11.12.2017

উগ্রপন্থী হিন্দুরা নিরীহ মুসলমান হত্যা করলেও তা এখন বলা অপরাধ, কিন্তু কেনো?


এক হিন্দু ফেসবুকার তার স্ট্যাটাসে মুসলমানদের হয়ে কেবল মুখ ফুটে রংপুরের নিরীহ মুসলমানদের হত্যার কথা বলেছিলো, তাতেই তাকে গালিগালাজ করে যাচ্ছে উগ্রপন্থী হিন্দু ও ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকেরা। অর্থাৎ মুসলমান মারা গিয়েছে, এই কথাটা মুখ ফুটে বলাটা হিন্দুদের নিকট জঘন্য অপরাধ। কারণ তাতে করে তাদের ঘরপোড়ার নাটক গুরুত্বহীন হয়ে যায়।

পবিত্র ইসলাম অবমাননাকারী রংপুরের টিটু রায়ের আরেকটি পরিচয় হলো, সে স্থানীয় এনজিও ও প্রতিবেশীদের টাকা মেরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পালিয়েছিল। সেই বাটপার টিটু রায়ের বৃদ্ধা মায়ের মায়াকান্না ডিএসএলআর ক্যামেরায় ফোকাস করে হিন্দু নির্যাতনের বিরাট নাটক সাজানো হলো। সেই হিন্দু চোরের মায়ের কান্না দেখে মডারেট মুসলমানরা সব আহা-উহু করে বলতে লাগল, এক টিটু রায়ের জন্য সব হিন্দু তো খারাপ হতে পারে না। কি হাস্যকর!

মুসলমানদের এই হিন্দুপ্রীতির কারণেই সরকার রংপুরের মুসলমানদের পক্ষে না গিয়ে হিন্দুদের পক্ষে গিয়েছে। খবরে এসেছে, রংপুরের ২০ গ্রাম পুরুষশূন্য এবং সেখানকার মুসলিম নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কেউই নেই।

এটাই স্বাভাবিক, কারণ গণতান্ত্রিক সরকার ন্যায়-অন্যায় দেখে না, সে দেখে জনমতের হাওয়া কোন দিকে যাচ্ছে। এদেশের মুসলমানরা যদি হিন্দুদের তুষ্ট করতে একজন আরেকজনের গোশত খায়, সেক্ষেত্রে সরকার মুসলমানদের গুলি করে মারবে এটাই তো স্বাভাবিক। যেই পৌত্তলিকদেরকে জাযিরাতুল আরব থেকে বের করে দেয়ার কথা বলা হয়েছে বুখারী শরীফে, সেই পৌত্তলিকদের মাঝে ভালো খুঁজতে গিয়ে এদেশের মুসলমানদের আর নিজেদের দিকে তাকানোর সময় নেই।

ইসলামের দৃষ্টিতে বিতাড়ণের উপযুক্ত এসব পৌত্তলিকদেরকেই সাচ্চা মুসলমানহওয়ার মাপকাঠি নির্ধারণ করেছে এদেশের মডারেট মুসলমানরা। তাই যেসব হিন্দুরা মুসলমান হত্যার প্রতিবাদ করলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, মুসলমানদের জীবনের সামান্যতম গুরুত্বও দেয় না, সেইসব হিন্দুদের ঘর পোড়া নিয়ে মুসলমানরা সহানুভূতি দেখাতে ব্যস্ত হয়ে যায়। রংপুরের ২০ গ্রামের পুরুষ অভিভাবকহীন হাজার হাজার মুসলিম মা-বোনের দুর্ভোগ এদেশের মুসলমানদের চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ তাদের দৃষ্টিতে মুসলমান মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করাটা সাচ্চা মুসলমানের পরিচয় নয়, সেটা করতে গেলে তো সাম্প্রদায়িক হয়ে যেতে হয়। কিন্তু ইসলাম নিয়ে কটূক্তিকারী হিন্দু টিটু রায়ের মায়ের নাটুকেপনার প্রতি সহানুভূতি দেখালেই চৌদ্দ পুরুষের বেহেস্ত নিশ্চিত!


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: