7.22.2017

পবিত্র কুরবানী সহ ১২ টি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বিষয়ে প্রেসক্লাবে ওলামালীগ মানববন্ধন করেছে আজ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি করার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে সরকার কে তা দ্রুত বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান

ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মো. আখতার হুসাইন বুখারী বলেন, ‘আসন্ন ঈদে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি করার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবেসিটি করপোরেশনের এই অবাস্তব সিদ্ধান্ত দেশবাসী বিগত বছরেও মানেনি এবারও মানবে না

এ ছাড়া দেশব্যাপী কোরবানির পশু পরিবহন সহজ ও চাঁদাবাজী বন্ধ করার দাবি জানান বক্তারা

আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ দলের বিশাল এই মানববন্ধনে ১২ টি বিষয়ের দাবি জানানো হয়ে তাদের পক্ষ থেকে যা নিম্নরূপঃ

১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিন্দু থেকে বিন্দুতম অবমাননাকারীদেরকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুদ- দিতে হবেএজন্য আইন প্রণয়ন করতে হবে

২. নার্সদেরকে প্যান্ট, শার্ট পরতে বাধ্যকরা যাবেনাএবং নার্সদেরকে প্যান্ট, শার্ট পরতে বাধ্যকারী সেবা অধিদপ্তরের সাম্প্রদায়িক ডিজি তন্দ্রা সিকদারকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনতে হবে

৩. প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ইসলামবিদ্বেষী ও দেশবিরোধী উগ্র হিন্দু চক্রকে চিহ্নিত করে বহিষ্কার করতে হবে

৪. যৌথ প্রযোজনার ভারতীয় সিনেমা দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানী দিচ্ছেউম্মুল মুমিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মানহানীকারী ভারতীয় সিনেমা বস টুএবং মুসলিম মেয়ে থেকে হিন্দু হতে উদ্বুদ্ধকারী সিনেমা পবিত্র ভালবাসানিষিদ্ধ করতে হবেযৌথ প্রযোজনার ভারতীয় সিনেমা আমদানিকারী বামপন্থী ইনুকে মন্ত্রিপরিষদ থেকে বহিষ্কার করতে হবেসমাজে ব্যাপক অশ্লীলতা বিস্তারকারী স্টার জলসা, জি-টিভিসহ সব ভারতীয় টিভি চ্যানেল নিষিদ্ধ করতে হবেসব পর্নোসাইট বন্ধ করতে হবে

৫. পশ্চিম আগারগাঁও মিজান মসজিদ, মধ্য পীরেরবাগের বায়তুল মামুন মসজিদ, কচুক্ষেত পুরান বাজারের নূর মসজিদের মতো দেশব্যাপী আরো অনেক মসজিদ ভাঙ্গার পর এবার কামরাঙ্গীরচর আশ্রাফাবাদ এলাকার আল-আকসা জামে মসজিদ ও নূর জাহান বেগম জামে মসজিদ ভাঙার চক্রান্ত চলছেমন্দির, গীর্জা যেখানে অক্ষত রাখা হয় সেখানে উন্নয়নের ছুতোয় মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর মসজিদ ভাঙ্গার সাহস করা হয় কি করে? কামরাঙ্গীর চরসহ দেশের যেকোনো স্থানে মসজিদ ভাঙ্গার যেকোনো চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে

৬. নাস্তিক্যবাদী মহল পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার যেকোনো কাজকেই হেফাজতীবলে সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধকে কোণঠাসা করতে চায়তাদেরকে বলতে হয়, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মালিক কি হেফাজত? এই হেফাজতের নাম দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাঠ্যপুস্তকে সংশোধিত প্রবন্ধ, কবিতা প্রত্যাহার করা বরদাশত করা হবে নামুসলমানিত্ব তুলে দিয়ে পুনরায় হিন্দুত্ববাদ-নাস্তিক্যবাদ ঢুকানোর চক্রান্ত দেশবাসী মুসলমান কখনো মেনে নিবে নাবর্তমান পাঠ্যপুস্তকে বহাল থাকা হিন্দুত্ববাদসহ ইসলামবিরোধী সমস্ত কুফরী বিষয়গুলো বাদ দিতে হবেপাঠ্যবইয়ে সাধারণ বানানের ভুল সংশোধনী দেয়া হলেও পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে ভুল সংশোধন করা হলো না কেন? মুসলমানদের সিলেবাস ও শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটি থেকে ইসলামবিদ্বেষী বামপন্থীদের বাদ দিতে হবেশিক্ষাবিদ নামধারী নাস্তিক্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদীদের চক্রান্তে দেশবাসী মুসলমানদের ক্ষেপানোর, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবেক্লাশে ক্লাশে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সিদ্ধান্তও বাতিল করতে হবে

৭. আসন্ন ঈদে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করার হিন্দু মৌলবাদী চক্রান্ত বন্ধ করতে হবেস্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশনের কুরবানী বিরোধী অবাস্তব সিদ্ধান্ত দেশবাসী বিগত বছরেও মানেনি, এবারো মানবে নাঅবিলম্বে এ অর্বাচীন সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবেনির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী নয়; বরং পরিচ্ছন্নতার জন্য সিটি কর্পোরেশনের লোকবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট বৃদ্ধি করতে হবেকুরবানীর পশুর হাট ২২টি নয়; বরং প্রত্যেক ওয়ার্ডে তথা কমপক্ষে ২০০ হাট বসাতে হবেদেশব্যাপী কুরবানীর পশু পরিবহন সহজ ও চাঁদাবাজী বন্ধ করতে হবে

৮. ছাগল ভেড়া, মহিষ পালনে ঋণ দেয়া কথা বলা হলেও গরু পালনে ঋণ দেয়ার ঘোষণা না দেয়া হিন্দু মৌলবাদী ষড়যন্ত্রের অংশদেশে গোশত উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে গরুর খামারীদেরও ঋণ দিতে হবেভারত থেকে হারাম পন্থায় জবাইকৃত গরুর গোশত আমদানির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবেআসন্ন ঈদে ভারতীয় গরু আমদানিও বন্ধ করতে হবেদেশে গভীর ষড়যন্ত্র করে গরুর গোশতের দাম দ্বিগুণ করা হয়েছেউদ্দেশ্য মুসলমান যাতে গরুর গোশত কম খায়অবিলম্বে গরুর গোশতের দাম কমাতে হবে

৯. সুপ্রিম কোর্টের সামনের চেয়ে এনেক্স ভবনের সামনে গ্রীক দেবীর মূর্তি বসানো আরো মারাত্মকঅবিলম্বে সুপ্রিম কোর্ট থেকে গ্রীক দেবীর মূর্তি অপসারণ করতে হবে

১০. মওদুদী ইসলাম ওরফে মওদুদীবাদী যুদ্ধাপরাধী জামাতীরা আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে চায়মওদুদীবাদী জামাতী ও তাদের সমর্থনকারী বিএনপিকে ভোট দেয়া হারাম

১১. আগুন সন্ত্রাস ও পেট্রোল সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী বিএনপি-জামাত প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তারা ভোট চাইতে পারে নাজনগণ আগুন সন্ত্রাস ভুলে যায়নিজনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে

১২. এতিমের টাকা ভক্ষণকারী জামাত-জোট নেত্রী খালেদাকে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার এই দেশে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবেঅতীতে ১৫ই আগস্ট জন্মদিন পালনের মাধ্যমে মিথ্যাচার করার কারণে খালেদা জিয়াকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিন্দু থেকে বিন্দুতম অবমাননাকারীদেরকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুদ- প্রদান, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রীক মূর্তি অপসারণ, হেফাজতের ধোয়া তুলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাঠ্যপুস্তকে পুনর্বহালকৃত প্রবন্ধ-কবিতা বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল, রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগেও বহাল রাখাসহ ১২ দফা দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সমমনা ১৩টি ইসলামী দল গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেমানবন্ধনে উত্থাপিত দাবিসমূহের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-

(১) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিন্দু থেকে বিন্দুতম অবমাননাকারীদেরকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুদ- দিতে হবেএজন্য আইন প্রণয়ন করতে হবে

বক্তারা বলেন, এদেশে প্রগতিশীল, বুদ্ধিজীবী ও মুক্তমনার ছদ্মাবরণে নাস্তিক্যবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছেএসব নাস্তিক্যবাদীরা পেপার-পত্রিকা, বইপত্র, সোস্যাল মিডিয়া, অনলাইন সর্বত্রই প্রকাশ্যে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছেআখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলূ বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান-মানের বিরুদ্ধে বলে যাচ্ছেযা তসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদী, দাউদ হায়দারদেরকেও হার মানিয়েছেঅথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনানাউযুবিল্লাহ!

বক্তারা বলেন, বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইট, স্যোসাল মিডিয়া, বই, ম্যাগাজিন,পত্রিকাসহ অন্যান্য প্রকাশনা, টিভি প্রোগ্রাম, রেডিও প্রোগ্রামইত্যাদিতে কোনোইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিন্দু থেকে বিন্দুতম অবমাননা করে মানহানীকর বক্তব্য, লেখা, প্রকাশ ও প্রচারকারীদেরকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুদ- দিতে হবেএজন্যমৃত্যুদ-ের আইন আইন প্রণয়ন করতে হবেবক্তারা বলেন, তবে এ উদ্দেশ্যে আমরা জামাতী পাকীদের মতো ব্লাসফেমী আইন চাইনাআমরা সম্পূর্ণ শরীয়তী আইন চাই

(২-৩) নার্সদেরকে প্যান্ট-শার্ট পরতে বাধ্যকরা যাবেনাএবং নার্সদেরকে প্যান্ট-শার্ট পরতে বাধ্যকারী সেবা অধিদপ্তরের ডিজি তন্দ্রা সিকদারকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনতে হবে

বক্তারা বলেন, সম্প্রতি দেশের সব নার্সদেরকে প্যান্ট-শার্ট পরানোর আদেশ জারি করা হয়েছেঅথচ আবহমানকাল থেকে বাঙ্গালী নারীদের জাতীয় পোশাক হলো শাড়িযা পড়তে নারীরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেসেই শাড়ী বাদ দিয়ে বিদেশী বিজাতীয় ইহুদী-খিস্টানদের প্যান্ট-শার্ট নার্সদের পড়তে বাধ্য করা মানে ইহুদী-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অনুকরণে বাধ্য করাযা সম্পূর্ণরূপে সাম্প্রদায়িক চক্রান্তমূলক সিদ্ধান্ত এবং দেশের সংস্কৃতি বিরোধী আত্মঘাতী সিদ্ধান্তআবার নার্সিং সুপারভাইজার, সিনিয়র নার্স ও ম্যানেজমেন্ট এই ইউনিফরম না পরলেও চলবেম্যানেজমেন্ট না পরে অধঃস্থন পরতে বাধ্য বাধ্য করার বিতর্কিত সিদ্ধান্তে শ্রেণী বৈষম্যের সৃষ্টি করা হয়েছেতাছাড়া হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বোরকা পরতে বাধ্য করা না গেলে ইহুদী-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্যান্ট-শার্ট পরতে বাধ্য করা হবে কেন?

বক্তারা বলেন, প্যান্ট-শার্ট চালুর সিদ্ধান্তে নার্সদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছেসাদার পরিবর্তে যে পোশাক চালু করা হলো তাতে জীবাণু লেগে থাকলেও বোঝার উপায় নেইসর্বোপরি এটা অশালীন পোশাক

বক্তারা বলেন, দেশ বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সেবা পরিদপ্তর, সিএফএমএইচআরএইচ এবং ইউএনএফপিএর জড়িত চক্রান্তকারীসহ সেবা অধিদপ্তরের ডিজি তন্দ্রা সিকদারকে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ইসলামবিদ্বেষী সিদ্ধান্ত প্রদানকারী তন্দ্রা শিকদারের মতো প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা সব ইসলামবিদ্বেষী ও দেশবিরোধী উগ্র হিন্দুদেরকে বহিষ্কার করতে হবে

(৪) যৌথ প্রযোজনার ভারতীয় সিনেমা দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানী দিচ্ছেউম্মুল মুমিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মানহানীকারী ভারতীয় সিনেমা বস টুএবং মুসলিম মেয়ে থেকে হিন্দু হতে উদ্বুদ্ধকারী সিনেমা পবিত্র ভালবাসানিষিদ্ধ করতে হবেযৌথ প্রযোজনার ভারতীয় সিনেমা আমদানিকারী বামপন্থী ইনুকে মন্ত্রিপরিষদ থেকে বহিষ্কার করতে হবেসমাজে ব্যাপক অশ্লীলতা বিস্তারকারী স্টার জলসা, জি-টিভিসহ সব ভারতীয় টিভি চ্যানেল নিষিদ্ধ করতে হবেসব পর্নোসাইট বন্ধ করতে হবে

বক্তারা বলেন, গত ২৩ জুন বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রয়োজনায় বস টুনামের একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছেএই বস টুসিনেমায় ইসলাম অবমাননাসহ দেশের মানহানীকর বিভিন্ন বিষয় দেখানো হয়েছেএই সিনেমায় দেখানো হয়েছে যে, মুল ভিলেন সে মূলত বাংলাদেশী এবং সে ভারতের জনগণের টাকা মেরে বিদেশে পালিয়ে যায়সেই টাকা উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশে আসে তার খোঁজেবাংলাদেশে এসে সে কানে আযান শুনতে পায়আযান শুনে সে একটি মাজার শরীফে যায় এবং সেখানে গিয়ে দেখে যে, সেখানে একটি কক্ষ রয়েছে যেখানে নর্তকীরা নাচেসেই রূমে সে যাওয়ার পরই অশ্লীল ও বেহায়া একজন নতর্কী সে অশ্লীল নাচ শুরু করে দেয় এবং গান গায়আর সে গানের প্রথম বাক্যই হচ্ছে আল্লাহ মেহেরবানএরকম একজন নর্তকীর মুখে আল্লাহ মেহেরবানবাক্যটি উচ্চারণ করে স্পষ্টভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারকে কটূক্তি করা হয়েছেএছাড়া সবচেয়ে কটূক্তি বিষয় হলো, সেই নর্তকী চরিত্রটির নাম দেয়া হয়েছে উম্মুল মুমিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারকের সাথে মিল রেখে। (নাউযুবিল্লাহ)সেইসাথে বাংলাদেশের জনগণকে চোর সাব্যস্ত করা হয়েছে সিনেমাটিতেএছাড়া সিনেমা পরিচালক এ.কে সোহেলের পরিচালনায় তৈরি করা হচ্ছে পবিত্র ভালোবাসানামের একটি সিনেমাযেখানে স্পষ্টভাবে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা হয়েছে এবং দেশের ভেতর সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছেএই সিনেমার মূল বিষয়বস্তু হলো- এই সিনেমায় মূল যে নায়িকা সে একজন খাদিমের মেয়েসে পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে এবং নিয়মিতপবিত্র কোরআন শরীফ পড়েএমনকি বাইরে বের হলে হিজাব পরেকিন্তু আস্তে আস্তে সে একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং হিন্দু হতে অনুপ্রাণিত হয়ে পড়েঅথচ এটা নির্মম মিথ্যাকারণ ইতিহাসে এমন নজীর নেই যে মুসলমান হিন্দু হয়েছেবরং সম্মানিত ইসলাম উনার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে শত শত কোটি হিন্দু মুসলমান হয়েছেআর হিন্দুধর্ম মতে কোনো মুসলমান হিন্দু হতেও পারবেনাএই সিনেমার মাধ্যমে বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম বিয়েকে বৈধ করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছেহিন্দুর সাথে মুসলমানদের প্রেম করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছেসেইসাথে মুসলমানদের মাঝে হিন্দুপ্রীতি ঢুকিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছেএকটি অবৈধ এবং ইসলামবিরোধী বিষয়কে জনমনে স্বাভাবিক হিসেবে প্রচার করা হচ্ছেতাই অবিলম্বে বস টুসিনেমা এবং নির্মাণাধীন পবিত্র ভালোবাসাসিনেমা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করে এই অশ্লীল ও ইসলামবিদ্বেষী সিনেমাতে অভিনয় করা বাংলাদেশী নায়ক-নায়িকাদের এবং পরিচালকদের ইসলাম অবমাননার অপরাধে আইনের আওতায় নিয়ে এসে কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবেএছাড়া এসব সিনেমার তৈরির মূল কলকাঠিনাড়ক জাজ মাল্টিমিডিয়াসহ এই ধরনের প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত ও নিষিদ্ধ করতে হবেভারতীয় টিভি চ্যানেল সংস্কৃতিচর্চার নামে এদেশ অপসংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছেনেপালে ভারতীয় টিভি চ্যানেল নিষিদ্ধ হলে আমাদের দেশে কেন হবেনা? অবিলম্বে সব ভারতীয় টিভি চ্যানেল এদেশে বন্ধ করতে হবে

(৫) পশ্চিম আগারগাঁও মিজান মসজিদ, মধ্য পীরেরবাগের বায়তুল মামুন মসজিদ, কচুক্ষেত পুরান বাজারের নূর মসজিদের মতো দেশব্যাপী আরো অনেক মসজিদ ভাঙ্গার পর এবার কামরাঙ্গীরচর আশ্রাফাবাদ এলাকার আল-আকসা জামে মসজিদ ও নূর জাহান বেগম জামে মসজিদ ভাঙার চক্রান্ত চলছেমন্দির, গীর্জা যেখানে অক্ষত রাখা হয় সেখানে উন্নয়নের ছুতোয় মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর মসজিদ ভাঙ্গার সাহস করা হয় কি করে? কামরাঙ্গীরচরসহ দেশের যেকোনো স্থানে মসজিদ ভাঙ্গার যেকোনো চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে

বক্তারা বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে রাজধানী ঢাকায় মসজিদ ভাঙ্গার মহোৎসব চলছেবুড়িগঙ্গা তীরে ২১টি মসজিদ ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, গত কয়েক বছরে শুধু আগারগাঁও এলাকায় ৫টি মসজিদ ১টি মাদরাসা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছেমেট্রো রেল প্রকল্পে কারণে আরো ২১টি মসজিদ ভাঙ্গার তালিকায় রয়েছেগত বছর বুড়িগঙ্গা নদীর তীর থেকে ২১টি মসজিদ উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়সেধারাবাহিকতায় এখন কামরাঙ্গীরচর আশ্রাফাবাদ এলাকার আল-আকসা জামে মসজিদ ও নূর জাহান বেগম জামে মসজিদ ভাঙার চক্রান্ত চলছেমসজিদ ভাঙ্গতে এলাকায় মাইকিংও চালানো হয়েছে। (নাউযুবিল্লাহ)

বক্তারা বলেন, কয়েক বছর আগে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় কামাল পাশা সরণির উন্নয়নের নামে ৫টি মসজিদ ও একটি মাদরাসা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছেএগুলো হলো- পশ্চিম আগারগাঁও মিজান জামে মসজিদের মোট জমি ছিলো ৪ কাঠাআড়াই কাঠা রাস্তা নিয়ে গেছে. বর্তমানে আছে দেড় কাঠামসজিদ কমিটি জানায়, রাস্তার যায়গা রেখেই মসজিদ করা হয়েছিলোরাস্তা যাওয়ার কথা ছিলো পাশের একটি বাড়ি ভেঙ্গেকিন্তু বাড়ি না ভেঙ্গে মসজিদ ভেঙ্গে রাস্তার যায়গা বের করা হয়মধ্য পীরেরবাগ কেন্দ্রীয় বায়তুল মামুন জামে মসজিদটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ওয়াকফ করা হয় ১৯৬০ সালেমসজিদের মোট জায়গা ছিলো ১৩ শতাংশ, ৫ শতাংশ রাস্তায় নিয়ে এখন ৮ শতাংশ আছে৩৪ উত্তর পীরেরবাগে মসজিদ-এ বায়তুল আমান, পশ্চিম মনিপুর, মিরপুরে বায়তুল মামুর জামে মসজিদের অধিকাংশ জায়গা নিয়ে গেছেসামান্য কিছু ক্ষতিপুরণ দিয়েছে, পুরোটা দেয়া হয়নিহযরত আবু বকর ছিদ্দিক ইয়াতিমখানা ও মাদরাসা : ৫.৫ শতাংশ জায়গা ছিলো২.৯ শতাংশ নিয়ে গেছে১ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবার কথাদিয়েছে মাত্র ১২ লক্ষ টাকাকচুক্ষেত, পুরাতন বাজার মসজিদুন নূর জামে মসজিদ ভেঙ্গে প্রায় ৩ শতক জায়গা রাস্তা নিয়ে গেছে

বক্তারা বলেন, ৫টি মসজিদ ও ১টি মাদরাসা ভাঙ্গতে পারলেও ভাঙ্গতে পারেনি ১টি গির্জামিরপুর-২-এর ২২/১৯ বড়বাগ ঠিকানার নাজারেথ নভিসিয়েট ও এসএল লুইজেন সিস্টারস নামক একটি গির্জা না ভেঙ্গে অক্ষত রাখায় কামাল পাশা সরণিটি সরাসরি শিশু হাসপাতালের রাস্তার সাথে সংযুক্ত হতে পারেনি, ৩ রাস্তার মোড় করে সংযুক্ত করা হয়েছেশুধু তাই নয়,চট্টগ্রামের পুটিয়ার ইন্দ্রপুর মহাসড়কের নির্মাণ করলে ১টি মন্দির ও শ্মশান ওহিন্দুদের কয়েকটি ঘরসরানোর প্রয়োজন থাকায় সড়কমন্ত্রী শুধু ১টি মন্দির ও শ্মশানই নয়, বরং হিন্দুদের বাড়িঘর রক্ষারও আশ্বাস দেয়গীর্জা, মন্দির এমনকি হিন্দুদের বাড়িঘর অক্ষত রাখলেও বিভিন্ন অজুহাতে সরকারিভাবে মসজিদ কেন ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে?

বক্তারা বলেন, বুড়িগঙ্গা তীরের মসজিদগুলো যুগ যুগ ধরে মুসলমানদের নামায ও ইবাদতের জন্যই ব্যবহৃত হয়ে আসছেমসজিদ তো নদী দূষণ করছে নারাজধানীর শত শত ড্রেন-নর্দমা দিয়ে নগরবাসীর পয়ঃবর্জ্য এবং হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোর বিষাক্ত বর্জ্য বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ছেহাজারীবাগের ট্যানারীর বিষাক্ত বর্জ্যও নদীতে পড়ে নদীর পানি দূষিত করেছেসেসব ব্যাপারে মাথা ব্যথা নেইঅথচ নদী রক্ষার দোহাই দিয়ে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মসজিদগুলো উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেপ্রকৃতপক্ষে, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছেইসলামী শরিয়তের হুকুম মেনে সে আলোকে ফায়সালা না করে জোরপূর্বক মসজিদ উচ্ছেদ করলে জামাত-হেফাযত সরকারকে ইসলামবিদ্বেষী হিসেবে প্রমাণ করার ইস্যু পাবেসুতরাং সরকারকে অতিসত্বর মসজিদ উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে

(৬) নাস্তিক্যবাদী মহল পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার যেকোনো কাজকেই হেফাজতীবলেতাদের কথা মতে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মালিক কি হেফাজত? এই হেফাজতের নাম দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাঠ্যপুস্তকে সংশোধিত প্রবন্ধ, কবিতা প্রত্যাহার করা বরদাশত করা হবে নামুসলমানিত্ব তুলে দিয়ে পুনরায় হিন্দুত্ববাদ ঢুকানোর চক্রান্ত দেশবাসী মুসলমানরা কখনো মেনে নিবে নাবর্তমান পাঠ্যপুস্তকে বহাল থাকা হিন্দুত্ববাদসহ ইসলামবিরোধী সমস্ত কুফরী বিষয়গুলো বাদ দিতে হবেপাঠ্যবইয়ে সাধারণ বানানের ভুল সংশোধনী দেয়া হলেও পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে ভুল সংশোধন করা হলো না কেন? মুসলমানদের সিলেবাস ও শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটি থেকে ইসলামবিদ্বেষী বামপন্থীদের বাদ দিতে হবেশিক্ষাবিদ নামধারী নাস্তিক্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদীদের চক্রান্তে দেশবাসী মুসলমানদের ক্ষেপানোর, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবেক্লাশে ক্লাশে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সিদ্ধান্তও বাতিল করতে হবে

বক্তারা বলেন, নাস্তিক্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদী সিলেবাসের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম ওলামা লীগই বলেছে এবং তার সাথে ছিল সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানকিন্তু বামঘেষা মিডিয়া এ আন্দোলনকে হেফাজতের আন্দোলন বলে একে দ্বিধাবিভক্ত ও দল বিশেষের মধ্যে সীমাবদ্ধ করতে চাইছেকিন্তু পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কাজ হেফাজতের নিজস্ব সম্পদ নয়ইদানিং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সব কথা বা কাজকেই হেফাজত বলে কোনঠাসা করার পায়তারা করা হচ্ছেআমরা সরকারকে এবং সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানাই এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই

বক্তারা বলেন, গত ২৭ এপ্রিল ইসলামবিদ্বেষী বামপন্থী নাস্তিক্যবাদী শিক্ষাবিদদের সাথে বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠ্যপুস্তক থেকে পুনরায় সম্মানিত ইসলামী চেতনা সম্বলিত গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেহেফাজতের দোহাই দিয়ে এসব প্রবন্ধ বাদ দিতে বাংলা বইয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে নাস্তিকদের মুক্তমনা ব্লগের অন্যতম সংগঠক, ইসলামবিদ্বেষী, কট্টর বামপন্থী শ্যামলী নাসরীন চৌধুরীকেএসব হলো শিক্ষাবিদ নামধারী বামপন্থী নাস্তিক্যবাদী, হিন্দুত্ববাদীদের চক্রান্তে দেশবাসী মুসলমানদের ক্ষেপানোর সরকারবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রশিক্ষামন্ত্রী তার বামপন্থী চেতনা বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরগুলোকে বামপন্থী নাস্তিক্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদীদের আখড়ায় পরিণত করেছেআলিম-উলামাদের বাদ দিয়ে ইসলামবিদ্বেষীদের হাতে মুসলমানদের শিক্ষা ব্যবস্থা তুলে দেয়ার চক্রান্ত যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে

(৭) আসন্ন ঈদে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানীর হিন্দু মৌলবাদী চক্রান্ত বন্ধ করতে হবেস্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশনের কুরবানী বিরোধী অবাস্তব সিদ্ধান্ত দেশবাসী বিগত বছরেও মানেনি; এবারো মানবেনাঅবিলম্বে এ অর্বাচিন সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবেনির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী নয়, বরং পরিচ্ছন্নতার জন্য সিটি কর্পোরেশনের লোকবল ও লজিস্টিক বৃদ্ধি করতে হবেকুরবানীর পশুর হাট ২২টি নয়, বরং প্রত্যেক ওয়ার্ডে তথা কমপক্ষে ২০০ হাট বসাতে হবেদেশব্যাপী কুরবানীর পশু পরিবহন সহজ ও চাঁদাবাজী বন্ধ করতে হবেআসন্ন ঈদে ছুটি ১৫ দিন দিতে হবে

বক্তারা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অজুহাতে প্রতিবছর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কুরবানী বিরোধী চক্রান্তকারীদের নির্দেশে দুই সিটি কর্পোরেশনসহ সারাদেশে সব সিটি কর্পোরেশনে কুরবানীর পশু জবাইয়ের স্থান নির্দিষ্ট করার অবাস্তব ও অগ্রহণযোগ্য নির্দেশনা জারি করে আসছেযা এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দ্বীনী স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপের শামিলভারতে যেভাবে গরু কুরবানী বন্ধ করেছে কুরবানী বিরোধী চক্রান্তকারীরা এখন এদেশেও সেই চক্রান্ত বাস্তবায়নের অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে

বক্তারা বলেন, শুধু ঢাকা শহরেই প্রতিবছর ৩০ লাখ গরু কুরবানী হয়ে থাকেগত বছরের হিসেব অনুযায়ী দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট ১১৫০টি স্পটে কুরবানীতে একটি স্পটে ২৬৫০ জনকে কুরবানী করার প্রয়োজন ছিলযা ছিল সম্পূর্ণ অসম্ভব ও অবাস্তবধারাবাহিকভাবে তিন দিন কুরবানী করলেও ২৬৫০ জন কখনো কুরবানী করতে পারবেনা এবং পারেনিএকারণে প্রতিবছরই জনগণ স্বতঃস্ফুর্তভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে

বক্তারা বলেন, কুরবানীর স্থান নির্দিষ্ট করলে লাখ লাখ কুরবানীদাতারা একই সময়ে কুরবানী তো করতে পারবেই না, বরং নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানীর জন্য দীর্ঘ সারি, যাতায়াতের সমস্যা, পরিবহন সমস্যা, গোশত বহনের ঝামেলা, গোশত ও চামড়ার নিরাপত্তা, সন্ত্রাসী-মাস্তানদের অপতৎপরতাসহ হাজারো সমস্যার মুখোমুখি হবেনএতে ঢাকাসহ সারাদেশের লাখ লাখ কুরবানীদাতা দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কুরবানী না করে ওয়াজিব তরক্বের গুনাহে গুনাহগার হবে

বক্তারা বলেন, মুসলমানদের কুরবানী নিরুৎসাহিত করতে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও রাস্তাঘাটে যত্রতত্র যখন হিন্দুদের পূজামন্ডপ করা হয়, তখন কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নারাস্তাঘাট, যত্রতত্র পূজামন্ডপ করা যাবেনা- এরুপ নির্দেশনা জারি করা হয় না বা পূজামন্ডপের স্থানও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নাএটা কি মুসলমানদের প্রতি সাম্প্রদায়িকতা নয়?

বক্তারা আরো বলেন, ইসলামবিদ্বেষীরা প্রতিবছর কোরবানী পশুর হাট নিয়ে অপপ্রচার করেঅথচ যখন পহেলা বৈশাখে সারা বাংলাদেশের সবচেয়ে মুমূর্ষু রোগীদের পাঠানো স্থান ঢাকা মেডিকেল, পিজি হাসপাতালে ও বারডেমসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে আগত সবগুলো রাস্তাই ব্যারিকেড দিয়ে আটকানো থাকে, চর্তুদিকে থাকে হারাম বৈশাখপ্রেমী অজগ্রউচ্ছৃঙ্খল লোকের ভীড়, সেখানে অ্যাম্বুলেন্স চলাতো, মানুষই চলতে পারেনাতা নিয়ে কোন মাতামাতি করেনাশাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের অবস্থানের কারনে বারডেম, পিজি, ঢাকা মেডিকেলের রোগীরা টানা ৬ দিন ধরে অবরুদ্ধ ছিলতখনও এসব ইসলামবিদ্বেষীরা কিছু বলেনিযখন কুরবানীর সময় আসে তখন তারা কুরবানীর পশুর হাটের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগেকুরবানীর পশুর হাট কমালে বা রাজধানীর বাইরে বসালে যাতায়াতের সমস্যা, পরিবহন সমস্যা, নগদ অর্থ বহন করাসহ মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে পড়বেন লক্ষ লক্ষ কুরবানীদাতারাএজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডেসহ কমপক্ষে ২০০টি পশুর হাটের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে জনদুর্ভোগ লাঘব হবে

বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এ অর্বাচীন সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবেনির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী নয়, বরং পরিচ্ছন্নতার জন্য সিটি কর্পোরেশনের লোকবল ও লজিস্টিক সার্পোট বৃদ্ধি করতে হবেকুরবানীর পশুর হাট ২২টি নয়, বরং প্রত্যেক ওয়ার্ডেসহ কমপক্ষে ২০০ হাট বসাতে হবেদেশব্যাপী কুরবানীর পশু পরিবহন সহজ ও চাঁদাবাজী বন্ধ করতে হবেকুরবানীর পশুর হাট নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করা যাবেনাআর আসন্ন ঈদে ১৫ দিন ছুটি দিতে হবে

(৮) ছাগল ভেড়া, মহিষ পালনে ঋণ দেয়া কথা বলা হলেও গরু পালনে ঋণ দেয়ার ঘোষণা না দেয়া হিন্দু মৌলবাদী ষড়যন্ত্রের অংশদেশে গোশত উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে গরুর খামারীদেরও ঋণ দিতে হবেভারত থেকে হারাম পন্থায় জবাইকৃত গরুর গোশত আমদানির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবেআসন্ন ঈদে ভারতীয় গরু আমদানিও বন্ধ করতে হবেদেশে গভীর ষড়যন্ত্র করে গরুর গোশতের দাম দ্বিগুণ করা হয়েছেউদ্দেশ্য- মুসলমান যাতে গরুর গোশত কম খায়তাই অবিলম্বে গরুর গোশতের দাম কমাতে হবে

বক্তারা বলেন, ভারত থেকে এবার হিমায়িত গরুর গোশত আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছেভারতের গোশত রফতানীর সঙ্গে যুক্ত এ রকম কয়েকজন ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশ সফর করেছেকিন্তু এটি একটি গভীর চক্রান্ত এবং বাংলাদেশের গরু ব্যবসায়ীদের পথে বসানোর ষড়যন্ত্রকারণ বর্তমানে বাজারে গরুর গোশতের দাম ৫০০ থেকে ৫২০ টাকাআর ভারত থেকে গরুর গোশত আমদানি করা হলে তার খরচ পড়বে ২৫০ টাকাঅন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচ মিলিয়ে সবমিলিয়ে তারা ৩০০ টাকায় সেই গোশত বাজারে ছাড়বেএতে করে দেখা যাবে, দেশীয় গরুর গোশতের বাজার ভারতে তথা ভারতের গরু ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাবে এবং পথে বসবে দেশীয় গরু ব্যবসায়ী ও গোশত ব্যবসায়ীরাএছাড়া বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশসেইসাথে বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হলো দেশে কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাস হবে নাআর এই মুসলমানদের দেশে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী মুশরিকদের দ্বারা জবাইকৃত হারাম গোশত মুসলমানরা খেতে পারেনাআর আমদানি করে এটা জোরপূর্বক বাংলাদেশের গরুর গোশতের বাজারে প্রবেশ করলে সেটা হবে দেশের মুসলমানদের দ্বীনী অনুভূতিতে প্রবলভাবে আঘাত দেয়াতাই অবিলম্বে সরকারকে এই আত্মঘাতি ও ইসলামবিরোধী পদক্ষেপ থেকে সরে আসতে হবেসেইসাথে যেভাবে ছাগল ভেড়া, মহিষ পালনে ঋণ দেয়ার পাশাপাশি গরু পালনেও সরকারি ঋণের ব্যবস্থা করে দেশের গরুর গোশতের বাজার স্থিতিশীল করতে হবে।। দেশে যাতে প্রচুর পরিমাণে গরুর খামার গড়ে উঠে দেশ গরুর গোশতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে সেজন্য মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে

(৯) সুপ্রিম কোর্টের সামনের চেয়ে এনেক্স ভবনের সামনে গ্রীক দেবীর মূর্তি বসানো আরো মারাত্মকঅবিলম্বে সুপ্রিম কোর্ট থেকে গ্রীক দেবীর মূর্তি অপসারণ করতে হবে

বক্তারা বলেন, সুপ্রিম কোটের সামনে স্থাপিত গ্রীক দেবী থেমিসের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে এটা মূলত তার অস্তিত্ব স্বীকার করে এবং তার দেবীত্বের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেই করা হয়েছেতাও শুধুমাত্র দেবীতে বিশ্বাসীদের মন্দিরে স্থাপন হলে কথা ছিলকিন্ত এটা স্থাপন করা হয়েছে সুপ্রীম কোর্টের সামনে যা সারাদেশবাসীর চরম আস্থা ও বিশ্বাসের স্থান সুপ্রিম কোর্টের সামনেঅথচ ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান কেউই এই দেবীতে বিশ্বাসী নাবরং ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের দ্বীনী বিশ্বাস অনুযায়ী কোনোপ্রকার দেবদেবীর অস্তিত্ব স্বীকার ও বিশ্বাস করা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিকআর সঙ্গতকারণেই এর মাধ্যমে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর দ্বীনী অনুভূতিতে চরম আঘাত করা হয়েছে

বক্তারা বলেন, দেশের মালিক সংবিধানের মালিক জনগণআর দেশের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হচ্ছেন জনপ্রতিনিধিপ্রধানমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রী উভয়েই জনপ্রতিনিধিমূর্তিস্থাপনে সেই জনপ্রতিনিধিদের মতামত নেয়া হয়নি

বক্তারা বলেন, গ্রীকরা বিশ্বাস করে থেমিস/জাষ্টিশিয়া তাদের ন্যায় বিচারের প্রতীকযা এদেশের সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানদের বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিরোধীতাছাড়া ঐতিহ্যগতভাবেই বাংলাদেশে সুপ্রিমকোর্টের বিচারের প্রতীক দাড়িপাল্লাসেখানে দাড়িপাল্লা বাদ দিয়ে তথাকথিত গ্রীক ন্যায় বিচারের প্রতীক থেমিসের মূর্তি স্থাপন করে প্রধান বিচারক সুপ্রিমকোর্টের ঐতিহ্যে আঘাত হেনেছে

(১০) মওদুদী ইসলাম ওরফে মওদুদীবাদী যুদ্ধাপরাধী জামাতীরা আগামী নির্বাচনে দাড়াঁতে চায়মওদুদীবাদী জামাতী ও তাদের সমর্থনকারী বিএনপিকে ভোট দেয়া হারাম

বক্তারা বলেন, বিএনপির কাঁধে ভর করা যুদ্ধাপরাধী মওদুদীবাদী জামাতীরা আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে চায়আল্লাহর আইন চাই, সৎলোকের শাসন চাই বলে কুফরী আক্বীদাযুক্ত অসৎ মওদুদীবাদী জামাতীদের জন্য ভোট চাইতে চায়ভোট নাকি আমানত; আর তাদের না দিলে সেটা খেয়ানত বলে অপপ্রচার চালাতে চায়মওদুদীবাদী জামাতীদের ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে বলে মহিলা জামাতীদের মাঠে নামাতে চায়কিন্তু দেশের ৩০ লাখ মানুষ শহীদকারী পাকী বাহিনীর দোসর শান্তিকমিটি, আল-বাদর, আল-শামস বাহিনী যেভাবে হত্যা, লুণ্টন, সম্ভ্রমহরণ করেছে তথা হক্কুল ইবাদ নষ্ট করেছে তার জন্য এ যাবত তারা ক্ষমা চায়নিক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়নিবরং তারা জামাতে ইসলামবা ইসলামের জামাত নাম লাগিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে ইসলামবিরোধী মওদুদীবাদেদিক্ষিত করছেআর এদের সহযোগী বিএনপি মওদুদীবাদী যুদ্ধাপরাধীদের তাবৎ ইসলামবিরোধী কাজে মদদ দিয়ে যাচ্ছেতাই মওদুদী ইসলাম পালনকারী জামাতীসহ তাদের সমর্থনকারী বিএনপিকে ভোট দেয়া যাবেনা, বরং হারাম

(১১) আগুন সন্ত্রাস ও পেট্রোল সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী বিএনপি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তারা ভোট চাইতে পারে নাজনগণ আগুন সন্ত্রাস ভুলে যায়নিজনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে বক্তারা বলেন, আজকে আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসতে চাচ্ছেঅথচ বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টিকারী বিএনপি ক্ষমতায় না এসেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দেশব্যাপী যে তা-ব চালিয়েছে তার ভয়াবহতা এখনো দেশের জনগণ ভুলে যায়নি৫ জানুয়ারির পর থেকে সারা দেশে ৫৫৬টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছেএ সবের মধ্যে পেট্রোলবোমা ও অগ্নিসংযোগের ফলে দগ্ধ হয়ে ৭৫ জন ও ক্রসফায়ারে ৬৪ জন নিহত হয়েছেরাজনৈতিক সহিংসতায় বার্ন ইউনিটে ১৬৫ জন দগ্ধ চিকিৎসা নেয়এছাড়া আহত হয় ৩০৫১ জন ব্যক্তিগাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের সংখ্যা ১৩৯৫তে অগ্নিদগ্ধদের ৩০-৩৯ বছর বয়সীদের ৬৯ দশমিক ৪৪ ভাগ বিষণœতায়, ২০-২৯ বছর বয়সীদের ৯৪ দশমিক ৪৫ ভাগ উদ্বিগ্নতায় ভুগছে৬২ দশমিক ৮০ ভাগ নারী ও ৭১ দশমিক ৪৩ ভাগ পুরুষ বিষণœতায়, ৮৮ দশমিক ৩৭ ভাগ নারী, ৯১ দশমিক ৪২ ভাগ পুরুষ উদ্বিগ্নতায় ভুগছেএছাড়া গ্রামের তুলনায় শহরে বিষণœতা ও শহরের তুলনায় গ্রামে উদ্বিগ্নতার হার বেশি বলেও দাবি করা হয়েছেসামজিক প্রভাবের ক্ষেত্রে অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে ১০ দশমিক ২৫ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদ, ১৭ দশমিক ৯৪ ভাগ পারিবারিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া, ৫০ ভাগ কর্মসংস্থান হারানোর আতংকে রয়েছেআর নিরীহ সাধারণ মানুষের উপর যারা নিজেদের অপরাজনীতির ক্ষোভ মেটাতে পারে তারা কোনো সময় ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারবে নাসেইসাথে দেশের জনগণও তাদেরকে গ্রহণ করবে নাতাই অতিবিলম্বে সরকারের উচিত হবে, আগুন সন্ত্রাসী দল বিএনপির আগুন সন্ত্রাসের এবং হত্যাকান্ডগুলোর বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করাআগুন সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া ছাড়া এবং ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপুরণ দেয়া ছাড়া মুসলমান দাবী করতে পারেনাকারণ সম্মানিত ইসলাম উনার মধ্যে হক্কুল ইবাদের গুরুত্ব অপরিসীমএই হক্কুল ইবাদের কথা উলামা লীগ সর্বত্র সোচ্চার কণ্ঠে তুলে ধরবে

(১২) ইয়াতিমের টাকা ভক্ষণকারী জামাত-জোট নেত্রী খালেদাকে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার এই দেশে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবেঅতীতে ১৫ই আগস্ট জন্মদিন পালনের মাধ্যমে মিথ্যাচার করার কারণে খালেদা জিয়াকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে

বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টজিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টএর নামে প্রধানমন্ত্রীর ইয়াতিম তহবিলথেকে নিয়ে সোয়া পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাত করে খালেদা জিয়াএ নিয়ে তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ আরো ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)তারপরও এতিমের টাকা ফেরত দেননি খালেদাক্ষমা চাননি ইয়াতিমদের কাছে

বক্তারা বলেন, একইভাবে মিথ্যাচার করে পালন করে এসেছে ১৫ আগস্টকে তার জন্মদিন পালনের ক্ষেত্রেযেমন ১৯৯১ সালের ২০শে মার্চ তারিখে দৈনিক বাংলা পত্রিকায় সরকারী সংবাদ সংস্থা বাসস থেকে পাঠানো তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবনী ছাপা হয়এতে উল্লেখ করা হয় যে তার জন্মদিন ১৯৪৫ সালের ১৯শে আগষ্টম্যাট্রিক পরীক্ষার মার্কশীট অনুসারে খালেদা জিয়ার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৫ই সেপ্টেম্বরবিয়ের কাবিননামা অনুসারে তার জন্মদিন ১৯৪৪ সালের ৯ই আগষ্ট২০০০ সালের ভোটারের তথ্য বিবরনী ফরমে খালেদা জিয়া উল্লেখ করেন যে তার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ১৫ই আগষ্ট! এ বিষয়ে ১৫ই আগষ্ট, ২০১০ তারিখের দৈনিক যুগান্তরের রিপোর্ট হয়: সাবেক হুইপ জামালের পরামর্শে শুরু ১৫ আগষ্ট জন্মদিন পালন শুরু করেনএভাবেই তিনি ১৫ আগস্টকে জন্মদিন পালনে আবিষ্কার করেনকিন্তু জনগণের কাছে তার মিথ্যাচার ধরা পড়ার পরও এখন পর্যন্ত তিনি ক্ষমা চাননি দেশবাসীর কাছেইয়াতিমের টাকা ভক্ষণকারী, ধারাবাহিক মিথ্যাচারকারী জামাত-জোট নেত্রী খালেদাকে অবিলম্বেক্ষমা চাইতে হবেঅন্যথায় তাকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে

সমাবেশ ও মানবন্ধনে সমন্বয় করেন, পীরজাদা, পীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বর্ষীয়ান বিপ্লবী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী, (পীর সাহেব, টাঙ্গাইল), সভাপতি- বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগএছাড়া বক্তব্য রাখেন- আলহাজ্জ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সাধারণ সম্পাদক- বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ, আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, সভাপতি- সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদ, আলহাজ্জ মাওলানা হাবীবুল্লাহ রূপগঞ্জী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগমাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ ছিলিমপুরী, দপ্তর সম্পাদক- বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ, মাওলানা মুজিবুর রহমান চিশতি সহ-সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগহাফেজ মাওলানা মোস্তফা চৌধুরী বাগেরহাটি হুযূর-সভাপতি বাংলাদেশ এতিমখানা কল্যাণ সমিতি, হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জলিল, মাওলানা জুবায়ের হাসান নিজামী, আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ তাজুল ইসলাম, আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর সভাপতিডা. সাইফুদ্দীন মিয়াজি, আল্লামা পীরজাদা পীর আলহাজ্জ হাফেয ক্বারী মাওলানা কাজী মাসুদুর রহমান- সভাপতি বাংলাদেশ ইমাম মুয়াজ্জিন মুসল্লী দ্বীনি কল্যাণ পরিষদ, ডাক্তার মাওলানা মুহম্মদ সাইফুদ্দিন মিয়াজী, আলহাজ্জ আতাউর রহমান বঙ্গ, মাওলানা আব্দুর রহিম শেরপুরীহাফেজ মাওলানা মুহম্মদ ফরহাদ হুসাইন, হাফেজ মাওলানা ইয়াসিন আহমদ চিশতীঅনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদ চেয়ারম্যান- আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তারমিছিল শেষে শহীদ বঙ্গবন্ধু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার রূহের মাগফিরাত কামনা করে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হায়াতে তৈয়বার জন্য দোয়া মোনাজাত করেন- আলহাজ্জ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী

বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদ, জাতীয় কুরআন শিক্ষা মিশন, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ওলামা মাশায়েখ ঐক্যজোট, বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা পরিষদ, কেন্দ্রীয় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত, বাংলাদেশ, হাক্কানী আলেম সমাজ, জাতীয় ওলামা পরিষদ, বাংলাদেশ এতিমখানা কল্যাণ সমিতি, ইমাম মোয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ ফেৎনা প্রতিরোধ কমিটি, আমরা ঢাকা বাসী এর পক্ষেঃ (আলহাজ্ব কাজী মাওলানা মো: আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী)
সাধারণ সম্পাদক-
বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি

মোবাইল: ০১৮১৯-২৭৯৪৭৫


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: