7.03.2017

ইসলাম ধর্মের নামে কুৎসা রটনা করার নাম কি বাক স্বাধীনতা সুপ্রীতি ধরদের?

আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম? ছবির সোনাগাছির পতিতাটাকে দেখে নেন, যার নাম সুপ্রীতি ধর এই বুড়ো বয়সে শরীর বেচতে সক্ষম না হয়য়ায় এখন সে ইসলাম অবমাননা করে পয়সা কামানোর ফন্দি করেছে। সুপ্রীতি ধর রাস্তার ফোর্থ ক্লাস রেন্ডি সে অতি সুকৌশলে মুসলমানদের প্রানপ্রিয় নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নামে জঘন্য অশ্লীল ভাষার সাথে ব্যাঙ্গচিত্র পোষ্ট করেছে এই বাংলাদেশে থেকেই সূত্র:- http://archive.is/JqD0w

যেটা আগেই প্রকাশ করেছে দাড়িপাল্লা আইডির আড়ালে আরেক জঘন্য উগ্র হিন্দু প্রিয় পাঠক! আপনারাই বলুন, আজকে যদি এই সুপ্রীতি রেন্ডির মা বাবার নামে আপনারা কিছু বলতেন তবে কি এই রেন্ডি চুপচাপ বসে থাকতো? না বরং মামলা করতোতবে সে যে বাংলাদেশ সহ সমস্ত জাহানের মুসলমানদের প্রাণের নবী রসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নামে অবমাননা করলো তখন মুসলমানদের কষ্ট হয় না? তখন মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় না?

তখন কেন প্রস্টিটিউট জারজ মিডিয়াগুলো চুপ থাকে? কাদেরকে খুশি করার জন্য? মালুদেরকে? পাবলিক এখন সব বুঝে

এই বুড়ি রেন্ডিটা বাংলাদেশেই থাকে রাসুলে খোদা হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে অবমাননাকারীর শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদন্ড তাই সরকার যদি নিজে না দেয় তাহলে একে যেখানেই পাবেন সেখানেই গণধোলাই দিয়ে মেরে ফেলুন

পবিত্র হাদিস শরীফে বর্ণীত হয়েছেঃ [عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ يَهُودِيَّةً، كَانَتْ تَشْتِمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَتَقَعُ فِيهِ فَخَنَقَهَا رَجُلٌ حَتَّى مَاتَتْ فَأَبْطَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَمَهَا] হযরত আলী ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিততিনি বলেনঃ জনৈক ইয়াহূদী নারী নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার প্রতি কটুক্তি ও গালি-গালাজ করতোএ কারণে কোন এক ব্যক্তি শ্বাসরুদ্ধ করে তাকে মেরে ফেলেরাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ নারীর খুনের বদলা বাতিল বলে ঘোষণা করেন। (সুনানে আবু দাউদ শরীফঃ কিতাবুল হুদুদ- হাদীস শরীফ নং ৪৩১১)

হাদীছ শরীফে আরো বর্ণিত আছেঃ [قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ أَعْمَى، كَانَتْ لَهُ أُمُّ وَلَدٍ تَشْتُمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَتَقَعُ فِيهِ فَيَنْهَاهَا فَلاَ تَنْتَهِي وَيَزْجُرُهَا فَلاَ تَنْزَجِرُ - قَالَ - فَلَمَّا كَانَتْ ذَاتَ لَيْلَةٍ جَعَلَتْ تَقَعُ فِي النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَتَشْتِمُهُ فَأَخَذَ الْمِغْوَلَ فَوَضَعَهُ فِي بَطْنِهَا وَاتَّكَأَ عَلَيْهَا فَقَتَلَهَا فَوَقَعَ بَيْنَ رِجْلَيْهَا طِفْلٌ فَلَطَخَتْ مَا هُنَاكَ بِالدَّمِ فَلَمَّا أَصْبَحَ ذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَمَعَ النَّاسَ فَقَالَ " أَنْشُدُ اللَّهَ رَجُلاً فَعَلَ مَا فَعَلَ لِي عَلَيْهِ حَقٌّ إِلاَّ قَامَ " . فَقَامَ الأَعْمَى يَتَخَطَّى النَّاسَ وَهُوَ يَتَزَلْزَلُ حَتَّى قَعَدَ بَيْنَ يَدَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَا صَاحِبُهَا كَانَتْ تَشْتِمُكَ وَتَقَعُ فِيكَ فَأَنْهَاهَا فَلاَ تَنْتَهِي وَأَزْجُرُهَا فَلاَ تَنْزَجِرُ وَلِي مِنْهَا ابْنَانِ مِثْلُ اللُّؤْلُؤَتَيْنِ وَكَانَتْ بِي رَفِيقَةً فَلَمَّا كَانَتِ الْبَارِحَةَ جَعَلَتْ تَشْتِمُكَ وَتَقَعُ فِيكَ فَأَخَذْتُ الْمِغْوَلَ فَوَضَعْتُهُ فِي بَطْنِهَا وَاتَّكَأْتُ عَلَيْهَا حَتَّى قَتَلْتُهَا . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَلاَ اشْهَدُوا أَنَّ دَمَهَا هَدَرٌ]
বাংলা অর্থঃ হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিততিনি বলেন, কোন এক অন্ধ ব্যক্তির (সাহাবী) একটি দাসী ছিলসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে বেয়াদবিসূচক কথাবার্তা বলতোসে অন্ধ ব্যক্তি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতেন, কিন্তু সে তা মানতো নাসে ব্যক্তি তাকে ধমকাতেন, তবু সে তা থেকে বিরত হতো নাএমতাবস্থায় এক রাতে যখন সে দাসী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে অমর্যাদাকর কথাবার্তা বলতে থাকে, তখন ঐ অন্ধ সাহাবী একটি ছোরা নিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে, যার ফলে সে দাসী মারা যায়এ সময় তার এক ছেলে তার পায়ের উপর এসে পড়ে, আর সে যেখানে বসে ছিল, সে স্থানটি রক্তাপ্লুত হয়ে যায়পরদিন সকালে এ ব্যাপারে যখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আলোচনা হয়, তখন তিনি সকলকে একত্রিত করে বলেন, আমি আল্লাহ্‌র নামে শপথ করে এ ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই এবং ইহা তার জন্য আমার হক স্বরূপতাই, যে ব্যক্তি তাকে হত্যা করেছে, সে যেন দাঁড়িয়ে যায়সে সময় অন্ধ লোকটি লোকদের সারি ভেদ করে প্রকম্পিত অবস্থায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে গিয়ে বসে পড়ে এবং বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি তার হত্যাকারীসে আপনার সম্পর্কে কটুক্তি ও গালি-গালাজ করতোআমি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতাম ও ধমকাতামকিন্তু সে তার প্রতি কর্ণপাত করতো নাঐ দাসী থেকে আমার দুটি সন্তান আছে, যারা মনি-মুক্তা সদৃশ এবং সেও আমার প্রিয় ছিলোকিন্তু গত রাতে সে যখন পুনরায় আপনার সম্পর্কে কটুক্তি গাল-মন্দ করতে থাকে, তখন আমি আমার উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি এবং ছোরা দিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে তাকে হত্যা করিতখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক যে, ঐ দাসীর রক্ত ক্ষতিপূরণের অযোগ্য বা মূল্যহীন

(দলীল: সুনানে আবু দাউদ- কিতাবুল হুদুদ- বাবু হুকমু ফিমান সাব্বান নাব্যিয়্যি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- হাদীছ নং ৪৩১০)

সূতরাং স্পষ্ট প্রমাণ হলো যারা নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে অবমাননা করে তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়া আবশ্যকহাদীছ শরীফ থেকে আমরা জানতে পারলাম এমন ঘৃন্য কাজের সাথে জড়িতদের হত্যার সমর্থন স্বয়ং নবীজী দিয়েছেন। আমাদের দেশেও নবীজীর শানের কুটুক্তিকারীর মৃত্যুদন্ড আইন বাস্তবায়ন করা হোক


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: