7.08.2017

সুন্দর, সুশ্রী বালক দেখলেই কী জলহস্তি নাস্তিকদের পায়ুকামের ইচ্ছা জাগে?

পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফে গেলমানশব্দ নিয়ে খোঁচাখুঁচি নাস্তিকদের অনেক দিনের অভ্যাস জলহস্তি নাস্তিক ফারজানা খবির অনেক ঘাঁটাঘাটি করে কিছু আয়াত শরীফ বের করে দাবি করেছে যে, কুরআন শরীফে নাকি সমকামিতা নিয়ে দ্বিমুখী কথা বলা হয়েছেসে লিখেছেঃ-

//একদিকে কোরানে বলা হয় সমকামিতা হারাম আবার অন্যদিকে বলা হয়,

وَيَطُوفُ عَلَيۡهِمۡ غِلۡمَانٞ لَّهُمۡ كَأَنَّهُمۡ لُؤۡلُؤٞ مَّكۡنُونٞ

অর্থ, আর তাদের (সেবা যত্নে) কাজে নিযুক্ত থাকবে এমন সুন্দর সুশ্রী বালক, তারা যেন (ঝিনুকে) লুকিয়ে থাকা মুক্ত
(সূরা তুর: ২৪)

কোরান এবং হাদিসের নানা জায়গায় সমকামিতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছেআবার গেলমান বিষয়ে বলা হয়েছে: সেবকগণ হবে চিরন্তন বালকতাদের (সেবার জন্য) নির্ধারিত থাকবে এমন সব বালক যারা চিরদিনই বালক থাকবেআপনি তাদেরকে দেখলে মনে করবেন এরা যেন ছড়িয়ে দেয়া মুক্তা” (সূরা দাহর: ১৯) // (https://goo.gl/uQfF6d)

*************************************
অথচ পবিত্র কুরআন শরীফে গেলমান নিয়ে যৌন উত্তেজক কিছুই বলা হয়নি, যা বলা হয়েছে তা হচ্ছে তারা হবে সুশ্রী-সুন্দর মুক্তার মতোতাতেই ফারজানা খবিশদের লম্ফঝম্ফ শুরু হয়ে গেছে, এতে নাকি পুটুকামের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে নাউযুবিল্লাহপ্রশ্ন হতে পারে, নাস্তিকদের প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয়দের মধ্যে কি কোন সুশ্রী সুন্দর বালক নেই? কিংবা থাকলে কি তারা তাদেরকে বলাৎকার করে থাকে? তা না হলে সুশ্রী বালকশব্দটা শোনা মাত্রই কেন নাস্তিকদের মাথায় পায়ুকামের কথা আসবে? অথচ জ্ঞানী মাত্রই জানে মানুষ সুন্দরের পাগল আর ছোট ছোট সুন্দর বাচ্চা দেখতে কার না ভালো লাগে? কারো একটি সুন্দর বাচ্চা দেখলে মানুষ আফসোস করে যে ইশ আমার যদি এরকম একটি সুন্দর বাচ্চা থাকতো তাহলে কতো ভালো হতো আমি তাকে আদর যত্ন করে লালন পালন করতাম। অথচ কতো নিচু মেন্টালিটির হলে ফারজানা খবিশদের মনে সুন্দর সুশ্রী বালক দেখলে তাকে বলৎকারের চিন্তা আসে।

এর পরেও আরেকটি বিষয় হচ্ছে কুরআন শরীফ হচ্ছে দুনিয়াবাসীর জন্য দুনিয়ার পরের জীবনের সংবিধান নয় এইটা এই বলদ ফারজানা খবিশদের মাথায় আসেনাই যেমন, দুনিয়ায় মদ হারাম, পুরুষদের জন্য রেশমের কাপড় হারাম, সোনা হারাম, লাল, হলুদ, জাফরান রঙ্গের কাপড় হারাম, একসাথে ৪ জনের উপর বিবি রাখা হারাম অথচ এর সবগুলোই জান্নাতে হালাল। এখন কি তবে জলহস্তী ফারজানা খবিশরা এগুলোর ব্যপারে কিছু বলবে?

আসলে এরা না জানে দ্বীন না জানে দুনিয়া, এদের মূর্খতা আর অজ্ঞতার কারনে এরা হয়েছে ইসলাম বিদ্বেষী, আর সেই সুযোগে ইহুদি নাসারারা তাদের সামান্য কিছু অর্থ আর বিনোদন দিয়ে যা ইচ্ছে তা করাচ্ছে আর মূর্খরা তা গিলতেই আছে।

এই হারামী জলহস্তী ফারজানা খবিশদের ইসলাম বিদ্বেষী কথাগুলো সহজে প্রচার পেলেও  প্রচারের অভাবে অনেকেই জানে না যে, মুসলমান নয় বরং পশ্চিমা দেশের মিশনারী চার্চগুলোতে শিশু নিপীড়ন কতোটা ভয়ানকচার্চে শিশু বলাৎকারের ঘটনায় পোপ জন পল কিংবা তেরেসার মত রাঘববোয়ালদের নামও চলে আসেইউটিউবে church child abuse লিখে সার্চ দিলে নিচের লিঙ্কটির মতো প্রচুর ডকুমেন্টারী পাওয়া যায়। (https://youtu.be/lvgJz78lX-8)

নিচের ছবিটি পর্তুগালের লিসবন শহরের একটি দেয়ালচিত্র, যেখানে এক যাজক দুজন শিশুকে তাড়া করছে ধর্ষণ করার জন্যউইকিপিডিয়ায় Catholic Church sexual abuse cases নামক আর্টিকেলে ছবিটি শুরুতেই দেয়া হয়েছেএতেই বোঝা যায় যে পশ্চিমে খ্রিস্টান মিশনারীদের পুটুকামিতা কতোটা সর্বগ্রাসী, যে কারণে ইউরোপের রাস্তার দেয়ালচিত্রেও সেটি ফুটে উঠে


এই সর্বগ্রাসী পুটুকামি খ্রিস্টান মিশনারীদের এজেন্টই হলো ফারজানা খবিরের মতো জলহস্তি নাস্তিকেরা, মিশনারীদের টাকা খেয়েই তারা বাংলাদেশে নাস্তিকতা ছড়ানোর মিশনে লিপ্তযে কারণে সুশ্রী বালকশব্দ দেখলেই এদের মাথায় পায়ুকামের প্রসঙ্গ এসে যায় মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে স্নেহভরা মনে কপালে চুমু খেতে


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: