6.14.2017

মুমিন মুসলমান মাত্রই মূর্তি বিরোধী, কিন্তু ম্যানিকিন বিরোধী না কেন? তবে কি ম্যানিকিন মূর্তি নয়? কেউকি উত্তর দেবেন?

সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রীম কোর্টের সামনে মূর্তির বিরুদ্ধে মুসলমানরা অনেক আন্দোলন করেছে ফেসবুকেও লাখ লাখ স্ট্যাটাস এসেছে মূর্তির বিরুদ্ধেটকশোতেও নিজেকে মুসলিম আলেম দাবিকারি অনেকে বলেছে- ইসলামে যেকোনো ধরনের মূর্তি হউক তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

তবে মূর্তি নিয়ে মুসলমানরা আন্দোলন করলেও ঈদ সহ ১২ মাসের মার্কেটে যে ম্যানিকন নামক মূর্তি দেখা যায়, সেটা নিয়ে মুসলমানদের কোন উচ্চ-বাচ্চ দেখা যায় নাবরং ঈদ উপলক্ষে আরো বেশি ম্যানিকিন লক্ষ্য করা যায় শপিংমলগুলোতে নাউযুবিল্লাহ!!!

মূর্তি যদি পবিত্র দ্বীন ইসলামে নিষিদ্ধ হয় এবং ঈদ যদি মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব হয়, তবে ঈদের মার্কেটগুলোতে ম্যানিকিন থাকে কিভাবে? এটাই আমার প্রশ্ন সমস্থ কুরআন সুন্নাহর অনুসারীদের কাছে?

অথচ খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিন বলেন, হে আমার হাবীব সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি তাদের [قُلْ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ ۖ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلْكَـٰفِرِينَ] বলুন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য করো আর একথা বলার পরেও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয় মহান আল্লাহ পাক তাদের মতো কাফিরদেরকে ভালবাসেন না। (সূরা আলে-ইমরান শরীফঃ আয়াত শরীফ ৩২)

তাহলে দেখা গেলো খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন এবং সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন খতামান্নাবিঈন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করা ফরজ। আর এই ব্যপারে খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো পরিষ্কার করে বলেছেন পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে। খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেনঃ [وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍۢ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥٓ أَمْرًا أَن يَكُونَ لَهُمُ ٱلْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ ۗ وَمَن يَعْصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَـٰلًۭا مُّبِينًۭا] মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনারা কোনো কাজের আদেশ করলে কোনো ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে এই অধিকার নেই যে, তারা মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ অমান্য করেআর যারাই মহান আল্লাহ পাক ও  উনার রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাফরমানী করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়। (সূরা আহযাব শরীফঃ আয়াত শরীফ ৩৬)

তাহলে দেখা গেলো শুধু মহান আল্লাহ পাক নয় রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য করাও ফরজ আর যে লোক নিজেকে মুমিন মুসলমান দাবি করবে সে কখনই রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুকুম অমান্য করবেনা আর যে লোক রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুকুম অমান্য করবে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেনঃ [كُلِّ أُمَّتِيْ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ إِلَّا مَنْ أَبَىْ  قَالُوْا وَمَنْ يَأْبَىْ  قَالَ  مِنَ أَطَاعَنِيْ دَخَلَ الْجَنَّةَ وَمَنْ عَصَانِيْ فَقَدْ أَبَىْ] আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন যেঃ আমার প্রতিটি উম্মত জান্নাতে যাবেতবে যে অস্বীকার করে সে নয়সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা বললেন হে মহান আল্লাহ পাক উনার রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অস্বীকারকারী কে? নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বললেন, যে আমার অনুকরণ করল সে জান্নাতে যাবেআর যে আমার নাফরমানী করল, সে-ই অস্বীকারকারী। (বুখারী শরীফ)

এখন উপরের কুরআন হাদিস থেকে যা পেলাম তা হলো, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমাদেরকে মুসলমান হিসেবে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কাউন্ট হতে হলে, মহান আল্লাহ পাক এবং রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হুকুম অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে নিজের খেয়াল খুশি মতো চলা যাবেনা। যদি কেউ চলে তাহলে সে নিজেকে মুসলিম মনে করলেও কাফের মুশরেক ফাসেক ফুজ্জার হিসেবে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কাউন্ট হবে।

এবার দেখি আমরা কতটুকু মহান আল্লাহ পাক এবং রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হুকুম মেনে চলছি। মূর্তির ব্যপারে মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেনঃ [يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ] হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, মূর্তি এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য ব্যতিত কিছুই নয়অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাকো-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও। (সূরা মায়িদা শরীফঃ আয়াত শরীফ ৯০) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো বলেনঃ [ذَٰلِكَ وَمَن يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّـهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُ عِندَ رَبِّهِ ۗ وَأُحِلَّتْ لَكُمُ الْأَنْعَامُ إِلَّا مَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ ۖ فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ] এটা শ্রবণযোগ্যআর কেউ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানযোগ্য বিধানাবলীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে তার পালনকর্তার নিকট তা তার জন্যে উত্তম বলে গন্য হবেউল্লেখিত ব্যতিক্রমগুলো ছাড়া তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছেসুতরাং তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথাবার্তা থেকে দূরে সরে থাক। (সূরা হজ্জ শরীফঃ আয়াত শরীফ ৩০)

মহান আল্লাহ পাক তিনি উপরের আয়াত শরীফে সরাসরি মূর্তি নামক অপবিত্র হারাম জিনিস থেকে বিরত থাকতে বলেছেন উপরের আয়াত শরীফে আনছাবশব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে মূর্তিসূতরাং দেখা গেলো মূর্তি হচ্ছে শয়তানের অপবিত্রতা বা সর্বচ্চো হারাম কাজআর মুসলামান মাত্রই শয়তানের অপবিত্রতা থেকে বিরত থাকতে হবে মুমিন থাকতে হলেআর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেনঃ [عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ اُمَامَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ بَعَثَنِىْ رَحْمَةً لِّلْعَالَـمِيْنَ وَهُدًى لِّلْعَالَـِمْيَن وَاَمَرَنِىْ رَبِّىْ عَزَّ وَجَلَّ بِمَحْقِ الْـمَعَازٍفِ وَالْـمَزَامِيْرِ وَالْاَوْثَانِ وَالصَّلِيْبِ وَاَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ] হযরত আবূ উমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিততিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ্ পাক তিনি আমাকে প্রেরণ করেছেন সমস্ত জাহানের জন্য রহমতস্বরূপ এবং হিদায়েতস্বরূপআর আমাকে আদেশ মুবারক করেছেন বাদ্যযন্ত্র, বাঁশী, মূর্তি তথা ভাস্কর্য, ক্রুশ ও জাহিলী কাজসমূহ ধ্বংস করার জন্য(মুসনাদে আহমদ শরীফ) শুধু তাই নয় রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেনঃ [عَنْ حَضْرَتْ مُجَاهِد رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بُعِثْتُ لِكَسْرِ الْمَزَامِيْرِ وَالْاَصْنَامِ] হযরত মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি বাদ্যযন্ত্র ও মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য ধ্বংস করার জন্য তথা ভেঙ্গে ফেলার জন্য প্রেরিত হয়েছি” (তাফসীরে রুহুল বয়ান, তাফসীরে আযীযী ১ম খন্ড) আর এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেঃ [عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَـمَّا رَاَى الصُّوَرَ فِى الْبَيْتِ لَـمْ يَدْخُلْهُ حَتَّى اَمَرَ بِهَا فَمُحِيَتْ] হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র বায়তুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বিভিন্ন প্রতিকৃতি তথা ছবি বা ভাস্কর্য দেখলেন, তখন তা মুছে ফেলা তথা নিচিহ্ন করার নির্দেশ মুবারক দিলেনপ্রতিকৃতিগুলো মুছে ফেলার আগ পর্যন্ত তিনি পবিত্র কাবা শরীফ উনার ভিতরে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেননি(বুখারী শরীফ) অপর এক হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেঃ [عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ حَضْرَتْ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَهُوَ بِالْبَطْحَاءِ اَنْ يَّأْتِىَ الْكَعْبَةَ فَيَمْحُوْ كُلَّ صُوْرَةٍ فِيْهَا فَلَمْ يَدْخُلْهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى مُـحِيَتْ كُلُّ صُوْرَةٍ فِيْهَا] হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, “পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আযম আলাইহিস সালাম উনাকে নির্দেশ মুবারক দিলেন- যেন তিনি পবিত্র কাবা শরীফ উনার ভিতরের সব মূর্তি-ছবি বা ভাস্কর্য নিচিহ্ন তথা নষ্ট করে দেনঅতঃপর মূর্তি-ছবি বা ভাস্কর্য নিচিহ্ন বা নষ্ট করার আগে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কাবা শরীফ উনার ভিতর তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেননি। (আবু দাউদ শরীফ, বায়হাকী শরীফ) আরো বিস্থারিত দলীল এখানে।

উপরোক্ত হাদীছ শরীফ গুলো উনাদের মাধ্যমে অকাট্য ভাবে প্রামানিত হলো যে সর্ব প্রকার প্রাণীর ছবি, মূর্তি-ভাস্কর্য, প্রতিমা, প্রতিকৃতি, পুতুল, ম্যানিকেন আঁকা, রাখা, অংকন করা, তোলা, তোলানো, নির্মান করা-করানো, বানা-বানানো, প্রস্তুত করা-করানো সম্পূর্ণরুপে হারাম-নাজায়িয ও কাট্টা কুফরীযা ভেঙ্গে ফেলা, বিলীন করা, নিচিহ্ন করে দেয়া খাছ সুন্নত তো অবশ্যই এমন কি ফরযে আইন উনার অন্তভুর্ক্তকেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাক্বীক্বী ভাবে অনুসরন, অনুকরন করা খাছ সুন্নত তো অবশ্যই সাথে সাথে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাধ্যমে তা ফরয়ে আইন করে দেয়া হয়েছে সূতরাং দেখা গেলো মূর্তি সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার ফয়সালা অনুযায়ী হারামকেউ দ্বিমত করলেই মুরতাদ হবে

শুধু নিজে বেচে থাকলে হবেনা বরং সকলের উপর ফরজ হচ্ছে সারা দেশ থেকে সমস্থ ধরনের মূর্তি বিলিন করা। আর যারা ক্ষমতা থাকার পরেও এহেন কুফুরি শিরকি কাজের প্রতিবাদ করবেনা তাদের ঈমানের অবস্থান হাদিস শরীফ অনুসারে কোথায় অবস্থান করছে দেখে নিনঃ আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোনো অন্যায়/গর্হিত কাজ হতে দেখবে, সে যেনো তা তার নিজ হাত দ্বারা তার প্রতিবাদ করেযদি (তাতে) ক্ষমতা না রাখে, তাহলে নিজ জিভ দ্বারা (উপদেশ দিয়ে পরিবর্তন করে)যদি (তাতেও) সামর্থ্য না রাখে, তাহলে অন্তর দ্বারা (ঘৃণা করে)আর এ হল সবচেয়ে দুর্বল ঈমান

হাদিস শরীফ সুত্রঃ [বুখারী শরীফ ৯৫৬, মুসলিম শরীফ ৪৯, তিরমিযী শরীফ ২১৭২, নাসায়ী শরীফ ৫০০৮, ৫০০৯, আবূ দাউদ শরীফ ১১৪০, ৪৩৪০, ইবনু মাজাহ শরীফ ১২৭৫, ৪০১৩, আহমাদ শরীফ ১০৬৮৯, ১০৭৬৬, ১১০৬৮, ১১১০০, ১১১২২, ১১১৪৫, ১১৪৬৬, দারেমী শরীফ ২৭৪০১]

এখন নিজেই নিজের ঈমানকে চেক করে নিন তা কোন লেবেলে বর্তমানে অবস্থান করছে এবং সিদ্বান্ত নিন ম্যানিকিন নামক মূর্তি সহ সমস্থ প্রাণীর ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদ আপনি করবেন কি করবেন না।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: