭ই রমাদ্বান শরীফ। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ মহিমান্বিত বদর জিহাদ এবং মহাসম্মানিত মক্কা শরীফ বিজয় দিবস। সুবহানাল্লাহ! যা থেকে মুসলমান মাত্রই নছীহত গ্রহণেরসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে উপলব্ধির এবং রহমতবরকতমাগফিরাত ও সাকীনা লাভের অবকাশ অপরিসীম। সুবহানাল্লাহ!

প্রসঙ্গতসাইয়্যিদুল মুরসালীনইমামুল মুরসালীনখাতামুন নাবিইয়ীননূরে মুজাসসামহাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেশুমার মুজিযা শরীফ উনাদের মধ্যে অন্যতম হলো যে ১৭ রমাদ্বান শরীফ তারিখে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ইসলাম উনাকে রক্ষার জিহাদের সূচনা করেনসে একই তারিখে তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বিজয় দান করেন। অর্থাৎ পবিত্র মক্কা শরীফ উনাকে বিজয় করেন। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রায় ৮০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে বদর প্রান্তর’ অবস্থিত। প্রকৃতপক্ষে বদর’ হচ্ছে একটি কূপের নাম। সেখানে এ কূপের নামে একটি গ্রামও আছে। ইয়ালীল’ উপত্যকা ও আকানকাল’ উপত্যকার ঠিক মাঝখানে গ্রামটি অবস্থিত। গ্রামটি লম্বায় প্রায় সাড়ে ৫ মাইল এবং পাশে চার মাইল। পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে এ দূরত্ব ২৫০ মাইল। বদর’ প্রান্তরের পশ্চিমে মাত্র মাইল দশেক দূরেই লোহিত সাগর
প্রসঙ্গত উল্লেখ্যপবিত্র বদর জিহাদে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম উনার প্রতি যে বেমেছাল তাওয়াল্লুক এবং তাওয়াক্কুলের পরিচয় দিয়েছেনতা সর্বকালের ইতিহাসেই বে-নজীর। পবিত্র বদর জিহাদে যাওয়া হবে কিনা- এ প্রসঙ্গে হযরত মিকদাদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সেই চূড়ান্ত সময়ে নাড়া দিয়ে বলে উঠলেন- মহান আল্লাহ পাক উনার কসমইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন ইসলাম দিয়ে পাঠিয়েছেন! আপনি যদি আমাদেরকে আবিসিনিয়ার সেই বাকুলগিমাদ’-এর মতো ভয়ানক অঞ্চলেও নিয়ে যানতবুও আমরা জিহাদ করার জন্য আপনার সঙ্গে যাবো” সুবহানাল্লাহ! সাথে সাথে হযরত সাদ ইবনে মায়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও জযবার চূড়ান্ত আওয়াজ তুললেন- ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মহান আল্লাহ পাক উনার কসমযিনি আপনাকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম সহকারে পাঠিয়েছেনআপনি যদি আমাদেরকে সমুদ্রে নিয়ে যানএরপরও আমরা আপনার সঙ্গে তাতেই ঝাঁপিয়ে পড়বো” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

এদিকে পবিত্র বদর জিহাদে হযরত মহিলা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অবদানও অপরিসীম। যা আজ ইতিহাসে অনালোচিত। যা গভীর আক্ষেপ এবং দুঃখের বিষয়। একজন মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি সবসময় উনার দুই কিশোর পুত্র সন্তান উনাদেরকে উজ্জীবিত করতেন- পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ঘোর শত্রু আবু জেহেলকে হত্যা করতে। পুত্রদের নাম ছিল হযরত মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত মুয়াব্বাজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। মায়ের নছীহত মুতাবিক উনারা জিহাদের ময়দানে দাঁড়িয়ে আবু জাহেলকে খুঁজতে থাকেন। হযরত মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত মুয়াব্বাজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের একান্ত ইচ্ছা উনারা দুই ভাই মিলে আবু জেহেলের মুখোমুখি হবেন। উনারা হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন- চাচাআবু জাহেল কোন্টাহযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি যখন দেখালেন- ওই যে লোকটাসেই হলো আবু জাহেল। বলতে সময় ব্যয় হয়েছেকিন্তু উল্কার বেগে ছুটে যেতে মনে হলো সময় ব্যয় হয়নি। অতর্কিত হামলা চালিয়ে তলোয়ারের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলে দিলেন মাটিতে। বিস্ময়কে হার মানালেন এই দুই জন কিশোর হযরত ছাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনারা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! আর আবু জেহেল আহত পশুর মতো হাত-পা ছুড়ে কাতরাতে কাতরাতে জাহান্নামে চলে যায়। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!

পবিত্র বদর জিহাদে এক হাজার সুসজ্জিত কাফির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মাত্র ৩১৩ জন মতান্তরে ৩১৫ জন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়ল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা জিহাদ করেন। জিহাদের সরঞ্জামের মধ্যে মাত্র ৩টি ঘোড়া৮টি তলোয়ার৬টি বর্ম এবং সামান্য কয়েকজন তীরন্দাজবাকি সকলের জন্য অস্ত্র হিসেবে লাঠিই ছিল একমাত্র সম্বল। তবে এই অসম শক্তির দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ করিয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি দুনিয়াবাসীকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যেপবিত্র দ্বীন ইসলাম কখনোই পরাজিত হবে না সুবহানাল্লাহ!

অপরদিকে কাফিরদের সঙ্গে ছিল একশত অশ্ব ও সরঞ্জাম সম্ভারে বোঝাই সাতশত বা তার চাইতেও অধিক সংখ্যক উট। তদুপরি তাদের ছিল আকাশচুম্বী অহঙ্কার ও গর্ব। তাছাড়া তাদের অশ্বারোহী প্রত্যেকটি সৈনিক ছিল বর্মাচ্ছাদিত এমনকি পদাতিক সৈন্যগণও বর্মধারী ছিল। তাদের সঙ্গে আরো ছিল বাদ্যযন্ত্রসহ যুদ্ধে উন্মাদনা সৃষ্টিকারী একদল গায়িকা ও নর্তকী। দৈনিক তাদের জন্য ১১টি উট যবাই করা হতো। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাফিরদের দাম্ভিকতা দেখে অতিশয় বিনয় সহকারে মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য এবং বিজয় কামনা করে দোয়া করেন। দোয়া শেষে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দীপ্ত কণ্ঠে পাঠ করলেন, [سَيُهْزَمُ ٱلْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ ٱلدُّبُرَ] “শীঘ্রই সৈন্যদলকে পরাস্ত করা হবে এবং তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পলায়ন করবে” (পবিত্র সূরা কামার শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৫)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে জিহাদে মুসলিম বাহিনীর বিজয়ের আগাম মুবারক বার্তা শুনানো হয়েছে

পবিত্র বদর জিহাদে গায়েবী মদদ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন[إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَٱسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّى مُمِدُّكُم بِأَلْفٍۢ مِّنَ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ مُرْدِفِينَস্মরণ করুনআপনারা আপনাদের প্রতিপালক মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া প্রার্থনা করেছিলেনতখন তিনি আপনাদের দোয়া কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেনআমি আপনাদেরকে সাহায্য করবো এক হাজার হযরত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের দ্বারা। যারা একের পর এক আসবেন” (পবিত্র সূরা আনফাল শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৯)

পবিত্র বদর জিহাদের বিজয় আমাদের এ শিক্ষাই দিচ্ছে- বাতিল যত শক্তিশালী হোক না কেনআমরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেমহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম মেনেঐক্যবদ্ধভাবে বাতিলের সামনে রুখে দাঁড়াই তাহলে পৃথিবীর যে কোনো অপশক্তিই ঈমানদারদের কাছে পরাজিত হতে বাধ্য। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, [وَلَا تَهِنُوا۟ وَلَا تَحْزَنُوا۟ وَأَنتُمُ ٱلْأَعْلَوْنَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ] “তোমরা নিরাশ হয়ো নাচিন্তিত হয়ো নাতোমরাই বিজয়ী হবেযদি তোমরা মুমিন হয়ে থাকো (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩৯)

সাইয়্যিদুল মুরসালীনইমামুল মুরসালীননূরে মুজাসসামহাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বাস্তব প্রতিফলন দেখিয়েছেন পবিত্র মক্কা শরীফ উনাকে বিজয় করে। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

হুদাইবিয়ার সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করে মুসলমানগণ উনাদের মিত্র গোত্র বনু খুজায়া’ গোত্রের লোকদের হত্যা করতে কুরাইশ কাফিররা অংশ নেয়। এমনকি পবিত্র কাবা শরীফ উনার মধ্যে আশ্রয় নিয়েও বনু খুজায়া’ গোত্রের লোকরা প্রাণ বাঁচাতে পারেনি। এইভাবে কুরাইশ কাফিররা হুদাইবিয়ার চুক্তি ভঙ্গ করলে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূলনূরে মুজাসসামহাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের সিদ্ধান্ত নেন

পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মধ্যে প্রবেশের মুহূর্তেই কুরাইশ কাফিরদের আত্মা কেঁপে উঠেতারা ভাবতে শুরু করে এতদিনের অত্যাচারের সামান্যতম বদলাও যদি নেয়া হয়তবে একটি কাফিরেরও নিস্তার নেই। ভয়ে কম্পমান কাফিরদের এ অবস্থা দেখে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেনআজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো প্রতিশোধ নেই। চিহ্নিত কয়েকজন ছাড়া সবাইকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাধারণ ক্ষমা করে দিলেন। মুসলমানগণ উনাদের এহেন আচরণে দলে দলে কুরাইশরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে আশ্রয় নিলেন। বিনা রক্তপাতে সংঘটিত হলো পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের মতো একমাত্র ঐতিহাসিক বিজয়। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের এ শিক্ষা আমাদের মধ্যে আজ অনুপস্থিত। পরাজিতদুর্বলদের প্রতি বিজয়ী ও শাসকের খড়গ কৃপাণ আমরা দেখে আসছি অহরহ

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কাবা শরীফ উনার মধ্যে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম মূর্তিগুলোকে বাইরে ছুঁড়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন। তখন পবিত্র কাবা শরীফ গৃহে ৩৬০টি মূর্তি বিদ্যমান ছিলো। পবিত্র কাবা শরীফ উনার দেয়ালে ছিলো নানারূপ চিত্র তথা ছবি অংকিত। এর সবই নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হলো। এভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র ঘর উনাকে শিরকের নোংরামি ও অপবিত্রতা থেকে মুক্ত করা হলো। এ ঘটনা থেকে ছবি ও মূর্তির বিরুদ্ধে বর্তমান মুসলমানদের নছীহত গ্রহণ করা উচিত

অপরদিকে পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় সম্পন্ন হবার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন

নিচে ৩১৩ জন পবিত্র সম্মানিত বদরী সাহাবী রাজিয়াল্লাহু আনহুম ওয়ারাজু আনহুর নাম দেওয়া হলো।

মুহাজির সাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা।

১. হযরত সিদ্দিকে আক্ববর আলাইহিস সালাম।
২. হযরত ফারুক আজম আলাইহিস সালাম।
৩. হযরত যুন্নুরাইন আলাইহিস সালাম।
৪. হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম।
৫. হযরত হামজা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬. হযরত যায়েদ বিন হারেছা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭. হযরত আবু কাবশাহ সুলাইম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮. হযরত আবু মারছাদ গানাভী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯. হযরত মারছাদ বিন আবু মারছাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০. হযরত উবাইদা বিন হারেছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১. হযরত তোফায়েল বিন হারেছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২. হযরত হুসাইন বিন হারেছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩. হযরত আউফ বিন উসাসা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪. হযরত আবু হুযায়ফা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫. হযরত ছালেম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬. হযরত সুহইব বিন সিনান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮. হযরত উক্বাশা বিন মিহসান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯. হযরত শুজা বিন ওহাব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০. হযরত ওতবা বিন রবীয়াহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১. হযরত ইয়াযীদ বিন রুকাইশ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২. হযরত আবু সিনান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩. হযরত সিনান বিন আবু সিনান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪. হযরত মুহরিয বিন নাজলা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫. হযরত রবীআ বিন আক্সাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬. হযরত হাতেব বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭. হযরত মালেক বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮. হযরত মিদ্লাজ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯. হযরত সুওয়ায়েদ ইবনে মাখশী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০. হযরত উৎবাবিন গাযওয়ান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩১. হযরত জুবাইর বিন আউওয়াম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩২. হযরত হাতেব বিন আবিবাল তায়াহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩৩. হযরত সাদ বিন খাওলা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩৪. হযরত মুসআব বিন উমায়ের (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩৫. হযরত মাসউদ বিন সাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩৬. হযরত আঃ রহমান বিন আউফ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩৭. হযরত সাদ বিন আবু উবায়দা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩৮. হযরত উমায়ের বিন আবি ওয়াক্কাস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩৯. হযরত মিক্বদাদ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাসউদ(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪১. হযরত মাসউদ বিন রাবীয়া (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪২. হযরত যুশ্ শিমালাইন (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪৩. হযরত খাব্বাব বিন আরাত (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪৪. হযরত বিলাল বিন রবাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪৫. হযরত আমের বিন ফুহায়রা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪৬. হযরত ছুহাইব বিন সিনান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪৭. হযরত তালহা বিন উবাইদুল্লাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪৮. হযরত আবু সালমা বিন আব্দুল আসাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৪৯. হযরত শাম্মাস বিন উসমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫০. হযরত আকরাম বিন আবুল আকরাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫১. হযরত আম্মার বিন ইয়াছির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫২. হযরত মুআত্তিব বিন আউফ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫৩. হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫৪. হযরত আমর বিন সুরাকা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫৫. হযরত ওয়াকেদ বিন আব্দুল্লাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫৬. হযরত খাওলা বিন আবু খাওলা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫৭. হযরত আমের বিন রবীআহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫৮. হযরত আমের বিন হারিছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৫৯. হযরত আমের বিন আব্দুল্লাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬০. হযরত খালেদ বিন বুকাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬১. হযরত ইয়ায বিন গানাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬২. হযরত সাঈদ বিন যায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬৩. হযরত উসমান বিন মাজউন (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬৪. হযরত সাইব বিন উসমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬৫. হযরত কুদামা বিন মাজউন (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাজউন (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬৭. হযরত মামার বিন হারেছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬৮. হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাখ্রামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭০. হযরত খাব্বাব মাওলা উৎবা বিন গযওয়ান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭১. হযরত আবুস্ সাইব উসমান বিন মাজউন (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭২. হযরত আমর বিন আবু সারাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭৩. হযরত সাকাফ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭৪. হযরত মুজায্যার বিন যিয়াদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭৫. হযরত খাব্বাব ইবনুল মুনযির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭৬. হযরত উমায়ের বিন আবীওয়াক্কাছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭৭. হযরত মিকদাদ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭৮. হযরত নোমান বিন আসার বিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৭৯. হযরত মিহ্জা’ মাওলা উমর ফারুক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮০. হযরত ওহাব বিন আবীসারাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)

আনসার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা।

৮১. হযরত সাদ বিন মুআজ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮২. হযরত আমর বিন মুআজ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮৩. হযরত হারেস বিন আউস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮৪. হযরত হারেস বিন আনাস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮৫. হযরত আব্বাদ বিন বিশর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮৬. হযরত সালামা বিন সাবেত (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮৭. হযরত হারেস বিন খাযামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮৮. হযরত মুহাম্মদ বিন মাসলামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৮৯. হযরত সালামা বিন আসলাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯০. হযরত উবায়েদ বিন তাইয়িহান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯১. হযরত কাতাদা বিন নোমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯২. হযরত উবায়েদ বিন আউস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯৩. হযরত নসরবিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন তারেক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯৫. হযরত আবু আব্স বিন জব্র (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯৬. হযরত আবু বুরদাহ্হানী বিন নিয়্যার (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯৭. হযরত আসেম বিন সাবেত (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯৮. হযরত মুআত্তিব বিন কুশাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৯৯. হযরত আমর বিন মাবাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০০. হযরত সাহল বিন হুনাইফ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০১. হযরত মুবাশ্শির বিন আব্দু লমুনযির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০২. হযরত রিফায়া বিন আঃ মুনযির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০৩. হযরত খুনাইস বিন হুযাফা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০৪. হযরত আবু সাবরা কুরাইশী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সালামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সুহাইল (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০৭. হযরত সাদ বিন মুয়ায (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০৮. হযরত উমায়ের বিন আউফ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১০৯. হযরত আমের বিন সালামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১০. হযরত ছফওয়ান বিনওহাব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১১. হযরত ইয়ায বিন বুকাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১২. হযরত সাদ বিন উবায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১৩. হযরত উওয়াইম বিন সায়েদাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১৪. হযরত রাফে বিন আনজাদা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১৫. হযরত উবায়েদ বিন আবু উবয়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১৬. হযরত সালাবা বিন হাতেব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১৭. হযরত আবু লুবাবাহ আব্দুল মুনযির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১৮. হযরত হারেস বিন হাতেব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১১৯. হযরত আসেম বিন আদী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২০.হযরত আনাছবিন কাতাদা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২১. হযরত মায়ান বিনআদী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২২. হযরত সাবেত বিন আকরাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন ছাহল (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২৪. হযরত যায়েদ বিন আসলাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২৫. হযরত রিব্য়ী বিন রাফে’ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২৬. হযরত সাদ বিন যায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২৭. হযরত সালমা বিন সালামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন যায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১২৯. হযরত আসেম বিন কায়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩০. হযরত আবুস্ সয়্যাহ বিন নোমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩১. হযরত আবু হাব্বাহ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩২. হযরত হারেস বিন নোমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩৩. হযরত খাওয়াত বিন যুবাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩৪. হযরত মুনযির বিন মুহাম্মদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩৫. হযরত আবু আকীল আব্দুর রহমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩৬. হযরত আবু দুজানা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩৭. হযরত সাদ বিন খায়সামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩৮. হযরত মুনযির বিন কুদামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৩৯. হযরত মালেক বিন কুদামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪০. হযরত হারেস বিন আরফাজা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪১. হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪২. হযরত মালেক বিন নুমায়লা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪৩. হযরত খারেজা বিন যায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪৪. হযরত সাদ বিন রবী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন রাওয়াহা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪৬. হযরত বশির বিন সাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪৭. হযরত সিমাক বিন সাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪৮. হযরত সুবাঈ বিন কায়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৪৯. হযরত আব্বাদ বিন কায়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫০. হযরত ইয়াযিদ বিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫১. হযরত খোবায়ের বিন য়াসাফ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫২. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫৩. হযরত হারিস বিন যিয়াদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫৪. হযরত তামীম বিন য়ায়ার(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উমায়ের (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫৬. হযরত যায়েদ বিন মুযাইন (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উরফুতাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন রবী’ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৫৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দুল্লাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬০. হযরত আউস বিন খাওলা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬১. হযরত যায়েদ বিন উবায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬২. হযরত উকবাহ বিন ওহাব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬৩. হযরত রিফাআহ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬৪. হযরত উসায়ের বিন আসর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬৫. হযরত মাবাদ বিন আব্বাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬৬. হযরত আমের বিন বুকাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬৭. হযরত নওফল বিন আব্দুল্লাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬৮. হযরত উবাদা বিন সামেত (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৬৯. হযরত নোমান বিন মালেক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭০. হযরত সাবেত বিন হায্যাল (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭১. হযরত মালেক বিন দুখশুম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭২. হযরত রবী বিন ইয়াছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭৩. হযরত ওয়ারাকা বিন ইয়াছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭৪. হযরত আমর বিন ইয়াছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭৫. হযরত আমর বিন কয়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭৬. হযরত ফাকেহ বিন বিশর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭৭. হযরত নওফল বিন সালাবা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সালাবা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৭৯. হযরত মুনযির বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮০. হযরত আবু উসায়েদ মালেক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮১. হযরত মালেক বিন মাসউদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮২. হযরত আবদে রাব্বিহি (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮৩. হযরত কাব বিন জাম্মায (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮৪. হযরত জমরাহ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮৫. হযরত যিয়াদ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮৬. হযরত হুবাব বিন মুনযির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮৭. হযরত উমায়ের বিন হারাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮৮. হযরত উমায়ের বিন হুমাম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৮৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯০. হযরত মুআজ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯১. হযরত মুয়াজ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯২. হযরত খাল্লাদ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯৩. হযরত উকবাহ্ বিন আমের (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯৪. হযরত সাবেত বিন খালেদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯৫. হযরত বিশর বিন বারা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯৬. হযরত তোফায়েল বিন মালেক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯৭. হযরত তোফায়েল বিন নোমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯৮. হযরত সিনান বিন সাঈফী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
১৯৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০০. হযরত উৎবা বিন আব্দুল্লাহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০১. হযরত জাব্বার বিন সাখর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০২. হযরত খারেজা বিন হিময়ার (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন হুমায়্যির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০৪. হযরত ইয়াযিদ বিন মুনযির (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন নোমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০৬. হযরত জহহাক বিন হারেসা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০৭. হযরত আসওয়াদ বিন যুরাইক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০৮. হযরত মাবাদ বিন কায়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২০৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস খালেদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দে মানাফ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১১. হযরত খালিদ বিন কায়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১২. হযরত সুলাইম বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১৩. হযরত কুতবা বিন আমের (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১৪. হযরত আন্তারা মাওলা বনী সুলাইম (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১৫. হযরত আব্স বিন আমের (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১৬. হযরত সালাবা বিন আনামা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১৭. হযরত আবুল য়াসার বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১৮. হযরত উবাদা বিন কয়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২১৯. হযরত আমর বিন তালক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২০. হযরত মুআজ বিন জাবাল (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২১. হযরত কয়েস বিন মুহসান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২২. হযরত হারেস বিন কয়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২৩. হযরত সাদ বিন উসমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২৪. হযরত উকবা বিন উসমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২৫. হযরত জাকওয়ান বিন আবদেকয়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২৬. হযরত মুআজ বিন মায়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২৭. হযরত আয়েজ বিন মায়েজ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২৮. হযরত মাসউদ বিন সাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২২৯. হযরত রিফাআ বিন রাফে’ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩০. হযরত খাল্লাদ বিন রাফে’ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩১. হযরত উবায়েদ বিন যায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩২. হযরত যিয়াদ বিন লাবীদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩৩. হযরত ফারওয়াহ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩৪. হযরত আতিয়্যা বিন নুওয়াইরা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩৫. হযরত খলিফা বিন আদী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩৬. হযরত উমারা বিন হাময (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩৭. হযরত সুরাকা বিন কাব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩৮. হযরত হারেসা বিন নোমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৩৯. হযরত সুলাইম বিন কয়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪০. হযরত সুহাইল বিন কয়েস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪১. হযরত আদী বিন আবুয্ যাগ্বা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪২. হযরত মাসউদ বিন আউস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪৩. হযরত আবু খুজাইমাহ্ বিন আউস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪৪. হযরত রাফে’ বিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) 
৪৫. হযরত মুয়াজ বিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪৬. হযরত নোমান বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪৭. হযরত আমের বিন মুখাল্লাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪৮. হযরত উসাইমা আশযায়ী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৪৯. হযরত ওদীআহ বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫০. হযরত আবুল হামরা মাওলা হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫১. হযরত সালাবা বিন আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫২. হযরত সুহাইল বিন আতীক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫৩. হযরত হারেস বিন আতীক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫৪. হযরত হারেস বিন ছিম্মাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫৫. হযরত উবাই বিন কাব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫৬. হযরত আনাস বিন মুআজ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫৭. হযরত আউস বিন সামেত (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫৮. হযরত আবু তালহা যায়েদ বিন ছাহল (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৫৯. হযরত হারেসা বিন সুরাকা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬০. হযরত আমর বিন সালাবা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬১. হযরত সাবেত বিন খানছা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬২. হযরত আমের বিন উমাইয়াহ্ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬৩. হযরত মুহরিজ বিন আমের (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬৪. হযরত সাওয়াদ বিন গাযিয়্যাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬৫. হযরত আবু যায়েদ কয়েস বিন সাকান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬৬. হযরত আবুল আওয়ার বিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬৭. হযরত হারাম বিন মিলহান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬৮. হযরত কয়েস বিন আবী সাসা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কাব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭০. হযরত উসাইমা আসাদী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭১. হযরত আবু দাউদ উমাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭২. হযরত সুরাকা বিনআমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭৩. হযরত কয়েস বিন মাখলাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭৪. হযরত নোমান বিন আব্দে আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭৫. হযরত জহ্হাক বিন আব্দে আমর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭৬. হযরত সুলাইম বিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭৭. হযরত জাবের বিন খালেদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭৮. হযরত সাদ বিন সুহাইল (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৭৯. হযরত কাববিন যায়েদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮০. হযরত বুজাইর বিন আবিবুজাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮১. হযরত ইৎবান বিন মালেক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮২. হযরত মুলাইল বিন ওবারাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮৩. হযরত হেলাল বিন মুআল্লাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮৪. হযরত আনাছাহ আল হাবাশী(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮৫. হযরত বাহ্হাস বিন সালাবা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮৬. হযরত জাব্র বিন আতীক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮৭. হযরত আবু আয়্যুব আনছারী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮৮. হযরত খিরাশ ইবনুস সিম্মাহ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৮৯. হযরত খুরাইম বিন ফাতেক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯০. হযরত খুবাইব বিন ইছাফ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯১. হযরত খুবাইব বিন আদী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯২. হযরত খিদাশ বিন কাতাদা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯৩. হযরত খালেদ বিন সুওয়াইদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯৪. হযরত রাফে’ বিনআল মুআল্লা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯৫. হযরত রুখায়লা বিন সালাবা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯৬. হযরত সাব্রা বিন ফাতেক(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯৭. হযরত সুহাইল বিন রাফে’ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯৮. হযরত সুওয়াইবিত বিন হারমালা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
২৯৯. হযরত তুলাইব বিন উমাইর (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০০. হযরত উবাদা বিন খাশখাশ কুজায়ী (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০১. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জুবাইর বিন নোমান (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০২. হযরত আবু সালামা বিন আব্দুল আসাদ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্স (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উনায়েছ(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০৫. হযরত উবাইদ বিন সালাবা(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০৬. হযরত উমায়ের বিন নিয়ার(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০৭. হযরত মালেক বিন আবীখাওলা(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০৮. হযরত মালেক বিন কুদামা(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩০৯. হযরত মুরারা বিন রবী’ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩১০. হযরত মাসউদ বিন খাল্দাহ(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩১১. হযরত মুআজ বিন হারেস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩১২. হযরত মাকিল বিন আল মুনযির(রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)
৩১৩. হযরত নোমান বিন আছার বিন হারেছ (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)

প্রসঙ্গত উল্লেখ্যআজ মাগরিবের পর থেকে শুরু হয়েছে মহিমান্বিত ১৭ই রমাদ্বান শরীফ তথা বেমেছাল ঐতিহ্যবাহী ও ফযীলতযুক্ত বদর জিহাদ দিবস’ ও পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস। এ সুমহান দিবসের ফযীলত হাছিলে তাই আমাদের উচিত পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দিকে প্রত্যাবর্তন করা। তাহলেই আমরা শোষিত ও নির্যাতিত না হয়ে বরং সোনালী ঐতিহ্য ফিরে পাবো। ইনশাআল্লাহ! ইনশাআল্লাহ! ইনশাআল্লাহ!

মূলতএসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েজতাওয়াজ্জুহ। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদযামানার মুজাদ্দিদমুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: